৪ পার্টি স্ন্যাক্স রেসিপি

টাইটানিকের,অমৃতসরের,বাঙালির,চিল্কার চেটেপুটে….

১)চিকেন মেরিল্যান্ড -১৯১২ সালের টাইটানিকের মেনুতে ছিল।ক্যালকাটা ক্লাবের প্রসিদ্ধ জিভে জল রেসিপি।

উপকরণ: ৪ বোনলেস চিকেন ব্রেস্ট (অর্ধেক করে কাটা),২ কাপ বাটারমিল্ক (এক কাপ দুধে ১ ছিপি ভিনিগার দিয়ে ১৫ মিনিট রাখলেই),৬ চামচ গলানো মাখন,১ কাপ ময়দা,২ ফেটানো ডিম,১ কাপ বিস্কিটগুঁড়ো।

প্রণালী: একটা বড় প্যানে চিকেন পিস গুলো রেখে তাতে বাটারমিল্ক দিয়ে ফ্রিজে ১ ঘন্টা ম্যারিনেট করতে দিয়ে দিন।১ ঘন্টা পরে ফ্রিজ থেকে বের করে নর্মাল টেম্পারেচারে রাখুন।আর বাকি উপকরণ পাশে রেডি করে রাখুন।আলাদা পাত্রে ময়দা,ফেটানো ডিম আর বিস্কিটের গুঁড়ো রাখুন।আগে থেকে ফ্রাইং প্যান প্রিহিট করে রেখে চিকেনের পিস বাটারমিল্ক থেকে বের করে প্রথমে ময়দায় পুরো মাখিয়ে তারপর ডিমের গোলায় মাখিয়ে সবশেষে বিস্কিটের গুঁড়ো মাখিয়ে নিয়ে গরম প্যানে ছাড়ুন আর ব্রাশ দিয়ে গলানো মাখন লাগিয়ে যান এপাশ ওপাশ করে।এভাবে উল্টে পাল্টে মাখন লাগিয়ে মিডিয়াম ফ্লেমে ভেজে গোল্ডেন ব্রাউন রং ধরলেই আপনার চিকেন মেরিল্যান্ড রেডি।

২)অমৃৎসারি মাচ্ছি ফ্রাই-পাঞ্জাবের অন্যতম ঐতিহ্যশালী জগৎবিখ্যাত রেসিপি।

উপকরণ:৫০০ ভেটকি (চিলি ফিশ সাইজ),আধ কাপ লেবুর রস,লাল মির্চ গুঁড়ো,আদা রসুন পেস্ট মাখিয়ে ১ ঘন্টা রেখে দিতে হবে।মল্ট ভিনিগার,২ ডিম,জোয়ান,ময়দা,টক দই,২০০ রিফাইন্ড তেল,চাট মশলা।

প্রণালীঃ অন্য পাত্রে ২ চামচ মল্ট ভিনিগার,একটু জোয়ান,দুটো ডিম ফেটানো ,৫০ গ্রাম টক দই,একটু ময়দা,লাল মির্চ গুঁড়ো দিয়ে ব্যাটার করে নিতে হবে।এবার ম্যারিনেট করা মাছ এই সেকেন্ড মিশ্রনে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে ২০ মিনিট।এবার প্যানে তেল গরম হলে ভেজে হাল্কা গোল্ডেন ব্রাউন রং এলেই তুলে নিয়ে টিস্যু পেপারে তেল ঝরিয়ে ওপরে চাট মশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।সঙ্গে ধনে পুদিনা পাকা তেঁতুল কাঁচা লঙ্কা মিক্সারে বাটা চাটনি।

৩)বাংলা মাংসের চপ।বাঙালি স্ন্যাক্সে এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না।

উপকরণ:কিমা-৩০০ গ্রাম,টক দই ১ কাপ, শুকনো লঙ্কা জিরে সেঁকা গুঁড়ো,আদা রসুন পেস্ট,৩ টে বড় আলু সেদ্ধ চটকানো,হলুদ গুঁড়ো আধ চামচ,১ বড় পেঁয়াজকুচি,২কাঁচালঙ্কা কুচি,নুন স্বাদমত,২ ডিম ফেটানো,আধ কাপ ময়দা/বেসন,বিস্কিটগুঁড়ো দেড় কাপ।

প্রণালী:প্রথমে কিমা ধুয়ে তাতে টক দই,হলুদ গুঁড়ো,এক চিমটে নুন আর দেড় কাপ জল দিয়ে প্রেশার কুকারে দিয়ে দুটো হুইসেল অবধি রেখে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এরপর প্যানে ৩ চামচ তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজকুচি ট্র্যানসুলেন্ট রং এলে তাতে লঙ্কাকুচি,আদারসুন পেস্ট,সেঁকা জিরেলঙ্কা গুঁড়ো আর আধকাপ জল দিয়ে কষতে হবে যতক্ষণ না তেল ছেড়ে যাচ্ছে।এর পর এতে সেদ্ধ কিমা দিয়ে ৩/৪ মিনিট কষার পর সেদ্ধ আলু মিশিয়ে ৩/৪ মিনিট নাড়তে হবে।এর পর গ্যাস অফ করে ঠান্ডা করতে হবে।পুরো ঠান্ডা হওয়ার পর একে চপের আকারে গড়ে এর পর আলাদা করে রাখা  ময়দার গুঁড়ো মাখিয়ে এর পর ডিম আর বেসনের মিশ্রণে মাখিয়ে তার পর বিস্কিটের গুঁড়োয় মাখিয়ে রেখে দিতে হবে।সন্ধ্যের পার্টির জন্য এটা সকালে মেখে রাখলে সবচেয়ে ভাল হয়।সন্ধ্যেবেলায় ফ্রিজ থেকে বের করে নর্মাল টেম্পারেচরে রেখে এর পর গরম ডুবো তেলে ভেজে তুলে টিস্যু পেপারে রেখে ওপরে একটু বিটনুন ছড়িয়ে।পরিবেশনের সঙ্গে কাসুন্দী,লেবু জড়ানো টমেটো,শশা,পেঁয়াজকুচি ভুলবেন না যেন।

৪)চিংড়ি লঙ্কা ভাজা -চিলকার প্রসিদ্ধ চটজলদি সুস্বাদু রেসিপি।

উপকরণ:২৫০ গ্রাম খোসা ছাড়ানো কুচো চিংড়ি,নুন,হলুদ, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, ৩/৪ কাঁচা লঙ্কা কুচি,চাট মশলা,মাখন -৫০ গ্রাম।

প্রণালী: চিংড়ি মাছে সব মশলা মাখিয়ে আধ ঘন্টা রেখে গরম মাখনে কাঁচা লঙ্কা কুচি দিয়ে ভেজে নিলেই রেডি।কিন্ত বেশি ভাজলে মাছ শক্ত হয়ে যাবে।মাছের গায়ে হাল্কা লাল,বাদামি রং ধরলেই তুলে নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *