<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Prescription -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/category/susyastha/prescription/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Fri, 11 Sep 2026 02:36:36 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>Prescription -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বাড়িতে চিকিৎসায় গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/home-care-maximon-india-guardian-family-card/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/home-care-maximon-india-guardian-family-card/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 02:36:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=11206</guid>

					<description><![CDATA[<p>পেশাদার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে বাড়ির দরজায়।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/home-care-maximon-india-guardian-family-card/">বাড়িতে চিকিৎসায় গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হাসপাতালে ছোটাছুটি নয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা যদি পৌঁছে যায় আপনার বাড়ির দরজায়? আধুনিক জীবনে এই প্রশ্নের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষত বাড়িতে প্রবীণ বাবা-মা রয়েছেন, পরিবারের কোনও সদস্য দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন, অথবা কর্মসূত্রে সন্তানকে অন্য শহরে থাকতে হয়-তাঁদের কাছে বাড়িতে চিকিৎসা ও পরিচর্যার সুবিধা হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<p>এই পরিবর্তনশীল স্বাস্থ্যপরিচর্যার চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ম্যাক্সিমন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড&nbsp; নিয়ে এসেছে গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড &#8211; তিন বছরের একটি পারিবারিক হেলথকেয়ার মেম্বারশিপ, যার মাধ্যমে একাধিক পেশাদার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে বাড়ির দরজায় অর্থাৎ চিকিৎসা যখন পৌঁছে যাবে বাড়িতে।</p>



<p>আজকের ব্যস্ত জীবনে প্রতিবার ডাক্তার দেখাতে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়া অনেকের কাছেই যথেষ্ট কঠিন। প্রবীণ মানুষ, নিয়মিত পরিচর্যার প্রয়োজন রয়েছে এমন রোগী কিংবা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাধীন পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে সমস্যাটি আরও বেশি। গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের&nbsp; মাধ্যমে বাড়িতে ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি পাওয়া যাবে নার্সিং ও অ্যাটেনড্যান্ট কেয়ার, জেরিয়াট্রিক কেয়ার ম্যানেজমেন্ট, বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া, ডায়াগনস্টিক স্যাম্পল সংগ্রহ, ফিজিওথেরাপি এবং মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট ভাড়া বা কেনার সুবিধা।</p>



<p>শুধু তাই নয়, রয়েছে প্রায়োরিটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট, হেলথ রেকর্ড কো-অর্ডিনেশন এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা ও ফার্মেসি পরিষেবায় ছাড়ের সুবিধা।</p>



<p>অর্থাৎ, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি পরিষেবার বদলে পরিবারের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরিচর্যাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মধ্যে আনার চেষ্টা।</p>



<p>দূরে থাকা সন্তানদের জন্যও কি হতে পারে ভরসা?</p>



<p>এখন বহু পরিবারেই সন্তান কর্মসূত্রে কলকাতার বাইরে, অন্য রাজ্যে কিংবা বিদেশে থাকেন। বাবা-মা থাকেন নিজের শহরে। প্রতিদিন পাশে থাকা সম্ভব না হলেও তাঁদের চিকিৎসা, ওষুধ, পরীক্ষা বা প্রয়োজনীয় পরিচর্যার বিষয়ে নজর রাখা তো জরুরি।সেই জায়গাতেই হোম হেলথকেয়ার-এর গুরুত্ব বাড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি দৈনন্দিন স্বাস্থ্যপরিচর্যার একটি অংশ যদি বাড়িতেই পাওয়া যায়, তাহলে পরিবারের সদস্যদের জন্য তৈরি হতে পারে বাড়তি নিশ্চিন্তি। আর এখানেই গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের ভাবনা &#8211; যাঁরা একদিন আমাদের যত্ন নিয়েছেন, তাঁদের যত্নের দায়িত্বকে আরও সহজ ও সংগঠিত করে তোলা।</p>



<p>তিন বছরের মেম্বারশিপে কী কী?</p>



<p>গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ডের মূল্য মাত্র  ₹৩,৯৯৯ এবং মেয়াদ তিন বছর।</p>



<p>মেম্বারশিপের সঙ্গে থাকছে কমপ্লিমেন্টারি- ইসিজি লিপিড প্রোফাইল সিবিসি এফবিএস এবং চিকিৎসকের পরামর্শ।এছাড়াও যোগ্য সদস্যদের জন্য রয়েছে ₹৫ লক্ষ পর্যন্ত অ্যাক্সিডেন্টাল ইনসিওরেন্স কভার  এবং ₹১ লক্ষ অ্যাক্সিডেন্টাল মেডিকেল বেনিফিট  ,তবে এগুলি প্রযোজ্য বিমা পলিসির শর্ত, বর্জন, যোগ্যতা ও অন্যান্য নিয়মের অধীন।শুধু পরিষেবা নয়, একটি দায়িত্বের ভাবনার বিকাশ ।গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের এই শুভলগ্নে প্রধান অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাহিত্যব্যক্তিত্ব বীথি চট্টোপাধ্যায়, যিনি উদ্বোধনী মেম্বারশিপ গ্রহণ করেন।</p>



<p>তাঁর বক্তব্যের মূল ভাবনাতেই উঠে আসে এই পরিষেবার প্রয়োজনীয়তা-স্বাস্থ্যপরিচর্যা যেন শুধু হাসপাতাল বা ক্লিনিকের চার দেওয়ালে সীমাবদ্ধ না থাকে। বিশেষ করে প্রবীণ ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত সহায়তার প্রয়োজন হলে বাড়িতে পেশাদার পরিষেবা তাঁদের জীবনকে আরও স্বচ্ছন্দ ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে পারে।</p>



<p>আপনার পরিবারেরও কি প্রয়োজন এমন একটি ‘গার্ডিয়ান ’?বাড়িতে কি রয়েছেন বয়স্ক বাবা-মা?কেউ কি নিয়মিত ওষুধ খান?কর্মসূত্রে কি আপনাকে প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতে হয়? অথবা ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যপরিচর্যার জন্য কি একটি সংগঠিত ব্যবস্থা চাইছেন?তাহলে গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যেতে পারে। কারণ স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ হয়তো শুধু হাসপাতালের মধ্যে নয়-আপনার নিজের বাড়ির দরজার কাছেও।</p>



<p>এই সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোমনাথ ভট্টাচার্য বলেন, &#8220;এখন বহু ছেলেমেয়ে দেশে-বিদেশে থাকেন, শহর থেকে মফস্সলে প্রবীণরা বড্ড একা। বর্তমানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০.৫ শতাংশ বয়স্ক মানুষ। ২০৪৬ সালে সংখ্যাটা আরও বাড়বে। তাঁদের খেয়াল রাখতেই, পাশে থাকতেই এই বিশেষ পরিষেবার কথা ভাবা হয়েছে। এঁরা একা থেকেও একা নন, যদি সাথে থাকে &#8216;গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড&#8217;। শুধু বাড়িতেই সব পরিষেবা নয়, কিছু হলে হাসপাতালে ভর্তি করা থেকে আবার সুস্থ করে বাড়ি ফিরিয়ে আনা-সব ধরনের পরিচর্যাই মিলবে এই কার্ডের আওতায়।&#8221;</p>



<p>বিস্তারিত জানতে ও পরিষেবার জন্য : 9831672572, 6290225511 -৮৭/২৪৩ রাজা এস সি মল্লিক রোড ,কলকাতা – ৭০০০৪৭ ।ওয়েবসাইট – <a href="http://www.maximonindia.com">www.maximonindia.com</a>     </p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/home-care-maximon-india-guardian-family-card/">বাড়িতে চিকিৎসায় গার্ডিয়ান ফ্যামিলি কার্ড</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/home-care-maximon-india-guardian-family-card/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভালো ঘুমের খোঁজে</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/how-to-sleep-better-at-night/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/how-to-sleep-better-at-night/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Jul 2026 08:10:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=10910</guid>

					<description><![CDATA[<p>সুস্থ ঘুম ফিরিয়ে আনতে বিশ্বসেরা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/how-to-sleep-better-at-night/">ভালো ঘুমের খোঁজে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঘুমের সংকট: কেন বাড়ছে অনিদ্রা? সুস্থ ঘুম ফিরিয়ে আনতে বিশ্বসেরা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।</p>



<p>আগে রাত মানেই ছিল বিশ্রাম। এখন রাত মানেই মোবাইল স্ক্রল, অফিসের অসমাপ্ত কাজ, সোশ্যাল মিডিয়া, উদ্বেগ আর পরের দিনের পরিকল্পনা। ফল? বিছানায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও চোখে ঘুম আসে না।</p>



<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিদ্রা (Insomnia) এখন কেবল একটি ঘুমের সমস্যা নয়, বরং এটি মানসিক স্বাস্থ্য, হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কর্মক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশেষ করে নারীদের মধ্যে অনিদ্রার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>



<p>কেন বাড়ছে অনিদ্রা?</p>



<p><strong>বিশ্বখ্যাত ঘুম গবেষক প্রফেসর কলিন এস্পি (ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড) </strong>দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন,অনিদ্রা শুধুমাত্র &#8220;ঘুম না আসা&#8221; নয়, এটি মস্তিষ্কের একটি শেখা আচরণ ( লার্নেড বিহেভিয়ার)। অর্থাৎ, বারবার না ঘুমোতে পারার ভয় থেকেই শরীর ও মস্তিষ্ক বিছানাকে বিশ্রামের পরিবর্তে উদ্বেগের জায়গা হিসেবে চিনতে শুরু করে।</p>



<p>বর্তমান জীবনযাত্রায় কয়েকটি বড় কারণ এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।</p>



<p>১. ডিজিটাল স্ক্রিনের নেশা -রাতে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ব্যবহার এখন প্রায় অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে নির্গত নীল আলো ( শরীরের মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না যে এখন ঘুমানোর সময়।</p>



<p>২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ -চাকরি, সংসার, সন্তান, আর্থিক অনিশ্চয়তা ,সব মিলিয়ে নারীরা সারাদিনই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন।দিনের উদ্বেগ রাতে বিছানায় গিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখন মস্তিষ্ক &#8220;সমস্যা সমাধান মোড&#8221;-এ চলে যায়, বিশ্রাম মোডে নয়।</p>



<p>৩. অনিয়মিত জীবনযাপন-একদিন রাত ১০টায় ঘুম, আরেকদিন রাত ২টায় ,এই অনিয়ম শরীরের সার্কাডিয়ান ক্লককে (বায়োলজিকাল ) বিভ্রান্ত করে।</p>



<p>৪. অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও দেরিতে ভারী খাবার-সন্ধ্যার পরে একাধিক কাপ চা-কফি কিংবা রাতের ভারী খাবার ঘুমের গুণমান কমিয়ে দেয়।</p>



<p>৫. হরমোনের পরিবর্তন-নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্মের পরের সময় এবং মেনোপজের সময় অনিদ্রার ঝুঁকি অনেক বেশি দেখা যায়।</p>



<p>অনিদ্রা শুধু ক্লান্তি নয়</p>



<p>ঘুমের ঘাটতি দীর্ঘদিন চললে দেখা দিতে পারে-স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া,মনোযোগের অভাব,রাগ ও বিরক্তি বৃদ্ধি,উচ্চ রক্তচাপ,হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি,টাইপ-২ ডায়াবেটিস,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস,উদ্বেগ ও বিষন্নতা।</p>



<p>শুধু &#8220;স্লিপ হাইজিন&#8221; যথেষ্ট নয়</p>



<p>অনেকে ভাবেন-ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার করলেই হবে,গরম দুধ খেলেই ঘুম আসবে,মেডিটেশন করলেই সমস্যা মিটবে।আসলে বিষয়টি এত সহজ নয়।</p>



<p><strong>অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে</strong>, দীর্ঘমেয়াদি অনিদ্রার ক্ষেত্রে বিশ্বের অধিকাংশ চিকিৎসা নির্দেশিকাই CBT-I (Cognitive Behavioral Therapy for Insomnia)-কে প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। প্রয়োজনে অল্প সময়ের জন্য ওষুধ ব্যবহার করা হলেও দীর্ঘমেয়াদে কেবল ঘুমের ওষুধের ওপর নির্ভর করা সমাধান নয়।</p>



<p><strong>বিশ্বসেরা বিশেষজ্ঞদের ১০টি কার্যকর পরামর্শ</strong></p>



<p>১. প্রতিদিন একই সময়ে উঠুন</p>



<p>রাতে কখন ঘুমোবেন তার চেয়ে সকালে কখন উঠছেন সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<p>ছুটির দিনেও একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন।</p>



<p>২. ঘুম না এলে বিছানায় পড়ে থাকবেন না</p>



<p>১৫–২০ মিনিট ঘুম না এলে উঠে অন্য ঘরে গিয়ে শান্তভাবে বই পড়ুন বা হালকা সঙ্গীত শুনুন।</p>



<p>ঘুম পেলেই আবার বিছানায় ফিরুন। এতে বিছানা ও ঘুমের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরি হয়।</p>



<p>৩. বিছানা শুধুই ঘুমের জন্য</p>



<p>বিছানায় বসে অফিসের কাজ, সিরিজ দেখা বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন না।</p>



<p>৪. স্ক্রিন কারফিউ</p>



<p>ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল ও ল্যাপটপ বন্ধ রাখুন।</p>



<p>৫. বিকেলের পর ক্যাফেইন কমান</p>



<p>চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক বা কোলা রাতের ঘুম নষ্ট করতে পারে।</p>



<p>৬. দিনের আলোতে সময় কাটান</p>



<p>সকালের সূর্যালোক শরীরের জৈবঘড়িকে সঠিকভাবে চালু রাখতে সাহায্য করে।</p>



<p>৭. নিয়মিত শরীরচর্চা</p>



<p>হাঁটা, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করে। তবে ঘুমানোর ঠিক আগে তীব্র ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।</p>



<p>৮. রাতের খাবার হালকা রাখুন</p>



<p>খুব দেরিতে ভারী খাবার খেলে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে।</p>



<p>৯. ঘুম নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না</p>



<p>বিশেষজ্ঞরা বলেন, &#8220;আজ আমাকে যেভাবেই হোক ঘুমোতেই হবে&#8221;—এই চাপই অনেক সময় ঘুমকে আরও দূরে সরিয়ে দেয়। বরং শরীরকে স্বাভাবিকভাবে ঘুম আসার সুযোগ দিন।</p>



<p>১০. তিন মাসের বেশি সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন</p>



<p>সপ্তাহে তিন বা তার বেশি দিন যদি তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ঘুমের সমস্যা চলতে থাকে, তবে অবশ্যই একজন ঘুম বিশেষজ্ঞ, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এর পেছনে স্লিপ অ্যাপনিয়া, উদ্বেগ, বিষণ্নতা, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য শারীরিক কারণও থাকতে পারে।</p>



<p><strong>নারীদের জন্য বিশেষ টিপস</strong></p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> দুপুরের পর অতিরিক্ত চা-কফি কমান।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রতিদিন একই সময়ে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> শোবার ঘর ঠান্ডা, অন্ধকার ও নীরব রাখুন।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বিছানায় শুয়ে অফিসের ই-মেল বা সোশ্যাল মিডিয়া না দেখাই ভালো।</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2714.png" alt="✔" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> রাতে উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে ভাবার পরিবর্তে সন্ধ্যায় একটি &#8220;উদ্বেগ-ডায়েরি&#8221; লিখে রাখুন-সিবিটি- আই  বিশেষজ্ঞরা এটিকে কার্যকর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেন।</p>



<p>শেষকথা</p>



<p>আজকের দ্রুতগতির পৃথিবীতে ভালো ঘুম যেন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ সুস্থ শরীর, সুন্দর ত্বক, স্থির মন, কর্মক্ষমতা এবং দীর্ঘায়ুর অন্যতম ভিত্তি হল পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম।</p>



<p>বিশ্বের শীর্ষ ঘুম গবেষকদের একটি অভিন্ন বার্তা হলো ঘুমকে জোর করে আনা যায় না; বরং এমন পরিবেশ ও অভ্যাস তৈরি করতে হয়, যেখানে ঘুম নিজেই এসে যায়। তাই অনিদ্রাকে অবহেলা না করে, সময়মতো সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং প্রয়োজনে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার সাহায্য নিন। একটি ভালো রাতের ঘুমই হতে পারে আগামী দিনের সুস্থ জীবনের প্রথম পদক্ষেপ।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/how-to-sleep-better-at-night/">ভালো ঘুমের খোঁজে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/how-to-sleep-better-at-night/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আসন্ন বর্ষায় শরীর সুরক্ষা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/family-safety-tips-for-monsoon/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/family-safety-tips-for-monsoon/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 12:19:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=10790</guid>

					<description><![CDATA[<p>অ্যাপোলো ও মণিপাল হসপিটালসের বিশিষ্ট ডাক্তারি পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/family-safety-tips-for-monsoon/">আসন্ন বর্ষায় শরীর সুরক্ষা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গরমের দাবদাহের পর বর্ষার আগমন যেন স্বস্তির পরশ। মেঘলা আকাশ, টুপটাপ বৃষ্টি আর সবুজে মোড়া প্রকৃতি মনকে যেমন ভালো করে দেয়, তেমনই এই সময়েই বাড়তে শুরু করে নানা সংক্রমণ ও মৌসুমি রোগের প্রকোপ। চিকিৎসকদের মতে, বর্ষাকালে আর্দ্রতা বৃদ্ধি, জল জমে থাকা, দূষিত পানীয় জল এবং খাদ্যদ্রব্যে জীবাণুর বিস্তার দ্রুত ঘটে। ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া থেকে শুরু করে টাইফয়েড, জন্ডিস, ডায়রিয়া কিংবা বিভিন্ন ছত্রাকঘটিত ত্বকের সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।</p>



<p>তবে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে বর্ষা উপভোগের পাশাপাশি শরীরকেও রাখা যায় সুরক্ষিত।</p>



<p><strong>বিশুদ্ধ পানীয় জলই প্রথম সুরক্ষা</strong></p>



<p>বর্ষাকালে জলবাহিত রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। দূষিত জল থেকে ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-এ-এর মতো রোগ ছড়াতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সম্ভব হলে ফুটিয়ে বা পরিশোধিত জল পান করুন। বাইরে বেরোলে নিজের পানির বোতল সঙ্গে রাখুন এবং রাস্তার অজানা উৎসের জল এড়িয়ে চলুন।</p>



<p><strong>মশা প্রতিরোধে কোনও আপস নয়</strong></p>



<p>বর্ষার জমে থাকা জল মশার বংশবৃদ্ধির আদর্শ ক্ষেত্র। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের সংক্রমণ এই সময়েই সবচেয়ে বেশি হয়। সপ্তাহে অন্তত একদিন ফুলদানি, এসির ট্রে, টব, পুরনো টায়ার বা ছাদে জমে থাকা জল পরিষ্কার করুন। সন্ধ্যার পর পুরো হাত-পা ঢাকা পোশাক পরুন এবং প্রয়োজন হলে মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করুন।</p>



<p><strong>রাস্তার খাবারের লোভ সামলান</strong></p>



<p>বৃষ্টির দিনে ফুচকা, চপ বা ভাজাভুজির আকর্ষণ অনেকের পক্ষেই সামলানো কঠিন। কিন্তু বর্ষাকালে খাদ্যদূষণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, যতটা সম্ভব টাটকা ও গরম খাবার খান। দীর্ঘক্ষণ বাইরে রাখা খাবার, কাটা ফল বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাদ্য এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।</p>



<p><strong>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কী খাবেন?</strong></p>



<p>ওয়েলনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখা উচিত যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।</p>



<p>মৌসুমি ফল</p>



<p>পাতিলেবু ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার</p>



<p>আদা, রসুন ও হলুদ</p>



<p>দই বা প্রোবায়োটিক জাতীয় খাদ্য</p>



<p>পর্যাপ্ত জল ও হালকা স্যুপ</p>



<p>অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ও ভারী খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই সহজপাচ্য খাবারের উপর জোর দেওয়াই ভালো।</p>



<p><strong>ত্বক ও পায়ের বিশেষ যত্ন</strong></p>



<p>বর্ষার আর্দ্র পরিবেশে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, র&#x200d;্যাশ, চুলকানি ও অ্যাথলিটস ফুটের মতো সমস্যা বাড়তে দেখা যায়।</p>



<p>ভিজে জামাকাপড় দ্রুত বদলে ফেলুন</p>



<p>পা শুকনো রাখুন</p>



<p>দীর্ঘক্ষণ ভেজা জুতো ব্যবহার করবেন না</p>



<p>প্রয়োজন হলে অ্যান্টিফাঙ্গাল পাউডার ব্যবহার করুন</p>



<p>বৃষ্টির জল বা নোংরা জমা জলে খালি পায়ে হাঁটবেন না</p>



<p>বিশেষত ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পায়ের যত্নে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।</p>



<p><strong>সর্দি-কাশি মানেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়</strong></p>



<p>বর্ষাকালে ভাইরাল সংক্রমণের কারণে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও জ্বর সাধারণ ঘটনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, অযথা অ্যান্টিবায়োটিক সেবন না করে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তরল খাবার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে বা শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।</p>



<p><strong>শিশু ও প্রবীণদের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা</strong></p>



<p>শিশু, গর্ভবতী নারী এবং প্রবীণদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা, বিশুদ্ধ জল, পুষ্টিকর খাদ্য এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<p>চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?</p>



<p><strong>নিম্নলিখিত উপসর্গগুলির কোনওটি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন &#8211;</strong></p>



<p>টানা জ্বর</p>



<p>বমি বা ডায়রিয়া</p>



<p>তীব্র শরীর ব্যথা</p>



<p>শ্বাসকষ্ট</p>



<p>ত্বকে অস্বাভাবিক র&#x200d;্যাশ</p>



<p>অতিরিক্ত দুর্বলতা</p>



<p>প্রস্রাব কমে যাওয়া</p>



<p>ডেঙ্গু, টাইফয়েড বা লেপ্টোস্পাইরোসিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে দ্রুত শনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<p>মনে রাখবেন: বৃষ্টি উপভোগ করুন, কিন্তু স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে কোনও আপস নয়।</p>



<p><strong>বর্ষার ১০টি স্বাস্থ্য-মন্ত্র</strong></p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> শুধুমাত্র বিশুদ্ধ বা ফুটানো জল পান করুন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বাইরে থেকে এসে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> রাস্তার কাটা ফল ও খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ির আশপাশে জমে থাকা জল পরিষ্কার করুন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> মশারি বা মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করুন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ভিজে জামাকাপড় দীর্ঘক্ষণ পরে থাকবেন না</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রতিদিন অন্তত একটি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খান</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকুন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> জ্বর হলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন</p>



<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2611.png" alt="☑" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন</p>



<p>অ্যাপোলো হসপিটালসের ডঃ সন্দীপ কুমার চন্দ্র (এমডি, এমআরসিপি ),মণিপাল হসপিটালসের ডঃ শম্ভূ ভিশাল (এফসিপিএস, ডিএনবি ) র পরামর্শ-</p>



<p>&#8220;বর্ষাকালে অসুস্থতা এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল পরিচ্ছন্নতা, বিশুদ্ধ জল এবং মশা নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি বিষয়ে কোনও আপস না করা।&#8221;</p>



<p><strong>ডেঙ্গু</strong><strong> </strong><strong>নাকি</strong><strong> </strong><strong>সাধারণ</strong><strong> </strong><strong>ভাইরাল</strong><strong> </strong><strong>জ্বর</strong><strong>?</strong></p>



<p><strong>লক্ষণ</strong><strong> </strong><strong>দেখে</strong><strong> </strong><strong>প্রাথমিক</strong><strong> </strong><strong>পার্থক্য</strong><strong> </strong><strong>বুঝবেন</strong><strong> </strong><strong>কীভাবে</strong><strong>?</strong></p>



<figure class="wp-block-table"><table><tbody><tr><td><strong>লক্ষণ</strong><strong></strong></td><td><strong>ডেঙ্গু</strong><strong></strong></td><td><strong>সাধারণ</strong><strong> </strong><strong>ভাইরাল</strong><strong> </strong><strong>জ্বর</strong><strong></strong></td></tr><tr><td>জ্বর</td><td>হঠাৎ খুব বেশি (১০২-১০৪°F)</td><td>মাঝারি থেকে বেশি</td></tr><tr><td>মাথাব্যথা</td><td>খুব তীব্র</td><td>সাধারণত মাঝারি</td></tr><tr><td>চোখের পিছনে ব্যথা</td><td>প্রায়শই থাকে</td><td>সচরাচর থাকে না</td></tr><tr><td>শরীর ও গিঁটে ব্যথা</td><td>অত্যন্ত তীব্র</td><td>হালকা থেকে মাঝারি</td></tr><tr><td>ত্বকে লালচে র&#x200d;্যাশ</td><td>দেখা যেতে পারে</td><td>কম দেখা যায়</td></tr><tr><td>প্লেটলেট কমে যাওয়া</td><td>হতে পারে</td><td>সাধারণত হয় না</td></tr><tr><td>সর্দি-কাশি</td><td>কম দেখা যায়</td><td>প্রায়শই থাকে</td></tr><tr><td>দুর্বলতা</td><td>অনেক বেশি</td><td>তুলনামূলক কম</td></tr></tbody></table></figure>



<p><strong>সতর্কবার্তা</strong><strong></strong></p>



<p>• জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>



<p>• ডেঙ্গুর সন্দেহ হলে নিজে থেকে ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করবেন না।</p>



<p>• প্রচুর জল, ওআরএস এবং তরল খাবার গ্রহণ করুন।</p>



<p>• প্লেটলেট নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলুন।</p>



<p><strong>গুরুত্বপূর্ণ</strong><strong>:</strong> শুধুমাত্র উপসর্গ দেখে নিশ্চিত রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে রক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/family-safety-tips-for-monsoon/">আসন্ন বর্ষায় শরীর সুরক্ষা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/family-safety-tips-for-monsoon/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হার্ট সুস্থ রাখতে ২০টি লেটেস্ট টিপস  </title>
		<link>https://sukanyadigital.com/20-latest-healthy-heart-tips-by-expert-cadiologists/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/20-latest-healthy-heart-tips-by-expert-cadiologists/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 Aug 2025 12:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[Healthy Heart tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9214</guid>

					<description><![CDATA[<p>জন হপকিন্স হসপিটাল,ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক,মেয়ো ক্লিনিকের কার্ডিওলজিস্টদের পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/20-latest-healthy-heart-tips-by-expert-cadiologists/">হার্ট সুস্থ রাখতে ২০টি লেটেস্ট টিপস  </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. রোজকার খাবার যেন সুষম ও হার্ট হেলদি ডায়েট হয় যেমন ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ (যেমন: কাতলা , রুই),উচ্চ ফাইবারযুক্ত শাকসবজি ও ফল (যেমন: কলা, পেয়ারা, পালংশাক)</p>



<p>পূর্ণ শস্য (ব্রাউন রাইস, ওটস, আটার রুটি),বাদাম ও অলিভ অয়েল।</p>



<p>এড়িয়ে চলুন:ট্রান্স ফ্যাট ,ফাস্ট ফুড, ভাজার তেলে বারবার রান্না করা খাবার,</p>



<p>অতিরিক্ত সোডিয়াম (লবণ) দিনে ৫ গ্রামের বেশি নয়,রেড মিট ও প্রসেসড মিট।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: উচ্চ চর্বিযুক্ত ও সোডিয়ামযুক্ত খাদ্য কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ বাড়িয়ে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস ঘটায়।</p>



<p>২. রোজ শারীরিক অনুশীলন করুন-সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার (হাঁটা, সাইক্লিং) বা ৭৫ মিনিট উচ্চমাত্রার (দৌড়ানো, সাঁতার) ব্যায়াম করুন।যোগাসন ও প্রাণায়াম হৃদয়ের জন্য উপকারী, বিশেষ করে ব্লাড প্রেসার ও হার্ট রেট নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় — যা হৃদরোগের প্রধান ট্রিগার।</p>



<p>৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন (হাইপারটেনশন ম্যানেজমেন্ট)</p>



<p>রক্তচাপ নিয়মিত মাপুন (বিশেষত ৩০ বছর বয়সের পর)।</p>



<p>লক্ষ্যমাত্রা: ১২০/৮০ mmHg এর নিচে রাখা শ্রেয়।</p>



<p>উচ্চ রক্তচাপ থাকলে DASH ডায়েট মেনে চলুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ নিন (যেমন ACE inhibitors, beta-blockers)।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: দীর্ঘস্থায়ী হাইপারটেনশন হার্টের বাঁ দিকে চাপ বাড়িয়ে লেফট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি তৈরি করে।</p>



<p>৪. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন</p>



<p>রক্ত পরীক্ষায় দেখুন:</p>



<p>LDL (Bad cholesterol): &lt; 100 mg/dL ,HDL (Good cholesterol): &gt; 50 mg/dL ,Triglycerides: &lt; 150 mg/দল,স্ট্যাটিন জাতীয় ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরলে।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: উচ্চ LDL এবং ট্রাইগ্লিসারাইড ধমনীতে প্লাক জমিয়ে করোনারি আর্টারি ডিজিজ সৃষ্টি করে।</p>



<p>৫. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন (Glycemic Control)</p>



<p>HbA1c ৭% এর নিচে রাখা শ্রেয়।</p>



<p>মিষ্টিজাত খাদ্য সীমিত করুন, নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ ও ডায়েট/ব্যায়ামে নিয়ন্ত্রণ আনুন।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: ডায়াবেটিস ধমনির এন্ডোথেলিয়াল স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে হৃদপিণ্ডে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।</p>



<p>৬. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণ পরিহার করুন</p>



<p>নিকোটিন ও কার্বন মনোঅক্সাইড ধমনিকে সংকুচিত করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।</p>



<p>ধূমপান ছেড়ে দিলে ১ বছরের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি ৫০% কমে যায়।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: তামাকপানে ফাইব্রিনোজেন বাড়ে, যা রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ায় এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।</p>



<p>৭. স্ট্রেস কমান ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখুন</p>



<p>দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ কোর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার বাড়ায়।</p>



<p>ধ্যান, যোগব্যায়াম ও মানসিক থেরাপি (CBT) কার্যকরী।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: ক্রনিক স্ট্রেস অ্যারিথমিয়া (হার্টবিটের গড়মিল) তৈরি করতে পারে।</p>



<p>৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন (Healthy BMI)</p>



<p>আপনার BMI লক্ষ্য রাখুন: ১৮.৫ – ২৪.৯ আদর্শ।</p>



<p>মধ্যভাগে চর্বি (abdominal obesity) হৃদরোগের সবচেয়ে বিপজ্জনক সূচক।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: স্থূলতা মেটাবলিক সিনড্রোম তৈরি করে, যার সঙ্গে হৃদরোগ সরাসরি সম্পর্কিত।</p>



<p>৯. নিয়মিত মেডিক্যাল চেক-আপ করুন</p>



<p>বছরে একবার ECG, ECHO বা TMT পরীক্ষা করুন (বিশেষত যাদের ফ্যামিলি হিস্ট্রি আছে)।</p>



<p>৪০-এর পর lipid profile, fasting glucose ও থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট করানো উচিত।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: বহু হৃদরোগ লক্ষণহীন থাকে, চেকআপেই ধরা পড়ে।</p>



<p>১০. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন।প্রতিরাতে ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি।</p>



<p>ঘুমের ব্যাঘাত (যেমন Sleep Apnea) untreated থাকলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ বাড়ে।</p>



<p>মেডিক্যাল ফ্যাক্ট: Obstructive Sleep Apnea untreated থাকলে atrial fibrillation ও heart failure-এর ঝুঁকি বাড়ে।</p>



<p>১১)বেশি করে শিম,বরবটি খান কারণ এরা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।</p>



<p>১২)মুঠোর ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। হাইপার টেনশন জয়নাল অনুযায়ী টানা ৪ সপ্তাহের মুঠো সঞ্চালন -প্রসারণ ব্যায়ামে ব্লাড প্রেশার কমিয়ে দেয় ১০ %।</p>



<p>১৩)ডিম খান।প্রচলিত ধারণা বেশি ডিম খেলে কোলেস্টরল বাড়ার আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ হচ্ছে ।ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন ই,বি -১২ এবং ফলেট করোনারি আর্টারিকে পরিষ্কার রাখে।</p>



<p>১৪)নিয়মিত ৩ কিলোমিটার হাঁটলে হার্ট ভালো থাকে এটা প্রমাণিত,প্রায় অনেকেরই জানা কিন্তু এই সুঅভ্যাস নিয়মিত করে হয়ে ওঠে না ।</p>



<p>১৫) চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত প্রাণায়াম করলে হার্ট ভালো থাকবে।</p>



<p>১৬) প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমোতে হবে।যারা অনিদ্রায় ভোগেন তারা অন্যান্যদের তুলনায় ৪৫% বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে থাকেন।</p>



<p>১৭) বেশি ঘুমও কিন্তু হার্টের ক্ষতি করে।ঘুমকাতুরেদের সাবধান করেছেন কার্ডিওলজিস্টরা।দিনে ১০ ঘন্টার বেশি ঘুম ওবেসিটি বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।</p>



<p>১৮) রোজের ডায়েটে যতটা সম্ভব ফ্যাট কমাতে হবে।খাবারে থাকা চর্বি হার্টের পক্ষে ক্ষতিকর।</p>



<p>১৯)ডায়েটে যেন পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার থাকে । ডায়েটে থাকুক মুগ,মসুর,রাজমা, চানা,শাক, ব্রকোলি।</p>



<p>২০)প্রতিদিন ২০ মিনিট সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।</p>



<p>পরিশেষে:</p>



<p>হৃদয় সুস্থ রাখতে একটি হোলিস্টিক লাইফস্টাইল অনুসরণ করুন — খাদ্য, অনুশীলন, মানসিক প্রশান্তি, চিকিৎসা সচেতনতা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা মিলেই গড়ে তোলে শক্তিশালী হৃদয়। আপনি সচেতন হলেই পরিবারটিও সুরক্ষিত থাকবে।</p>



<p>আপনার হার্ট আপনার হাতেই, তাই এখন থেকেই  যত্ন নিন ! প্রয়োজনে একজন কার্ডিয়োলজিস্টের পরামর্শ নিন।</p>



<p><em>*</em><em>এই </em><em>নিবন্ধটি </em><em>সাধারণ </em><em>তথ্যের </em><em>জন্য </em><em>যা </em><em>কোনোভাবে </em><em>ওষুধ </em><em>আর </em><em>চিকিৎসার </em><em>বিকল্প </em><em>নয়। </em><em>অসুখ </em><em>হলে </em><em>ডাক্তারের </em><em>পরামর্শ </em><em>নিতে </em><em>হবে।</em></p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/20-latest-healthy-heart-tips-by-expert-cadiologists/">হার্ট সুস্থ রাখতে ২০টি লেটেস্ট টিপস  </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/20-latest-healthy-heart-tips-by-expert-cadiologists/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বর্ষাকালে পেটের যত্ন</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/doc-advice-for-gastronomical-disease-in-rainy-seasons/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/doc-advice-for-gastronomical-disease-in-rainy-seasons/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Jul 2025 13:43:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9087</guid>

					<description><![CDATA[<p>অ্যাপোলো,মনিপাল আমরি,পিয়ারলেস হসপিটালস ডাক্তারদের পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/doc-advice-for-gastronomical-disease-in-rainy-seasons/">বর্ষাকালে পেটের যত্ন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিশেষ পরামর্শ।</p>



<p>বর্ষা মানেই জীবাণুর বাড়াবাড়ি!<br>ডঃ বিকাশ প্রকাশ, গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট,অ্যাপোলো হসপিটালসের অভিমত, &#8220;বর্ষাকালে ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ বেড়ে যায়। জলবাহিত রোগ যেমন টাইফয়েড, হেপাটাইটিস A, ডায়েরিয়া খুব সাধারণ।&#8221;<br>বর্ষাকালের আর্দ্রতা ও খাদ্যদূষণ শিশুর থেকে বড়, সবাইকেই করে তোলে সংবেদনশীল। একদিকে হজমশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে, অন্যদিকে দূষিত জল ও খাদ্য থেকে সংক্রমণ ঢুকে পড়ে শরীরে। তাই এখনই চাই সতর্কতা ও সচেতনতা।<br>ডঃ প্রতীক পোদ্দার, শিশু বিশেষজ্ঞ, পিয়ারলেস হসপিটালসের পরামর্শ :<br>শিশুদের পেটের যত্নে করণীয়:<br>পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ জল দিন<br>খিচুড়ি, ডিমসেদ্ধ, সেদ্ধ সবজি—এইসব সহজ হজমযোগ্য খাবার দিন<br>অপরিষ্কার রাস্তার খাবার, কাটা ফল ও আইসক্রিম এড়িয়ে চলুন<br>হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন<br>&#8220;বাচ্চাদের ডিহাইড্রেশন খুব দ্রুত হয়। ডায়ারিয়া বা বমি হলে অবহেলা নয়—ওআরএস দিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।&#8221;<br>ডঃ সঞ্জয় বসু, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,আমরি হসপিটালস বলেন,&#8221;অনেকেই ভাবেন, একদিন বাইরের খাবার খেলে কিছু হবে না। কিন্তু এই অনিয়মই পেটের বড় সমস্যার সূচনা করে।&#8221;<br>বড়দের খাদ্যতালিকায় যা রাখা উচিত<br><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> দিনে অন্তত ২.৫ লিটার বিশুদ্ধ জল পান করুন<br><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রোবায়োটিক (দই, ঘোল) হজমে সহায়ক<br><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> জিরে জল বা আদা-তুলসির ক্বাথ পান করুন<br><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> হালকা, সুষম ও কম মশলাযুক্ত খাবার খান<br><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/14.0.0/72x72/2705.png" alt="✅" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বাইরের ফুচকা, পাকোড়া, বিরিয়ানি এড়িয়ে চলুন</p>



<p>বর্ষাকালে সাধারণ পেটের সমস্যা ও প্রতিকার</p>



<figure class="wp-block-table"><table><thead><tr><td><strong>সমস্যা</strong><strong></strong></td><td><strong>লক্ষণ</strong><strong></strong></td><td><strong>করণীয়</strong><strong></strong></td></tr></thead><tbody><tr><td>ডায়ারিয়া</td><td>ঘন ঘন পাতলা পায়খানা</td><td>ওআরএস, বিশ্রাম, পরামর্শ মতো অ্যান্টিবায়োটিক</td></tr><tr><td>ফুড পয়জনিং</td><td>বমি, জ্বর, পেটব্যথা</td><td>তরল খাদ্য, চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ</td></tr><tr><td>অ্যাসিডিটি / গ্যাস্ট্রিক</td><td>পেট ফোলা, ঢেঁকুর, বুকজ্বালা</td><td>আদা-জল, হালকা খাবার, প্রয়োজনে অ্যান্টাসিড</td></tr><tr><td>হেপাটাইটিস টাইফয়েড</td><td>জ্বর, বমি, ক্লান্তি, চোখ-চামড়া হলদে</td><td>রক্ত পরীক্ষা,প্রয়োজনে হাসপাতাল ভর্তি </td></tr></tbody></table></figure>



<p>ঘরোয়া টিপস যা সত্যিই কাজে দেয়<br>&#8220;জিরে-জল, হিং মেশানো গরম দুধ, লেবু-তুলসি-আদার জল—বর্ষাকালে হজমে দুর্দান্ত সহায়ক। তবে ঘরোয়া উপায়ে উপশম না হলে ডাক্তার দেখাতে দেরি করবেন না।&#8221;<br>ডঃ সন্দীপ পাল, গ্যাস্ট্রো বিশেষজ্ঞ, ফোর্টিস হসপিটাল বলছেন, &#8216;অবচেতনভাবে ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বিপজ্জনক। বর্ষাকালে রোগের প্রকৃতি দ্রুত বদলায়। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না।&#8217;</p>



<p>*এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্যের জন্য যা কোনোভাবে ওষুধ আর চিকিৎসার বিকল্প নয়। অসুখ বা কোন উপসর্গ ,লক্ষণ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/doc-advice-for-gastronomical-disease-in-rainy-seasons/">বর্ষাকালে পেটের যত্ন</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/doc-advice-for-gastronomical-disease-in-rainy-seasons/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভাল থাকার ১০টি  সহজ পাঠ</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/wellness-forever/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/wellness-forever/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Feb 2025 01:40:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://codomotive.in/projects/client_websites/sukanya-mag/?p=492</guid>

					<description><![CDATA[<p>বি বি সি নিউজ -হেলথ,আর্ট অফ হেলদি লিভিং,ইউ ওয়েলনেস এক্সপার্ট টিপস</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/wellness-forever/">ভাল থাকার ১০টি  সহজ পাঠ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১ <strong>নিজের প্রতি সৎ থাকা&nbsp;</strong></p>



<p>আমরা সবাই আলাদা। এর অর্থ আমরা কী ভাবি, কীভাবে অনুভব করি, আমরা কী চাই এবং কীভাবে আমরা আমাদের এখন এই অস্থির সঙ্কটকালে নিজেকে ঠিক রাখি ! আপনি সব ছেড়ে শুধু নিজের কথা ভাবুন। আপনার শক্তি এবং আপনার স্ট্রেংথ আর উইকনেস গুলো আইডেন্টিফাই করুন এবং যাতে আপনার আর আপনার&nbsp;পরিবারের ভালর দিকে মন দিন।&nbsp;</p>



<p>২ <strong>সময় উপভোগ করুন</strong></p>



<p>আপনার যা করতে ভাল লাগে&nbsp; এমন কিছু&nbsp; আপনার হবির জন্য সময় আলাদা করুন। নিজেকে যখন মনে হয় নিজেকে স্বতঃস্ফূর্ত এবং সৃজনশীল হতে দিন , বই পড়া,গান শোনা ,পছন্দের সিনেমা, জানলার ধারে চায়ের কাপ নিয়ে বসা,জগিং, একটি নতুন (এবং সুস্বাদু!) রান্না শিখুন; আপনার পোষ্যর&nbsp; সাথে খেলুন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>৩ <strong>এখানে এবং এখন</strong>&nbsp;</p>



<p>কিছুক্ষণ সময় নিন এবং এই মুহুর্তে ‘হওয়ার’ চেষ্টা করুন &#8211; আপনার মুখের উপর সূর্যর রশ্মি এবং বাতাস অনুভব করুন এবং আপনি যে&nbsp;শ্বাস নিচ্ছেন তা লক্ষ্য করুন। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করার পরিবর্তে বা অতীতের কথা ভাবার পরিবর্তে এখনকার সময়ে থাকুন । বর্তমান সময়ে মনোনিবেশ করুন, সচেতন হওয়ার চেষ্টা করুন।</p>



<p>৪ <strong>আপনার শরীরের যত্ন নিন </strong></p>



<p>ভিতরে এবং বাইরে ফিল গুড অনুভব করার জন্য আপনার শরীর এবং মনকে সতেজ রাখুন । সক্রিয় থাকুন, ভাল খান এবং ঠিক সময়ে ঘুমোতে যান। ঘুম আসছে&nbsp; না বলে&nbsp; গভীর রাত অবধি ফোন ঘাঁটবেন না । প্রতিদিন ঘুমাতে এবং নিয়মিত ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন কারণ&nbsp; এটি আপনাকে সতেজ রাখতে এবং আরও পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করবে।</p>



<p>৫ <strong>দিবাস্বপ্ন &#8211; হ্যাঁ ডে ড্রিমিং !</strong></p>



<p>আপনার চোখ বন্ধ করুন এবং নিজেকে একটি  শান্ত,নির্জন স্থানে কল্পনা করুন &#8211; একটি সি সাইড, একটি পাহাড়ের কাছে, একটি শান্ত নিভৃত বনছায়াস্থল অথবা আপনার অতীত থেকে একটি প্রিয় ঘর; ধীরে ধীরে এবং গভীরভাবে শ্বাস নিন।দিনে একবারে নিজেকে কয়েক মিনিট ফোকাসের সময় দিন।</p>



<p>৬ <strong>কাছের বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন </strong></p>



<p>আপনাকে যারা ভালোবাসে এবং আপনার জীবনে আনন্দ দেয় এমন লোকদের সঙ্গে  সম্পর্ক রাখুন। শেয়ার করুন, হাসুন এবং একসাথে জীবন উপভোগ করুন। যখন আপনার সাপোর্ট&nbsp; প্রয়োজন তখন বন্ধুদের এবং পরিবারের কাছে পৌঁছান। অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন আমাদের অন্তর্ভুক্তির বোধ বাড়ায় এবং আমাদের অনুভব করতে সহায়তা করতে পারে যে আমরা জীবনের চ্যালেঞ্জগুলি সামলানোর ক্ষেত্রে একা নই।</p>



<p>৭ <strong>পার্টিসিপেট  করুন, সোশ্যালাইজিং করুন</strong> </p>



<p>  ফোনে বন্ধুদের সঙ্গে সোশ্যালাইজিং  করুন । এটা এই সময়ে একটু কঠিন হলেও এমন গ্রূপে থাকুন যেখানে পরনিন্দা আর পরচর্চা নেই । যে গ্রূপে পজিটিভ আলোচনা হাসি ঠাট্টা হয় এমন সার্কেলে মিশুন । &nbsp;</p>



<p>৮ <strong> ফিটনেস</strong></p>



<p>&nbsp;আপনি যখন ভাল বোধ করছেন না তখন আপনি যে কাজটা এড়িয়ে যান সেটা হল এক্সসারসাইজ ,এতে শুধু শরীর নয় আপনার মেন্টাল হেলথ ও ইম্প্রুভ করে। অবশ্য জিম খুললেও এখন ডাক্তারবাবু যেতে বারণ করছেন,তাই বাড়িতে এক্সারসাইজ করুন।</p>



<p>৯ <strong>স্ট্রেস আইডেন্টিফাই করুন&nbsp;</strong> </p>



<p>স্ট্রেস জীবনের একটি অনিবার্য অংশ যা প্রতিটি ব্যক্তিকে আলাদাভাবে প্রভাবিত করে। আপনার জন্য কী চাপ সৃষ্টি করে সে সম্পর্কে সচেতন হন। একবার আপনি এই ট্রিগারগুলি সনাক্ত করতে সক্ষম হলে আপনি সেগুলির কয়েকটি এড়াতে সক্ষম হতে পারেন বা যখন তারা আপনার সামনে এসে দাঁড়ায়&nbsp; তখন তাকে না এড়িয়ে তার মুখোমুখি হওয়ার জন্য আরও ভাল প্রস্তুত হতে পারেন। আপনি কীভাবে আপনার চাপকে সামলান সে সম্পর্কেও সচেতন হন। মানসিক চাপ মোকাবেলার জন্য স্বাস্থ্যকর এবং অস্বাস্থ্যকর দুটো রাস্তায় খোলা আছে &#8211;&nbsp; তাতেও যদি আপনি যদি অস্বস্তি বোধ করেন তবে সাহায্য করতে পারে এমন লোকদের কাছে পৌঁছান। ফোনে প্রতিনিয়ত করোনা খবর আপডেট এড়িয়ে চলুন । </p>



<p>১০ <strong>আপনার হেল্পের জন্য সঠিক লোকজন কে জিজ্ঞাসা </strong></p>



<p>আপনি সুপারম্যান নন।এখন এই পরিস্থিতিতে&nbsp; প্রত্যেকের জীবনযাপন একটা প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ আর সেই সব আপনি নিজে একা সামলে নেবেন এটা ভাবাটা একটু বাড়াবাড়ি হবে তাই আপনার আশেপাশের লোকদের সঙ্গে কথা বলুন বা আপনাকে হেল্প করতে পারে এমন কোনও সার্কেলের মধ্যে থাকুন । </p>



<p> তথ্য সুত্র &#8211; বি বি সি নিউজ -হেলথ,আর্ট অফ হেলদি লিভিং, ইউ ওয়েলনেস,    </p>



<p></p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/wellness-forever/">ভাল থাকার ১০টি  সহজ পাঠ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/wellness-forever/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Jan 2025 10:54:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[brain rot]]></category>
		<category><![CDATA[brain rot remedial tips]]></category>
		<category><![CDATA[mental health]]></category>
		<category><![CDATA[mental well being]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8216</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিউপোর্ট ইনস্টিটিউটের মেন্টাল হেলথ এক্সপার্ট টিপস।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/">ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এতদিনে জানা গেছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ২০২৪ বছরে এই ব্রেন রট কে &#8216;ওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার &#8216; আখ্যা দিয়েছে।ব্রেন রট বলতে এমন একটা অবস্থা যা দীর্ঘক্ষণ ডিজিটাল আসক্তি ও নির্ভরতার কারণে&nbsp; মানুষের মানসিক এবং বৌদ্ধিক উৎকর্ষ নষ্ট করে বেশ বড় ক্ষতি করছে,এর নেশায় মানুষ তার স্বাভাবিক চিন্তা ভাবনা এবং দৈনন্দিন অনেক কাজ না করে রাতদিন ডিজিটাল নেশায় আক্রান্ত।</p>



<p>ব্রেন রট।যদিও এখনও একে চিকিৎসা শাস্ত্রে গভীর অসুখের কুখ্যাতি দেয়নি তা হলেও দীর্ঘসময় ধরে নানা রকম একঘেয়ে মোটা দাগের অর্থাৎ বিলো কোয়ালিটি ডিজিটাল কন্টেন্টে আসক্ত হওয়ার জন্য আমাদের অলক্ষ্যে অন্য অনেক বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে।সোশ্যাল মিডিয়া,স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম,রিলস,টিক টক ভিডিও ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রল&nbsp; করতে করতে আমরা নিজেদের অজান্তে এক ভয়ঙ্কর মহামারির দিকে দৌড়চ্ছি।</p>



<p><strong>ব্রেন</strong><strong> </strong><strong>রট</strong><strong> </strong><strong>আমাদের</strong><strong> </strong><strong>কি</strong><strong> </strong><strong>মারাত্মক</strong><strong> </strong><strong>ক্ষতি</strong><strong> </strong><strong>করে চলেছে</strong><strong> :</strong></p>



<p><strong>মানসিক</strong><strong> </strong><strong>জড়তা</strong><strong> </strong>:কোন কিছু গঠনমূলক,কাজের চিন্তাধারাকে দীর্ঘসময় কুয়াশাচ্ছন্ন করে রাখা।</p>



<p><strong>আলস্য</strong><strong>:</strong> এক ভাবে এক জায়গায় ফোনে নিমগ্ন,জগৎ সংসার ভুলে,শারীরিক ভাবে স্থবির।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>রিডিউসড</strong><strong> </strong><strong>অ্যাটেনশন</strong><strong> </strong><strong>স্প্যান</strong><strong>:</strong> কোন বিষয়ে দীর্ঘসময় মনোযোগের ব্যাঘাত।</p>



<p><strong>কাজ</strong><strong> </strong><strong>করতে</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong><strong>:</strong> যে কোন কাজ করতে গেলে তার পরিকল্পনা এবং সেই কাজ ঠিক ভাবে করার মানসিকতায় বাধা।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>সমস্যা</strong><strong> </strong><strong>সমাধানে</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong> : দীর্ঘসময় এই ব্রেন রটের কারণে ধৈর্য্যচ্যুতি যে কোন কাজে কোন সমস্যা এলে সেটার সমাধানে যে সময়,পরিশ্রম&nbsp; এবং বুদ্ধিপ্রয়োজন তাকে বাধা দেয় এই আসক্তির কুপ্রভাব।</p>



<p><strong>সিদ্ধান্তহীনতা</strong><strong>:</strong> এর জেরে অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।</p>



<p><strong>ভুলে</strong><strong> </strong><strong>যাওয়ার</strong><strong> </strong><strong>ব্যারাম</strong>:এর জন্য অনেক জরুরি কথা মনে পড়ছে না।</p>



<p><strong>স্মৃতিভ্রংশ</strong><strong> :</strong> পুরোনো কথা মনে পড়ছে না।</p>



<p><strong>মুড</strong><strong> </strong><strong>সুইং</strong><strong>:</strong> কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন অথবা বেশ আনন্দের সময়ে হঠাৎ অজানা আতঙ্কে শিউরে উঠছেন।&nbsp;</p>



<p><strong>১২টি</strong><strong> </strong><strong>উপায়ে</strong><strong> </strong><strong>ব্রেন</strong><strong> </strong><strong>রট</strong><strong> </strong><strong>সমস্যা</strong><strong> </strong><strong>সমাধান</strong><strong> :</strong></p>



<p><em>নিউপোর্ট ইনস্টিটিউটের মেন্টাল হেলথ Mental Health এক্সপার্ট অ্যাডভাইস</em></p>



<p><strong>১) সোশ্যাল মিডিয়া টাইম সেট </strong>:একদম কঠোরভাবে সারাদিনে কতক্ষণ কাজ ছাড়া স্ক্রিন টাইম সেটা  ঠিক করে নেওয়া।</p>



<p><strong>২)মননশীলতা :</strong> একটা সচেতন, সহনশীল মানসিকতা।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জীবনযুদ্ধ এবং বাড়ি ফিরে শান্ত,সচেতন মনোভাবের অভ্যাস।</p>



<p><strong>৩)প্রতিদিন এক্সারসাইজ:</strong> করতেই হবে।নিদেনপক্ষে ৩ কিলোমিটার হাঁটা আর ৩ লিটার জল খাওয়া।</p>



<p><strong>৪)বই পড়া</strong>: যদি এই অভ্যাস ছেড়ে দিয়ে থাকেন তাহলে আজ থেকে আবার শুরু করুন।</p>



<p><strong>৫)মাল্টিটাস্কিংয়ে লাগাম</strong> : হ্যাঁ।এটা এখনকার &#8216;মন্ত্র&#8217; হতে পারে কিন্তু নিয়মিত এই মাল্টিটাস্কিংয়ের চাপ কমাতে হবে।</p>



<p><strong>৬)ডিজিটাল ডিটক্স :</strong> দিনের কিছু সময়ে মোবাইল অথবা স্ক্রিন টাইম ছাড়া থাকা।ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষরা শুরু করে দিয়েছেন।</p>



<p><strong>৭)নতুন কিছুর অভ্যাস :</strong>যে বয়েসেই হোক নতুন কিছু অথবা ছোটবেলার ফেলে আসা খেলা ধুলো,গান বাজনা ,ছবি আঁকা আবার শুরু করা অথবা নতুন কিছু শখ যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্টস।</p>



<p><strong>৮)আড্ডা :</strong> হোয়াটস্যাপ,ফেসবুক চ্যাট নয়,নিখাদ আড্ডা,আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মেলামেশা।</p>



<p><strong>৯)প্রকৃতির কাছে </strong>:সকালে হাঁটার সময় অথবা দিনের,সপ্তাহে যতটা সময় পাবেন প্রকৃতির কাছে,গাছ গাছালি,উন্মুক্ত আকাশের নিচে থাকা।</p>



<p><strong>১০)সৃষ্টিশীল থাকা:</strong>যে ভাবেই হোক,দিনের কিঁছু সময় লেখালেখি করুন না ,হোক না হাবিজাবি অথবা ফেলে আসা সাহিত্যচর্চা।</p>



<p><strong>১১) ঘুম :</strong>পরিমিত ঘুম আবশ্যিক।রোজ অন্তত ৭ ঘন্টা।</p>



<p><strong>১২) পরিমিত ডায়েট: </strong>শুধু স্বাস্থ্যসর্বস্ব নয় ,পরিমিত খাবার বা ব্যালেন্সড ডায়েট।                           </p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/">ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:31:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[stress induced heart attack remedy]]></category>
		<category><![CDATA[stress relief]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7607</guid>

					<description><![CDATA[<p>অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট ,স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট কোচেদের পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/">স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস,ডিপ্রেশন,দুশ্চিন্তা ,আকস্মিক দুঃসংবাদ হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ বলে আমাদের সচকিত করে আসছেন।বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, দুঃখ,হতাশা,দুশ্চিন্তা,মানসিক চাপ,বিষণ্ণতা থেকে যে কোনো সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।এই সব দুঃখ,আঘাত,হতাশা শরীরে কিছু হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়,বিশেষ করে অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও কর্টিসল স্ট্রেস হরমোন দ্রুত রক্তে বেড়ে যায়,সঙ্গে বেড়ে যায় হার্টবিট আর প্রেশার।পেশিগুলো টানটান হয়।প্রতিরোধ করবে যে পেশিগুলো সেগুলো উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে।চারদিকের রক্ত মাংসপেশিতে চলে আসে এবং রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।ধমনীর দেওয়ালে চর্বি জমতে থাকে এতে রক্তচলাচল পথ শুরু হয়ে যায়,ধমনী শক্ত হয়ে &#8216;এথারোসক্লোরোসিস&#8217; হয়।দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ, বেদনা, স্ট্রেস,নেগেটিভ থিংকিং হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত চলাচল কমিয়ে প্রথমে অ্যানজাইনা ও পরে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এই কারণে শোক বিষণ্ণতা স্ট্রেস কী করে কমিয়ে হার্ট সুস্থ রাখতেই হবে তার মনোবিদ ও ডাক্তারি পরামর্শ:&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<ul>
<li>বছরে দু বার কমপ্লিট হেলথ চেক আপ করতে হবে।ব্লাড সুগার ফাস্টিং ১২০ এমজি আর পিপি ১৪০ এর কম রাখতে হবে।</li>
</ul>



<ul>
<li>নিয়মিত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করতেই হবে।হাঁটা,যোগ ব্যায়াম,ফ্রি হ্যান্ড।বিশেষত যাদের এক জায়গায় বসে কাজ করে যেতে হয় তাদের ১ /২ ঘন্টা পর উঠে হাঁটাহাঁটি করা,লিফ্ট ছাড়া অন্তত ২/৩ ফ্লোর&nbsp; সিঁড়ি ভেঙে ওঠা নামা করার অভ্যাস করতে হবে। যে কোনো শারীরিক কাজ স্ট্রেস রিলিভার এটা প্রমাণিত সত্য। &nbsp;&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>সঠিক ডায়েট খেতে হবে।নিয়মিত জাঙ্ক ফুড,অতিরিক্ত তেল মশলা,ফ্যাট,হাই ক্যালোরি খাবারে রাশ টানতে হবে।আজকের দিনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্ট্রেস এড়াতে ,মনকে ভালো রাখতে গিয়ে এই সব সুস্বাদু অথচ শরীরের পক্ষে খারাপ খাবারের প্রতি আসক্তি বেড়ে চলেছে।&#8217;এত মন খারাপ লাগছিলো যে মন ভালো করতে বিরিয়ানী আর চাঁপ খেয়ে নিলাম&#8217;,শোনা শোনা লাগছে কথাটা ? &nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>স্ট্রেস,হতাশা ,মন খারাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে সচেয়ে আগে কাউন্সিলিং এক্সপার্ট, থেরাপিস্টের কাছে যেতে হবে।রিসার্চে প্রমাণিত অধিকাংশ ক্ষেত্রে লোকে কি বলবে ,মনোবিদের কাছে যাওয়া মানে আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে,আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি এই সব ফালতু ভাবনা ছেড়ে সাইকোলোজিস্টের কাছে যেতে হবে।বহু ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে মানসিক অবসাদে গোড়ার দিকে চিকিৎসা হলে তা নিরাময় সহজে হয়।</li>
</ul>



<ul>
<li>ফোন আসক্তি এবং স্ক্রিন টাইম কমাতেই হবে।বিষণ্ণতার একটি বড় লক্ষণ একা থাকতে চাওয়া,বন্ধু বান্ধব,প্রিয়জনকে এড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে সময় কাটানো। পড়ছে। ইন্টারনেট অ্যাডিকশনে মস্তিষ্কের যে অংশে একজিকিউটিভ কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক,যাতে সক্রিয় চিন্তাভাবনা এবং যাকে ইংরেজিতে ‘গোল ডাইরেক্টেড বিহেভিয়ার’ বলা হয়&nbsp; তার কাজ কমিয়ে দেয় যা অত্যন্ত ভয়াবহ।এই গবেষকেরা আরো লক্ষ্য করেছেন যে এই অবস্থায় মস্তিকে একটা জটিল সক্রিয় নিষ্ক্রিয় অবস্থার সৃষ্টি করে যাকে পরিভাষায় ডিফল্ট নেটওয়ার্ক মোড আখ্যা দেওয়া হচ্ছে যেখানে মানুষের মন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা কাজে না জড়িয়ে মনকে অলস এবং উদ্দেশ্যহীন জড়তায় আচ্ছন্ন রাখতে।&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>মেডিটেশন। স্ট্রেস থেকে মুক্ত হতে ধ্যানের প্রয়োজনীয়তা অসীম,অব্যর্থ।দিনের যে কোনো সময় ,তবে সেটা দিন শুরু করার সময় হলে সবচেয়ে ভালো প্রথমে ৫মিনিট ও পরে ১০ থেকে ২০ মিনিট মেডিটেশন করুন।সবচেয়ে জরুরি এবং কঠিন ঐ সময় অন্য কিছু মনে না আনা।এটা একটা মনোসংযোগের অভ্যাস ,প্রথমে ১/২/৩ থেকে ৫ মিনিট, এভাবে ধীরে ধীরে বাড়াতে হয়।উওমেন&#8217;স মেডিটেশন নেটওয়ার্ক সাইটে ৮ রকমের পডকাস্ট আছে ,স্লিপ,হিলিং,ডেলি অ্যাফারমেশন,প্যানিক অ্যাটাক ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>ডেলি রুটিন।লেট নাইট ফোন আসক্তি কাটাতে হবে।নির্দিষ্ট সময় অন্তত ৭/৮ ঘন্টা ঘুম জরুরি যা নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে আর ডিসিপ্লিনের মধ্যে থাকলে তার সুফল পাবেন এটা গ্যারান্টি দেওয়া যায়।</li>
</ul>



<p>তথ্যসূত্র :ডাঃ শুভ্র বন্দোপাধ্যায় (MBBS,MD,MRCP –UK,FRCP –Lond,FACC) )ডাঃ শঙ্খশুভ্র দাস (MBBS,DTCD,MD,MRCP ),ডাঃ পিসি মন্ডল (MBBS,MD,MRCP-UK,MRCP-Glasgow,FACC-US),স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ফেলিপে মুনোজ।</p>



<p>*এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্যের জন্য যা কোনোভাবে ওষুধ আর চিকিৎসার বিকল্প নয়। অসুখ বা কোন উপসর্গ ,লক্ষণ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/">স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফোনের নেশায় মগজ ধোলাই</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/internet-and-mobile-addiction-effects-and-cure-advice/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/internet-and-mobile-addiction-effects-and-cure-advice/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Jun 2024 09:21:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[adolescence phone addiction]]></category>
		<category><![CDATA[internet addiction]]></category>
		<category><![CDATA[mobile addiction]]></category>
		<category><![CDATA[phone addiction]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7530</guid>

					<description><![CDATA[<p>লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজ এবং ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনের রিসার্চ স্টাডি।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/internet-and-mobile-addiction-effects-and-cure-advice/">ফোনের নেশায় মগজ ধোলাই</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতবর্ষের জনসংখ্যার ৭৪.৮% স্মার্টফোন ব্যবহার করেন এবং ফোন ও কম্পিউটার মিলিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮%। যোগাযোগ,কাজের অগ্রগতি, সুযোগ সুবিধা এবং আমাদের বর্তমান জীবনে ফোনের অপরিহার্যতার সঙ্গে এসেছে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের প্রতি ১ থেকে ৮০ বছর বয়েসীদের ভয়ঙ্কর আসক্তি।হীরক রাজার দেশের মস্তিস্ক প্রক্ষালক যন্ত্র যাকে মগজ ধোলাই বলা হয়েছিল ঠিক তেমন এই মোবাইল ,কম্পিউটার ইন্টারনেট আসক্তি ব্রেন অল্টারিং এফেক্টস বাচ্চা থেকে বুড়ো সব প্রজন্মকে কী ভাবে মহামারীতে আক্রান্ত করে চলেছে তাই নিয়ে সারা বিশ্বে গবেষণা ,চর্চা চলছে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>এই মোবাইল অ্যাডিকশনে সবচেয়ে আচ্ছন্ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত আজকের কিশোর কিশোরী।লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ পূর্ব এশিয়ার ২৩৭ জন কিশোর কিশোরীদের ওপর প্রায় ৫বছর ধরে&nbsp; ব্রেন ইমেজিং স্টাডি রিসার্চ রিভিউ করে প্রমান করেছেন <strong>ইন্টারনেট অ্যাডিকশনে কিশোর কিশোরীদের ব্রেনে মাল্টিপল নিউরাল নেটওয়ার্কস আক্রান্ত হচ্ছে।এতে কিছু নেটওয়ার্ক সক্রিয় আর কিছু নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। ইন্টারনেট অ্যাডিকশনে মস্তিষ্কের যে অংশে একজিকিউটিভ কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক,যাতে সক্রিয় চিন্তাভাবনা এবং যাকে ইংরেজিতে ‘গোল ডাইরেক্টেড বিহেভিয়ার’ বলা হয়&nbsp; তার কাজ কমিয়ে দেয় যা অত্যন্ত ভয়াবহ।</strong>এই গবেষকেরা আরো লক্ষ্য করেছেন যে এই অবস্থায় মস্তিকে একটা জটিল সক্রিয় নিষ্ক্রিয় অবস্থার সৃষ্টি করে যাকে পরিভাষায় ডিফল্ট নেটওয়ার্ক মোড আখ্যা দেওয়া হচ্ছে যেখানে মানুষের মন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা কাজে না জড়িয়ে মনকে অলস এবং উদ্দেশ্যহীন জড়তায় আচ্ছন্ন রাখতে।</p>



<p><strong>রিসার্চে দেখা গেছে এই&nbsp; ইন্টারনেট অ্যাডিকশনের অল্টারড নিউরাল অ্যাক্টিভিটির কারণে কিশোর কিশোরীরা নেতিবাচক আচরণ করছে যাতে এদের জীবন যাপনে ক্ষতি হচ্ছে।</strong></p>



<p>এতে নিজেদের চারপাশের লোকেদের ,বাবা,মা ,বন্ধু,বান্ধব ,আত্মীয় স্বজন সবার সঙ্গে সম্পর্কে ক্ষতি হচ্ছে ,স্বাভাবিক থাকছে না।এছাড়া শারীরিক ক্ষতি অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে যা মারাত্মক।বিশেষত কিশোর এবং যুবাবয়েসে শারীরিক বদলের প্রক্রিয়ায় আঘাত করছে এই আসক্তি।<strong>২০২১ সালের একটি রিসার্চ স্টাডিতে দেখা গেছে&nbsp; ভারতের ১৯টি প্রদেশের ৫০টি যুবার ২০ -৪০ শতাংশ ইন্টারনেট&nbsp; অ্যাডিকশনে আক্রান্ত।</strong></p>



<p>ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে একটি রিসার্চে দেখা যাচ্ছে&nbsp; দিল্লির ২৬৪ জন ১০- ১৯ বছরের নিম্নবিত্ত কিশোর কিশোরীদের ইন্টারনেট অ্যাডিকশন ৩৩% এর বেশি।ছেলেদের ৩৩.৬% এবং মেয়েদের ৩২.৩%।<strong>আশঙ্কার কথা ছেলেদের একটি বড় অংশ অনলাইন গেমস যার মধ্যে খেলা সংক্রান্ত বেটিং আছে তাতে গভীর মনোযোগী।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</strong></p>



<p>বেশি দূর যেতে হবে না।<strong>আমাদের চারপাশ লক্ষ্য করলে দেখবেন দুধের শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ফোন দেখিয়ে ,কাজ থেকে বাড়ি ফিরে বাবা মা আর স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ছেলে মেয়ে সবাই মোবাইল ফোনে আচ্ছন্ন।একই বাড়িতে তিন চারজন গভীর মনোযোগে এমনকি এক ঘরে থেকেও মোবাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা আচ্ছন্ন হয়ে আছে এই দৃশ্য বিরল নয়।</strong></p>



<p><strong>এর প্রতিকারে এখন অনেক স্কুলে তো বটেই ,অনেক বাড়িতে মোবাইল টাইম রেস্ট্রিক্ট করা হচ্ছে,খাবার টেবিলে মোবাইল ফোন নিয়ে বসা বারণ হচ্ছে কিন্তু সেটা শুরু করছেন বাবা মায়েরা নিজে।</strong>সেই ছবিটির কথা মনে পড়ে যেখানে একটি মেট্রোতে চার পাঁচজন মা এবং তাদের ছেলে মেয়ে,তাদের মধ্যে একজন মা ও তার ছেলে বই পড়ছে আর বাকি মায়েরা আর তাদের ছেলে মেয়েরা মোবাইল আচ্ছন্ন,তাদের মধ্যে একজনের মা ওই বই পড়া মাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন কী করে বাচ্চাকে এত ভালো স্বভাবের তৈরি করলেন ?মায়ের উত্তর ছিল <strong>বাচ্চারা শুনে নয় দেখে শেখে।</strong></p>



<p><strong>আপনার ছেলেমেয়েদের মোবাইল ও ইন্টারনেট অ্যাডিকশন কমাতে হলে আপনি আচরি ধর্ম পালন করতে হবে।</strong></p>



<p>হ্যাঁ এই প্রতিবেদনটিও আপনি মোবাইল ফোনে &nbsp;&nbsp;অথবা&nbsp; কম্পিউটারে পড়ছেন যা আজকের এই ভয়ানক খারাপ প্রভাবের সম্পর্কে সচকিত করছে ।&nbsp;&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/internet-and-mobile-addiction-effects-and-cure-advice/">ফোনের নেশায় মগজ ধোলাই</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/internet-and-mobile-addiction-effects-and-cure-advice/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এসে গেছে অ্যামেরিকায় তৈরি স্টেরয়েড ফ্রি স্কিন কেয়ার ক্রিম</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/steroid-free-anti-eczema-nistu-heal-medicated-skin-cream/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/steroid-free-anti-eczema-nistu-heal-medicated-skin-cream/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Jun 2024 11:16:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[eczema care]]></category>
		<category><![CDATA[eczema treatment]]></category>
		<category><![CDATA[medicated cream]]></category>
		<category><![CDATA[nistu heal]]></category>
		<category><![CDATA[skin care]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7467</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রচুর মানুষ প্রচুর মানুষ নিসটু হিল ক্রিম ব্যবহার করে উপকার পেয়েছেন।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/steroid-free-anti-eczema-nistu-heal-medicated-skin-cream/">এসে গেছে অ্যামেরিকায় তৈরি স্টেরয়েড ফ্রি স্কিন কেয়ার ক্রিম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্কিন কেয়ারে যুগান্তকারী, অ্যামেরিকায় তৈরি স্টেরয়েড ফ্রি স্কিন কেয়ার ক্রিম নিস্টু হিল এখন এখানে সুলভে পাওয়া যাচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই স্কিন কেয়ার স্পেশালিস্ট,ডার্মাটোলজিস্টরা নিয়মিত তাদের প্রেসক্রিপশনে এই ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।</p>



<p>চর্মরোগ বিশেষত একজিমা আর অন্যান্য সংক্রামক রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে।বাচ্চাদের মধ্যেও চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।WHO (ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ) এর সমীক্ষায় গ্রীষ্মপ্রধান দেশে অবহেলিত ,অর্থাৎ শুরুতেই রোগ সনাক্ত না করা এবং পরে গভীর অসুখে পরিণত হওয়া রুখতে স্কুল ,কলেজ এবং অভিভাবকদের বিশেষ সতর্কতা ও নিয়মিত চেক আপের ওপর নজর রাখতে বলা হচ্ছে।</p>



<p>একজিমা আর চর্মরোগের অব্যর্থ দাওয়াই এই নিসটু হিলের বৈশিষ্ট্য ,অ্যামেরিকায় তৈরি একমাত্র&nbsp; স্টেরয়েড ফ্রি ক্রিম যা প্রখ্যাত ডার্মাটোলজিস্টস ,মেডিসিনাল কেমিস্টস দ্বারা বায়োকেমিক ফর্মুলেশনে তৈরি এবং&nbsp; আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী চিকিৎসাগত প্রয়োগে দারুণ কার্যকরী (clinically proven to be effective) রূপে প্রমাণিত ।১১টি বায়ো অ্যাকটিভ ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্টস দিয়ে তৈরি,স্টেরয়েড ফ্রি এবং নন ইমিউনো সাপ্রেস্যান্ট।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-1024x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-7468" style="aspect-ratio:1;width:456px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-1024x1024.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-300x300.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-150x150.jpeg 150w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-768x768.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1-50x50.jpeg 50w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/06/WhatsApp-Image-2024-02-13-at-8.07.38-PM-1.jpeg 1280w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>প্রধানত অ্যাটপিক ডার্মাটাইটিস একজিমা,ইনফ্লেমেশন, সোরাইসিস ,ছোটোখাটো পুড়ে যাওয়া,জ্বালা এবং সার্জিকাল আলসারেটিভ&nbsp; কাটা ছেঁড়াতেও দারুণ কার্যকরী এই নিসটু হিল ক্রিম ।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>প্রবাদে আছে &#8216;বৃক্ষ তোমার নাম কি ?ফলেন পরিচয়তে।&#8217; ইতিমধ্যেই নিস্টু হিল ক্রিমের উপকারিতায় উচ্ছসিত অমলাভ দত্ত জানাচ্ছেন ,&#8217;বেশ কিছুকাল আমি একজিমায় আক্রান্ত এবং সম্প্রতি নিসটু হিল ক্রিমের আশ্চর্য গুণে অনেক ভালো আছি।এতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি এক্সিক্যাট থাকায় ব্যবহারে আরাম পাওয়া যায়।এছাড়া পোস্ট অপারেটিভ হিলিং প্রসেসে নিসটু হিল খুব কার্যকরী যার প্রমাণ পেয়েছি।&#8217; এমন প্রচুর মানুষ নিসটু হিল ক্রিম ব্যবহার করে উপকার পেয়েছেন এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা প্রেস্ক্রাইব করছেন।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>অনলাইনে কিনতে আর ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন।</p>



<p>ওয়েবসাইট –  <a href="https://www.nistuheal.com/home/" target="_blank" rel="noopener" title="">https://www.nistuheal.com/home/</a></p>



<p>অ্যামাজন – <a href="https://www.amazon.in/NistuHeal-Medicated-Inflammation-Irritation-Adults-29G/dp/B0CGXQ7GCG/ref=sr_1_1?crid=3H5YBKBQXT7SP&amp;dib=eyJ2IjoiMSJ9.7Yad9H_KrCcDz0wwBBDZ8Rk8iNrxGSVQ0aMPiqZ_tdA.L1L9eJlOOMLKvBoCRknNtRK7cWJ8NImNihQREN8NH5A&amp;dib_tag=se&amp;keywords=nistu+heal&amp;qid=1717660780&amp;sprefix=nistu+he%2Caps%2C501&amp;sr=8-1">https://www.amazon.in/NistuHeal-Medicated-Inflammation-Irritation-Adults-29G/dp/B0CGXQ7GCG/ref=sr_1_1?crid=3H5YBKBQXT7SP&amp;dib=eyJ2IjoiMSJ9.7Yad9H_KrCcDz0wwBBDZ8Rk8iNrxGSVQ0aMPiqZ_tdA.L1L9eJlOOMLKvBoCRknNtRK7cWJ8NImNihQREN8NH5A&amp;dib_tag=se&amp;keywords=nistu+heal&amp;qid=1717660780&amp;sprefix=nistu+he%2Caps%2C501&amp;sr=8-1</a></p>



<p>টাটা ওয়ান এম জি &#8211; <a href="https://www.1mg.com/otc/nistuheal-medicated-skin-cream-otc909751" target="_blank" rel="noopener" title="">https://www.1mg.com/otc/nistuheal-medicated-skin-cream-otc909751</a></p>



<p></p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/steroid-free-anti-eczema-nistu-heal-medicated-skin-cream/">এসে গেছে অ্যামেরিকায় তৈরি স্টেরয়েড ফ্রি স্কিন কেয়ার ক্রিম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/steroid-free-anti-eczema-nistu-heal-medicated-skin-cream/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
