অ্যাপলো হসপিটালসের ৪০০০ MICS সার্জারি | |

অ্যাপলো হসপিটালসের ৪০০০ MICS সার্জারি

সম্প্রতি পৃথিবীর হসপিটাল ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে মান্য  পূর্ব ভারতের একমাত্র   JCI ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেড অ্যাপলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস ৪০০০  MICS  (মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি) র অনন্য কীর্তি স্থাপন করেছে।MICS হার্ট সার্জারির একটি আধুনিক পদ্ধতি যার প্রচলিত হার্ট সার্জারির তুলনায় অনেক সুবিধে।প্রচলিত হার্ট সার্জারিতে ৮-১০ ইঞ্চির পরিবর্তে শুধু ১.৫ -৩ ইঞ্চি অপারেশন করে হার্ট সার্জারি (MICS ) করা হয় যা কম বেদনাদায়ক ও দাগহীন।এই অপারেশনের পরে হসপিটাল থেকে অল্প কদিনের মধ্যে বাড়ি ফিরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা যায় আর এই পদ্ধতিতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়া সম্ভব।

আগেকার প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারি ছিল CABG (করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং) ,ভাল্ভ মেরামত বা প্রতিস্থাপন,হার্টের ছিদ্র বন্ধ করা প্রভৃতির একমাত্র সমাধান।এখন মেডিকেল সায়েন্সের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে MICS পদ্ধতিতে যে অপারেশন হয় সেগুলি হল মিনিমালি ইনভেসিভ বাইপাস সার্জারি (MICS CABG ),এন্ডোস্কোপিক ভেইন এবং রেডিয়াল আর্টারি হার্ভেস্টিং,MICS অ্যাওর্টা ভাল্ভ,মিনিমালি ইনভেসিভ মাইট্রাল ভাল্ভ সার্জারি,কি- হোল এএসডি ক্লোজার এবং করোনারি বাইপাস।

এই কি হোল সার্জারিতে স্পেশাল অপারেশনাল ইকুইপমেন্ট করে সঞ্চালিত হয়।করোনারি ধমনী আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে MICS CABG বা কি হোল বাইপাস সমাধান এসে গেছে।এই প্রসিজিওরের মাধ্যমে নিরাপদে অপারেশন করার বিষয়ে নিঃসন্দেহ।যদি MICS সব ক্ষেত্রে একটি রেগুলার প্র্যাকটিস হিসেবে গ্রাহ্য হয় তাহলে রোগীরা অপারেশনের আতঙ্ক ভুলে MICS কে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির বাইপাস হিসেবে গণ্য করবেন এবং হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর হার কমে আসবে  ।এছাড়াও রুটিন মাল্টি -ভেসেল বাইপাস মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে দেবে এ বিষয়ে নিঃসংশয়ে থাকা যায়।

অ্যাপলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস কলকাতার কার্ডিও থোরাসিক ডিরেক্টর ও ভাস্কুলার সার্জন ডঃ সুশান মুখোপাধ্যায় বলেন ,’MICS এর একাধিক পজিটিভ পয়েন্টের কারণে রোগীর চিকিৎসায়, অপারেশনে অতুলনীয় ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া এই নিরাপদ,কার্যকরী ও রোগীকে অসামান্য স্বস্তি দেয়।এই পদ্ধতিতে  একজন রোগী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে সেরে ওঠেন ও ৩ মাসের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।আর এর পরিবর্তে প্রচলিত  পদ্ধতিতে অপারেশন করলে ২-৩ মাস রিকভারি করে আংশিক কাজে ফেরা  আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে ৬ মাস সময় লেগে যাবে।এটি রোগীদের যন্ত্রণা থেকে বাঁচায় আর রিকভারি টাইম অনেক কমিয়ে দেয়।আমরা গত দশক থেকে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে MICS করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং করে আসছি এবং এই ধরণের ৪০০০ এর বেশি অপারেশন করেছি।‘

বাইপাস ,ভাল্ভ রিপ্লেসমেন্ট ,হার্টের ছিদ্র বন্ধ করা,কার্ডিয়াক টিউমার অপসারণ,পেস মেকার ইমপ্লান্টেশন,এবং অন্যান্য সমস্ত কার্ডিয়াক সার্জারির ৯৫% MICS পদ্ধতিতে করা যেতে পারে।এমনকি ৮০-৯০ বছরের বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রেও নিরাপদ।

প্রচলিত ওপেন হার্ট সার্জারির তুলনায় MICS এর সুবিধে-

  • উন্নত ইন্সট্রুমেন্টরসন এবং উন্নত প্রসিজিওরের কারণে খুব নিরাপদে অপারেশনকরা যায়।
  • কোনো হাড় কাটা হয় না।
  • রক্তক্ষরণ প্রায় নগন্য যা রক্ত সঞ্চালন দূর করে।
  • ক্ষত ও পোস্ট অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণ সম্পর্কিত সমস্ত সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।এটি ডায়াবেটিসের রোগীদের ও দুর্বল ইমিউনিটি পাওয়ারের রোগীদের জন্যও আদর্শ অপারেশন।
  • এর ছিদ্রটি খুবই ছোট হয় আর মাত্র ২/৩ ইঞ্চির তাই দেখে বোঝা যাওয়া অসম্ভব যে হার্ট সার্জারি হয়েছে।এর দাগ থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম।
  • এর ক্ষেত্রে হসপিটাল স্টে আর রিকভারি টাইম খুব কম এবং রোগী সাধারণত অপারেশনের ৭ দিনের মধ্যেই অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠেন।
  • ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচারে ঝুঁকির কারণ এর সাহায্যে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বিশদে জানতে যোগাযোগ করুন –

দেবব্রত সেন – debabrata_s@apollohospitals.com Ph-+91-9804000205

শ্রীজীব ঘোষ – srijib_g@apollohospitals.com Ph-+91-9804000219

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *