পরীমনি ফোর্বস ১০০

বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমনি ফোর্বস ১০০ এশিয়ার সেরা ডিজিটাল স্টার্সের বিরল সন্মান পেলেন।

বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমনি আশ্চর্য দিগ্বিজয়ী সাফল্যে নিজেকে আর বাংলাদেশকে গর্বিত করলেন।

সারা পৃথিবীর সুবিখ্যাত সুপারস্টারেরা সাগ্রহে আকাঙ্খা করেন যে লিস্টে তাদের নাম দেখতে সম্প্রতি প্রকাশিত পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফোর্বস পত্রিকার এশিয়া ১০০ ডিজিটাল স্টার্স এ বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমনি তার নিজের জায়গা করে নিয়েছেন যা এক বিশাল সাফল্যও কৃতিত্বের মাইলফলক।

এই টপ  ১০০  লিস্টে প্রবাদপ্রতিম অমিতাভ বচ্চন,অক্ষয় কুমার,মাধুরী দীক্ষিত,আলিয়া ভাটের মত সাফল্যের শীর্ষে থাকা সেলেবদের মধ্যে পরীমনি নিজের উজ্জ্বল উপস্থিতির স্বাক্ষর রাখলেন যা তাঁর মর্যাদা অন্য মাত্রা আনল।

ফোর্বসের এই এশিয়ার টপ ১০০ ডিজিটাল স্টার্স নির্বাচনের নির্ণায়ক ছিল ‘এই বিপর্যস্তকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা তাদের সদর্থক,উজ্জ্বল উপস্থিতি’ রেখে গেছেন তাদের কৃতিত্বর স্বীকৃতি।

১৯৯২ সালে সাতক্ষীরায় জন্ম শামসুন্নাহ স্মৃতি পরীমনির।ছোটবেলায় মা বাবা হারানো ছোট্ট পরীমনি দাদুর কাছে মানুষ।সাতক্ষীরা কলেজে বাংলার ছাত্রী পরে ঢাকায় বাফায় নৃত্যশিক্ষা করে পরে মডেলিংয়ে কাজ শুরু করেন এবং টিভি সিরিয়ালের পর সিনেমা। তার প্রথম ছবি মুক্তির আগেই ২৩ টা ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে সারা বাংলাদেশে হৈচৈ ফেলে দেন।

 শাহ আলম মন্ডল পরিচালিত ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ তার অভিনীত প্রথম ছবি। কিন্তু তিনি সবার নজরে আসেন নজরুল ইসলাম খানের রানা প্লাজা চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে।এর পরে ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ‘পাগলা দিওয়ানা’ ও দরদিয়া, এস এ হক অলীকের ‘আরো ভালোবাসবো’ তোমায় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য হিট ছবি,’মনজুড়ে তুই’,’লাভার নাম্বার ওয়ান’,’নগর মাস্তান’, ‘মহুয়া সুন্দরী’। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’,’পুড়ে যায় মন, ওয়াজেদ আলী সুমনের অ্যাকশনধর্মী ‘রক্ত’,এবং শফিক হাসানের ‘ধূমকেতু’। ২০১৭ সালে মুক্তি পায় ‘কত স্বপ্ন কত আশা’,’আপন মানুষ’,’সোনা বন্ধু’,মালেক আফসারীর’অন্তর জ্বালা’,গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্ন জাল’,’ইনোসেন্ট লাভ’,দেবাশীষ বিশ্বাসের’মন জ্বলে’, সৈকত নাসিরের ‘পাষাণ’,’নদীর বুকে চাঁদ’।

ছবি:বাংলানিউজ২৪ডটকম।

‘ডেলি বাংলাদেশ’ পত্রিকায় পরীমনি বলেছেন’আমার ব্যস্ত শিডিউলে এত ফোন আসায় আমি প্রথমে খুব অবাক হয়েছিলাম আর খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি,এটা আমার জীবনে একটা বিশাল স্বীকৃতি,তবে এর সিংহভাগ কৃতিত্ব যাঁরা আমায় ডিজিটাল মিডিয়ায় ফলো করেন তাঁদের জন্য,আমি বিশেষভাবে ঋণী তাঁদের কাছে।’

এত ছবির পাশাপাশি বিজ্ঞাপনের জগতেও সুপারহিট পরীমনি।উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ডগুলি ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি,প্রাণ আপ,বনফুল স্যুট আর যমুনা ফ্রিজ।

পরীমনির ১০ মিলিয়ন ফেসবুক ফলোয়ার্স তাঁর বিপুল,বিশাল জনপ্রিয়তার প্রমাণ এবং এই দুর্লভ দ্বিগ্বিজয়ী স্বীকৃতি তারই নিদর্শন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *