বাড়িতে চিকিৎসায় গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড -

বাড়িতে চিকিৎসায় গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড

পেশাদার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে বাড়ির দরজায়।

হাসপাতালে ছোটাছুটি নয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা যদি পৌঁছে যায় আপনার বাড়ির দরজায়? আধুনিক জীবনে এই প্রশ্নের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষত বাড়িতে প্রবীণ বাবা-মা রয়েছেন, পরিবারের কোনও সদস্য দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন, অথবা কর্মসূত্রে সন্তানকে অন্য শহরে থাকতে হয়-তাঁদের কাছে বাড়িতে চিকিৎসা ও পরিচর্যার সুবিধা হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পরিবর্তনশীল স্বাস্থ্যপরিচর্যার চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ম্যাক্সিমন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড  নিয়ে এসেছে গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড – তিন বছরের একটি পারিবারিক হেলথকেয়ার মেম্বারশিপ, যার মাধ্যমে একাধিক পেশাদার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে বাড়ির দরজায় অর্থাৎ চিকিৎসা যখন পৌঁছে যাবে বাড়িতে।

আজকের ব্যস্ত জীবনে প্রতিবার ডাক্তার দেখাতে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়া অনেকের কাছেই যথেষ্ট কঠিন। প্রবীণ মানুষ, নিয়মিত পরিচর্যার প্রয়োজন রয়েছে এমন রোগী কিংবা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাধীন পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরও বেশি। গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের  মাধ্যমে বাড়িতে ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি পাওয়া যাবে নার্সিং ও অ্যাটেনড্যান্ট কেয়ার, জেরিয়াট্রিক কেয়ার ম্যানেজমেন্ট, বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া, ডায়াগনস্টিক স্যাম্পল সংগ্রহ, ফিজিওথেরাপি এবং মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট ভাড়া বা কেনার সুবিধা।

শুধু তাই নয়, রয়েছে প্রায়োরিটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট, হেলথ রেকর্ড কো-অর্ডিনেশন এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা ও ফার্মেসি পরিষেবায় ছাড়ের সুবিধা।

অর্থাৎ, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি পরিষেবার বদলে পরিবারের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরিচর্যাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে আনার চেষ্টা।

দূরে থাকা সন্তানদের জন্যও কি হতে পারে ভরসা?

এখন বহু পরিবারেই সন্তান কর্মসূত্রে কলকাতার বাইরে, অন্য রাজ্যে কিংবা বিদেশে থাকেন। বাবা-মা থাকেন নিজের শহরে। প্রতিদিন পাশে থাকা সম্ভব না হলেও তাঁদের চিকিৎসা, ওষুধ, পরীক্ষা বা প্রয়োজনীয় পরিচর্যার বিষয়ে নজর রাখা তো জরুরি।সেই জায়গাতেই হোম হেলথকেয়ার-এর গুরুত্ব বাড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি দৈনন্দিন স্বাস্থ্যপরিচর্যার একটি অংশ যদি বাড়িতেই পাওয়া যায়, তাহলে পরিবারের সদস্যদের জন্য তৈরি হতে পারে বাড়তি নিশ্চিন্তি। আর এখানেই গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের ভাবনা – যাঁরা একদিন আমাদের যত্ন নিয়েছেন, তাঁদের যত্নের দায়িত্বকে আরও সহজ ও সংগঠিত করে তোলা।

তিন বছরের মেম্বারশিপে কী কী?

গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের মূল্য মাত্র  ₹৩,৯৯৯ এবং মেয়াদ তিন বছর।

মেম্বারশিপের সঙ্গে থাকছে কমপ্লিমেন্টারি- ইসিজি লিপিড প্রোফাইল সিবিসি এফবিএস এবং চিকিৎসকের পরামর্শ।এছাড়াও যোগ্য সদস্যদের জন্য রয়েছে ₹৫ লক্ষ পর্যন্ত অ্যাক্সিডেন্টাল ইনসিওরেন্স কভার  এবং ₹১ লক্ষ অ্যাক্সিডেন্টাল মেডিকেল বেনিফিট  ,তবে এগুলি প্রযোজ্য বিমা পলিসির শর্ত, বর্জন, যোগ্যতা ও অন্যান্য নিয়মের অধীন।শুধু পরিষেবা নয়, একটি দায়িত্বের ভাবনার বিকাশ ।গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের এই শুভলগ্নে প্রধান অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাহিত্যব্যক্তিত্ব বীথি চট্টোপাধ্যায়, যিনি উদ্বোধনী মেম্বারশিপ গ্রহণ করেন।

তাঁর বক্তব্যের মূল ভাবনাতেই উঠে আসে এই পরিষেবার প্রয়োজনীয়তা-স্বাস্থ্যপরিচর্যা যেন শুধু হাসপাতাল বা ক্লিনিকের চার দেওয়ালে সীমাবদ্ধ না থাকে। বিশেষ করে প্রবীণ ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত সহায়তার প্রয়োজন হলে বাড়িতে পেশাদার পরিষেবা তাঁদের জীবনকে আরও স্বচ্ছন্দ ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

আপনার পরিবারেরও কি প্রয়োজন এমন একটি ‘গার্ডিয়ান ’?বাড়িতে কি রয়েছেন বয়স্ক বাবা-মা?কেউ কি নিয়মিত ওষুধ খান?কর্মসূত্রে কি আপনাকে প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতে হয়? অথবা ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যপরিচর্যার জন্য কি একটি সংগঠিত ব্যবস্থা চাইছেন?তাহলে গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যেতে পারে। কারণ স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ হয়তো শুধু হাসপাতালের মধ্যে নয়-আপনার নিজের বাড়ির দরজার কাছেও।

এই সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোমনাথ ভট্টাচার্য বলেন, “এখন বহু ছেলেমেয়ে দেশে-বিদেশে থাকেন, শহর থেকে মফস্সলে প্রবীণরা বড্ড একা। বর্তমানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০.৫ শতাংশ বয়স্ক মানুষ। ২০৪৬ সালে সংখ্যাটা আরও বাড়বে। তাঁদের খেয়াল রাখতেই, পাশে থাকতেই এই বিশেষ পরিষেবার কথা ভাবা হয়েছে। এঁরা একা থেকেও একা নন, যদি সাথে থাকে ‘গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড’। শুধু বাড়িতেই সব পরিষেবা নয়, কিছু হলে হাসপাতালে ভর্তি করা থেকে আবার সুস্থ করে বাড়ি ফিরিয়ে আনা-সব ধরনের পরিচর্যাই মিলবে এই কার্ডের আওতায়।”

বিস্তারিত জানতে ও পরিষেবার জন্য : 9831672572, 6290225511 -৮৭/২৪৩ রাজা এস সি মল্লিক রোড ,কলকাতা – ৭০০০৪৭ ।ওয়েবসাইট – www.maximonindia.com     

শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *