<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>women empowerment -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/tag/women-empowerment/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 16 Feb 2026 10:24:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>women empowerment -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>কন্যা রত্ন করুন যত্ন</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/national-girl-child-day-celebration-in-madhyamgram/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/national-girl-child-day-celebration-in-madhyamgram/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 10:21:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Kothay Ki]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[girl child]]></category>
		<category><![CDATA[national girl child day]]></category>
		<category><![CDATA[women empowerment]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=10312</guid>

					<description><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক শিশুকন্যা  দিবসে অনন্য অনুষ্ঠান।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/national-girl-child-day-celebration-in-madhyamgram/">কন্যা রত্ন করুন যত্ন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মধ্যমগ্রামে শিশু কন্যা দিবস</p>



<p>গত ২৪শে জানুয়ারি আন্তর্জাতিক শিশুকন্যা দিবস উপলক্ষে মধ্যমগ্রামে  এক  প্রাণবন্ত ও অর্থবহ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়<strong>।সুতানুটি সখ্য, মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথে এবং বারাসাত উন্নয়ন প্রস্তুতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল কন্যা শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা ও মর্যাদা নিয়ে সমাজকে আরও সচেতন করা।</strong></p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-1-1024x768.jpg" alt="" class="wp-image-10317" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:535px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-1-1024x768.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-1-300x225.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-1-768x576.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-1.jpg 1280w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>মধ্যমগ্রাম পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু হয়ে শ্রীনগর গেট নং ৩ পার্কে এসে শেষ হয় এই র&#x200d;্যালি। প্রায় ৮৫ জন নারী ও কিশোরী, সমাজকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা একত্রে পথে নামেন। বাল্যবিবাহ, লিঙ্গ বৈষম্য, মেয়েদের শিক্ষা থেকে বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাঁদের কণ্ঠ ছিল স্পষ্ট ও দৃঢ়।সবচেয়ে অনুপ্রেরণামূলক দিক ছিল র&#x200d;্যালির নেতৃত্বে ছিলেন কিশোরীরা নিজেরাই। তাঁরা নিজেরাই স্লোগান লিখেছেন, উচ্চারণ করেছেন এবং সমাজকে প্রশ্ন করেছেন।</p>



<p><strong>র&#x200d;্যালিতে ধ্বনিত গুরুত্বপূর্ণ স্লোগানগুলো ছিল-</strong></p>



<p>১। পড়াশুনা আমরা ছাড়ছি না, ১৮-এ বিয়ে করছি না।</p>



<p>২। মেয়েরা পড়ছে তাই দেশটা গড়ছে।</p>



<p>৩। কন্যা সন্তান আশীর্বাদ, বৈষম্য করা অপরাধ।</p>



<p>৪। শিক্ষা আমার অধিকার, কলম আমার হাতিয়ার।</p>



<p>৫। কন্যা রত্ন, করুন যত্ন।</p>



<p>৬। নিজের কথা নিজে বল, ন্যায়-এর পথে এগিয়ে চল।</p>



<p>৭। বাল্য বিবাহ রোধ করি, এসো সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।</p>



<p>৮। সব শিশুর সমান অধিকার, এটাই মোদের অঙ্গিকার।</p>



<p>৯। সচেতন সমাজ সচেতন দেশ, শিশু নির্যাতন হবে শেষ।</p>



<p>১০। শিশুর কথায় দাও মন, তবেই হবে উন্নয়ন।</p>



<p>এই স্লোগানগুলিই প্রমাণ করে—আজকের মেয়েরা আর নীরব দর্শক নয়, তারা নিজেদের অধিকার জানে এবং দাবি করতেও প্রস্তুত।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="771" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-771x1024.jpg" alt="" class="wp-image-10320" style="aspect-ratio:0.7529296875;width:517px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-771x1024.jpg 771w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-226x300.jpg 226w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-768x1021.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-1156x1536.jpg 1156w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4-1024x1361.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-4.jpg 1204w" sizes="(max-width: 771px) 100vw, 771px" /></figure>



<p><strong>আলোচনা সভায় প্রশাসন ও সমাজকর্মীদের বার্তা</strong></p>



<p>র&#x200d;্যালির পর আয়োজিত হয় দুই ঘণ্টার একটি জনসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান। সেখানে প্রশাসন, পুলিশ এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের প্রতিনিধিরা কন্যা সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিয়ে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।</p>



<p>প্রধান বক্তারা ছিলেন মধুপর্ণা ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক,সুতানুটি সখ্য, কন্যা শিশুদের অধিকার রক্ষায় সমাজের যৌথ দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন।মনোজ সরকার, ডেভেলপমেন্ট অফিসার, কলকাতা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে মেয়েদের ক্ষমতায়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।শিউলি মিশ্র, লেডি অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর, মধ্যমগ্রাম থানার প্রতিনিধি নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তার বিষয়ে মেয়েদের ভয় না পেয়ে পুলিশের কাছে আসার আহ্বান জানান।অন্বেষা গাঙ্গুলি, প্রোটেকশন অফিসার, উত্তর ২৪ পরগনা, শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে দ্রুত রিপোর্টিংয়ের গুরুত্ব বোঝান।সত্য মণ্ডল, বারাসাত উন্নয়ন প্রস্তুতি,লিঙ্গসম সমাজ গড়তে কমিউনিটির ভূমিকার ওপর জোর দেন।সর্বরি মহাপাত্র,মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথে, কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব গঠনের স্থানীয় উদ্যোগগুলোর কথা বলেন।দেবকল্প বসু দাস,আই এস ডাব্লিউ ভাবনা নেটওয়ার্ক এর কাজ ও শিশু বিবাহ রোধে সংগঠনগুলির যৌথ ভূমিকা তুলে ধরেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="576" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture-1024x576.jpg" alt="" class="wp-image-10315" style="aspect-ratio:1.7777777777777777;width:531px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture-1024x576.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture-300x169.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture-768x432.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture-1536x864.jpg 1536w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/02/sutanuti-culture.jpg 1599w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p><strong>সাংস্কৃতিক পরিবেশনা</strong></p>



<p>অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল মন ছুঁয়ে যাওয়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ,নৃত্য, কবিতা ও নাট্যাংশের মাধ্যমে ফুটে ওঠে মেয়েদের স্বপ্ন, লড়াই ও আত্মসম্মানের গল্প। প্রতিটি পরিবেশনাই মনে করিয়ে দেয়, কন্যারা কেবল ভবিষ্যতের নাগরিক নয় তারা আজকের সমাজেরও শক্তি।সঙ্গীত পরিবেশনে ছিল মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথের তৃষা চৌধুরী,আবৃত্তি – সুতানুটি সখ্যর দেবস্মিতা বিশ্বাস, মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথের চুমকি মজুমদার, দীপ্ত কবিতা পাঠে আই এস ডাব্লিউর জোহারিন বসু। নৃত্য পরিবেশনায় গীতা , কোয়েল ও শাঁওলি মজুমদার।নৃত্যনাট্যে আরাধ্যা বণিক ,এবং মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথের কিশোরীদের প্রাসঙ্গিক ও বার্তাবহ নাটক যেখানে আজকের পিতৃতান্ত্রিক সমাজে মেয়েদের এগিয়ে চলার পথের বাধা আর সংগ্রামের বার্তা দেওয়া হয়েছে। &nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>এই আয়োজন মধ্যমগ্রামকে কেবল একটি অনুষ্ঠানের শহর নয়, বরং কন্যা অধিকার আন্দোলনের একটি দৃঢ় কণ্ঠস্বর করে তুলেছে।শিশুকন্যা দিবসের এই বার্তা একটাই,মেয়েদের রক্ষা নয়, মেয়েদের সম্মান ও সমান সুযোগই প্রকৃত উন্নয়ন।</p>



<p>পরিশেষে ,এই ধরনের কর্মসূচি আজকের সময়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যখন নারী ও কন্যাশিশুর উপর নির্যাতন, বৈষম্য ও সহিংসতা বহুগুণে বেড়ে চলেছে।সুতানুটি সখ্য,মধ্যমগ্রাম সৃষ্টির পথে এবং বারাসাত উন্নয়ন সমিতি পরিচালনায় মধ্যমগ্রামের এই উদ্যোগ শুধু প্রতিবাদ নয়, সমাজকে সচেতন করার এক শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কিশোরী মেয়েদের সামনে এনে নিজেদের কথা বলার সুযোগ দেওয়াই ভবিষ্যতের আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলার পথ। এই রকম সম্মিলিত উদ্যোগই ভয়ের সংস্কৃতিকে ভেঙে ন্যায়, সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ সমাজ নির্মাণ করতে পারে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/national-girl-child-day-celebration-in-madhyamgram/">কন্যা রত্ন করুন যত্ন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/national-girl-child-day-celebration-in-madhyamgram/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বানু মুস্তাকের যুদ্ধজয়ী বুকার</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/banu-mushtaq-booker-prize-for-heart-lamp/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/banu-mushtaq-booker-prize-for-heart-lamp/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Jun 2025 13:23:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Ekal]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prerona]]></category>
		<category><![CDATA[Banu Mushtaq]]></category>
		<category><![CDATA[Booker Prize]]></category>
		<category><![CDATA[women empowerment]]></category>
		<category><![CDATA[Women Power]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8895</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রতিবাদের সাহিত্য, সামাজিক গোঁড়ামি, পিতৃতান্ত্রিকতা,গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ক্রমাগত প্রতিবাদ...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/banu-mushtaq-booker-prize-for-heart-lamp/">বানু মুস্তাকের যুদ্ধজয়ী বুকার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>৭৭ বর্ষী কন্নড় কথাসাহিত্যিক,সমাজকর্মী,আইনজীবী শ্রীমতী বানু মুস্তাক তাঁর &#8216;হার্ট ল্যাম্প&#8217; গল্পগুচ্ছের জন্য ,যা ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছেন শ্রীমতী দীপা ভাস্তি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুকার প্রাইজ পেয়েছেন যা দ্বিগ্বিজয়ী,যুগান্তকারী সাফল্য।বুকার প্রাইজে সবচেয়ে বয়স্কা,এই প্রথম কন্নড় ভাষার বই বুকার প্রাইজ পাওয়া,বুকার প্রাইজের ইতিহাসে প্রথম গল্পগুচ্ছের পুরস্কার এমন অনেক অসামান্য অনন্য কৃতিত্বের অধিকারিণী শ্রীমতী বানু মুস্তাক।</p>



<p>কর্ণাটকের হাসান জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের মজলিম সমাজের রীতি ৮বছর বয়স হয়ে গেলে বিয়ে দিতে হয় ,কিন্তু এই নিম্নবিত্ত পরিবারে বানু মুস্তাকের বাবা এই মেয়েকে সেই অনিশ্চিয়তা,অল্প বয়সে নিজের অমতে বিয়ে হওয়ার যন্ত্রণা আর গ্লানি থেকে অন্য আলোর দিকে নিয়ে যেতে কনভেন্ট স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলেন।যেখানে কন্নড় আর ইংরেজি ভাষা শিখবেন।সম্ভবত ঐদিন আবার জন্ম হয়েছিল এই দীপ্তিময়ীর।</p>



<p>কন্নড় ভাষার শেখার কয়েক মাসের মধ্যে কবিতা লিখেছিলেন আর স্নাতক হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির খবর শুনে আত্মীয় পরিজনরা ওঁর বাবাকে বলেছিল এই মেয়ের জন্য সমাজে তোমার নাক কাটা যাবে।</p>



<p>বানু মুস্তাকের গল্পের সূত্রর গভীরে তাঁর আইনজীবী কর্মজীবন আর সমাজকর্মী জীবনের প্রত্যক্ষ্য  অভিজ্ঞতা,বান্দায়া সাহিত্য আন্দোলন যা প্রতিবাদের সাহিত্য হিসেবে স্বীকৃত,যেখানে সামাজিক গোঁড়ামির প্রতিবাদ,পিতৃতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধাচরণ,গার্হস্থ্য হিংসা এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ক্রমাগত প্রতিবাদ তাঁর লেখায়,গল্পে উঠে এসেছে।</p>



<p>আরও পড়ুন :</p>


<div class="rpwwt-widget"><ul class="blog_inner_pg"><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/women-power-wing-commander-vyomika-singh-and-colonel-sofiya-qureshi/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/Vyomika-Sing-Sofiya-Quereshi-thr.jpg" />নারীশক্তি জাগরণী</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Ekal, Featurerd, Prerona</div></li><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/scenic-beauty-of-palash-flowers-in-summers-of-kolkata-by-kamalendu-sarkar/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/Kolkata-Polash-ful-thr.jpg" />রুদ্রতেজে রঙিন গ্রীষ্ম</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Bongodarpan, Featurerd, Rochona</div></li></ul></div>



<p>প্রথম গল্প &#8216;শায়েস্তা মহলের পাথর&#8217;।নামকরণের শ্লেষ উল্লেখযোগ্য কারণ মনে পড়ে তাজমহল স্মৃতিসৌধ।শায়েস্তার স্বামীর ছদ্ম প্রণয়ভাষ আর শায়েস্তা মারা যাওয়ার পরেই আবার বিয়ে করার ভণ্ডামি।&#8217;অগ্নিবর্ষা&#8217; আর &#8216;কালো গোখরো&#8217;,অগ্নিবর্ষা গল্পে&nbsp; অশুভ রূপকদের কথা বলে,সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।&#8217;কালো গোখরো&#8217; তে মুত্তাওয়ালির (ওয়াকফ- প্রধান)বৌয়ের সন্তাননিরোধক অপারেশনে করার ইচ্ছাপ্রকাশ।এমন মর্মস্পর্শী ১২টি গল্পগুচ্ছ হার্ট ল্যাম্প।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ভালোবেসে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে এসে শুনলেন এইসব লেখালেখি চলবেনা ,বোরখা পরতে হবে,ঘরের কাজ করতে হবে । ২৯ বছর বয়সে এই অসহনীয় বন্দিদশা সহ্য করতে না পেরে গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেশলাই জ্বালার সময় স্বামী পায়ে ছেলেকে রেখে মিনতি করে আমাদের ছেড়ে যেও না।এর পর আর ফায়ার তাকাননি বানু।পেয়েছেন কর্ণাটক সাহিত্য পুরস্কার,দানা পুরস্কার।১৯৯০ থেকে ২০২৩ এই ৩৩ বছর ধরে বানু লিখেছেন সেইসব অচেনা অজানা লাঞ্ছিত,দুঃসহ দুরবস্থায় পড়া সে দক্ষিণ ভারতে নিপীড়িত মুসলিম মেয়েদের কথা।</p>



<p>ওয়েব সিরিজের গল্প নয়, সত্যি ঘটনা যে এই বানু মুস্তাক যখন লঙ্কেশ পত্রিকায় কাজ করতেন (মনে পড়ছে ?গৌরী লঙ্কেশ?)তখন তাঁকে ছুরি মেরে হত্যা করার চেষ্টা হয়েছিল কিন্তু তাতে ভীত হননি এই অগ্নিকন্যা।তাঁর লক্ষ্য ছিল এইসব পিছিয়ে পড়া অত্যাচারিত মেয়েদের যুদ্ধের কথা বলতে,তাঁর &#8216;কালকেউটে&#8217; গল্পের আমিনার কথা যার শরীর ক্রমাগত ভেঙে যাচ্ছে একটার পর একটা সন্তান জন্ম দিতে ,শেষে একক দুর্দমনীয় সাহসী সিদ্ধান্তে বাড়িতে থেকে একা বেরিয়ে ব্লক হাসপাতালে যায় টিউবেকটমি অপারেশন করাতে কারণ সে মনে করেছিল এই জীবন আমার,তাই এই শরীরের অধিকারও আমার।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>গার্ডিয়ান পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বানু বলেছেন,&#8217;আমার্ গল্পগুলি সেই মেয়েদের নিয়ে যাদের ধর্ম,সমাজ,রাজনীতি প্রশ্নহীন আনুগত্য দাবি করে আর অমানুষিক নৃশংস অত্যাচার করে চলে সম্পূর্ণ পরাধীন করে রেখে।&#8217;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>১২টি ছোট গল্পের সংকলন &#8216;হার্ট ল্যাম্প&#8217;এ লিঙ্গবৈষম্য,গোঁড়া /অন্ধ বিশ্বাস আর সামাজিক চাহিদা আর নিপীড়িত অসহায় মুসলিম মেয়েদের জীবন সংগ্রামের কথা লিপিবদ্ধ হয়েছে।বানু মুস্তাক আজীবন বিশ্বাস করেছেন এইসব দলিত ও মুসলিম মেয়েদের সংগ্রামের পাশে তাঁকে দাঁড়াতে হবে,এদের যুদ্ধগুলি সাধারণের চোখে মামুলি হলেও তাদের যুদ্ধগুলি সামান্য নয়।</p>



<p>৭৭ বছরের এই অনুপমা দীপ্তিময়ী বানু মুস্তাক শুধু সাহিত্যজগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুকার প্রাইজই পেলেন না তিনি হয়ে উঠলেন নিরন্তর সংগ্রাম আর যুদ্ধজয়ের নাম।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/banu-mushtaq-booker-prize-for-heart-lamp/">বানু মুস্তাকের যুদ্ধজয়ী বুকার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/banu-mushtaq-booker-prize-for-heart-lamp/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তিনকন্যা অসামান্যা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/payel-kapadia-dipa-karmakar-anusuya-sengupta-women-achievers-women-empowerment/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/payel-kapadia-dipa-karmakar-anusuya-sengupta-women-achievers-women-empowerment/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Jun 2024 10:12:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Ekal]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prerona]]></category>
		<category><![CDATA[anusuya sengupta]]></category>
		<category><![CDATA[dipa karmakar]]></category>
		<category><![CDATA[payel kapadia]]></category>
		<category><![CDATA[Women achiever]]></category>
		<category><![CDATA[women empowerment]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7535</guid>

					<description><![CDATA[<p>পায়েল কাপাডিয়া,অনুসূয়া সেনগুপ্ত আর দীপা কর্মকারের দিগ্বিজয় ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/payel-kapadia-dipa-karmakar-anusuya-sengupta-women-achievers-women-empowerment/">তিনকন্যা অসামান্যা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পায়েল কাপাডিয়া,অনুসূয়া সেনগুপ্ত আর দীপা কর্মকার এই দীপ্তিময়ী তিনকন্যা বিশ্ব এবং এশিয়ায় ভারতকে জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে উপনীত করেছে তাই এদের জন্য জগৎ জুড়ে উদার সুরে আনন্দগান বাজছে।সিনেমা এবং খেলাধুলার মধ্যে আপাত কোনো মিল না থাকলেও এক্ষেত্রে একটি বিষয়ে এই অসামান্যা তিনকন্যার মিল আছে।এঁরা এই জগৎ জোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন প্রচারের ঢক্কানিনাদের আড়ালে।এমনকি পায়েল কাপাডিয়া এবং অনুসূয়া সেনগুপ্তর কথা সেভাবে কেউ জানতোই না।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="576" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Payal-Kapadia_665347e5c4d50-576x1024.webp" alt="" class="wp-image-7536" style="aspect-ratio:0.5625;width:338px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Payal-Kapadia_665347e5c4d50-576x1024.webp 576w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Payal-Kapadia_665347e5c4d50-169x300.webp 169w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Payal-Kapadia_665347e5c4d50.webp 720w" sizes="(max-width: 576px) 100vw, 576px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -ইন্ডিয়া টাইমস</figcaption></figure>



<p><strong>পায়েল</strong><strong> </strong><strong>কাপাডিয়া</strong>র জন্ম ১৯৮৬।চিত্রশিল্পী নলিনী মালিনীর কন্যা।ছোটবেলায় বোর্ডিং স্কুলে ফিল ক্লাবের দৌলতে ঋত্বিক ঘটক আর তারকোভস্কির ছবির সঙ্গে পরিচয়।সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়ার পর পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে পাঠরত অবস্থায় গজেন্দ্র চৌহানের প্রতি বিক্ষোভের কারণে নির্বাসিত।পায়েল তথ্যচিত্র নির্দেশনাকে পাথেয় করে তৈরি করেছেন &#8216;ওয়াটারমেলন ফিশ অ্যান্ড হাফ গোস্ট&#8217;,&#8217;আফটারনুন ক্লাউডস&#8217;,&#8217;দ্য লাস্ট ম্যাঙ্গো বিফোর মনসুনের&#8217; মতন ছবি।</p>



<p>এবারে তার&nbsp; &#8216;অল উই ইম্যাজিন অ্যাজ লাইট &#8216; বিশ্বখ্যাত ঐতিহ্যশালী কান ফিল ফেস্টিভ্যালে বেস্ট ডকুমেন্টারি অ্যাওয়ার্ড গ্রাঁ পিঁ&nbsp; জেতা বিশ্বজয়ের মহিমা উদ্ভাসিত হয়েছে। জেতার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় পায়েল বলেছেন ,&#8217;এখানে মনোনীত হতে পেরেই দারুণ লেগেছিল,পুরস্কৃত হওয়াটা কল্পনার অতীত।সকলকে ধন্যবাদ ।‘</p>



<p>&nbsp;পায়েলের এই অসামান্য,অতুলনীয় সাফল্য ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ছোট বড় সকল তথ্যচিত্র নির্মাতাদের বিপুল আশা আর অনুপ্রেরণা দেবে একথা নিশ্চিত রূপে বলা যায়।বিশ্বজয়ের পুরস্কার পেয়ে ফিরে পরের মাসে আগের মামলায় আদালতে হাজিরা দিতেও যাবেন দীপ্তিময়ী পায়েল কাপাডিয়া।&nbsp;&nbsp;</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="222" height="356" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Deepaa-Karmakar.png" alt="" class="wp-image-7538" style="aspect-ratio:0.6235955056179775;width:340px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Deepaa-Karmakar.png 222w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/Deepaa-Karmakar-187x300.png 187w" sizes="(max-width: 222px) 100vw, 222px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- দীপা কর্মকার অফিশিয়াল</figcaption></figure>



<p><strong>দীপা</strong><strong> </strong><strong>কর্মকার</strong> এই সময়ের ত্রিপুরার তথা ভারতের তথা পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ যিনি&nbsp; অলিম্পিকসে একচুলের জন্য ব্রোঞ্জ পান নি,রিও অলিম্পিকসে জিমন্যাস্টিকসে ভয়ঙ্কর কঠিন পোডোনোভা বলতে বিশ্বজয়ী সিমোন বাইলসের সঙ্গে মোকাবিলায় মাত্রা ০.১৫ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা দুর্দান্ত কীর্তি নতুন তথ্য নয়।অলিম্পিকসে অভূতপূর্ব সাফল্য পাওয়ার পর দীর্ঘদিন চোট আঘাতের কারণে পর্যুদস্ত হয়েছেন দীপা। প্রথমে প্রাকটিসের সময়ে হাঁটুতে আঘাত ,পরে অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট সার্জারি,এবং ইন্টারন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির পরীক্ষায় নির্বাসিত থাকার অভিশাপের অগ্নিপথের মধ্যে দিয়ে গেছেন দীপা কিন্তু মনের জোর হারাননি,ভেঙে পড়ে ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেননি,ঘুরে দাঁড়িয়েছেন,নিঃশব্দে,প্রচারের আড়ালে প্রাণপাত করে লড়েছেন।</p>



<p>গত ২৬শে&nbsp; মে উজবেকিস্তানে আবার একটি ইতিহাস সৃষ্টি করলেন দীপা।তাশখন্দে আয়োজিত এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতলেন এই দীপ্তিময়ী দীপা।২১ মাস ডোপিং করার&nbsp; অপরাধে নির্বাসিত থাকার পর এই তুঙ্গস্পর্শী সাফল্য।আনন্দের এবং গর্বের বিষয় এশিয়ান সিনিয়র ট্যুর্নামেন্টে এটিই ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক।ত্রিপুরার বাঙালি মেয়ে দীপা কি শুনেছেন &#8216;এভাবেও ফিরে আসা যায় &#8216; গানটি ?&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="671" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-671x1024.jpg" alt="" class="wp-image-7540" style="aspect-ratio:0.6552734375;width:338px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-671x1024.jpg 671w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-197x300.jpg 197w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-768x1172.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-1006x1536.jpg 1006w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta-1024x1563.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/anusuya-sengupta.jpg 1200w" sizes="(max-width: 671px) 100vw, 671px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -ভ্যারাইটি</figcaption></figure>



<p><strong>অনুসূয়া</strong><strong> </strong><strong>সেনগুপ্ত</strong> যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়েছেন,সাংবাদিক হওয়ার ইচ্ছে ছিল। ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন অঞ্জন দত্তর ;ম্যাডলি বেঙ্গলি&#8217; ছবিতে।কিছুদিন গ্রূপ থিয়েটারে কাজ করে&nbsp; মুম্বাইতে চলে যান এবং প্রোডাকশন ডিজাইনের কাজ করতে থাকেন।</p>



<p>পরিচালক কনস্টান্টাইন বোজানভ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক&nbsp; উইলিয়াম ডালরিম্পলের &#8216;নাইন লাইভস: ইন সার্চ অফ সেক্রেডস ইন মডার্ন ইন্ডিয়া &#8216; বই থেকে &#8216;শেমলেস &#8216;ছবিতে অন্যতম নায়িকা রেণুকার&nbsp; চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেলেন অনুসূয়া যে কিনা জেল থেকে একটি পুলিশ অফিসারকে খুন করে পালায়।</p>



<p>বাকিটা ইতিহাস।ঐতিহ্যশালী কান ফিম ফেস্টিভ্যালে আন সার্টেন রিগার্ড ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেলেন এই সুকন্যা যা ভারতের তথা বাংলার গৌরব ,শ্লাঘার মুকুটে একটি উজ্বল রত্ন এবং এই আকাশচুম্বী সাফল্য অর্জন করলেন প্রচারের আড়ালে।</p>



<p>সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অনুসূয়া বলেছেন ,&#8217;মঞ্চে নাম ঘোষণার সময় নাম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।পুরস্কার নিতে স্টেজে উঠে ভেতরে অসম্ভব আনন্দ হচ্ছিল আর এটাও মনে হচ্ছিলো যে এই জয় আমার একার নয় ,দেশেরও।তবে বলতে পারি অভিনয়ের জন্য কোনোরকম তাড়াহুড়ো করিনি।&#8217;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/payel-kapadia-dipa-karmakar-anusuya-sengupta-women-achievers-women-empowerment/">তিনকন্যা অসামান্যা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/payel-kapadia-dipa-karmakar-anusuya-sengupta-women-achievers-women-empowerment/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেবী নহি,নহি আমি সামান্যা রমণী</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/womens-day-article-by-anindita-para/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/womens-day-article-by-anindita-para/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Mar 2024 18:36:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Rochona]]></category>
		<category><![CDATA[women empowerment]]></category>
		<category><![CDATA[Women Power]]></category>
		<category><![CDATA[women's day]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7202</guid>

					<description><![CDATA[<p>নারীকে দিতে হবে তার ন্যায্য পারিশ্রমিক ও যথাযথ মর্যাদা।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/womens-day-article-by-anindita-para/">দেবী নহি,নহি আমি সামান্যা রমণী</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>অনিন্দিতা</strong><strong> </strong><strong>পাত্র</strong><strong></strong></p>



<p>৮ই মার্চ একটি বিশেষ দিন। বিশ্বজুড়ে এই দিনটি প্রতি বছর নারী দিবস হিসাবে পালিত হয়। নারী স্বাধীনতা এই মুহূর্তে পৃথিবীর একটি বহুল চর্চিত বিষয়। শুধু আমাদের দেশ নয়, সারা পৃথিবীতেই নারীর স্বাধীনতা, নারীর অধিকার নিয়ে সোচ্চার হচ্ছে মানুষ। তাই এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বিশ্ব জুড়ে নারী দিবসের উদযাপন যে ধুমধাম করেই হবে, এ তো বলাই বাহুল্য। এই দিনটি পালনের মূল বিষয় যদিও নারী, কিন্তু দেখা গেছে দেশ-অঞ্চলের ভিত্তিতে দিবসটি পালনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন। কোথাও নারীর সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তো কোথাও নারীর প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা প্রদর্শনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা রক্ষাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে, উদযাপন করা হয়েছে এই দিনটিকে।</p>



<p>এখন কথা হল, পৃথিবীর আদি যুগ থেকে তো এই দিনটি নারী দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসেনি। পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন পরিবর্তন ও বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে চলতে চলতে নারীর মর্যাদা সম্পর্কিত ধারনাটিও জনমানস ও বৃহত্তর সমাজে ক্রমবিবর্তিত হয়েছে। আমরা দেখেছি যুগে যুগে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীকে নানান অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছে! তাই নারীর জন্যে একটি বিশেষ দিনের উদযাপন শুরু হল কবে থেকে বা নারী দিবসের উৎপত্তি হল কিভাবে, সেটা দেখে নেওয়া যাক। জেনে নেওয়া যাক নারী দিবসের ইতিহাস।</p>



<p>&nbsp;১৮৫৭ সালের ৮ই মার্চ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের এক সূঁচ কারখানায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, কম বেতনে বেশি সময় কাজ করার অভিযোগ এনে, মহিলা শ্রমিকরা প্রতিবাদ মিছিল বের করে। শান্তিপূর্ণ সেই মিছিলে পুলিশ ওই মহিলাদের ওপর নির্যাতন চালায় এবং বহু মহিলাকে আটক করে। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে স্মরণে রেখে ১৮৬০ সালের ৮মার্চ, নিউ ইয়র্কের সূঁচ শ্রমিকেরা, মহিলা শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন করে।</p>



<p>এইভাবে সংঘবদ্ধ হতে থাকে মহিলা শ্রমিকদের আন্দোলন। এরপর ১৯০৮ সালে জার্মান সমাজ নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে, জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন! নারীদের ভোটাধিকার, কর্মঘন্টা, ন্যায্য মজুরি নিয়ে আলোচনা হয় এই সম্মেলনে। এর দু’বছর পর ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ১৯১০ সালে, দ্বিতীয় নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৭টি দেশের প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছিল এই সম্মেলনে এবং সেখানেই প্রথম ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯১১ সালের ৮ মার্চ, প্রথম বার দিবসটি পালিত হয়। তবে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলিতে দিবসটি গুরুত্বের সাথে পালিত হওয়া শুরু করে ১৯১৪ সাল থেকে। আর জাতিসংঘ দিবসটি পালন করতে শুরু করে ১৯৭৫ সাল থেকে। তবে ১৯৭৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দিবসটি পালনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এবং দিবসটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে জাতিসংঘ, সকল সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দিবসটি পালনের আহ্বান জানায়। এর ফলে অধিকার বঞ্চিত নারী সমাজের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পথ সুগম হয়। নারীর অধিকার রক্ষা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।</p>



<p>আমরা আজকে নারী দিবস পালন করছি। নারী আন্দোলনের কথা বলছি। মেয়েদের আন্দোলন করার অধিকার কিন্তু অত সহজে আসেনি। সমাজের নানা বাধা এবং পুরুষের ক্রুদ্ধ ভ্রুকুটি, দারিদ্র্য, জীবনের সর্বস্তরের অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই করে তবেই নারী এই অধিকার অর্জন করেছে। অনেক নিষ্ঠুর ইতিহাস বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে এই নারী দিবস। বিশ্ব আজ একবিংশ শতাব্দীতে পা রেখেছে, পা রেখেছে নতুন সহস্রাব্দে।</p>



<p>আমরা যখন নতুন শতাব্দীর প্রথম নারী দিবস পালন করছি তখনও বিশ্ব নারী সমাজের অবস্থা কিন্তু কন্টকমুক্ত নয়। গত তিন দশকে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা, পশ্চিম এবং দক্ষিণ এশিয়ার নারী সমাজে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটলেও, পুরুষের সাথে ঘটা অগ্রগতির তুলনায় তা কিছুই নয়। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নারীসমাজের অবস্থা তো এখনো রীতিমতো আশঙ্কাজনক! উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আজও দারিদ্রসীমার নিচে রয়ে গেছে প্রায় ৬০ কোটি নারী। অপরদিকে উন্নত দেশগুলোতে দারিদ্রসীমার নিচে বাস করা নারীর সংখ্যাও কিছু কম নয়। ফ্রান্স, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ের মত উন্নত দেশেও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ নারী দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের প্রেক্ষাপটে অশিক্ষিত জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ নারী এবং দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী ৭০ শতাংশই নারী।&nbsp;</p>



<p>আজকে এই সমতার যুগে, নারী পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসছে। শিক্ষায়, রাজনীতিতে, সমাজের আরো নানা ক্ষেত্রে নারী নিজের যোগ্যতায় এগিয়ে এসেছে সামনে। জায়গা করে নিয়েছে পুরুষের মাঝে। নারী এখন শুধু চার দেওয়ালে আটকে নেই। বিশ্বের দরবারে জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণা, তথ্য প্রযুক্তি, শিল্প সাহিত্য, সবেতেই নারীর অবদান লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু তার পরেও নারী, নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। দেশ বিদেশ জুড়ে আজও নারীকে সমাজ, দ্বিতীয় শ্রেনীর বাসিন্দা বানিয়ে রাখতে চায়। বর্তমানের গালভরা গণতান্ত্রিক-সমতার যুগে, পথেঘাটে কর্মস্থলে নারীকে যৌন হয়রানি, লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় হামেশাই। এমনকি যেসব পরিবারে শিক্ষার আলো তেমনভাবে পৌঁছায়নি, পরিবারেরই আপনজন কর্তৃক নির্যাতন ঠেকানো আজও সম্ভব হয়নি। এছাড়া আমাদের দেশে নারী ভ্রূণহত্যা বা পণ প্রথার মতো নারী অবমাননার জ্বলন্ত উদাহরণ তো আছেই! নারী দিবস উদযাপনের মধ্যে দিয়েও এসব অবাঞ্ছিত অবস্থাকে মূল থেকে উৎপাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নারী নির্যাতনের পরিমান আগের থেকে অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর জন্যে সুস্থ পরিবেশ, মজুরি, কর্মঘন্টা, প্রয়োজন মত ছুটির আবেদন অনেকাংশে নিশ্চিত করা গেছে। তবে বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো বহ বাধা থেকে গেছে। দেশ কাল নির্বিশেষে সেই বাধাগুলি মোটামুটি এরকম-</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/25aa.png" alt="▪" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজ কখনোই নারীর অগ্রগতিকে মেনে নিতে পারে না। তারা প্রতি পদে নারীর স্বাধীনতার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/25aa.png" alt="▪" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />নারীর ক্ষমতায়ন না হওয়া।নারী তার কাজে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না পেলে, কখনোই নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারে না।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/25aa.png" alt="▪" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />নারী যদি শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়, তবে সে কোনদিন তার অধিকার নিয়ে সচেতন হতে পারে না। সমাজ তাকে ঠকিয়ে নেয়। তার আয়বৃদ্ধি হয় না। ফলে তাকে অর্থের ব্যাপারে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/25aa.png" alt="▪" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />সবশেষে বলব নারীর উন্নয়নের প্রধান বাধার কথা- যা হলো পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি! পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই পুরুষতান্ত্রিকতায় বিশ্বাসী&nbsp; মানুষ নারীকে পুরুষের অধীন এবং ছোট করে দেখতে ভালবাসে।</p>



<p>নানান বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও সারাবিশ্বে নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীতে অল্প হলেও যেটুকু পরিবর্তন এসেছে, তাতে এই দিবসটি পালনের যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে, তা অস্বীকার করার কোন জায়গা নেই। নির্যাতন প্রতিরোধ এবং ক্ষমতায়নের মাধ্যমে যে নারীর উন্নয়ন সম্ভব, একথা আজ সমগ্র পৃথিবীতে স্বীকৃত। নারীর উন্নয়ন বলতে- নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার এবং তার কাজের যথাযথ মূল্যায়নকে বোঝাচ্ছে। আর সমাজ এবং রাষ্ট্র যদি এক হয়ে কাজ করে তবেই নারীর উন্নয়ন সম্ভব। এক্ষেত্রে সবার আগে দরকার নারী শিক্ষার। নারীমুক্তির প্রধান শক্তিই হলো শিক্ষা। শিক্ষাই পারে নারীকে আলো দেখাতে। শিক্ষা নারীর আত্মবিশ্বাস, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে মজবুত করবে। তাই নারীর উন্নয়নের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত নারী শিক্ষার বিস্তার। এছাড়াও দরকার নারী পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা। যুগ যুগ ধরে যে বৈষম্য চলে আসছে, আজ নারী নিজ যোগ্যতায় সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। তাই আজ তার স্বীকৃতি আদায় করে নেওয়ার সময় এসেছে। নারীর নিরাপদ কর্মসংস্থানেরও সুযোগ করে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকে। তবেই এগিয়ে যাবে নারী। এছাড়া নারীর সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দিকেও রাষ্ট্রের নজর রাখা উচিত। যে সুযোগ সুবিধা এতদিন শুধু পুরুষ ভোগ করে এসেছে, এখন তাতে নারীরও যাতে অধিকার কায়েম হয়, সে আশ্বাস রাষ্ট্রকেই দিতে হবে। অর্থাৎ নারীর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়ক সেবা ও আইনি সহযোগিতার মাধ্যমে, সমাজ তথা রাষ্ট্রের উচিত নারীর পাশে থাকা।&nbsp;</p>



<p>আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের ফলস্বরূপ বিশ্ব সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, একথা মাথায় রেখেও বলবো- আমাদের দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস এখনো পর্যন্ত অনেকাংশে সভা, সমিতি, সিম্পোজিয়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। বাস্তবে নারীর অবস্থানে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি। বস্তুত উন্নত, অনুন্নত, উন্নয়নশীল নির্বিশেষে সকল দেশেই নারীরা কমবেশি বৈষম্যের শিকার হচ্ছে আজও। বস্তুত নারীর মর্যাদা ও অবস্থান দেখেই বোঝা যায় একটি দেশ কতখানি সভ্য ও উন্নত। তাই নারীকে পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা দেওয়ার জন্যে জাতি-ধর্ম-বর্ণ, পেশা-শ্রেণি নির্বিশেষে সকলের গণতান্ত্রিক সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নারীকে দিতে হবে তার ন্যায্য পারিশ্রমিক ও যথাযথ মর্যাদা। তবেই নারী দিবস পালন সার্থক হবে।</p>



<p>লেখক পরিচিতি &#8211; অনিন্দিতা পাত্র সমাজমাধ্যমে দাপুটে সোজা সাপটা ব্লগার এবং সম্প্রতি প্রকাশিত নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে&nbsp;জনপ্রিয় দুটি গল্পগুচ্ছ ‘ উত্তরণ’ আর &#8216;৩ এক্কে ৩&#8217;।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/womens-day-article-by-anindita-para/">দেবী নহি,নহি আমি সামান্যা রমণী</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/womens-day-article-by-anindita-para/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তাহাদের কথা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/unsung-womens-tales-in-international-womens-day/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/unsung-womens-tales-in-international-womens-day/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Mar 2024 03:31:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Rochona]]></category>
		<category><![CDATA[international women's day]]></category>
		<category><![CDATA[Women achiever]]></category>
		<category><![CDATA[women empowerment]]></category>
		<category><![CDATA[Women Power]]></category>
		<category><![CDATA[women's day]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7191</guid>

					<description><![CDATA[<p>নারীদিবস কবে ওরা জানেনা ,কিন্তু রুখে দাঁড়ায়।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/unsung-womens-tales-in-international-womens-day/">তাহাদের কথা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>অদিতি মজুমদার</strong></p>



<p><em>&#8220;প্রতিবারই যখন একজন মহিলা নিজের পক্ষে দাঁড়ান, সম্ভবত না জেনেই, দাবি না করেই, তিনি সমস্ত মহিলাদের পক্ষে দাঁড়ান।&#8221; &#8211; মায়া অ্যাঞ্জেলোউ&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</em>&nbsp;&nbsp;</p>



<p>কোহিনূরের সঙ্গে আমার আলাপ হয় বউবাজারে, কোহিনূরের তখন বয়েস প্রায় পঞ্চাশ। রোগা গড়ন, কিন্তু সাড়ে পাঁচ ফুট লম্বা , তার চেহারায় সব থেকে উজ্জ্বল তার দুটো চোখ! কোহিনূর একজন নাবালিকাকে রাত বিরেতে যৌন পল্লী তে নিয়ে আসতে দেখতে পায়! আর তারপর থেকে সারারাত সে ওই বাড়ির পাহারায় ছিল … আমি তখন একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রিসার্চের কাজ করি … খবর পেয়ে আমিও ছুটে গিয়েছিলাম বৌবাজারে … গিয়ে দেখলাম কোহিনূর &nbsp;ততক্ষণে লোক জড়ো করে ফেলেছে … বলছে একটা বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে এসেছে &nbsp;… আমি ছাড়বো নাকি? আমার সামনে দিয়ে কোন বাচ্চাকে এইখানে নিয়ে আসা যাবেনা … আমি যা ভোগ করেছি … আমি কাউকে ভোগ করতে দেবনা! আমি কোহিনূরের তেজ দেখে এক মুহূর্ত বিস্মিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম! &nbsp;&nbsp;</p>



<p>কোহিনূরের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব হয় আরো পরে, কিন্তু সেদিনের কোহিনূরের দাপট আমার চোখে এখন লেগে আছে! কোহিনূর এর বাড়ি ছিল কোচবিহারে … ছিল মানে এখনও হয়তো আছে! কিন্তু কোহিনূর&nbsp; ষোল বছর বয়েসে বাড়ি ছেড়ে এসেছিল । আর কোনোদিন ফিরে যায়নি! কারণ সে জানতো সে ফিরে গেলে তাকে কেউ আর বাড়িতে &nbsp;ঢুকতে দেবেনা! বাবা ছোট&nbsp; বেলায় মারা যান, অভাবের সংসার,&nbsp; গেঞ্জির কারখানায় কাজ দেবে বলে গ্রামেরই একজন তাকে কলকাতায় নিয়ে এসে চেতলার যৌন পল্লীতে বিক্রি করে দেয়! সেই থেকে কোহিনূর কলকাতাতেই আছে! চেতলা থেকে চলে এসেছে বউবাজারে! তার যখন বছর আঠেরো বয়েস তখন তার একজন লোকের সঙ্গে সম্পর্কও তৈরি হয় … &nbsp;সেই সম্পর্ক থেকে তার পুত্রের জন্ম! যদিও সেই লোকটি ছেলের যখন বছর দুয়েক বয়েস তখন থেকেই আর কোহিনূরের কাছে আসেনি! অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিলাম … জানো সে কোথায় আছে? কোহিনূরের সোজা সাপটা উত্তর … কে জানে বেঁচে আছে কিনা! আর ছেলে? কোহিনূর ম্লান হেসে বলে সেও বড় হয়ে মায়ের এমন কাজ মেনে নিতে পারেনি … অন্য জায়গায় থাকে , ভদ্র সমাজে …! যাকে গতর খাটিয়ে মানুষ করলাম সেই আর আমাকে … এক মুহূর্তের জন্য চোখ টা যেন ঝাপসা হয় তার … পরক্ষণেই সামলে নিয়ে বলে … ভালই হয়েছে … ! আমি নিজের মত ভাল আছি! এত জবাবদিহি করতে পারবনা দিদি!</p>



<p>কোহিনূর পড়াশোনা জানেনা … কিন্তু তার জীবন বোধ আমাকে বিস্মিত করে, নিজের শরীরের ওপর তার নিজেরই অধিকার আর কারোর না … আমি শরীর বিক্রি করেছি … তার মানে এই না আমার ওপর অত্যাচার করা যাবে! … কোহিনূর আমাকে বলেছিলো … এখানে কত রকমের লোক আসে … কার কোন ধর্ম কেউ জানতে চায়না … কিন্তু বাইরে দেখো তো&nbsp; জাত পাত ধর্ম নিয়ে কত বাছ বিচার! … আমি বলি কোহিনূর … এখানে এসে মার খেয়েছ? কোহিনূর &nbsp;বলে খেয়েছি … প্রথম দু একবার … তারপর নিজের রক্ষা নিজেই করতে শিখে গেছি … ! আর এখন অন্যদের রক্ষা করার চেষ্টা করি … সব যে পারি এমন না … যতদিন এই খানে থাকব … চেষ্টা আমি করেই যাবো! বাড়ি যেতে ইচ্ছে করেনা? কোহিনূর হাসে … কে আছে আমার ওখানে যে ইচ্ছে করবে?</p>



<p>কোহিনূর ক্লারা জেটকিন্স জানেনা … কোহিনূর জানেনা ন্যায্য শ্রমের মূল্যের জন্য আন্দোলনের কথা … কিন্তু সে জানে তাকে লড়ে নিতে হবে নিজের অধিকার! সারা জীবন সে লড়েই যাবে …! এই নারী &nbsp;দিবস কোহিনূরের … আর কোহিনূরের মত মালা, শিখা, আয়েশা, পিংকিদেরও!</p>



<p>পুতুল হঠাৎ করেই চুপি চুপি দেখা করতে এল , পুতুল এসেই বললো আমাকে একটা জিনিস জোগাড় করে দেবে? … খেয়াল করলাম পুতুলের চোখের নিচে কালশিটে … পুতুল ভয়ে ভয়ে এও বললো আমি যে তোমার কাছে এসেছি কেউ যেন জানতে না পারে! পুতুল কে আমি দেখছি গত পনেরো বছর ধরে … বাড়ি বাড়ি ঠিকে কাজ করে … বাঙালি … কিন্তু বিয়ে করেছে অবাঙালি ট্যাক্সি ড্রাইভার কে … দুই ছেলে … ! আমি জানি পুতুলের বর রাজেশ তাকে খুবই মারধোর করে … অনেক বার পুতুল কে বলেওছি ব্যাবস্থা নিতে …! কিন্তু পুতুল ভাবতেও পারেনা নিজের স্বামির বিরুদ্ধে পুলিশে যাওয়া যায় … যাওয়া উচিত! জানতে চাইলাম কি জোগাড় করে দিতে বলছিস? পুতুল বললো শুনেছি মদ ছাড়ানোর ওষুধ হয়? রাস্তায় লেখা থাকে দেওয়ালে … আমাকে জোগাড় করে দেবে দিদি? আবার মার খেয়েছিস? … পুতুল চুপ … আমি হতাশ গলায় বললাম সারাদিন এত পরিশ্রম করে বাড়ি গিয়ে মার খেতে ভাল লাগে তোর? … পুতুল খুব উৎসাহ নিয়ে বললো … দিদি মানুষ টা খারাপ না … শুধু একটু পেটে পড়লেই … কেমন হয়ে যায়! পেটে না পড়লে তোকে মারবেনা আর? পুতুল বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে&nbsp; … তা জানিনা … কিন্তু আমি আর কি করব বলো? তুমি দিদি যে ভাবে হোক ওষুধটা আমায় জোগাড় করে দাও … যদি বলিস আমি পুলিশ কে জানাব … পুতুল হাত জোড় করে না দিদি … ছেলে দুটো র কি হবে? কি হবে মানে? রোজগার করিস তুই … রাজেশ তো শুধু নামেই বাবা … পুতুল বোঝেনা … বুঝতে চায়না! সে লেখাপড়া জানে সামান্যই …&nbsp; সে যা শিখেছে তা এত সহজে কিভাবে বদলে ফেলবে? পুতুল চলে যায় … আমি ভাবি … পুতুল কে দোষ দিয়ে লাভ কী? কত মেয়েই তো সহ্য করে যায় এত কিছু … তাদেরও তো এসব সামলে চলতেই</p>



<p>শেখানো হয়েছে! মানিয়ে নিতে বলা হয়েছে! এখন ঘরে ঘরে মেয়েদের সেই শিক্ষাই তো দেওয়া হয়! পুতুলের কাছে নারী দিবসের মূল্য কী আমার জানা নেই … পুতুল শুধু চায় শান্তিতে থাকতে … এই নারী দিবস কি পুতুলের নয়?</p>



<p>আমার বাড়িতে থাকেন শুভা দি … শুভা হালদার … ধর্মে খ্রিস্টান …! কবর ডাঙ্গায় বাড়ি … ! আমার ছেলেদের দেখাশনা করার জন্য এসেছিলেন দশ বছর আগে … তারপর বাড়ির একজন হয়ে গেছেন! শুভাদির গল্প আবার অন্য রকম … খুব কম বয়েসে এক পাদরীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সম্বন্ধ করে, বয়েসে ফারাক ছিলো&nbsp; আঠেরো বছরের । শুভা দি ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়েছেন … তারপর আর পড়াশনা করা হয়নি …! বিয়ের এক বছরের মধ্যে মেয়ের জন্ম আর পাঁচ বছর পরে স্বামী মারা যান! সে সময় পাশে কেউ ছিল না … শুভা দি আয়ার কাজ শুরু করেন , এখন শুভা দির বয়েস আটান্ন, এখন কাজ করে যাচ্ছেন , যতদিন সুস্থ থাকবেন কাজ করবেন। শুভা দির শ্বশুর বাড়ির লোকেরা তাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছিল … শুভাদি কোর্ট পর্যন্ত করেছেন একার চেষ্টায়! শুভা দির দার্ঢ্য আমাকে মুগ্ধ করে! শুভা দি নিজেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন … এমন মেয়েরা নারী দিবসের প্রধান মুখ হয়ে উঠুক!</p>



<p>আমার মা ছিলেন বরিশালের মেয়ে … এই পশ্চিম বঙ্গে এসে আর পাঁচ টা উদ্বাস্তু পরিবারের মতই ছিল আমার মামার বাড়ির জীবন … শুধু একটাই জোর ছিল তাদের … ভাই বোনেরা সবাই পড়াশোনায় খুব ভাল! আমার মা সেই যুগে ইকনমিক্স পড়েছেন বেথুন কলেজে … মা এর নাম এখনো কৃতী ছাত্রী হিসেবে লেখা আছে বেথুন কলেজের দেওয়ালে! মা বাড়ির সম্বন্ধ ফিরিয়ে দিয়ে বিয়ে করেছিলেন আমার বাবা কে …! বাড়ির অমতে এক বস্ত্রে চলে এসেছিলেন এক ঘটি পরিবারে! মা কলেজে পড়াতেন … পরে স্কুলে বাবা হাওড়ার স্কুল শিক্ষক! অভাবের সংসার … তার মধ্যেই মা একটু একটু করে বদলে দিয়েছিল আমাদের বাড়ি টাকে! মার অবসর যাপন ছিল বই পড়া … সারাদিন সারাক্ষণ বই এ মুখ গুজে কেন থাক মা? … সেকি … আমি তো শেষ দিন অব্দি পড়ে যেতে চাই … কত কি ই তো পড়া জানা বাকি রয়ে গেল! মা জানতেন অসহায় মেয়েদের পাশে কিভাবে দাড়াতে হয় … বিশ্বাস করতেন সব মেয়ের আর্থিক স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন। কখন আমাকে আর দাদা কে আলাদা করে দেখেন নি … ব্যবহারে কখনো কোনও ডিস্ক্রিমিনেশন টের পাইনি কোনোদিন!</p>



<p>এতজনের কথা লিখলাম শুধু নারী দের কথা লিখতে নয়! সামনেই আটই মার্চ … এক ঐতিহাসিক দিন! ১৮৫৭ থেকেই হয়তো একটু একটু করে সেকেন্ড সেক্স এর এম্পাওয়ারমেন্ট ঘটতে শুরু করেছে! ১৯০৯ এ হয়েছিল প্রথম নারী সম্মেলন! তারপর কেটে গেছে অনেক বছর, &nbsp;কিন্তু এখনো খামতি থেকে গেছে বলেই আমার বিশ্বাস! আমি বা আমরা যে শ্রেণির মানুষ সেখানে হয়তো আর আলাদা করে দেখা হয়না কন্যা বা পুত্র সন্তান কে … সেখানে আমরা মেয়েদের অলিম্পিকে সোনা পাওয়া … চন্দ্রযানের সাফল্যে মেয়েদের অবদান উদযাপন করি ! কিন্তু এখনো সন্ধে ছটা থেকে দশ টা টিভি খুললেই মেয়েদের দশভূজা হয়ে ওঠার উপাখ্যান … যেন ঘর বাড়ি স্বামী সংসার সব সামলাতে পারলেই সে আদর্শ নারী হয়ে উঠতে পারবে! ওদিকে গুগল বলছে প্রতি সতেরো মিনিটে ভারতে একটি ধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে! চোখের সামনে নিজের সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে দেখেছি নামী নার্সিং হোমে তৃতীয় বার কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য বাড়ির বউটির হেনস্থা! আরণ্যক এ পড়েছিলাম ভানুমতী কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ভারতবর্ষের নাম শুনেছে কিনা&nbsp; … ভানুমতী বলেছিলো সে শোনে নি !</p>



<p>আমি স্বপ্ন দেখি একটা বিশাল মিছিলের, যার সামনে থাকবে প্রান্তে থাকা মেয়েরা, তারাই পথ দেখাবে … আমরা যারা সুবিধা ভোগী শ্রেনি … যারা মনে করি আমরা অনেক এগিয়েছি … তারা হাঁটবো পেছনে … এভাবেই পালিত হোক আগামীর নারী দিবস! &nbsp;</p>



<p>লেখক পরিচিতি- অদিতি মজুমদার সাহিত্যিক,চিত্রনাট্যকার (&#8216;এক আকাশের নিচে&#8217; ,&#8217;জিও কাকা&#8217; ) ও গবেষক। </p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/unsung-womens-tales-in-international-womens-day/">তাহাদের কথা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/unsung-womens-tales-in-international-womens-day/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
