<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Binodan -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/category/celebrities/binodan/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 08 Sep 2025 11:46:06 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>Binodan -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 11:45:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[anuparna roy]]></category>
		<category><![CDATA[songs of forgotten trees]]></category>
		<category><![CDATA[venice film festival]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9339</guid>

					<description><![CDATA[<p>পূর্ব পুরুলিয়ার&#160; কুলটির সবুজ গ্রামসীমা থেকে উঠে এসে আজ অনুপর্ণা রায় বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে ইতিহাস</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/">অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পূর্ব পুরুলিয়ার&nbsp; কুলটির সবুজ গ্রামসীমা থেকে উঠে এসে আজ অনুপর্ণা রায় বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে ইতিহাস তৈরি করেছেন। তাঁর প্রথম ছবি সংস অফ ফরগটেন ট্রিস&nbsp; Songs of Forgotten Trees-এর জন্য ২০২৫ সালের ৮২তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজোন্টি বিভাগে সেরা পরিচালক পুরস্কার জয় করে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন , প্রথম ভারতীয় পরিচালক হিসেবে।</p>



<p>এই সাফল্য নজিরবিহীন ,অসামান্য এবং অভুতপূর্ব কারণ  সংস অফ ফরগটেন ট্রিস ঐ বিভাগে একমাত্র ভারতীয় ছবি।এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হচ্ছে বর্তমান বাংলা মেনস্ট্রিম ছবির কথা যেখানে এই ধরণের ছবি করার জন্য উৎসাহ দেওয়া তো অনেকদূর কাল থেকে এখন অবধি অনুপর্ণার এই দুর্দান্ত দিগ্বিজয়ী সাফল্যের কথা বলতে তথাকথিত মেনস্ট্রিম মিডিয়ার অতলান্তিক নৈঃশব্দ।কিন্তু ভরসার কথা এখন সমাজমাধ্যম আছে।ফেসবুকে দুটি লেখার অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে ,একটি নির্দেশক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরীর অন্যটি সাংবাদিক প্রতীকের।</p>



<p>ইন্দ্রনীল লিখেছেন &#8211; অনুপর্ণা রায়ের ছবি &#8216;Songs of the Forgotten Trees&#8217;&nbsp; ভেনিসের &#8216; অরিজন্তি&#8217; ( Horizons) বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার পেয়েছে। শুনেছি তিনি পুরুলিয়ার মেয়ে এবং তার খুবই কম বয়স। ভেনিসের Orizzonti, কান এর Un Certain Regard আর বার্লিনের Encounters বিভাগের সমতুল্য। এগুলি মেইন কম্পিটিশন এর পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।</p>



<p>এটি নিঃসন্দেহে গত পঁচিশ-তিরিশ বছরে&nbsp; একজন বাঙালি পরিচালকের পাওয়া সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এবং ছবির খবর, আই রিপিট, খবর হিসেবে সবচেয়ে বড়।</p>



<p>ছবি নিয়ে আমার কিছু বলার অধিকার নেই, কারণ ছবি আমি দেখিনি এবং  এটাও সত্য যে পুরস্কার আর উৎকর্ষ সব সময় সমার্থক নাও হতে পারে।কিন্তু বাংলা বিনোদন সংবাদ, যারা নায়কের পায়ের ফুসকুড়ি ও বিগত প্রেম নিয়ে ভাইরাল নিউজ করার জন্য হা পিত্যেশ করে বসে থাকে তাঁদের গত রাত থেকে এই প্রায়  চিৎকৃত নৈঃশব্দ আমাদের পরিষ্কার দেখিয়ে দেয় আমরা  কারা।  আর বাঙালি  সংস্কৃতমনা গর্বিত ভদ্রলোক, যারা অনির্বাণের একটি আধা গান নিয়ে  প্রবন্ধের পর প্রবন্ধ রচনা করতে পারে তারাও বা কোন দিকে ধাবমান  আর তাদের কুয়োর আকাশটুকু কত বড় তারও একটা পরিষ্কার  মাপ পাওয়া যায়।ফলে কেউ যখন আমাদের দিকে বেঙ্গল ফাইলস ছুড়ে দেয়, , ওটা গু বলে বেশি রাগারাগি না করাই ভালো। আমরা জাতি হিসেবে ওটার জন্যই হাঁ করে বসে আছি।&#8221;</p>



<p>প্রতীক লিখেছেন – ‘অনুপর্ণা রায় বাংলা মাধ্যমের ছাত্রী কিনা জানি না, তবে পরিষ্কার শুনলাম, আমরা যারা বাংলা মাধ্যমের ক্যাবলা, তাদের মত করেই &#8220;অ্যাওয়ার্ড&#8221; বললেন। নাতিদীর্ঘ বক্তৃতার সবটাই অ্যাকসেন্ট-সচেতন বাঙালিকে লজ্জিত করবে। কলকাতার কনভেন্ট এবং পাড়ায় পাড়ায় গজিয়ে ওঠা ইংলিশ মিডিয়ামের সায়েব, মেমরা আড়ালে আবডালে &#8220;সো এম্ব্যার&#x200d;্যাসিং&#8221; বলছেন হয়ত। কিন্তু ব্যাপার হল, তাতে ঘন্টা এসে যায়। গত ৪০-৪৫ বছর ধরে বাঙালি একটা জিনিস নিয়ে তর্ক করে গেল &#8212; বাংলা মিডিয়াম ভাল, না ইংলিশ মিডিয়াম ভাল। কোনো বাপ-মাকে বোঝানো যায় না (আমাদের সময়ে তাও যেত, এখন একেবারেই যায় না), যে মিডিয়ামেই পড়াও, পড়ার বিষয়গুলো ভাল করে না শিখলে হবে লবডঙ্কা।</p>



<p>হচ্ছেও তাই। অ্যাকসেন্টের ধার না ধেরে একটা পুরুলিয়ার মেয়ে অত বড় মঞ্চে পুরস্কার পাওয়ার মত ছবি বানিয়ে ফেলল। ওদিকে কলকাতার যেসব নির্দেশক দাড়ি চুলকে একটা বাক্যে দশটার মধ্যে আটটা ইংরিজি শব্দ বলেন আর সিনেমায় আর্বানা, সাউথ সিটির পরিবার দেখান তাঁরা ধারে কাছে পৌঁছতে পারছেন না। যদি দর্শক টানার মত ছবি বানাতে পারতেন তাহলে অবশ্য এসব কথা বলতাম না। তরুণ মজুমদারও সারাজীবনে ভেনিস, কান, মাথা কোথাও গিয়ে উঠতে পারেননি। তাতে তিনি ছোট হয়ে যান না। কিন্তু এই যারা দরকচা মারা, তাদের যে আমরা দরকচা মারা বলে চিনতে পারছি না- এটা আমাদের শিল্প উপভোগ করতে পারার দৈন্য প্রকাশ করে।‘</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="538" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-1024x538.jpeg" alt="" class="wp-image-9347" style="aspect-ratio:1.903345724907063;width:513px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-1024x538.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-300x158.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-768x403.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -সংস অফ ফরগটেন ট্রি ছবির দৃশ্য।স্ক্রোল</figcaption></figure>



<p>ছবিটি দুটি মুম্বইয়ের অভিবাসী নারীর (নাজ শাইখ ও সুমি বাঘেল অভিনীত) জীবন ও সম্পর্কের নীরব আবেগ ও যুদ্ধকে সামনে নিয়ে আসে; শহুরে জীবনে টিকে থাকার সংগ্রাম আর বন্ধুত্বের নরম আবরণে আবৃত।</p>



<p>পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফরাসি পরিচালক জুলিয়া ডুকুর্নাও পুরস্কার তুলে দেন; অনুপর্ণা বাঙালি লাল পাড় সাদা শাড়িতে অভিষিক্ত হয়ে জানান, এই মুহূর্তটাই যেন “অবিশ্বাস্য’’। তিনি তাঁর টিম, অভিনেত্রী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রটিকে সমর্থন করা সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন বিশেষ করে অনুরাগ কাশ্যপকে।অনুপর্ণা রায় নিজেদের গ্রামের অনুষঙ্গ ও মুম্বইয়ের বাস্তব জীবনের গল্পকে মোহনীয়ভাবে চিত্রায়ন করে; দুটি মহিলার জীবনকে ঘিরে আবর্তিত গল্পের আবেগ, সহমর্মিতা ও চতুরতার রেখাকে পটভূমি করে তুলে ধরেছেন।</p>



<p>পারিবারিক প্রতিক্রিয়াও মর্মস্পর্শী। কুলটির মধ্যবিত্ত পরিবার, বাবা ব্রহ্মানন্দ ও মা মণীষা রায় ভেবেছিলেন চলচ্চিত্র তাঁর জন্য অস্থির ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারে, এবং বিয়ে-পরিচয় নিয়েও চিন্তিত ছিলেন। তবে এখন প্রতিটি উদ্বেগ আনন্দে মিশে গেছে: গ্রামের বাসিন্দারা, পরিবারের মানুষ সবাই তাঁর সাফল্য উদযাপন করতে ব্যাকুল।</p>



<p>এই জয় শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়,বাংলা ও ভারতীয় নারী নির্মাতাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা যাত্রা। অনুপর্ণা বলেন, “এই ফিল্মটি প্রত্যেক মহিলাকে উৎসর্গ, যাকে বরাবর চুপ করানো, অদৃশ্য করা বা হাল্কা করে দেখা হয়েছে। মুম্বাইয়ের পথে এই জয় যেন পৃথিবীর প্রতিটি গল্পকে বলার শক্তি জোগায়”</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/">অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাইয়ারা ঝড়</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 13:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[ahaan pandey]]></category>
		<category><![CDATA[anit padda]]></category>
		<category><![CDATA[mohit suri]]></category>
		<category><![CDATA[saiyaara film]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9186</guid>

					<description><![CDATA[<p>শুধুই কাঁচা আবেগ,দুর্দান্ত সংগীত,দারুণ নতুন জুটি না আরও কিছু?</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">সাইয়ারা ঝড়</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এখন সাইয়ারা ঝড়ে সমগ্র ভারত কম্পমান।মোহিত সুরির নতুন জুটি অহন পান্ডে আর আনিত পড্ডার জাঁকালো আবেগের প্রেমকাহিনিতে প্রেক্ষাগৃহে নতুন হিস্টিরিয়ার ইন্সটা আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কে রিলস যেখানে দেখা যাচ্ছে&nbsp; ইয়াং জেন&nbsp; হলে পাগলপ্রায় হয়ে আকুল&nbsp; কাঁদছে ,খালি গায়ে গড়াগড়ি করছে এমন উন্মাদনা।৩৭ কোটি টাকার বাজেটের সাইয়ারা এখন অবধি ৪৮৫ কোটি (গ্রস) টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে।</p>



<p>এখনকার পিতৃতান্ত্রিক সমাজে প্রবল পৌরুষ,ভয়ঙ্কর উদ্ধত,রাগি,ক্যাসানোভা, নায়ক  চরিত্র অ্যানিমাল ছবির পর থেকে আজকের জেন এক্সের কাছে কেন এতো সাংঘাতিক জনপ্রিয় এবং এই প্রবণতার পারিবারিক সমাজজীবনে কী প্রভাব এবং সেটা কতটা ভালো এই বিষয় সমাজ বিজ্ঞানী,মনোবিদদের আগ্রহ ও চর্চার কারণ হতে পারে এবং হচ্ছেও।</p>



<p>আমরা গল্পে দেখি রাগী, অন্তর্মুখী কিন্তু প্রতিভাবান উঠতি সঙ্গীতশিল্পী,মারকুটে ,গ্যাং লিডার  ঋষ কাপুর (আহান পান্ডে) তার জীবনে আশ্রয় খুঁজে পায় এক সহজ-সরল, স্থির প্রকৃতির গীতিকার বাণী বাত্রার (অনীৎ পড্ডা ) মধ্যে। হৃদয়ভঙ্গের পরে বাণী আবারও নিজের কথার জাদু খুঁজে পায় ঋষের ভালোবাসায়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে এক উষ্ণ, আবেগঘন সম্পর্ক, আর ঋষের তারকা হয়ে ওঠার উত্থানও যেন এক স্বপ্নের মতো। কিন্তু সেই স্বপ্নপথে আসে এক মর্মান্তিক বাঁক, যা তাদের প্রেম এবং মানসিক দৃঢ়তাকে কড়া পরীক্ষা দেয়। এই চলচ্চিত্র দেখায় কীভাবে তাঁরা সেই কঠিন অধ্যায়কে মোকাবিলা করে।রোমান্স, কাঁচা আবেগ, মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আর হৃদয়স্পর্শী সুর এই সবকিছুই যেন মোহিত  সুরির (Mohit Suri) ছবির স্বাক্ষর, এবং সাইয়ারা তাতে পুরোপুরি খাঁটি। চিত্রনাট্যকার সংকল্প সদানাহ ছবির শুরুতেই আবেগের সুর বেঁধে দেন বিয়ের দিনে ছেড়ে যায় বাণীকে তার হবু বর। ছয় মাস পর, ভাঙা মন নিয়েই সে কাজ শুরু করে সাংবাদিকতা ইন্টার্নশিপে। সেই সময়েই প্রবেশ ঘটে ঋষ কাপুরের,একটি  রগচটা ,উগ্রস্বভাব, তীব্র আবেগপ্রবণ তরুণ সঙ্গীতশিল্পী, যার একটাই স্বপ্ন,বিশ্বজয়।</p>



<p>বাণী ও ঋষ,দুজনেই নিজেদের ব্যক্তিগত যন্ত্রণায় জর্জরিত, কিন্তু একে অপরের মধ্যে খুঁজে পায় নিরাময়। ছবির প্রথমার্ধে যে রোমান্স ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, সেটাই পরবর্তীতে গভীর প্রেমের দিকে নিয়ে যায়। তবে, ছবির মূল ট্র্যাজেডি অংশটি ,অ্যালজাইমার রোগ,তাড়াহুড়ো করে দেখানো হয়েছে, যার ফলে কাহিনি কিছুটা দুর্বল লাগে।এই রকম রোমান্টিক-সঙ্গীতধর্মী কাহিনি অতীতে দেখা গেছে ঠিকই, কিন্তু সাইয়ারার বিশেষত্ব হল এটি বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া, রিলস আর মিউজিক কোলাবের যুগে নতুন প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করে।মোহিত সুরি আবেগের মূল কেন্দ্রে ঠিক হাত রেখেছেন। কিন্তু সম্পূর্ণ চিত্রনাট্যের গতি কখনও ধীর, কখনও তাড়াহুড়ো,যার ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য খুব তাড়াতাড়ি পেরিয়ে যায়। তবু কিছু মুহূর্তে কাঁচা, বাস্তব আবেগ ঠিকমতো পৌঁছে যায় দর্শকের মনে।</p>



<p>চলচ্চিত্রটির আবেগপ্রবণ কোরকে পরিপূর্ণতা দেয় এর সঙ্গীত,ফাহিম আবদুল্লাহ, তনিশ্ক বাগচী, ঋষভ কান্ত, বিষাল মিশ্র, আরসালান নিজামী, মিথুন ও সচেত-পরম্পরা—এদের সুরে তৈরি গানগুলো একের পর এক শ্রুতিমধুর ও হৃদয়গ্রাহী। জন স্টুয়ার্ট এডুরির আবহসঙ্গীত পুরো অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। বিকাশ শিবরামনের সিনেমাটোগ্রাফি রঙিন, প্রাণবন্ত, এবং মঞ্চ পারফর্মেন্স বা আবেগঘন দৃশ্যগুলো অসাধারণভাবে ক্যামেরাবন্দি করেছে।অভিনয়ে আহান পান্ডের আত্মপ্রকাশ চমকপ্রদ। একদিকে তারকার মতো আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে সম্পর্কের যন্ত্রণায় বিধ্বস্ত এক তরুণ,দুটো দিকই দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ফিনালে দৃশ্যে এক পুরোনো মুহূর্তে ফিরে গিয়ে তার ‘র অস্বস্তিকর আত্মবিশ্বাসকে রূপান্তর করেন নিখাদ আবেগে,কিছুটা&nbsp; বিরাটকোহলির ‘কিং’ মোডে। অনীত পড্ডাও&nbsp; প্রেম ও আবেগের দৃশ্যে দারুণ। তাঁর উপস্থিতি কোমল, কিন্তু দৃঢ়। বিশেষ করে একটি রেকর্ডিং স্টুডিওর দৃশ্যে, যেখানে তিনি আবেগের স্থায়ীত্ব বনাম ট্রেন্ডের ক্ষণস্থায়ীতা নিয়ে কথা বলেন, সেখানে তাঁর সংলাপ ও অভিব্যক্তি দর্শককে ছুঁয়ে যায়।</p>



<p>সাইয়ারা একটি ভিজ্যুয়ালি আকর্ষণীয়, আবেগঘন, ও সুরভরা রোমান্টিক মিউজিক্যাল যা নতুন কিছু না হলেও, আবেগ ও সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য একটি একবার দেখার মতো অভিজ্ঞতা। আহান-অনীতের অনবদ্য অভিনয়, প্রাণবন্ত সংগীত, এবং মোহিত সুরির আবেগ-নির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি এই চলচ্চিত্রকে মনে রাখার মতো করে তোলে।</p>



<p>এই ছবির মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা।যশ রাজ্ ফিল্মস অত্যন্ত সুনিপুণ ভাবে প্রথাগত প্রচার কৌশল এড়িয়ে ,হলে ইয়াং জেনের বাঁধভাঙা চরম আবেগের রিলস সমাজমাধ্যমে মার্কেটিং আরও অন্যান্য নানাভাবে যেমন গান ভাইরাল হওয়া এই সব মার্কেটিং প্রমোশনাল&nbsp; স্ট্র্যাটেজি দুর্দান্ত ফলপ্রসূ হয়েছে যা ছবির&nbsp; মেগাহিট হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">সাইয়ারা ঝড়</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সত্যজিতের চোখে উত্তম</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Jul 2025 05:19:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Satyajit Ray]]></category>
		<category><![CDATA[Uttam Kumar]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9082</guid>

					<description><![CDATA[<p>“উত্তম একজন বর্ন অ্যাকটর। আমি একে বলি 'পুরো শিল্পী'।”</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/">সত্যজিতের চোখে উত্তম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>উত্তমকুমারকে নিয়ে যতই লেখা হোক না কেন, যেন কিছুই যথেষ্ট নয়। রূপালি পর্দার রোমান্সের সম্রাট, বাংলা সিনেমার মহানায়ক, একজন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য,উত্তমকুমার একাধারে অনুভব, এক বিস্ময়, এক অমরতা। তবে উত্তমকুমারকে যিনি সম্পূর্ণভাবে একজন অভিনেতা হিসেবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, তিনি হলেন চলচ্চিত্রের জাদুকর সত্যজিৎ রায়। একজন কিংবদন্তির চোখে আরেক কিংবদন্তির যে মূল্যায়ন, তা আজও সিনেমা-ইতিহাসের একটি বিশাল অধ্যায় হয়ে আছে।<br>১৯৪৮ সালে ‘দৃষ্টিদান’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রজগতে পা রাখলেও উত্তমকুমারকে দর্শক মনে রেখেছে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’,&#8217;সবার উপরে&#8217;,‘হারানো সুর’,‘সপ্তপদী’,&#8217;চৌরঙ্গী&#8217;,&#8217;বাঘবন্দী&#8217;,&#8217;যদুবংশ&#8217;,&#8217;সন্ন্যাসী রাজা&#8217;,&#8217;<br>‘নায়ক’এর মতো অগণিত ছবির জন্য। ষাট ও সত্তরের দশকে উত্তম-সুচিত্রার যুগলবন্দি বাংলা সিনেমার এক অনন্য স্বর্ণযুগ গড়ে তোলে। কিন্তু শুধুই রোমান্টিক নায়ক বললে উত্তমকুমারের প্রতি অবিচার করা হবে।<br>সত্যজিৎ রায় উত্তমকে প্রথম আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা রূপে প্রতিষ্ঠা করেন ‘নায়ক’ (১৯৬৬) ছবির মাধ্যমে। সেখানে একজন সফল, কিন্তু অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত সিনেমা তারকার মনের দ্বন্দ্বকে উত্তম যেভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা বিশ্ব-সিনেমার ইতিহাসেও বিরল।<br>সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন:“নায়ক চিত্রনাট্যটা লেখার সময় আমার মনে ছিল শুধু একজন-উত্তম। আমি জানতাম, এই চরিত্রে ও ছাড়া কেউ পারবে না।”<br>‘নায়ক’-এ উত্তমকুমার অভিনয় করেন অভিজিৎ রায়ের চরিত্রে—এক সুপারস্টার, যার বাইরের গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে আছে চাপা অপরাধবোধ, অনুতাপ, অহংকার ও অতৃপ্তি। ট্রেনে এক সাংবাদিক তরুণীর সঙ্গে আলাপ এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসে অভিজিতের ভেতরের মানুষটা।<br>সত্যজিৎ রায়ের ভাষায়-“আমি উত্তমকে দেখেছি চরিত্রের গভীরে ঢুকে পড়তে। আমার চিত্রনাট্য পড়ে ও রিহার্সাল ছাড়াই অনেক দৃশ্য একবারেই নিখুঁত করে তুলেছে।”<br>উত্তমকুমারের শরীরী ভাষা, সংলাপের ওঠাপড়া, চোখের ভাষা—এইসব মিলিয়ে এক অভিনয়ের স্টাইল তৈরি করেছিলেন তিনি।বিখ্যাত অভিনেতা ও শিক্ষক সন্তোষ সিংহের কাছে থেকে ৫৬ রকম মুখের এক্সপ্রেশন শিখেছিলেন। সত্যজিৎ রায় বলতেন,“উত্তমের সবচেয়ে বড় গুণ, ও কখনও অতিরিক্ত করে না। ওর মধ্যে একটা ভারসাম্য আছে, যেটা একমাত্র প্রকৃত শিল্পীর মধ্যেই থাকে।”<br>‘নায়ক’-এর একটি দৃশ্য—যেখানে উত্তম বিছানায় শুয়ে ছেলেবেলার অপমানের কথা মনে করছে, মুখে কোনো সংলাপ নেই, কেবল চোখে অভিব্যক্তি,সেই দৃশ্য আজও বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একটি পাঠ্যদৃষ্টান্ত।<br>সত্যজিৎ কখনোই বাণিজ্যিক অভিনেতাদের অভিনয়গুণ নিয়ে সরল প্রশংসা করতেন না। কিন্তু উত্তমের বেলায় তাঁর অবস্থান ছিল আলাদা।“উত্তমের মধ্যে একটা স্নিগ্ধতা আছে, একটা আত্মবিশ্বাস আছে, আবার একটা ভাঙাচোরা মানুষও আছে। এই বৈপরীত্যটাই অভিনয়ে তাকে অনন্য করে তোলে।”<br>তিনি বারবার বলেছেন, উত্তম শুধু নায়ক ছিলেন না,তিনি ছিলেন একজন &#8216;থিঙ্কিং অ্যাক্টর&#8217; ‘thinking , মানে যার অভিনয়ের পেছনে ছিল উপলব্ধি, বিশ্লেষণ এবং চরিত্রমনের ভেতরে ঢোকার ক্ষমতা।<br>সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ মুক্তি পায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। সেখানে বিদেশি সমালোচকরাও উত্তমের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন। ইউরোপিয়ান পত্রপত্রিকায় লেখা হয়, &#8220;অ্যান অ্যাকটর অফ সুপ্রিম স্যাটেলিটি অ্যান্ড গ্রেস।&#8221;<br>সত্যজিৎ বলেছিলেন,“ওই ছবিতে উত্তম যেভাবে অন্তর্মুখী যন্ত্রণাকে ফুটিয়ে তুলেছে, তা যে কোনও আন্তর্জাতিক স্তরের অভিনেতার সঙ্গেই তুলনীয়।”<br>যদিও উত্তমকুমার অনেক আগেই সুপারস্টার হয়ে উঠেছিলেন, সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরেই তিনি হয়ে ওঠেন “মহানায়ক”,শুধু বাংলার নয়, গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অন্যতম উচ্চতা।<br>সত্যজিৎ বলেছিলেন, “উত্তমকে নিয়ে আমি আরও ছবি করতে চেয়েছিলাম। ওর মধ্যে বিশাল সম্ভাবনা ছিল। আফসোস, সময় পেলাম না।”<br>উত্তমকুমার ছিলেন স্টারডমের প্রতীক। কিন্তু সত্যজিৎ রায়ের দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন এক নিখুঁত অভিনেতা একজন “পুরো মানুষ”। তাঁদের একসঙ্গে কাজ শুধু সিনেমাকে নয়, দর্শকদের মনকেও সমৃদ্ধ করেছে।আজ উত্তম নেই, সত্যজিৎও চলে গেছেন। কিন্তু &#8216;নায়ক&#8217; ছবির সেই ট্রেনের কামরায় অভিজিৎ রায়ের মুখোমুখি সত্য উন্মোচনের মুহূর্ত আজও আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায়।<br>কারণ উত্তম শুধু অভিনয় করতেন না, তিনি বেঁচে থাকতেন তার চরিত্রের মধ্যে। আর সত্যজিৎ রায় সেই সত্যিকারের উত্তমকুমারকেই আমাদের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছিলেন।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/">সত্যজিতের চোখে উত্তম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলা সিনেমার সুদিন ?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 12:19:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Amar Boss]]></category>
		<category><![CDATA[Benarase Bibhisikha]]></category>
		<category><![CDATA[Ekenbabu]]></category>
		<category><![CDATA[Kill Bill Society]]></category>
		<category><![CDATA[Parambrata Chattopadhyay]]></category>
		<category><![CDATA[Puraton]]></category>
		<category><![CDATA[Rakhee Gulzar]]></category>
		<category><![CDATA[Rituparna Sengupta]]></category>
		<category><![CDATA[Sharmila Tagore]]></category>
		<category><![CDATA[Srijit Mukherjee]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8864</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাম্প্রতিক মুক্তি পাওয়া বাংলা ছবির রিপোর্ট কার্ড।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/">বাংলা সিনেমার সুদিন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কমলেন্দু</strong><strong> </strong><strong>সরকার</strong><strong></strong></p>



<p>হেডিংয়ে জিজ্ঞাসার চিহ্ন কেন! এ আপনাদের জিজ্ঞাস্যও হতে পারে কিংবা বিস্ময়। তাই এই চিহ্নটিই অনেক বুঝেসুঝে রাখলাম। আসলে আমার এক একদা সিনেমাপ্রেমী বন্ধু সেদিন সান্ধ্যবাসরে তার অভিজ্ঞতা ভাগ না করলে জিজ্ঞাসার চিহ্নটি রাখতাম কিনা ভেবে দেখতাম। যাক ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে লাভ কী! বন্ধুটি সেদিন একটি বাংলা ছবি দেখতে যায়, গিয়ে দেখে চলতি শোয়ের টিকিট নেই। পরের শোটিরও গুটিকয়েক টিকিট পড়ে আছে। সে তড়িঘড়ি করে একটি টিকিট কাটে।</p>



<p>ছবির নাম কি? জানতে চাইছেন? থাক, ছবির নাম নাইবা বললাম। ইদানীং বেশ কয়েকটি বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। প্রায় প্রতিটি ছবিই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে। বছর পঁচিশ আগে একটি বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছিল। এককোটি টাকার কম খরচে ছবি শেষ করলেও প্রায় আড়াই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করে। ছবিটি পঁচিশ বছর পর আবার পুনর্মুক্তি পেল ক&#8217;দিন আগে। এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন কোন ছবির কথা বলছি। হ্যাঁ, পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর &#8216;শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ&#8217;।</p>



<p>২০২৫-এর প্রথম মাস পাঁচেকের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছবি কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এ বছরের সবচেয়ে বড় খবর টলিউডের তিন নায়িকা বলিউডে গিয়ে প্রথম সারির নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন। &#8216;পেয়েছিলেন&#8217; শব্দটি প্রয়োগের কারণ হল তাঁরা এখন আর নায়িকা নন। যাইহোক, জনপ্রিয় এই তিন বাঙালি নায়িকা আবার টালিগঞ্জে এসে ছবি করলেন। এই তিন নায়িকা হলেন&#8212; শর্মিলা ঠাকুর, রাখি গুলজার এবং মৌসুমি মুখোপাধ্যায়।</p>



<p>শর্মিলা অভিনীত &#8216;পুরাতন, রাখি অভিনীত &#8216;আমার বস&#8217; দুটি ছবিই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা দিয়েছে তবে&nbsp; মৌসুমির &#8216;আড়ি&#8217; আড়ালেই রয়ে গেল তেমন সাফল্য এল না বক্স-অফিসে।</p>



<p>সুমন ঘোষের &#8216;পুরাতন&#8217;, নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;আমার বস&#8217;, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের &#8216;সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই&#8217; এবং &#8216;কিলবিল সোসাইটি&#8217;র বক্স-অফিস সাফল্য এসেছে। পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের &#8216;এই রাত তোমার আমার&#8217;ও বক্স-অফিস খারাপ ছিল না, ভালই ব্যবসা করেছে। এই ছবিতে অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিলেন অপর্ণা সেন।</p>



<p>তবে সবাইকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে, এগিয়ে চলেছে পরিচালক জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;দি একেন বেনারসে বিভীষিকা&#8217;। তবে &#8216;একেন&#8217;-এর বর্তমানে Brand value তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, ছবিটি নাকি ছ&#8217;কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে। তবে সবাইকে অবাক করেছে পরিচালক সৌরভ পালোধীর &#8216;অঙ্ক কি কঠিন&#8217;। ছবিটি নাকি চলছে ভালই।</p>



<p>আবার &#8216;বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান&#8217; শুরুটা ভাল করলেও পরের দিকে নাকি পিছিয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন &#8216;সোনার কেল্লায় যখের ধন&#8217;-এর অবস্থা একইরকম। ওই এগোনো-পিছনোর খেলা চলছে!</p>



<p>একটা সময় ছিল প্রযোজক পরিবেশকেরা তাকিয়ে থাকতেন গরমের ছুটি, পুজো, বড়দিনের ছুটি ইত্যাদির দিকে। এখন কলকাতায় ভীষণ গরম পড়ছে। হাতের কাছে সিনেমাহল নেই। অর্থাৎ সিঙ্গল স্ক্রিন নেই। যেতে হবে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে। পকেট ফাঁকা করা টিকিটের দাম। তবুও সিনেমাপ্রেমী দর্শকেরা যাচ্ছেন। যতগুলো ছবি মুক্তি পাচ্ছে তার মধ্যে অনেকগুলো ছবিই ব্যবসা ভাল করছে, বক্স-অফিস সফল হচ্ছে মন্দ কী! তবে অনেকেরই মত (যাঁরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক), এই বক্স-অফিস সাফল্যের মধ্যে অনেকটাই নাকি জল আছে। তা থাকুক, সেসব তো আর সর্বক্ষেত্রে নয়। বাংলা ছবির সুদিন ফিরছে এ কম কথা নাকি!</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/">বাংলা সিনেমার সুদিন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রণবীর কেমন বাবা ?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:30:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[neetu kapoor]]></category>
		<category><![CDATA[ranbir kapoor]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7584</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুখের ভাব নিরাসক্ত ,নির্লিপ্ত থাকে কিন্তু একবার ঘরে রাহা এলেই...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/">রণবীর কেমন বাবা ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রণবীর আলিয়া তাদের আদরের&nbsp; রাহাকে কে সুখে শান্তিতে আছে এ খবর অজানা নয় কিন্তু বাবা হিসেবে রণবীর কেমন ,কতটা দায়িত্ববান এ খবর এতদিন অজানা ছিল।সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে &#8216;গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো&#8217; প্রোগ্রামে এসে নিতু কাপুর জানালেন যে বাবা হিসেবে রণবীর খুব যত্নশীল এবং রাহাকে চোখে হারায় যা রণবীরের বাবা প্রয়াত ঋষি কাপুরের ব্যক্তিত্বের সম্পূর্ণ বিপরীত।</p>



<p>উনি এও জানিয়েছেন বাবা হওয়ার পর রণবীর সম্পূর্ণ বদলে গেছে ।এতটাই যত্নশীল যে রাহার &#8216; বার্প স্পেশালিস্ট &#8216; অর্থাৎ মেয়েকে খাওয়ানোর পর তার ঢেঁকুর তোলানোর স্পেশালিস্ট হয়ে গেছেন রণবীর।কপিল শর্মার প্রশ্নের উত্তরে রণবীর বলেছেন, &#8216;এখন আমার শুটিংয়ে যেতে,বেরোতে কিচ্ছু করতে ইচ্ছে করেনা,শুধু বসে ওর দিকে চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।জীবনে এমন অনুভূতি কখনো হয়নি।এখন আমি বুঝতে পারি মার আমার আর ঋধিমাকে দেখে এমনই মনে হতো।&#8217;</p>



<p>রণবীরের বোন ঋধিমা বলেছেন &#8216;রাহা রণবীরকে পুরো বদলে দিয়েছে।&#8217; নিতু আর একটি গোপন কথা জানিয়েছেন,উনি বলেছেন ,&#8217;রণবীরের যাবতীয় মুখের এক্সপ্রেশন সিনেমায় অভিনয় করার জন্য ব্যবহার করে,নিজ জীবনে ওর মুখের ভাব নিরাসক্ত ,নির্লিপ্ত থাকে কিন্তু একবার ঘরে রাহা এলেই ওর মুখের এক্সপ্রেশন পুরো বদলে যায় ,খুব উত্তেজিত হয়ে যায়।আলিয়া খুবই ভালো মা কিন্তু রণবীর একদম মেয়ের জন্য&nbsp; সদা তৎপর বাবা এবং ওর বাবা ঋষি কাপুরের সম্পূর্ণ বিপরীত কারণ ঋষি বাচ্চাদের বিষয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতোনা এবং সে অর্থে আদর্শ বাবাও ছিল না।&#8217;</p>



<p>করণ জোহর প্রযোজিত ভাসান বালা নির্দেশিত আগামী ছবি &#8216;জিগরা&#8217; তে আলিয়াকে দেখে যাবে আর রণবীরের পরের ম্যাগনাম অপাস ছবি নীতিশ তিওয়ারির রামায়ণ যেখানে রামের চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/">রণবীর কেমন বাবা ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:28:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Uttam Kumar]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7627</guid>

					<description><![CDATA[<p>আগামী ২৪ শে জুলাই থেকে ৭ই অগাস্ট।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/">উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাঙালি জনমানসে উত্তমকুমারের অমোঘ আকর্ষণ&nbsp; এমনি যে চলে যাওয়ার ৪৫ বছর পরেও তাঁকে নিয়ে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হয়।শিল্পী সংসদ আয়োজিত উত্তম কুমার চলচ্চিত্র উৎসব হতে চলেছে নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ওনার প্রয়াণ দিবস আগামী ২৪ শে জুলাই থেকে ৭ই অগাস্ট।</p>



<p>দুপুর ৩টে ও ৬টায় নন্দন ১,২ ও ৩ প্রেক্ষাগৃহে যে চিরকালীন সুপারহিট ছবি গুলি দেখানো হবে :</p>



<p>সাড়ে ৭৪,সবার উপরে,মৌচাক ,মন নিয়ে, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি,সদানন্দের মেলা,রাই কমল,সাথীহারা,চৌরঙ্গী,সূর্যতোরণ,উত্তরায়ণ,অন্ধ অতীত,জীবন তৃষ্ণা,পৃথিবী আমারে চায়,রাজকুমারী,কখনো মেঘ,অবাক পৃথিবী,শুন বরনারী,প্রিয় বান্ধবী,পুত্রবধূ,রাজকন্যা,যদি জানতেম,অভয়ের বিয়ে,শেষ অঙ্ক,শ্যামলী,উপহার,জীবন মৃত্যু, একটি রাত, সেই চোখ,থানা থেকে আসছি ।</p>



<p>উত্তম কুমারের এই ছবিগুলো বহুবার ছোট পর্দায়,ইউ টিউব আর ওটিটিতে দেখা যাওয়ার সুযোগ হলেও বড় পর্দায় নিরিবিচ্ছিন্ন ছবি দেখার আনন্দ আর আমেজের তৃপ্তির তুলনীয় অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না।আর একটি বিষয় হল এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে নিয়ে উত্তমকুমারের ছবি বড় পর্দায় দেখার,নিজেদের নস্টালজিয়া,এই ছবিগুলি হলে দেখার সুখস্মৃতি সর্বোপরি ১৬দিন ধরে নন্দনে উত্তম কুমারের চিরকালীন মহিমা প্রত্যক্ষ করার এই সুযোগ ছাড়া উচিত হবে না।</p>



<p>কবে কখন কোন ছবি তার তালিকা রইল :         </p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-7628" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:521px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1-300x225.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1-768x576.jpeg 768w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/">উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 Mar 2024 03:39:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[bogolamama jug jug jio]]></category>
		<category><![CDATA[hoi choi tv]]></category>
		<category><![CDATA[Lapata Ladies]]></category>
		<category><![CDATA[Oti Uttam]]></category>
		<category><![CDATA[sunflower season 2]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7178</guid>

					<description><![CDATA[<p>কিছু এসে গেছে ,কিছু আসছে ....</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/">এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এই মার্চ মাসে আমাদের পছন্দের কিছু দুর্দান্ত&nbsp; ছবি আর ওয়েব সিরিজের হদিশ রইল-</p>



<p>ছবি</p>



<p><strong>১</strong><strong>) </strong><strong>লাপতা</strong><strong> </strong><strong>লেডিস</strong>&#8211; নির্দেশক- কিরণ রাও অভিনয় &#8211; স্নেহা দেশাই,বিপ্লব গোস্বামী,দিব্যানিধি শর্মা,রবি কিষাণ।&nbsp;</p>



<p>আমির খান প্রযোজিত এই ছবির ট্রেলার ইতিমধ্যেই বাম্পার সুপারহিট।দুই নববধূর ট্রেনে অদল&nbsp; বদল হয়ে যাওয়ার দুর্দান্ত ঝঞ্ঝাট,ঝামেলার হাসির ছবি যার পরতে পরতে নারীবাদ,নস্টালজিয়া নিয়ে একটি ছোট শহরের অসামান্য গল্প।।</p>



<p>ছবির ট্রেলার –</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Laapataa Ladies(Official Trailer) Aamir Khan Productions Kindling Pictures Jio Studios |1st Mar 2024" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/tF1JN2pT_sM?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>২</strong><strong>) </strong><strong>অতি</strong><strong> </strong><strong>উত্তম</strong> পরিচালক -সৃজিত মুখার্জি অভিনয় &#8211; অনিন্দ্য সেনগুপ্ত,লাবনী সরকার,শুভাশিস মুখোপাধ্যায়,রোশনি ভট্টাচার্য্য,গৌরব চ্যাটার্জি এবং স্বয়ং উত্তমকুমার।</p>



<p>ক্যামেলিয়া প্রোডাকশন প্রযোজিত সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত আশ্চর্য ভাবনায় তৈরি এই আপাত হাসির প্রেমের ছবির গল্প একজন পিএইচডি গবেষক যার গবেষণার বিষয় মহানায়ক উত্তমকুমার বার বার তার প্রেমিকাকে প্রেম নিবিদন করতে গিয়ে বিফল হয়ে প্ল্যানচেটের সাহায্যে স্বয়ং উত্তমকুমারের স্মরণাপন্ন হয়।এই আশ্চর্য ছবিতে উত্তমকুমারের ৫৬টি ছবির দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার-&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Oti Uttam I Official Trailer I Uttam Kumar I Srijit I Gourab I Roshni I Anindya I Camellia" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/0MbaIgGti_8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>৩</strong><strong>) </strong><strong>শয়তান</strong> &#8211; নির্দেশক বিকাশ বেহল অভিনয় &#8211; অজয় দেবগন,মাধবন,জ্যোতিকা,জানকী বোদিওয়ালা</p>



<p>অজয় দেবগন এবং জিও স্টুডিওস&nbsp; প্রযোজিত এই ভয়ঙ্কর সুপারন্যাচারাল থ্রিলারের গল্প একটি সুখী পরিবারে আসা এক অনাহুত অতিথিকে নিয়ে যার উদ্দেশ্য ভয়ানক এবং তার পর শুরু হয় হাড় হিম হয়ে যাওয়া ঘটনার ঘনঘটা।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার &#8211;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Shaitaan Trailer | Ajay Devgn, R Madhavan, Jyotika | Jio Studios, Devgn Films, Panorama Studios" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/Yxe-mIVIwM4?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>বগলামামা</strong><strong> </strong><strong>যুগ</strong><strong> </strong><strong>যুগ</strong><strong> </strong><strong>জিও</strong> ওয়েব রিলিজ</p>



<p>নির্দেশনা -ধ্রুব ব্যানার্জি অভিনয়- খরাজ মুখোপাধ্যায়,ঋদ্ধি সেন,দিতিপ্রিয়া রায়,কৌশিক সেন,রজতাভ দত্ত,অপরাজিতা আঢ্য।</p>



<p>রাজকুমার মৈত্রের কালজয়ী বগলামামা ইতিমধ্যেই সুপারহিট।১৯৮০ সালের পটভূমিকায় কোলিয়ারি অঞ্চলের দুর্দান্ত বগলামামা আর তার কিশোর সাঙ্গ পাঙ্গদের হৈ হৈ হাসি আর মজার কান্ডকারখানা।হৈ চৈ তে আগামী ৮ই মার্চ থেকে দেখা যাবে।</p>



<p>ছবির ট্রেলার &#8211;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Bogla Mama Jug Jug Jio (বগলা মামা যুগ যুগ জিও) Official Trailer| Kharaj | Dhrubo | Jio Studios | SVF" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/ZRJl8afPGIM?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>সানফ্লাওয়ার</strong><strong> </strong><strong>সিজন</strong><strong> </strong><strong>২</strong> জি ফাইভ</p>



<p>নির্দেশক -নবীন গুজরাল&nbsp; অভিনয় -সুনীল গ্রোভার ,অদাহ শর্মা,রণবীর শোরে,আশিস বিদ্যার্থী</p>



<p>মিস্টার কাপুরের খুনের কিনারা করতে গিয়ে সানফ্লাওয়ার কমপ্লেক্স যেখানে খুন হয়ে যাওয়া মিস্টার কাপুরের&nbsp; বন্ধু বান্ধব,ওখানকার আবাসিক আর নিয়মিত আসা যাওয়া অনেকের ওপরেই সন্দেহের জাল বুনে কাহিনী এগিয়ে চলে,আর জেরায় সবাই মিথ্যে বলায় এক পুলিশ অফিসার বলে ওঠেন &#8216;ইয়ে সানফ্লাওয়ার নহি সব লায়ার কমপ্লেক্স হন চাহিয়ে।&#8217;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার –</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Sunflower S2 | Official Trailer | Sunil Grover | Adah Sharma | A ZEE5 Original | Watch Now on ZEE5" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/kLYZQr8nWa8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/">এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নায়িকা নয় ,অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলাম: লিলি চক্রবর্তী</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/exclusive-biographical-interview-of-lily-chakraborty/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/exclusive-biographical-interview-of-lily-chakraborty/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Oct 2023 11:03:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Amitabh Bachchan]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali Cinema]]></category>
		<category><![CDATA[Hrishikesh Mukherjee]]></category>
		<category><![CDATA[Lily Chakraborty]]></category>
		<category><![CDATA[Satyajit Ray]]></category>
		<category><![CDATA[Tarun Majumder]]></category>
		<category><![CDATA[Uttamkumar]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=6659</guid>

					<description><![CDATA[<p>৬৩ বছরের স্বর্ণালী সমৃদ্ধ অভিনয় জীবন কথা।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/exclusive-biographical-interview-of-lily-chakraborty/">নায়িকা নয় ,অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলাম: লিলি চক্রবর্তী</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কমলেন্দু সরকার</strong></p>



<p>সেসব অনেকদিন আগের কথা। তখন লিলি চক্রবর্তীর বয়স মাত্র ১৮। দেশভাগের আগেই মায়ের হাত ধরে চলে এসেছিলেন কলকাতা। বাবা কেশবনাথ চক্রবর্তী ঢাকার বিক্রমপুরে বিশাল সাবান ব্যবসার সবকিছু ছেড়ে কলকাতা চলে আসেন তার একবছর আগেই। কলকাতা এসে কঠিন লড়াই চলেছিল কেশবনাথের। তাঁর সংসারও ছিল বড়। তিন পুত্র, ছ&#8217;কন্যা নিয়ে তাঁর পরিবার। একদিন লিলিরা কলকাতা ছেড়ে চলে গেলেন মধ্যপ্রদেশ। বড় মামার কাছে। উনি ছিলেন কয়লাখনির সার্ভেয়ার।</p>



<p>এখানেই লিলির অভিনয়ের হাতেখড়ি। লিলি বলছেন,<strong> &#8220;ওখানে মা আমাদের নিয়ে নাটক, নাচ-গান করাতেন। এইসব করতে করতে আমার মধ্যে ঢুকে পড়ে অভিনয়ের বীজ। ওখানে প্রতি মাসে দুটো করে সিনেমা দেখাত। ছোট থেকেই আমার সিনেমা দেখার প্রতি খুব ঝোঁক৷ সিনেমা দেখতাম আর ভাবতাম, আমিও যদি ওইরকমভাবে সিনেমার পর্দায় নেচে-গেয়ে, হেঁটে-চলে বেড়াতে পারতাম, তাহলে বেশ মজা হত। কেমন যেন স্বপ্নের মতো মনে হত! একটা ঘোরের ভেতর চলে যেতাম। হিন্দি ছবি দেখতে দেখতে দেব আনন্দের ফ্যান হয়ে গেলাম।&#8221;</strong></p>



<p>একদিন মধ্যপ্রদেশের পাট চুকিয়ে ফের কলকাতা চলে আসা। সেইসময় লিলিরা থাকতেন উল্টোডাঙায় মুরারীপুকুর রোডে। লিলি চক্রবর্তী তখন কিশোরী। মেজদি নাটক করছেন &#8216;নবনাট্যম&#8217;-এ। গ্রুপের রিহার্সাল হত চোরবাগানের এক বড় বাড়িতে। একদিন মেজদির সঙ্গে লিলি গেলেন রিহার্সালে। সেইসময় চলছিল মাইকেল মধুসূদন দত্তর &#8216;মেঘনাদ বধ কাব্য&#8217;-এর মহড়া। পরিচালক দেবব্রত সুরচৌধুরী। <strong>পরিচালকের হঠাৎই নজর পড়ে লিলির প্রতি। তিনি বললেন, &#8220;খুকি, তুমি একটা পার্ট করে দেবে?&#8221;</strong></p>



<p>খুকি বলাতে বিরক্ত লিলি মুখে কিছু না-বলে ঘাড় নেড়ে সম্মতি দেন। &#8220;ওই নাটক এক রবিবার সকালে মঞ্চস্থ হল নিউ এম্পায়ারে। সেই আমার প্রথম বড় মঞ্চে অভিনয়!&#8221; ভূমিকা ছোট, মঞ্চ বৃহৎ। কিন্তু ভবিষ্যতের লিলি চক্রবর্তীর জন্য বড় ক্ষেত্র, বড় ভূমিকার ময়দান, প্রস্তুতির মহড়া হল সেই রবিবার সকালে নিউ এম্পায়ারে। টালিগঞ্জের বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি মিষ্টি এই অভিনেত্রীর অপেক্ষায় রইল।</p>



<p>শুরু হল লিলির অভিনয়জীবন। এই অভিনয় থেকেই অফিস ক্লাবের নাটকে অভিনয় করার ডাক এলো। সেইসময় বাণিজ্যিক নাটকের পাশাপাশি অফিস ক্লাবের নাটকের একটা জায়গা ছিল কলকাতার সাংস্কৃতিক মহলে। লিলি বাবার কাছে গিয়ে সব কথা খুলে বলেন। বাবা কেশবনাথ বললেন, &#8220;মা বকবে না তো?&#8221; লিলি বললেন, &#8220;দ্যাখো বাবা, মেজদি তো অনেকটাই সাহায্য করছে সংসারে, আমিও যদি কিছুটা করতে পারি। পড়াশোনা বাড়িতে করব। আমাদের অবস্থা তেমন ভাল নয়। বাবা সবকিছু ছেড়ে প্রায় কপর্দকহীন অবস্থায় কলকাতা এসেছেন। এ-শহরে এসে তেমন কিছু করতে পারেননি। হয়তো সেইকারণে, বাবা আর &#8216;না&#8217; করেননি।</p>



<p>সেইসময় প্রায় সব অফিস ক্লাবেরই নাটক হত। সবগুলোই নামীদামি অফিস। অনেকসময় নাটকের পরিচালক হতেন নামী কোনও পেশাদারি নাট্য পরিচালক। আবার অনেকসময় দেখা যেত অফিসেরই কাউকে পরিচালকের ভূমিকায়। যাক গে সেসব কথা। মোদ্দা কথা হল <strong>লিলি চক্রবর্তী হয়ে উঠেছিলেন অফিস ক্লাব নাটকের নিয়মিত অভিনেত্রী। সেইসময় নাটক পিছু লিলি চক্রবর্তী নিতেন ৫০ টাকা। সেইসময় ৫০ টাকাটা নেহাত মন্দ ছিল না। অনেক টাকা। ৫০ টাকার সঙ্গে পাওয়া যেত গাড়িভাড়াও।</strong></p>



<p>&#8220;একদিন হয়েছে কি, পার্ক স্ট্রিটের এক অফিস ক্লাবের নাটকের রিহার্সালে গেছি। সেই নাটকের পরিচালক ছিলেন কুনাল মুখোপাধ্যায়। তিনি সিনেমা পরিচালক কনক মুখোপাধ্যায়ের ভাই৷ হঠাৎই তিনি দুম করে বললেন, &#8216;বুড়ি তুই সিনেমায় অভিনয় করবি?&#8217; বললাম, করব। তখন কুনালদা বললেন, &#8216;তাহলে তুই আগামী কালই চলে যাবি রাধা স্টুডিয়োতে। দাদার সঙ্গে দেখা করে বলবি আমার কথা। আর আমি দাদাকে বলে রাখব তুই যাবি।&#8217; বললাম, ঠিক আছে। সঙ্গেসঙ্গে আমার মনে পড়ল সেই ভদ্রলোকের ভবিষ্যদ্বাণী, &#8216;দেখবে, বড় হয়ে তুমি অভিনেত্রী হবে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী হবে। তখন আমরা বড় মামার কাছে মধ্যপ্রদেশ থাকতাম।&#8221; লিলি জানালেন তাঁর অভিনেত্রী হওয়ার গোড়ার কথা, ১৯৫৮-র কথা। রাধা স্টুডিয়োয় পৌঁছে লিলি চক্রবর্তী বিস্ফারিত চোখে দেখেন শুটিং করছেন&#8211; ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, কমল মিত্র, জহর রায়-এর মতো বাঘা বাঘা অভিনেতা। &#8220;আমি বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে সটান কনক মুখোপাধ্যায়কে বললাম, আমি লিলি চক্রবর্তী। কুনালদার কথামতো এসেছি। উনি আর কিছু বলার সুযোগ না-দিয়ে বললেন, &#8216;শুটিং কিন্তু আজই করতে হবে। পারবে তো। এঁদের সঙ্গে অভিনয় করতে হবে!&#8217; তখন আমার কাছে কে ভানু, কে জহর, কে কমল মিত্র! আমি বিন্দুমাত্র না ঘাবড়ে বললাম, পারব। এমনকী স্টুডিয়োর পরিবেশ, সেট দেখেও কিছুই মনে হয়নি! সটান বলে দিলাম, হ্যাঁ। তারপর মেক-আপ নিলাম মেক-আপম্যানের কাছে। সপাটে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছিলাম ওঁদের সঙ্গে। <strong>আজ ৮২ বছর বয়সেও কোনও কাজ করতে ঘাবড়াই না, ভয়ও পাই না। একইরকম আছি। </strong>সেদিন সকলেই তারিফ করেছিলেন আমার অভিনয়ের! ওঁরা বলেছিলেন, &#8216;একেবারে আনকোরা নতুন মেয়েটি কী অভিনয়টা না করে গেল!&#8217; আমার ভূমিকা ছিল এক টাইপিস্টের।&#8221;</p>



<p>লিলি চক্রবর্তী অভিনীত প্রথম ছবির নাম ছিল &#8216;ভানু পেল লটারি&#8217;। পরদিন ছিল পার্ক স্ট্রিটের সেই অফিস ক্লাবের নাটকের রিহার্সাল। নাটকের মহড়ায় ঢুকতে গিয়েই পরিচালক কুনাল মুখোপাধ্যায়ের উড়ে আসা একটি কথায় হোঁচট খেলাম, &#8220;লিলি, তুমি কাল কি করেছ?&#8217; আমি চমকে উঠলাম! সেটের সবাই তো বললেন, &#8216;দারুণ হয়েছে।&#8217; শেষমেশ রহস্য না করে কুনাল মুখোপাধ্যায় বললেন, &#8216;না না, অত চমকে ওঠার&nbsp; কারণ নেই কোনও। দাদা বললেন, &#8216;লিলি, দারুণ অভিনয় করেছেন। যদি আগে পেতাম তাহলে ওকেই ছবির নায়িকা করতাম। ওর মধ্যে একটা ব্যাপার আছে। খুব ভাল অভিনেত্রী।&#8217; এবার আমি হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম!&#8217;</p>



<p>আবার নতুন আর একটি ছবির খবর এলো লিলির কাছে। তার মাঝে ঘটে গেছে এক ভয়ংকর ঘটনা। সত্যজিৎ রায় সেইসময় &#8216;অপুর সংসার&#8217; করবেন ঠিক করেছেন। &#8221; একদিন ভানু ঘোষ আমাদের বাড়ি এলেন। ভানুবাবু বললেন, &#8216;আপনাকে মানিকদা, মানে সত্যজিৎ রায় একবার দেখা করতে বলেছেন।&#8217; আমি তো অবাক হয়ে ভানু ঘোষের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছি না! উনি চলে যাওয়ার পরও ঘোর কাটেনি আমার। তা যাইহোক, বাবার সঙ্গে একদিন <strong>সত্যজিৎ রায়ের লেক টেম্পল রোডের বাড়িতে গেলাম। ঘরে ঢুকে দেখি উনি কয়েকজন লোকের সঙ্গে কথা বলছেন। আমাদের বসতে বললেন। ওঁদের সঙ্গে কথা শেষ হওয়ার পর সত্যজিৎ রায় আমাকে বললেন, &#8216;আমি &#8216;অপুর সংসার&#8217; ছবিটা করব। তোমাকে অপর্ণার চরিত্রে কেমন লাগে, তা দেখার জন্য ডেকেছি।&#8217;</strong></p>



<p>এইসব কথার হওয়ার পর উনি আর বউদি (বিজয়া রায়) আমাকে সাজিয়ে দিলেন। সাজগোজ করতে বেশ কিছুক্ষণ লেগেছিল। সত্যজিৎ রায় আমাকে দেখে খুব খুশি। উনি বললেন, &#8216;তোমাকে দেখে নিলাম। ঠিক আছে। তবে একজনকে আমি নির্বাচন করে রেখেছি। তার একটু অসুবিধা আছে বলেছে। সে যদি না করে, তাহলে তুমি অপর্ণার রোলটা করবে। নাহলে, সেই করবে। তুমি বাদ পড়লে কিছু মনে কোরো না।&#8217; আমি বললাম, না, না, মনে করব কেন। ঠিক আছে। তারপর তো সকলেরই জানা শর্মিলা ঠাকুর করলেন। শর্মিলা না করলে আমিই হতাম &#8216;অপুর সংসার&#8217;-এর অপর্ণা। তবে পরবর্তী সময়ে সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে কাজ করেছি। &#8216;জন অরণ্য&#8217; (১৯৭৫) আর &#8216;শাখা প্রশাখা&#8217;য় (১৯৯০)।&#8221;</p>



<p>এটি লিলি চক্রবর্তীর কাছে প্রথম ছবির অফার ছিল না। তার আগে ছবি তো তিনি করেছেন। আবার সেই অফিস ক্লাবের রিহার্সাল। লিলি চক্রবর্তী নাটকের মহড়া দিচ্ছেন, এমন সময় প্রবেশ ক্যামেরাম্যান অনিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অনিল এবং লিলি পরস্পরের পরিচিত। তিনি লিলি চক্রবর্তীকে বললেন, &#8216;অভি ভট্টাচার্য একটা ছবি করবেন। পরিচালক পিনাকী মুখোপাধ্যায়। ওঁরা একজন নতুন মেয়ে খুঁজছেন। ওঁদের তোমার কথা বলেছি। ওঁরা বলেছেন তোমাকে একবার দেখা করতে।&#8221;</p>



<p>লিলি চক্রবর্তী গেলেন একদিন। ছবির নাম &#8216;মধ্যরাতের তারা&#8217;। &#8220;পরিচালক পিনাকী মুখোপাধ্যায় বললেন আমাকে, <strong>&#8216;তোমাকে অভিনয় করতে হবে ছবি বিশ্বাসের বড় মেয়ের ভূমিকায়। পারবে তো?&#8217; বললাম, পারব। বাড়িতে ফিরে সেই কথা সবাইকে জানালাম। সকলেরই এক কথা, &#8216;তুই কী পারবি ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে অভিনয় করতে! উনি বিশাল বড় অভিনেতা। জানিস?&#8217; আমি তো তেমনভাবে জানতাম না। তবে ভয়ও ছিল না। পরে জেনেছিলাম উনি কত বড় শিল্পী ছিলেন। প্রথমদিনের শুটিংয়ে চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা হয়েছিল। যা আজও স্মরণে আছে।</strong> শুটিং করছিলাম একটি দৃশ্যের। পরিচালক বললেন, &#8216;ও কে।&#8217; কিন্তু ছবি বিশ্বাস বললেন, &#8216;না হয়নি। আরও একটা শট নাও। ছবি বিশ্বাসের ওপর কথা বলার সাহস কারওরই ছিল না। পরিচালক বললেন, &#8216;ঠিক আছে।&#8217; আমি তো ভয় পেয়ে গেছি। ভয়টা ভাঙিয়ে দিলেন ছবি বিশ্বাসই। বললেন, &#8216;লিলি তো নতুন। ও লাইট ঠিকমতো নিতে পারেনি।&#8217; তারপর উনি আমাকে বুঝিয়ে দেন কীভাবে আলো নিতে হয়, নিতে হবে। ছবি বিশ্বাসের কথামতো শট নেওয়া হল। ওঁর কথা অমান্য করার মতো কেউ ছিলেন না তখন।&#8221;</p>



<p>পরে লিলি চক্রবর্তীকে শ্যামবাজারের পেশাদারি মঞ্চে নিয়ে আসেন ছবি বিশ্বাসই। নাটকের নাম &#8216;শ্রেয়সী&#8217;। এরই মাঝে লিলি চক্রবর্তীর জীবনে আসেন এক পুরুষ। হঠাৎই বিয়ে করেন লিলি। &#8220;এক ভদ্রলোক একদিন আমাদের বাড়ি এলেন। তাঁর নাম অজিত ঘোষ। ব্যবসা করেন। তিনি ছবি করবেন। নায়িকা আমি। এইসূত্রে তিনি যাতায়াত করতেন বাড়িতে। একসময় বাড়ির সকলের সঙ্গে মিশে গেলেন। কিছুদিন পর সবাইকে চমকে দিয়ে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বাবা &#8216;না&#8217; করেননি। বললেন, &#8216;ছেলেটা ভাল। আপত্তি কোথায়?&#8217; আমাদের বিয়েটা হল, ছবিটি হল না। এই বিয়ে ছিল আমার জীবনের আশীর্বাদ। আমাকে খুবই সাহায্য করেছে সারাজীবন ধরে।&#8221;</p>



<p>আবার ফিরে আসি লিলি চক্রবর্তীর নাটকের অভিনয়জীবনে। স্টার থিয়েটারে ৩০০ টাকা মাসমাইনেতে ঢুকলেন লিলি চক্রবর্তী। পরে বেড়ে ৬০০ টাকা হয়। &#8216;শ্রেয়সী&#8217; নাটকেও লিলির বাবার ভূমিকায় ছবি বিশ্বাস। ছিলেন সব বাঘা বাঘা শিল্পী&#8212; তুলসী চক্রবর্তী, কমল মিত্র, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপকুমার, সুখেন দাশ প্রমুখ। &#8220;আমাকে কেউ বুঝতেই দেননি আমি মঞ্চে একেবারেই আনকোরা। &#8216;শ্রেয়সী&#8217; করে আমার প্রচুর নাম হল। বহু ছবির অফারও পেলাম। ওঁদের জন্যই আজ আমি এখানে পৌঁছেছি।&#8221;</p>



<p>নাটক করতে করতেই সুযোগ এল পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ছবি &#8216;আহবান&#8217;-এ। এই ছবিতে ছিলেন অনিল চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়। লিলি চক্রবর্তী ছিলেন দ্বিতীয় নায়িকা। এরপর পরিচালক বিভূতি চক্রবর্তীর &#8216;শেষ চিহ্ন&#8217;। &#8220;শুটিং করছিলাম নিউ থিয়েটার্স-দু&#8217;নম্বরে। এখানে তপন সিংহের অফিস ছিল। একদিন শুটিং করছি, উনি ডেকে পাঠালেন। সামান্য হলেও বিস্মিত হই। গেলাম ওঁর অফিসে।<strong> তপনদা আমাকে বসবার ইঙ্গিত দিয়ে বললেন, &#8216;আমি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের &#8216;হাঁসুলি বাঁকের উপকথা&#8217; নিয়ে ছবি করছি। আপনাকে নসুবালার চরিত্রে ভেবেছি। </strong>করবেন? আউটডোর হবে বীরভূমে। পারবেন?&#8217; তপন সিংহের ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে৷ &#8216;শ্রেয়সী&#8217; তখন রীতিমতো জমে গেছে। কোনও ছুটি পাওয়া যাবে না। বীরভূমে আউটডোর ছিল প্রথম দফায় সাতদিন, পরের দফায় আরও পনেরো দিন। &#8216;শ্রেয়সী&#8217; নাটকে আমার ভূমিকায় একজনকে তৈরি করে চলে গেলাম আউটডোরে। সাতদিন বাদে ফিরে দেখি, আমাকে উকিলের চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমি চারটে শো করতে পারিনি তাই আমাকে দিতে হবে চারহাজার টাকা ক্ষতিপূরণ। এত টাকা কোথায় পাব! শরণাপন্ন হলাম ছবি বিশ্বাসের। ওঁকে ব্যাপারটা সব খুলে বলি। তারপর ছবি বিশ্বাস পুরো ব্যাপারটি সামলে ছিলেন। এরপর থেকে ছুটি নিয়ে আরও কোনওরকম ঝামেলা ছিল না। চাইলেই পাওয়া যেত।</p>



<p>আউটডোর শুটিংয়ে প্রচুর অভিজ্ঞতা লিলি চক্রবর্তীর। &#8220;একবার পরিচালক বলাই সেনের &#8216;কেদার রাজা&#8217;র আউটডোর ছিল হরিদ্বার হয়ে দেবপ্রয়াগে। ওখানে গিয়ে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। শেষমেশ কোনওরকমে জায়গা পাওয়া গেল। ঠিক হল মেয়েরা ঘরে থাকবে। আর ছেলেরা ছাদে। হঠাৎ সকলের খেয়াল পড়ল ছায়া দেবী নেই।&nbsp; তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। সবাই দুশ্চিন্তায়। চারিদিকে খোঁজাখুঁজি চলছে ছায়া দেবীর! হঠাৎই আবিষ্কার করা গেল তাঁকে। দেখা গেল, উনি স্থানীয় একজনকে ম্যানেজ করে তাঁর বাড়ি থেকে গেছেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="510" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/deya-neya-lily-1024x510.jpg" alt="" class="wp-image-6662" style="aspect-ratio:2.007843137254902;width:456px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/deya-neya-lily-1024x510.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/deya-neya-lily-300x149.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/deya-neya-lily-scaled.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/deya-neya-lily-1536x765.jpg 1536w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -&#8216;দেয়া নেয়া&#8217; </figcaption></figure>



<p><strong>একদিন &#8216;কেদার রাজা&#8217;র শুটিং করছিলাম টেকনিশিয়ান দুইয়ে। ঠিক আমাদের পাশের ফ্লোরে শুটিং করছিলেন উত্তমকুমার। হঠাৎই দুজনেই মুখোমুখি। উত্তমদা বললেন, &#8216;কোন দোকানের চাল খাও বউঠান? এখনও চেহারাটা একইরকম রেখেছ!&#8217;</strong> &#8216;দেয়ানেয়া&#8217;র সময় থেকে আমাকে বউঠান বলে ডাকতেন উত্তমদা। &#8216;দেয়ানেয়া&#8217; আর &#8216;কেদার রাজা&#8217;র মাঝে চার বছর কেটে গেছে। এই &#8216;দেয়ানেয়া&#8217;র সেটেরই ঘটনা। আমি, বুড়োদা (তরুণকুমার) আর উত্তমদা বসে বসে মুড়ি খাব, এই দৃশ্যটির শুটিং হবে।</p>



<p>আমরা বসে বসে গল্প করছি। কখন যে আমরা ছবির দৃশ্যে ঢুকে পড়েছি বুঝতে পারিনি! খেয়াল হতেই উত্তমদাকে বললাম, আমরা কি রিহার্সাল দিচ্ছি। উত্তমদা বললেন, &#8216;হ্যাঁ&#8217;, বউঠান। এইভাবে ন্যাচারাল অভিনয় করতে হবে। তা হলেই ভাল লাগবে।&#8217; উনি কাজ ছাড়া অন্যকিছুই ভাবতে পারতেন না। অভিনয়ের প্রতি ওইরকম ভালবাসা আর নিবেদিত প্রাণ কারওর মধ্যে দেখিনি।</p>



<p>শুটিং করতে করতে মজাও করতেন উত্তমদা। একটা মজার ঘটনা ঘটে পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের&nbsp;<strong> &#8216;ভোলা ময়রা&#8217;র সেটে। উত্তমদার সঙ্গে আমার একটা অন্তরঙ্গ দৃশ্য ছিল। উনি আমাকে জড়িয়ে ধরেছেন। সেটের মধ্যেই উত্তমদা বিড়বিড় করে বলছেন, &#8216;সারা জীবন এইভাবে অভিনয় করিনি। এবার কী হয়।&#8217; আমি ছাড়া আর কেউ শুনতে পাচ্ছে না। আমাকে চেপে ধরলেন। আমি বললাম, বেণুদি কিন্তু বসে আছেন। বলে দেব।</strong> উত্তমদা বললেন, &#8216;থাকুক বেণু। এবার কী করো দেখি।&#8217; আমি বেণুদিকে বললাম, দেখছ তো বেণুদি উত্তমদা কেমন করছেন। বেণুদি জানতেন, উত্তমদা ওরকম মজা করেন। তখন কাজ করে মজা ছিল অনেক বেশি।&#8221;</p>



<p>ষাটের দশক ছিল লিলি চক্রবর্তীর অভিনয়জীবনের উত্তরণ, আর সত্তরের দশক সোনার দশক। সত্তরের দশকে তিনি বাংলা ছবির গণ্ডি টালিগঞ্জ ছাড়িয়ে মলয়ালম ছবির জন্য চেন্নাই, হিন্দি ছবির জন্য মুম্বই যাত্রাও করেন। চেন্নাইয়ে আরও ছবি করার অফার থাকলেও তাঁকে চলে আসতে হয় পারিবারিক কারণ। কলকাতা ফিরে আবার সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিস্ট্যান্ট, প্রথম বসন্ত, মহাকবি কৃত্তিবাস, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ইত্যাদি ছবি করেন। এ-থেকে বোঝা যায়, লিলি চক্রবর্তীর বরাবরই একটা জায়গা ছিল বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে।<strong> &#8216;ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিস্ট্যান্ট&#8217; ছবিটি করার সময় ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভীষণ ভাল একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে লিলির। সে-কথা নিজেই বলেছেন লিলি চক্রবর্তী। &#8220;এই ছবিটি করতে করতে দারুণ একটা সম্পর্ক গড়ে উঠল ভানুদার সঙ্গে।</strong> যদিও এর আগে ভানুদার সঙ্গে ছবি করেছিলাম। আমাকে উনি খুবই ভালবাসতেন। শেষে সম্পর্কটা খুব সুন্দর একটা জায়গায় দাঁড়ায়। আমার সঙ্গে দেখা হলেই গাল বাড়িয়ে দিতেন। তার অর্থ একটা চুমু দিতে হবে। তাঁর গালে হালকা করে একটা চুমু দিতে হত। কী সুন্দর দিনগুলো ছিল! মানুষগুলোও ছিলেন ঠিক তেমনই!&#8221;</p>



<p>অশান্ত সত্তরের দশক। টালিগঞ্জে কাজ কমল। লিলি চক্রবর্তী পাড়ি দিলেন মুম্বই। হিন্দি ছবির সাম্রাজ্যে। এর আগেও বার কয়েক ঘুরে এসেছিলেন। প্রথমবার ১৯৬৫। ছবি &#8216;অগ্নিসংস্কার&#8217;-এর রিমেক &#8216;আনহোনি&#8217;। এই ছবির বিপরীতে ছিলেন দাদামণি অশোককুমার আর প্রদীপকুমার। দিন সাত শুটিংয়ের পর বন্ধ হয়ে যায়। ছবিটি শেষ আর হল না। করলেন পৌরাণিক ছবি &#8216;সম্পূর্ণ বিষ্ণু পুরাণ&#8217;।</p>



<p>সত্তরের দশকে টালিগঞ্জে কাজ কমলে লিলি চক্রবর্তী মুম্বইয়ের বাসিন্দা হলেন। ফ্ল্যাট নিলেন জুহুর আনন্দনগরে। সঙ্গে স্বামী অজিত ঘোষ। ফ্ল্যাটের উল্টো দিকে অজন্তা প্যালেস হোটেল। <strong>ওই হোটেলে এসে উঠলেন পরিচালক তরুণ মজুমদার। তিনি একদিন ডাকলেন লিলি চক্রবর্তীকে। বললেন, &#8216;আমি &#8216;ফুলেশ্বরী&#8217; করছি তোমাকে একটা চরিত্রে অভিনয় করতে হবে। চলে এসো। মুকুল দত্তও আসবেন। উনি গান লিখবেন। তোমাকে আর ওঁকে একসঙ্গে চিত্রনাট্যও পড়িয়ে দেব।&#8217;</strong></p>



<p>&#8220;চলে গেলাম। মুকুল দত্তের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিলেন তনুদা। মুকুল দত্ত বললেন, &#8216;আপনি এখানে এসেছেন বলেননি!&#8217; আমি অবাক! কাকে বলব! আমি তো এখানে কাউকে চিনি না। মুকুল দত্ত বললেন, &#8216;ঠিক আছে। আপনাকে আমি খবর দিয়ে দেব।&#8217; এরপর কেটে গেল দিন তিন-চার। সপ্তাহখানেক পর মুকুলদা গাড়ি পাঠিয়ে দিলেন বাড়িতে। উনি থাকতেন খার-এ। মুকুলদার স্ত্রী চাঁদ উসমানি। তিনিই দরজা খুললেন। উনি হিন্দি ছবির নামী অভিনেত্রী। পঞ্চাশের দশক থেকে হিন্দি ছবিতে কাজ করছেন। মুকুলদা বললেন, &#8216;এসো, ভিতরে এসো। দ্যাখো, গুলজার একটি নতুন মেয়ে খুঁজছেন। তুমি করবে?&#8217; আমার তো না-করার কিছু নেই। হিন্দি ছবিতে কাজ করব বলেই তো মুম্বই এসেছি। এরপর সঙ্গেসঙ্গে ফোন করলেন গুলজারজিকে।</p>



<p>গুলজারজি কিছুক্ষণ পর গাড়ি পাঠিয়ে দেন। আমরা গেলাম গুলজারজির বাড়ি। একটা ঘরে বসলাম। ঘরে&nbsp; ঢালাও বিছানা পাতা। একটু পর গুলজারজি ঘরে ঢুকলেন। বললেন, &#8216;দেয়ানেয়া&#8217; দেখেছি। ভাল লেগেছে। আপনার ছবি আছে?&#8217; উনি পরিষ্কার বাংলায় কথা বলছিলেন। ওঠার সময় বললেন, &#8216;আপনার হিন্দি কেমন আসে, সেটাই তো জানা হল না!&#8217; এরপর কিছুটা হিন্দিতে কথা হল। হাসতে হাসতে উনি বললেন, &#8216;আরে আপনি তো জয়াজির (বচ্চন) মতো হিন্দি বলেন!&#8217; বললাম, আমিও তো জয়াজির মতো মধ্যপ্রদেশে বড় হয়েছি।&#8221;</p>



<p>এর দিন পনেরো পর গুলজারের লোক এসে লিলি চক্রবর্তীর ব্লাউজের মাপ, শাড়ি পছন্দ করতে আসেন।লিলি চক্রবর্তী বললেন, &#8220;কি শাড়ি পরব না-পরব, সে তো পরিচালক বলবেন, ঠিক করবেন। যাইহোক, ছবির শুটিং শুরু হল। ছবির নাম &#8216;অচানক&#8217;। নায়ক বিনোদ খান্না। উনি আমাকে খুব সাহায্য করেন। গুলজারজির কথা তো একেবারেই ভিন্ন। ওঁর মতো পরিচালক, ভদ্রলোক খুব কম আছে। আমার কখনওই মনে হয়নি আমি নতুন। কিংবা বলা ভাল আমাকে ওঁরা মনে করতে দেননি! একটা অদ্ভুত ব্যাপার হল, আমার সঙ্গে কোনও চুক্তিই হয়নি, তাই টাকাও পাইনি! কাউকে কিছু বলতেও পারিনি!&#8221;</p>



<p>একদিন দাদারে রূপতারা স্টুডিয়োতে শুটিং করছেন লিলি চক্রবর্তী। সেইসময় একজন বললেন, &#8216;ম্যাডাম, আপনাকে সিপ্পিস্যর ডাকছেন। <strong>&#8220;দেখি, ঢাউস একটা গাড়িতে সিপ্পিজি এসেছেন। হাসতে হাসতে বললেন, &#8216;কি লিলি, তোমার টাকাপয়সার দরকার নেই? ছবি করলে টাকা নিলে না! কত দিতে হবে?&#8217; আমি কী বলব! আপনি যা দেবেন, নেব। সিপ্পিজি বললেন, &#8216;তুমি খুব বুদ্ধিমতী। আমার দিকে বলটা ঠেলে দিলে। ঠিক আছে।&#8217; আমার চেকটা উনি লিখেই এনেছিলেন। আমার হাতে তুলে দিয়ে বললেন, &#8216;ঠিক আছে তো?&#8217; চেকের অঙ্ক দেখে মনে মনে বলি, ভাবতেই পারিনি এত টাকা পাব। </strong>বাংলা ছবিতে তো এত টাকা জীবনে চোখেই দেখিনি!</p>



<p><strong>এরপর যে-কথাটি বললেন সিপ্পিজি তার জন্য বিন্দুমাত্র প্রস্তুতি ছিল না আমার। বললেন, &#8216;বাঙালি খানা বানাতে পারো?&#8217; বললাম, সব বাঙালি মেয়েই রান্না করতে পারে। &#8216;তাহলে তুমি একদিন আমাদের বাড়িতে এসো। আমার স্ত্রীর বাঙালি খাবার খুব পছন্দ, ভালওবাসে। বিশেষ করে, ইলিশ মাছ।&#8217; দেওয়ালির দিন সিপ্পিজি আমার বাড়িতে গাড়ি পাঠিয়ে দেন। ওঁর বাড়িতে গিয়ে দেখি বিশাল সাইজের একটা ইলিশ আর ইয়া বড় বড় গলদা চিংড়ি কিনে রেখেছেন। ইলিশ পাতুরি আর গলদা চিংড়ির মালাইকারি বানালাম। বাড়ির সবাই চেটেপুটে খেলেন। সিপ্পিজির স্ত্রী বেজায় খুশি। </strong>বাড়ি ফেরার সময় আমার হাতে উপহার তুলে দেন মিষ্টি আর অত্যন্ত একটা দামি শাড়ি। আমি মজা করে বললাম, এগুলো কি রান্নার জন্য। সিপ্পিজি আর ভাবিজি ভীষণ লজ্জা পেলেন। বললেন, &#8216;আমার বাড়িতে আমার মেয়ে এসেছে তাকে কী খালি হাতে ফেরানো যায় না ফেরাতে আছে।&#8217; সত্যিই এরপর ওঁদের বাড়ির মেয়ে হয়ে উঠি।</p>



<p>পরে এর ফল পাই। ফ্ল্যাট নিয়ে বাড়িওয়ালার সঙ্গে গণ্ডগোল হচ্ছিল। তাই আমি আগে থেকেই দু&#8217;কামরার একটা ফ্ল্যাট দেখে রেখেছিলাম জুহুতেই সুজাতা অ্যাপার্টমেন্টে। দাম ৩৫০০০ হাজার টাকা। সেইসময় এটা অনেকটাই। পাব কোথায়! একদিন কপাল ঠুকে সিপ্পিজিকে ফোন করলাম। পুরো ঘটনাটা জানিয়ে বলি, যদি টাকাটা ধার দিতেন। সঙ্গেসঙ্গে উনি বললেন, &#8216;ধার কি বলছ! তুমি টাকাটা নিয়ে যাও। আমার পরের ছবি &#8216;চুপকে চুপকে&#8217;-তে কাজ করবে তার অগ্রিম দিলাম।&#8217; এমনটা আমার কাছে ছিল কল্পনাতীত!</p>



<p>ফ্ল্যাট কিনলাম। শুরু হল &#8216;ফুলেশ্বরী&#8217;র কাজ। তখন প্রায় নিত্যযাত্রী ছিলাম মুম্বই-কলকাতা, কলকাতা-মুম্বইয়ের। &#8216;ফুলেশ্বরী&#8217; ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল, হয়েছিল দর্শক-ধন্য। লিলি চক্রবর্তীর অভিনয়ের প্রচণ্ড সুখ্যাতি হয়। &#8220;তনুদা বলেছিলেন, &#8216;তোর পুরস্কার কেউ আটকাতে পারবে না। এর আগেও &#8216;হাঁসুলি বাঁকের উপকথা&#8217; আর &#8216;কাচ কাটা হিরে&#8217; ছবিতেও অভিনয়ের প্রশংসা হয়। শুনেছিলাম পুরস্কার পাওয়ার কথা। না, পাইনি।&#8221;</p>



<p>হৃষীকেশ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;চুপকে চুপকে&#8217; ছবি করেও বিস্তর খ্যাতি হয় লিলি চক্রবর্তীর। &#8216;আলাপ&#8217; করেও। &#8216;আলাপ&#8217;-এ ছবির অনেকটা অংশ জুড়েই ছিলেন অমিতাভ বচ্চন-লিলি চক্রবর্তী। এবং ছবি শেষ হওয়ার পর হৃষীকেশ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন লিলি চক্রবর্তীকে, &#8216;আলাপ&#8217; রিলিজ হলে দেখবে তোমার বাড়ির সামনে লাইন লেগে যাবে।&#8217; পরিচালকের এই ভবিষ্যদ্বাণী খুব একটা ভুল ছিল না লিলি চক্রবর্তীর অভিনয়জীবনে। &#8216;আলাপ&#8217; করতে করতেই কলকাতা এসে করেছিলেন পরিচালক পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়ের &#8216;ভোলা ময়রা&#8217;। এই ছবিটি করার জন্য বিশেষ অনুরোধ ছিল &#8216;উত্তমকুমারের।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="591" height="259" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Chupke-chupke-1.png" alt="" class="wp-image-6665" style="aspect-ratio:2.281853281853282;width:458px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Chupke-chupke-1.png 591w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Chupke-chupke-1-300x131.png 300w" sizes="(max-width: 591px) 100vw, 591px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- &#8216;চুপকে চুপকে&#8217;</figcaption></figure>



<p><strong>&#8220;আলাপ&#8217; করার বছর দুই আগে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে করি &#8216;চুপকে চুপকে&#8217;। তা &#8216;আলাপ&#8217;-এর প্রথম দিন হৃষীদা বললেন, &#8216;তোমার মেক-আপ হয়ে গেলে আমাকে একবার দেখিয়ে নিয়ো।&#8217; তা আমি হৃষীদাকে মেক-আপ দেখাতে যাচ্ছি, দেখি হৃষীদা একজনের সঙ্গে বসে দাবা খেলছেন। আর অমিতাভ বচ্চন দাঁড়িয়ে কোনও একজনের সঙ্গে কথা বলছেন। আমি ভাবলাম, &#8216;চুপকে চুপকে&#8217; করেছি দু&#8217; বছর হয়ে গেল উনি কী আর চিনতে পারবেন! তা আমি পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছি। অমিতাভ বচ্চন আওয়াজ দিলেন, &#8216;কী লিলিজি একসঙ্গে ছবি করলাম, ক&#8217;দিন টানা শুটিংও করলাম, আর এখন পাত্তা না দিয়ে কথা না বলে চলে যাচ্ছেন! না হয়, আপনি ভাল অভিনেত্রী, তা বলে কী কথা বলতে নেই! এমনকী &#8216;হ্যালো&#8217;ও বলতে নেই!&#8217;</strong> আমি ভাবতেও পারিনি অমিতাভ বচ্চনের মতো অতবড় একজন অভিনেতা এমনভাবে বলবেন! আমি লজ্জায় কোনওরকমে বলি, আমি দেখলাম আপনি একজনের সঙ্গে কথা বলছেন তাই আর&#8230;। আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে অমিতাভ বললেন, &#8216;তাতে কী হয়েছে! একটু কি কথা বলতে পারতাম না।&#8217; এরপর খুব ভাল সম্পর্ক হয়ে গেল। ওঁর সঙ্গে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা খুব ভাল। মুম্বাইয়ের সকলেই ভীষণই প্রোফেশনাল। কাজের বাইরে কেউই খুব বেশি কথা বলেন না। তবে, অমিতাভ বচ্চন সেটে খুবই সাহায্য করেন সহশিল্পীদের। আমাকেও করেছেন। তাছাড়া ভীষণই ভদ্র।&#8221;</p>



<p>একদিন শুটিং করে মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে ফিরেছেন লিলি। দ্যাখেন তাঁর টেবিলে দু&#8217;টি চিঠি। একটি বাড়ির, অন্যটি সত্যজিৎ রায়ের।<strong> &#8220;প্রথমে সত্যজিৎ রায়ের চিঠি খুললাম। উনি লিখেছেন, &#8216;আমি তোমার &#8216;ফুলেশ্বরী&#8217; দেখেছি। খুব ভাল লেগেছে। আমি শঙ্করের &#8216;জন অরণ্য&#8217; নিয়ে ছবি করব। কমলা বউদির চরিত্রটা তুমি করবে। </strong>ওখানকার অ্যাসাইনমেন্ট কী আছে আমাকে জানাও&#8217;। আমার সারা শরীরে শিহরন খেলে গেল! বাসু ভট্টাচার্যকে ফোন করে সত্যজিৎ রায়ের বাড়ির ঠিকানা নিলাম। আমি তাঁকে চিঠিতে লিখলাম, আমার যত কাজই থাকুক আপনার ছবি করছিই।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="295" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Jana-Aranya-thr.jpg" alt="" class="wp-image-6666" style="aspect-ratio:1.3559322033898304;width:456px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Jana-Aranya-thr.jpg 400w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Jana-Aranya-thr-300x221.jpg 300w" sizes="(max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- &#8216;জন অরণ্য&#8217; </figcaption></figure>



<p>সত্যজিৎ রায়ের প্রোডাকশন থেকে ফ্লাইটের দুটো টিকিট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে ফোন করেছিলাম&nbsp; অনিল চৌধুরী এসে আমাকে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে নিয়ে গেলেন।&#8221;</p>



<p>মুম্বই ছেড়ে আবার কলকাতা ফেরা। এবার যত না ছবি করার অফার এলো, তার চেয়ে বেশি এলো নাটকের। তার কারণ, &#8220;কলকাতা আসতেই জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, বীরু মুখোপাধ্যায়, হরিদাস সান্যালেরা বললেন, &#8216;তুমি কলকাতা থেকে যাও। নাটক করো। ভাল নাটক হলে, হিট হলে বহু পরিবার বেঁচে যাবে।&#8217; একসময় নাটকই তো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। নাটকের পোকা বহুদিন ধরেই ছিল আমার মাথায়। মাধবীদি (মুখোপাধ্যায়) তখন কাশী বিশ্বনাথ মঞ্চে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের &#8216;না&#8217; করছিলেন। তিনি শারীরিক কারণে ছুটি নেওয়াতে ওঁর চরিত্রটা আমি করেছিলাম। তারপর আবার মুম্বই ফিরে যাব যাব ভাবছি, ঠিক সেইসময় জহর রায় এসে বললেন, &#8216;রঙমহল&#8217;-এ আমি &#8216;অপরিচিত&#8217; করছি, করবে?&#8217; করলাম। এমন সময় একদিন মুম্বই থেকে সিপ্পিজি ফোন করলেন একদিন, &#8216;আমার ছেলে রাজ প্রথম ছবি করছে &#8216;ইনকার&#8217;। করবে?&#8217; করলাম &#8216;ইনকার&#8217;। আমি অভিনয় করেছিলাম শ্রীরাম লাগুর স্ত্রীর ভূমিকায়।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="262" height="192" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/inkaar-lily.jpg" alt="" class="wp-image-6667"/><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- &#8216;ইনকার&#8217;</figcaption></figure>



<p>সিপ্পিদের ছবি করে আবার কলকাতা ফিরলেন লিলি। &#8221; এবারের নাটক &#8216;রাজদ্রোহী&#8217;। এবার বুঝতে পারছি বয়স হচ্ছে, মোটা হচ্ছি। ছবির কাজ কমতির দিকে, নাটকের কাজ আসছে। এরই মধ্যে ছবি করলাম উত্তমদার সঙ্গে &#8216;দুই পুরুষ&#8217;। প্রভাত রায়ের প্রথম ছবি &#8216;প্রতিদান&#8217;ও করি। নাটক আর ছবির কাজ একইসঙ্গে চলছে। &#8216;সুখের ঠিকানা&#8217; নাটকটি করছিলাম তখন। সেদিন ছিল ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবস। ছুটির দিন নাটকের থাকত ডাবল শো। রাত তখন দশটা, ফোনটা বেজে বেজে কেটে গেল। আবার এলো। ফোন তুলতেই উল্টো দিক থেকে একজন বললেন, &#8216;নির্মাল্য আচার্য বলছি। আপনার সঙ্গে মানিকবাবু কথা বলবেন।&#8217; আমি তো রীতিমতো অবাক! এত রাতে সত্যজিৎ রায়ের ফোন! ভেসে এলো সত্যজিৎ রায়ের সেই ভারী কণ্ঠ, &#8216;লিলি, অনেকদিন তোমাকে দেখিনি। তোমাকে একটু দেখতে চাই। কবে আসবে?&#8217;</p>



<p>তারপর একদিন ছেঁড়া তার-এ নাটকের রিহার্সাল শেষে চলে গেলাম বিশপ লেফ্রয় রোডে সত্যজিৎ রায়ের বাড়ি। দরজা খুলে দিয়ে বললেন, &#8216;আরে, এসো এসো। ঘরে এসে বসলাম। সেদিন তিনি একাই ছিলেন ঘরে। &#8216;তুমি নাকি মোটা হয়ে গেছ?&#8217; বললাম, কতদিন পর দেখছেন বলুন তো। সেই &#8216;জন অরণ্য&#8217;র সময়। তারপর পনেরোটা বছর কেটে গেছে। মানিকদা বললেন, &#8216;হা ভগবান, সময়টা কেমন কেটে যায়! তুমি একটু বোসো। বউদি তোমাকে দেখবে। বাবু &#8216;গুপী বাঘা ফিরে এলো&#8217; করছে, সেখানে গেছে। তুমি একটু রোগা হতে পারবে? ছবি শুরু হতে এখনও চার মাস বাকি আছে। পারবে না?&#8217; আমি কিছু বলার আগেই উনি বললেন, &#8216;চা খাবে?&#8217; বলেই নিজে চলে গেলেন বাড়ির ভিতরে। কাজের লোককে চা নিয়ে আসার কথা বলতে। কিছুক্ষণ পর বউদি (বিজয়া রায়) এলেন। বসলেন। বললেন, &#8216;সেদিন টিভিতে &#8216;গোরা&#8217; দেখছিলাম একটু মোটা লাগছিল৷ আজকে তো দেখছি ঠিকই আছ।&#8217; মানিকদা বললেন, &#8216;এরকম থাকলেও চলবে। তবুও দেখো যদি একটু রোগা হতে পারো। আচ্ছা, তোমার নিটিং আসে। মানে, সোয়েটার বুনতে পারো?&#8217; আমি খুব ভাল পারি না। তবে জানি। তাই ঘাড় নেড়ে দিয়েছিলাম। বেরোবো বলে উঠলাম। উনিও এলেন। দরজা খুলে দিলেন। বললেন, &#8216;এক দিন অচানক&#8217;-এ তোমাকে মোটা লাগল। এখন তো মোটা লাগছে না। ঠিক আছে এরকম থাকলেও চলবে। আর একদিন এসো।&#8217; এরপর অনেককিছু খাওয়া ছাড়লাম রোগা হওয়ার জন্য। শুটিং শুরু হল &#8216;শাখা প্রশাখা&#8217;র। উত্তরবঙ্গের সুকনার জঙ্গলে টানা পঁচিশ দিনের শুটিং। মানিকদার এতদিন আউটডোরে কাজ করা আমার সারা অভিনয়জীবনের একটা অভিজ্ঞতা।</p>



<p><strong>ছবির চেয়ে নাটকের কাজ বাড়ল লিলি চক্রবর্তীর। &#8216;বিলকিস বেগম&#8217; দারুণ জনপ্রিয় হল। হাজারেরও রজনী পার হল নাটকের। আরও কত নাটক&#8212; নাম জীবন, খোকা গুন্ডা, মানিকচাঁদ, বৈশাখী ঝড়, ন্যায়মূর্তি ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন সিরিয়ালেও। এখনও নিয়মিত সিরিয়াল করে চলেছেন লিলি চক্রবর্তী। এইসময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক &#8216;নিম ফুলের মধু&#8217;র দত্ত পরিবারের কর্ত্রীর&nbsp; ভূমিকায় লিলিকে দেখা যাচ্ছে নিয়মিত। লিলি চক্রবর্তীর প্রথম ধারাবাহিক &#8216;হালকা হাসি চোখের জল&#8217;। </strong>তিনি মনে করেন ধারাবাহিকে তাঁর সেরা চরিত্র এবং অভিনয় &#8220;একক দশক শতক&#8217;-এর পদ্মরানি। রেড লাইট এলাকার এক মাসির ভূমিকা। ছিল পদ্মরানিকে বিড়ি খেতে হবে। খেয়েছিলাম চরিত্রের প্রয়োজনে। যদিও আমি সিগারেট-বিড়ির গন্ধ সহ্য করতে পারি না। মনপ্রাণ ঢেলে কাজ করেছিলাম। এরকম চরিত্র ছবিতেও করিনি। কেউ আমাকে দেয়ওনি পদ্মরানির মতো চরিত্র।&#8221;</p>



<p>টলিউড, বলিউড মিলিয়ে কয়েক শো ছবিতে কাজ করেছেন লিলি চক্রবর্তী। বেশকিছু ছবিতে নায়িকাও ছিলেন। তিনি অসম্ভব জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এখনও তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট। লিলির অভিনয় দক্ষতা, সৌন্দর্য সিনেমাপ্রেমীদের মুখে মুখে ফেরে। মুম্বইতে হিন্দি ছবির জগতেও পরিচালক-সহ সিনেমার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রত্যেকের কাছেই তাঁর অভিনয় এবং সৌন্দর্যের খ্যাতি ছিল। সকলেই তাঁকে পছন্দ করতেন। বাংলা ছবিতে প্রথম সারির একাধিক নায়িকার থেকেও তিনি ছিলেন সুন্দরী, তারিফ হয়েছিল তাঁর অভিনয় দক্ষতার। তবুও লিলি চক্রবর্তী নায়িকাদের সেই জায়গাটা পাননি। তবে অভিনয় ক্ষমতা, দক্ষতা কথা কেউই অস্বীকার করেন না&nbsp; সিনেমার লোকজন তো বটেই, দর্শকেরাও খুবই পছন্দ করেন লিলি চক্রবর্তীকে। আজও তিনি দর্শকের চোখে&nbsp; ভাল অভিনেত্রী।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="498" height="290" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Lily-Chakrabarty-1.jpg" alt="" class="wp-image-6669" style="aspect-ratio:1.717241379310345;width:456px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Lily-Chakrabarty-1.jpg 498w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2023/10/Lily-Chakrabarty-1-300x175.jpg 300w" sizes="(max-width: 498px) 100vw, 498px" /></figure>



<p>নায়িকা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে নিজেকে গ্রুম করতে হয়। গ্ল্যামারাস করে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে হয়। মনে হয়, সেসব দিকে কোনওদিনই মন দেননি। শুধু অভিনয়ই করে গেছেন।<strong> &#8220;আমি তো নায়িকা হতে চাইনি, চেয়েছিলাম অভিনেত্রী হতে, হয়েছি। দর্শকদের খুশি করেছি। তাঁরা আনন্দ পেয়েছেন আমার অভিনয়ে, আজও পান। আমার একান্ত ইচ্ছা, আমি চাই যেদিন মারা যাব সেদিনও যেন অভিনয় করে বাড়ি ফিরি। সবচেয়ে বড় পুণ্যের কাজ হবে, যদি অভিনয় করতে করতে মারা যাই।&#8221;</strong></p>



<p>বিরাশি বছরেরও বেশি বয়সেও লিলি চক্রবর্তী ভীষণভাবে আধুনিক। তাই <strong>ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও দেখা গেছে লিলি চক্রবর্তীকে। &#8216;কন্যাকুমারী&#8217; এবং প্রদীপ সরকারের &#8216;অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ&#8217;-এ।</strong> দু&#8217;টি ছবিও কয়েক মাস আগে মুক্তি পায় একটি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের &#8216;অর্ধাঙ্গিনী&#8217; আর মৈনাক ভৌমিকের &#8216;চিনি টু&#8217;। আরও কয়েকটি আছে মুক্তির অপেক্ষায়। কথা চলছে কয়েকটি নতুন ছবির। ৮২ বছরেরও বেশি বয়সে এখনও সচল লিলি চক্রবর্তী। সিনেমা, সিরিয়াল সবরকম মাধ্যমেই তিনি সমানভাবে, সমানতালে সক্রিয়। তাই প্রায় প্রতিদিনই উত্তর থেকে দক্ষিণে ছুটে চলেছেন লিলি চক্রবর্তী।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/exclusive-biographical-interview-of-lily-chakraborty/">নায়িকা নয় ,অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলাম: লিলি চক্রবর্তী</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/exclusive-biographical-interview-of-lily-chakraborty/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;জওয়ান&#8217; ই জানেমন</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/jawan-movie-blockbuster-shahrukh-khan/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/jawan-movie-blockbuster-shahrukh-khan/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 13 Sep 2023 12:02:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Atlee]]></category>
		<category><![CDATA[Jawan movie]]></category>
		<category><![CDATA[Nayantara]]></category>
		<category><![CDATA[Priyamani]]></category>
		<category><![CDATA[shahrukh khan]]></category>
		<category><![CDATA[Vijay Sethupathi]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=6466</guid>

					<description><![CDATA[<p>বলিউডের শেষ সুপারস্টার।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/jawan-movie-blockbuster-shahrukh-khan/">‘জওয়ান’ ই জানেমন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ব্লকবাস্টার পাঠানের পর জওয়ান মুক্তির প্রতীক্ষায় ছিল আপামর ভারতবাসী,না একটু ভুল হল তামাম বিশ্বের হিন্দি সিনেপ্রেমী দর্শককুল।গত ৭ই সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার পর থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যে গণ উন্মাদনা চলছে ,প্রত্যেকদিন বক্স অফিস রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চলা,শুধু ডাই হার্ড ফ্যান নয় ,আসমুদ্রহিমাচল কাঁপিয়ে দিয়ে শাখরুখ খান প্রমান করলেন:</p>



<ul>
<li>পাঠান আর জওয়ানের পর ওনার ধারে কাছে কেউ নেই ।</li>



<li>বলিউডের শেষ সুপারস্টার।</li>



<li>সে অর্থে বলিউডি বাজারি মশলা ছবিতেও প্যারালাল সিনেমার মতন রাজনৈতিক বার্তা,চেতনা&nbsp; দেওয়া যায় ।</li>



<li>দক্ষিণী সিনেমার প্রভাবে শঙ্কিত বলিউডকে দক্ষিণী সিনেমার কলাকুশলী দিয়েই রাজ্য পুনরুদ্ধার।</li>



<li>৩০০ কোটি বাজেটের ছবির জন্য (এর আগে পাঠানের সময়তেও) কো -ন -ও পি আর&nbsp; প্রমোশন ছাড়া রিলিজ করার হিম্মত।শুধু ট্রেলার রিলিজ ।</li>



<li>গত ৪ বছরে কোনো সাক্ষাৎকার না দেওয়া ।পারিবারিক ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ে সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ থাকা।</li>



<li>একজন সুপারস্টার (পাঠানের আগে),যার আগের বেশ কিছু ছবি চলেনি বলে ভবিষ্যতে আর ফিরতে পারবেন কিনা সেই ফিসফাস,গুঞ্জনের পর পর পর ৮ মাসের ব্যবধানে পাঠান আর জওয়ানের এই আকাশচুম্বী সাফল্যতেও বিনম্র থাকতে পারার মানসিকতা।</li>



<li>নিজের &#8216;কিং অফ রোমান্স&#8217;&nbsp; রোমান্টিক ইমেজ ছেড়ে ৫৭ বছর বয়সে এরম ভয়ঙ্কর রুদ্ধশ্বাস অ্যাকশন ছবি করার আত্মবিশ্বাস। এবং এটা নিয়ে অপূর্ব মজা,যখন ছবিতে নয়নতারা বলছে,&#8217;মুঝে লাগা তুম কুছ রোমান্টিক বাতে করোগে।&#8217;</li>



<li>এসআরকে র সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ স্বয়ং এসআরকে।</li>



<li>&nbsp;ডাবল রোলের কামাল।আজাদকে দর্শক যখন বেশ ভালোবেসে ফেলেছে সেখান থেকে বিক্রম রাঠোড় এসে সমস্ত আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যাওয়া বিমুগ্দ্ধ বিস্ময়।সেই অভিনয় দক্ষতা।</li>
</ul>



<p>এর আগে কুর্সি কি পেটি বাঁধতে বলা হয়েছিল ,এবার কোন সতর্ক বার্তা ছিলনা, প্রচন্ড ঝড়ে উড়িয়ে দিলেন।</p>



<p>আর &nbsp;‘বেটে কো হাথ লাগানে সে পহেলে বাপ সে বাত কর&#8217; শুধুই সিনেমার একটা হিট সংলাপ। এর সঙ্গে অন্য মানে খোঁজার মানেই হয় না,তাই না ?</p>



<p>জিন্দা বান্দা গান শুনুন:</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="JAWAN: Zinda Banda (Hindi): Shah Rukh Khan |Atlee |Anirudh |Nayanthara |Vijay Sethupathi |Deepika" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/AQEc4BwX6dk?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/jawan-movie-blockbuster-shahrukh-khan/">‘জওয়ান’ ই জানেমন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/jawan-movie-blockbuster-shahrukh-khan/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যোমকেশ ওয়েব সিরিজের শুটিং</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 18 Jan 2023 14:42:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=5532</guid>

					<description><![CDATA[<p>সঞ্চিতা ভট্টাচার্য্য হৈ চৈ তে ব্যোমকেশ সিরিজের নতুন নিবেদন &#8216;ব্যোমকেশ ও পিঁজরাপোল &#8216;।যদি অবাক হয়ে</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/">ব্যোমকেশ ওয়েব সিরিজের শুটিং</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সঞ্চিতা ভট্টাচার্য্য</p>



<p>হৈ চৈ তে ব্যোমকেশ সিরিজের নতুন নিবেদন &#8216;ব্যোমকেশ ও পিঁজরাপোল &#8216;।যদি অবাক হয়ে ভাবেন যে এ নামে তো ব্যোমকেশের কোনো গল্প নেই তাহলে কি নতুন ব্যোমকেশ ?আসলে শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের ব্যোমকেশ সিরিজের &#8216;চিড়িয়াখানা &#8216;উপন্যাস নিয়েই ;ব্যোমকেশ ও পিঁজরাপোল&#8217;। সম্প্রতি এর শুটিং স্পটের ভিডিও যেখানে চরিত্রাভিনেতারা তাদের শুটিং অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।</p>



<p>ব্যোমকেশ ও পিঁজরাপোলের শুটিং স্পটের ভিডিও &#8211;</p>



<figure class="wp-block-embed-youtube wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="BYOMKESH F" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/HH8VBNKBgro?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p>ভিডিও এডিট-ক্যাগস আইডিয়া</p>



<p></p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/">ব্যোমকেশ ওয়েব সিরিজের শুটিং</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
