সন্দর্শন সুন্দরবন

সুন্দরী,গরান গাছ,৪০০ প্রজাতির পাখি,জলে কুমির জঙ্গলে বাঘ,লঞ্চ বেড়ানো,রিসোর্টে থাকা, ২৯শে জানুয়ারি।

জলে কুমির ডাঙায় বাঘ,সমুদ্র উপকূলবর্তী  বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি।আয়তন ৬০১৭ স্কোয়্যার কিলোমিটার।৫০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী,সরীসৃপ,৮ প্রজাতির উভচর এবং ৪০০ প্রজাতি পাখির নিজস্বভূমি।সুন্দরী,গর্জন,গরান,গেঁওয়া,কেওড়া,হেতাল এমন ৩৩৪ প্রজাতির গাছে ঘেরা বাঘমামার মেন্ল্যান্ড সুন্দরবনে নানা জাতের হরিণের দেখা মেলে যার মধ্যে চিত্রা,মায়া,বারসিঙ্গা হরিণ বিখ্যাত।

ভারত বাংলাদেশ মিলিয়ে প্রায় ৫০০ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের,১৪০র বেশি কুমির, শঙ্খচূড়,কিং কোবরা,সজারু,শেয়াল,বন মোরগ, বন বিড়াল প্রভৃতির আস্তানা সুন্দরবনে লকডাউনের পর বেশ অনেকবার প্রকাশ্যে ব্যাঘ্রদর্শন হয়েছে যার জন্য এখানে আসার জন্য ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের।

জীবিকার জন্য এখানকার কোর এরিয়ার ভয়াল ভয়ঙ্কর জঙ্গলে মধু আর কাঁকড়া ধরতে গিয়ে অসংখ্য মানুষ নরখাদক বাঘের পেটে গেছেন।পর্যটকদের জন্য এখানকার প্রাচীন প্রবাদ,’আপনি বাঘ না দেখতে পেলেও বাঘ আপনাকে ঠিক দেখছে’। পাখির মধ্যে রয়েছে বক, সারস, হাড়গিলা, কাদাখোঁচা, লেনজা ও হট্টিটি। সমুদ্র উপকূলে দেখা যায় গাঙচিল, জল পায়রা, টার্ন, চিল, মাছরাঙা, কাঠঠোকরা, ভগীরথ, পেঁচা, মধুপায়ী, হাড়িচাঁচা,ঈগল ও শকুন। একসময় এ বনে প্রচুর শকুন দেখা যেত। কিন্তু এখন এটি বিলুপ্তপ্রায় পাখি।    

  

সজনেখালি ব্যাঘ্র প্ৰকল্প,ক্রকোডাইল স্যাংচুয়ারি,নেতিধোপানি,সুধন্যখালি এমন অনেক রোমাঞ্চকর নিবিড় প্রকৃতির সান্নিধ্যে ২ রাত্রি ৩ দিনের এই বেড়ানো আপনার স্মৃতিপটে অমলিন রয়ে যাবে।

আগামী ২৯ জানুয়ারিতে এই দারুণ ট্রিপের জন্য যোগাযোগ করুন:

শ্রী দিব্যেন্দু লাহিড়ী:9830220962 / 9830014201

আশা ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস,৫ মতিশীল স্ট্রিট,১ম ফ্লোর.কলকাতা:২৬  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *