১০ স্টাইলিশ ফ্যাশন টিপস

বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ট্যান ফ্রান্স,ভোগ ফ্যাশন গাইড।

স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন “ফ্যাশন টা হল মুখোশ,স্টাইলটা হল মুখশ্রী।” ফ্যাশন হচ্ছে কোন একটা নির্দিষ্ট সময়ের ট্রেন্ড,যেটা যে কেউ ফলো করতে পারে।আর স্টাইল ব্যাপারটা হচ্ছে ব্যাক্তিগত একটা ব্যাপার, যেটা হালের ফ্যাশনও হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ট্যান ফ্রান্স,ভোগ ফ্যাশন টিপসঃ

১) ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব সাজিয়ে রাখুন:এর অর্থ যে কোনও অকেশনে পরার সঠিক পোশাকের সম্ভার যেন থাকে আপনার ওয়ার্ডরোবে।যেমন একটা এলিগেন্ট ব্ল্যাক ড্রেস,দুটো ফিটেড জিন্স,একটা ক্ল্যাসিক ব্লেজার,নিউট্রাল কালারের সিম্পল আর বাটন ডাউন টি শার্টস, স্মার্ট ডেনিম জ্যাকেট,ম্যাচিং সালোয়ার কুর্তি,শাড়ি-ব্লাউজ,সুতি,সিল্ক,শিফন সম্ভার।

২) পারফেক্ট ফিট: আজকের দিনে এটা না হলে সব ভণ্ডুল হয়ে যাবে।প্রপার ফ্যাশনিস্তারা সবসময় টেলার্ড ড্রেস পছন্দ করে আর না হলেও রেডিমেড ড্রেস একটু অল্টার করে পরা কারণ ড্রেস পারফেক্ট ফিট না হলে পুরো সাজগোজ বৃথা।

৩) ভারসাম্য:যাকে ওভারঅল এস্থেটিক হার্মোনি ব্যালেন্স বলা হয়।উদাহরণ হিসেবে টাইট ক্রপ টপের সঙ্গে ওয়াইড লেগ জিন্স অথবা পাফ শোল্ডার্ড টপের সঙ্গে স্ট্রেট লেগ প্যান্টস।এখানে সিম্পল অথচ এলিগ্যান্ট  ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট লিনেন শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং গ্রে ব্ল্যাক ফুল স্লিভ ব্লাউজে আভিজাত্যের প্রকাশ।  

৪)নিজস্ব সিগনেচার স্টাইল: খুঁজে পেলে খুব ভাল অর্থাৎ যে পোশাকে আপনার নিজস্ব সত্তা প্রকাশ পায়।সুতির শাড়িতে,জিন্স আর টপে,কোনও বিশেষ রং যা আপনার চেহারা আর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানায়।এটা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারেন। দেখবেন কোনও পার্টিকুলার ড্রেসে,রঙে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে এমন অনেক কমপ্লিমেন্ট পেলে। 

৫)বেটার শপার:অর্থাৎ লেটেস্ট ফ্যাশন,স্টাইল,ডিজাইন,ট্রেন্ড ফলো করে কেনাকাটি করা, ইচ্ছে হলে ভাল লাগলেই,হুজুগে কিছু কেনাকাটা নয়।আপনার ওয়ার্ডরোবে অনেক এমন ড্রেস আছে যা হুজুগে কিনে ফেলে পরে একদম সেভাবে পরাই হয়নি।

৬) রং নিয়ে:ম্যাচিং,কন্ট্রাস্ট কতরকম এক্সপেরিমেন্ট যে করা যায় সেই রকম কালারহুইল থেকে দেখে সাজুন।মনে রাখবেন কালার ফ্যামিলি।

৭)প্যাটার্ন আর টেক্সটচার:ম্যাচিং হ্যান্ডব্যাগ আর জুতোর ফ্যাশন চলে গেছে।সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থাৎ ক্ল্যাশিং টেক্সটচার আর প্রিন্ট এখন বোল্ড ফ্যাশন স্টেটমেন্ট।যেমন নিউট্রাল প্যাটার্ন্স স্ট্রাইপস,নিটস,সিকুইন্স,অন্যরকম স্কার্ফ, ক্লাচ।

৮)বেল্ট:অনেকসময় একটা বেল্ট পুরো ফ্যাশন স্টাইলকে অন্য মাত্রা এনে দেয়।যেমন লং কাশ্মীরি সোয়েটার আর মিডি স্কার্ট একটা বেল্টে মোহময় হয়ে যাবে।

৯) বয়েস একটা সংখ্যা মাত্র:এর দুটো দিক আছে।ভাল আর মন্দ।ভাল হল আপনার বডিশেপ আর চেহারার সঙ্গে মানানসই যে কোনও কালার,স্টাইল,ড্রেস পরতে পারেন যদি তাতে আপনি সাবলীল, স্বচ্ছন্দ আর খুব জরুরি সেই ড্রেসকে ক্যারি করতে পারেন।বিপত্তি হল এটা না বুঝতে পারা যেটা যে কোনও অকেশনে সর্বনাশ হতে পারে বিয়েবাড়ি,পার্টিতে, অকেশনে এমন অনেক কিম্ভূত ড্রেস দেখে চাপা হাসি,ফিসফিসানি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন,খেয়াল রাখবেন আপনি কেন তাদের ‘টপিক’ না হয়ে যান।

১০)ড্রেস ফর অকেশন :খুব জরুরি।কী অকেশন,কোথায় কী পোশাকে সামঞ্জস্য জানা জরুরি।দিনের রং,রাত্রের রং,আপনার চেহারার সঙ্গে কী রং মানায় আর কী মানায় না,ড্রেসের সঙ্গে মানানসই মেকাপ,অ্যাকসেসরির প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।                                        

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *