<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Sanskriti Sambad -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/category/bongodarpan/sanskriti-sambad/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 11 Feb 2026 14:11:29 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>Sanskriti Sambad -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>দ্য হিন্দু লিট ফর লাইফ সেশন  </title>
		<link>https://sukanyadigital.com/the-hindu-lit-for-life-session-janice-pariat/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/the-hindu-lit-for-life-session-janice-pariat/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 14:11:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[hindu lit for life]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=10223</guid>

					<description><![CDATA[<p>আপন হওয়া ও বিচ্ছিন্নতার মাঝখানে চরিত্ররা কীভাবে পথ খুঁজে নেয়...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/the-hindu-lit-for-life-session-janice-pariat/">দ্য হিন্দু লিট ফর লাইফ সেশন  </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাহিত্য মানেই কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা নয়, বরং সেখানে বসবাসকারী মানুষের ঐতিহ্যগত জীবনযাপনের স্বাধীনতা এবং তাদের জীবনকে নির্দিষ্ট খাঁচায় বন্দি করে শ্রেণিবদ্ধ ও লেবেল লাগানোর প্রচেষ্টার মধ্যেকার দ্বন্দ্বকেও স্বীকার করা—এ কথা বললেন লেখিকা ও কবি জ্যানিস পারিয়াট। রবিবার (১৮ জানুয়ারি, ২০২৬) হিন্দু লিট ফর লাইফ-এর একটি অধিবেশনে তিনি বলেন, গোটা অঞ্চল জুড়ে মৌখিক গল্পকথার শক্তিশালী ও সূক্ষ্ম পরম্পরা রয়েছে, যেখানে নিহিত আছে আদিবাসী জ্ঞান ও আদিবাসী বিজ্ঞান। অথচ এগুলিকে প্রায়শই লোককথা বলে অবহেলা করা হয়, যা আসলে সংরক্ষণ ও লালনের প্রয়োজন।</p>



<p>প্রকাশক আইয়েনলা ওজুকুমের প্রশ্নের উত্তরে, নিজের উপন্যাস ‘এভরিথিং দ্য লাইফ টাচেস’এ ঘর ও নির্বাসন, আপন হওয়া ও বিচ্ছিন্নতার মাঝখানে চরিত্ররা কীভাবে পথ খুঁজে নেয় সে প্রসঙ্গে পারিয়াট ব্যাখ্যা করেন, তাঁর চরিত্ররা মূলত পৃথিবীকে দেখার বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা পরিচালিত। তিনি বলেন, “এই বইটি মূলত কিছু প্রশ্ন থেকে জন্ম নিয়েছে ‘কে পৃথিবীর নামকরণ করার অধিকার পায়’, ‘কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিকে সার্বজনীন বলে চাপিয়ে দেয় এবং অন্য সব দৃষ্টিভঙ্গিকে কুসংস্কার, লোককথা বা নীরবতা বলে দাগিয়ে দেয়?’” ‘ইনসাইডার আউটসাইডার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।</p>



<p>পারিয়াট আরও জানান, উপনিবেশবাদের ফলে ঐতিহ্যগত জীবনধারা প্রায় মুছে যাওয়ার পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ব্যাপক জ্ঞানগত সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতে আদিবাসী দৃষ্টিভঙ্গির জায়গায় বসানো হয়েছে বাইবেলভিত্তিক বিশ্বদর্শন। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট, তাঁর মতে, উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের কাছে ছিল মূলত ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস এবং বহু দিক থেকে “ভারতীয় রাষ্ট্রের দ্বারা আমাদের ভূমির পুনরায় উপনিবেশীকরণ।” ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক আর্কাইভের বিশাল অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা হয়েছে, যেগুলি ফিরিয়ে আনার সহজ বা স্পষ্ট পথ নেই। যদিও অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে সীমাবদ্ধ, তবুও তা জীবন্ত, জটিল ও প্রাণবন্ত শুধুমাত্র এই কারণেই যে তা অন্যান্য স্থান, ইতিহাস, মানুষ ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে।</p>



<p>গ্রামজীবনের বৈপরীত্য</p>



<p>নিজের ছোটগল্প সংকলন দ্যা লাস্ট ফ্রি নাগা বইতে নাগা জীবনের অন্তরঙ্গতা ও ইতিহাস-রাজনীতির বাইরের চাপের সংঘাত নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে লেখক জিম কাসোম বলেন, তাঁর গল্পগুলির মূল বিষয় নাগা জীবনধারা অনুসরণের স্বাধীনতা—যাকে অনেকেই ভুল করে নাগা সার্বভৌমত্বের দাবি ও রাজনৈতিক সংগ্রাম হিসেবে দেখেন। আধুনিকীকরণের ফলে পরিচয়ের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে, কিন্তু তাঁর চরিত্ররা সেই পরিচয়ের প্রয়োজনীয়তাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।এই বইতে ধরা পড়েছে গ্রামজীবনের এক অদ্ভুত বৈপরীত্য—একদিকে রোমান্টিক, শান্ত ও স্নিগ্ধ গ্রামজীবন, আর অন্যদিকে আফস্পা (আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্ট) এবং সেনাবাহিনীর অত্যাচারের অন্ধকার ছায়া, যার মধ্যে বড় হয়ে উঠেছে অনেক প্রজন্ম।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/the-hindu-lit-for-life-session-janice-pariat/">দ্য হিন্দু লিট ফর লাইফ সেশন  </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/the-hindu-lit-for-life-session-janice-pariat/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিদ্যাভবন শঙ্কর নারায়ণ</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/bharatiya-vidya-bhaban-shankara-narayana-dance-programme/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/bharatiya-vidya-bhaban-shankara-narayana-dance-programme/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 12 Dec 2025 07:15:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Bharatiya Vidya Bhaban]]></category>
		<category><![CDATA[Rashmi Bandopadhyay]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9848</guid>

					<description><![CDATA[<p>নৃত্যনির্দেশক রশ্মী বন্দ্যোপাধ্যায় শিব ও বিষ্ণুর শাশ্বত ও অন্তরঙ্গ বন্ধনকে সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/bharatiya-vidya-bhaban-shankara-narayana-dance-programme/">বিদ্যাভবন শঙ্কর নারায়ণ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ভারতীয় বিদ্যা ভবন এবং রশ্মী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারত নৃত্য স্কুল অফ ডান্স এর উদ্যোগে গত ৬ই ডিসেম্বর সল্টলেক ইজেডসিসি  তে &#8216;শঙ্কর নারায়ণ&#8217; নামাঙ্কিত একটি নৃত্যনাট্য ভরতনাট্যের উপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত হয়। সমগ্র কাহিনীটি বিষ্ণু ও শিবের আধ্যাত্মিক বন্ধুত্বকে  কেন্দ্র করে সঙ্গীত ও নৃত্যের একটি সুনিপুণ বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে।এই দুই দেবতা সাধারণত মহাবিশ্বের বিপরীত গতিবিধির সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের ভক্তরাও ভিন্ন সম্প্রদায়ের হন ও একে অপরকে নিজেদের শত্রু মনে করেন। &#8216;শঙ্কর নারায়ণ&#8217;-এ, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যনির্দেশক রশ্মী বন্দ্যোপাধ্যায় শিব ও বিষ্ণুর শাশ্বত ও অন্তরঙ্গ বন্ধনকে সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন, যেখানে শিব ও বিষ্ণু উভয়ই  একে অপরের দর্শনের জন্য আকুল।একের অপরের প্রতি নিখুঁত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া  প্রতি নিখুঁত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার বন্ধন বিভিন্ন গল্পের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছিল যা &#8216;হরিহর আত্মার&#8217; একাত্মতাকেই চিত্রিত করে। দ্রুত গতিশীল নিখুঁত নৃত্য পরিবেশনা উচ্চ মার্গের ও  প্রশংসনীয় এবং দর্শকদের শেষ পর্যন্ত মুগ্ধ ও আপ্লুত করে রেখেছিল।সতীদাহের পর শিবের তাণ্ডব হোক বা তিন মিনিটের মধ্যে রামায়ণ বা রাসলীলা, গল্পগুলি সহজেই দর্শকদের মন জয় করেছে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="449" height="615" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/shankara-narayana-this-pic.png" alt="" class="wp-image-9853" style="aspect-ratio:0.7300813008130081;width:518px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/shankara-narayana-this-pic.png 449w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/shankara-narayana-this-pic-219x300.png 219w" sizes="(max-width: 449px) 100vw, 449px" /></figure>



<p>ইন্দ্রনীল রায়ের সঙ্গীত বিন্যাসে রশ্মীর পিতা স্বর্গীয় শ্রী তরুণ গাঙ্গুলির একটি রচনা এবং রশ্মীর গুরু পদ্মবিভূষণ ডঃ পদ্মা সুব্রহ্মণ্যমের কোরিওগ্রাফ করা একটি ঐতিহ্যবাহী ভজন এই নৃত্যনাট্যে ব্যবহার করা হয়েছে।শিব ও বিষ্ণুর বৈপরীত্যপূর্ণ অথচ পরিপূরক ব্যক্তিত্ব, নববিবাহিত হিসাবে পার্বতীর কষ্ট এবং কৃষ্ণের ও গোপীনীদের লীলা নাট্যশাস্ত্র,বিশেষত শাস্ত্রীয় নৃত্যের ভূমি ও আকাশ চারির মাধ্যমে অতি সুন্দরভাবে পরিবেশিত হয়েছে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="683" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-3-1024x683.jpeg" alt="" class="wp-image-9854" style="aspect-ratio:1.499267935578331;width:520px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-3-1024x683.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-3-300x200.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-3-768x512.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-3.jpeg 1512w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>রশ্মী বন্ধ্যোপাধ্যায় অতীব সুন্দর অভিব্যক্তি ও নৃত্যশৈলীতে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন।পঞ্চদশী কিশোরী বিজয়শ্রী শাস্ত্রী, তার সুনিপুণ নৃত্য পরিবেশনায় সহজেই নজর কেড়েছেন, রশ্মীর এই শিষ্যা মাত্র তিন বছর বয়স থেকে গুরুর কাছে তালিম নিতে শুরু করেছেন।প্রতিটি শিল্পীই অত্যন্ত গুনী ও নৃত্যশৈলীতে নিপুণ।কিশোরী বিজয়শ্রী শাস্ত্রীর সুন্দর, সাবলীল,সপ্রতিভ নৃত্যশৈলী এবং অভিব্যক্তি।আজকের প্রজন্মের কিশোর কিশোরী ভারতীয় সুমহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আর সেই নৃত্যশিল্পকে প্রতিভা বিকাশের মাধ্যম করে চলেছে তা সংস্কৃতিপ্রেমী সকলের কাছে আশ্বাসের এবং তৃপ্তির।আশা করা যায় যে বিজয়শ্রী এবং তার মতো এই নতুন প্রজন্ম এই চর্চা জারি রাখবে এবং ভবিষ্যতে নৃত্যশিল্পী রূপে প্রতিষ্ঠা এবং সুখ্যাতি অর্জন করবে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="664" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-2-1024x664.jpeg" alt="" class="wp-image-9855" style="aspect-ratio:1.5421686746987953;width:533px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-2-1024x664.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-2-300x195.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-2-768x498.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/12/mimi-meye-2.jpeg 1501w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>শঙ্কর নারায়ণ&#8217; নৃত্যনাট্যে শাস্ত্রীয় নৃত্য ও পৌরাণিক&nbsp; কিংবদন্তি উভয়ই একটি নতুন এবং সতেজ মৌলিক আকারে উপস্থাপিত হয়েছিল।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/bharatiya-vidya-bhaban-shankara-narayana-dance-programme/">বিদ্যাভবন শঙ্কর নারায়ণ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/bharatiya-vidya-bhaban-shankara-narayana-dance-programme/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৫ নবীন সরকার লেন মিউজিক কনফারেন্স</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/nadam-25-music-conference/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/nadam-25-music-conference/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 07:04:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9747</guid>

					<description><![CDATA[<p>অপ্রতিম,অনুপম, সঙ্গীত সন্মেলন।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/nadam-25-music-conference/">৫ নবীন সরকার লেন মিউজিক কনফারেন্স</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p class="has-text-align-center"><strong>নাদম ২০২৫</strong></p>



<p>সুমন্ত্র মিত্র</p>



<p>গত ৮ এবং ৯ নভেম্বরে নাদম সঙ্গীত সংস্থার আয়োজনে দু&#8217;দিন ব্যাপী এক মনোজ্ঞ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠিত হলো মোহিত মৈত্র মঞ্চে।নবীন প্রবীণ, শিল্পীদের অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশনে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করা।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="768" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM-768x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-9749" style="aspect-ratio:0.75;width:514px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM-768x1024.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM-225x300.jpeg 225w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM-1152x1536.jpeg 1152w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM-1024x1365.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.45.51-AM.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 768px) 100vw, 768px" /></figure>



<p>রাজেন্দ্র গঙ্গনি, ড: প্রবীণ গারওকর, বিদুষী পিউ মুখার্জীর মতো শিল্পীরা যেমন ছিলেন ঠিক তেমনই শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে শুনলেন নবীন শিল্পীদের পরিবেশন। শুভদীপ সিনহা (সেতার), পারমিতা চক্রবর্তী (কণ্ঠ), মনিত পাল ও অঙ্কিতা সরকার (দ্বৈত সেতার সরোদ) এবং অবশ্যই বেশ কিছু কনিষ্ট বালকদের তবলা বাদন জয় করেছে শ্রোতাদের মন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-13-at-10.28.52-AM-1024x768.jpeg" alt="" class="wp-image-9752" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:517px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-13-at-10.28.52-AM-1024x768.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-13-at-10.28.52-AM-300x225.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-13-at-10.28.52-AM-768x576.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-13-at-10.28.52-AM.jpeg 1472w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>দু&#8217;দিনের শিল্পীরা:পন্ডিত সময় সাহা,পণ্ডিত রাজেন্দ্র গঙ্গানি, পন্ডিত ফতেহ সিং গঙ্গানি পন্ডিত সুদীপ চ্যাটার্জি,পন্ডিত জ্যোতি গোহ,হিরন্ময় মিত্র,শ্রীমতি পিউ মুখার্জি,পারমিতা চক্রবর্তী,পণ্ডিত প্রবীণ গাওঁকার, নীতিশ পুরোহিত,অঙ্কিতা সরকার,মনিত পাল,শুভদীপ সিনহা,গৌরব চক্রবর্তী,সজল দাস,কুনাল পাতিল,পন্ডিত বদ্রি নারায়ণ,পরমশিভম ঘোষ,প্রশান্ত দে রায়,কিশোর কোর্দে,অরুনাভ মুখার্জি,কৌশিক দাস,রূপক মিত্র,অর্কদীপ দাস,শঙ্কর বাইন,উমেশ মিশ্র,শুভাশিস ভট্টাচার্য,শুভ্রনীল ঘোষ,রোহেন বোস,পন্ডিত দেবজ্যোতি বোস এবং একমেবাদ্বিতীয়ম পন্ডিত কুমার বোস (পড়ুন বস)।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="736" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.59.15-AM-1024x736.jpeg" alt="" class="wp-image-9753" style="aspect-ratio:1.391304347826087;width:522px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.59.15-AM-1024x736.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.59.15-AM-300x215.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.59.15-AM-768x552.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.59.15-AM.jpeg 1530w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>ত্রিবেণী,মিশ্র কাফি,দেশ ও দূর্গা রাগে এক অতুলনীয় কণ্ঠ ও বাদ্যযন্ত্রের মিলন পণ্ডিত দেবজ্যোতি বোস এর পরিচালনায় ১৬ জন নবীন শিল্পীদের নিয়ে উপস্থাপনা করলেন।শ্রীমতি পিউ মুখাৰ্জীর মধুমন্তী রাগে খেয়াল, দ্রুত,খামাজ,এবং পরে বিদুষী শিপ্রা বোসকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে রাগপ্রধান বাংলা,সঙ্গে যোগ্য মধুর সঙ্গতে বোস প্রজন্মের তৃতীয় তবলিয়া রোহেন বোস, পন্ডিত রাজেন্দ্র গঙ্গানীর সঙ্গে ফতেহ সিং গঙ্গানী আর মন্ত্রমুদ্ধ সঙ্গতে পন্ডিত কুমার বোস এই দু&#8217;দিনে পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে অপূর্ব অপ্রতিম শ্রুতিমধুর সঙ্গীতে শ্রোতাদের আবিষ্ট করে রাখলেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="877" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.42.33-AM-1024x877.jpeg" alt="" class="wp-image-9755" style="aspect-ratio:1.1676168757126568;width:514px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.42.33-AM-1024x877.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.42.33-AM-300x257.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.42.33-AM-768x658.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.42.33-AM.jpeg 1080w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>এই দু&#8217;দিনের অপ্রতিম সঙ্গীত সন্ধ্যার দুটি বিষয়ে আলো ফেলার চেষ্টা করছি।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="989" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM-989x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-9760" style="aspect-ratio:0.9658203125;width:516px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM-989x1024.jpeg 989w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM-290x300.jpeg 290w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM-768x795.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM-1024x1060.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-15-at-11.44.44-AM.jpeg 1080w" sizes="(max-width: 989px) 100vw, 989px" /></figure>



<p>প্রথম অনামী কনিষ্ঠ শিল্পীদের পরিবেশন।যে কোনও শিক্ষার্থী গান বাজনা,বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মতো কঠিন অনুশীলন এবং চর্চার উদ্দীপনা পায় এই ধরণের মঞ্চে যেখানে লব্ধপ্রতিষ্ঠিত বিশ্ববরেণ্য শিল্পীদের সঙ্গে এক মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করছে সেই উৎসাহ,রোমাঞ্চ এবং বিচ্যুতির ভয়,আর সেখানে প্রাণবন্ত উচ্ছাস আর করতালি তার আত্মপ্রত্যয়কে সুদৃঢ় করে যে সে পরে আরো বড় সাফল্য পাবে যাতে এই অনুষ্ঠানের সহর্ষ করতালিতে সে নির্জনে ,নিরালায় আরও নিবিড় চর্চা করার উৎসাহ পায়।এক্ষেত্রে এই দু&#8217;দিনে যে নবীন শিক্ষার্থীরা মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করলো তারা অনেক আত্মপ্রত্যয়,শ্রোতাদের প্রশংসা পেল এর জন্য বিশেষত নাদম সঙ্গীত সংস্থা এবং এমন আরও সমমানের সঙ্গীত প্রতিষ্ঠানের অবদান ও ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং অনস্বীকার্য।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="745" height="531" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/monit-nadam.png" alt="" class="wp-image-9761" style="aspect-ratio:1.4030131826741996;width:537px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/monit-nadam.png 745w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/monit-nadam-300x214.png 300w" sizes="(max-width: 745px) 100vw, 745px" /></figure>



<p>দ্বিতীয়ত এই দু&#8217;দিনে তৈরি হওয়া বেশ কিছু জাদুকরী মুহূর্ত ভাষায় যার ব্যাখ্যা দেওয়া অত্যন্ত দুরূহ।একজন শিল্পী অন্য শহর থেকে এসে আর একজন শিল্পীর সঙ্গে আশ্চর্য সুমধুর সঙ্গীত পরিবেশন করছেন কোনও রিহার্সাল ছাড়া,কিন্তু মঞ্চে বার বার তৈরি হচ্ছে সেই মুহূর্তের ভগ্নাংশে সম এর মেলবন্ধন যার দ্রুততা নিশ্বাস বন্ধ করার মতো ,কিন্তু মিলতেই ছোঁয়া যাচ্ছে সঙ্গীতের&nbsp; ও সঙ্গতের মেলবন্ধনের স্বর্গ।তাঁদের সার্থক শ্রুতিমধুর সঙ্গীত পরিবেশনে শ্রোতাদের মনে হচ্ছে এনারা বহুকাল একসঙ্গে গান বাজনা করেছেন কিন্তু আসলে সেটা না হয়েও মুহূর্তের ভগ্নাংশে অবিশ্বাস্য গতিতে দু&#8217;জন সম এ পৌঁছচ্ছেন এক লহমায়, এই আশ্চর্য মুহূর্ত ম্যাজিক ছাড়া আর কি হতে পারে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="993" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-993x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-9762" style="aspect-ratio:0.9697265625;width:522px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-993x1024.jpeg 993w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-291x300.jpeg 291w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-768x792.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-1490x1536.jpeg 1490w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra-1024x1056.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/kumudada-rajendra.jpeg 1552w" sizes="(max-width: 993px) 100vw, 993px" /></figure>



<p>দু&#8217;দিনের এই নাদম সঙ্গীত সম্মেলনের নেপথ্যে আছেন প্রচুর নীরব নিষ্ঠাবান ছাত্রকর্মী,সংস্থার সম্পাদক তুষার ঘোষ,এদের সার্থক এতবড়ো দুদিনের পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠানের বিপুল সাফল্যের জন্য অজস্র অভিনন্দন।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="734" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM-734x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-9764" style="aspect-ratio:0.716796875;width:518px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM-734x1024.jpeg 734w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM-215x300.jpeg 215w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM-768x1072.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM-1024x1429.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/WhatsApp-Image-2025-11-14-at-12.13.27-PM.jpeg 1080w" sizes="(max-width: 734px) 100vw, 734px" /></figure>



<p>পরিশেষে যাদের কৌতূহল নাদম সঙ্গীত সম্মেলনের প্রতিবেদনের হেডলাইন ৫ নবীন সরকার লেন কেন ,তাদের জানাই বাগবাজারের এই বাড়িতেই পন্ডিত বিশ্বনাথ বোস,বিদুষী ভারতী বোস .তাঁদের সোনার টুকরো বিশ্বখ্যাত পন্ডিত কুমার বোস.আচার্য্য জয়ন্ত বোস,পন্ডিত দেবজ্যোতি বোস,বিদুষী কাবেরী বোস, রোহেন বোস,সন্ত গৌরাঙ্গী বৈষ্ণবী,মাহিরী বোস দের আদি বসতবাড়ি এইটি।এই বাড়ি সংরক্ষণ করা উচিত।</p>



<p>আসছে বছর,আবার হবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/nadam-25-music-conference/">৫ নবীন সরকার লেন মিউজিক কনফারেন্স</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/nadam-25-music-conference/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/31st-kiff-film-festival/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/31st-kiff-film-festival/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 07:13:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[kiff]]></category>
		<category><![CDATA[kolkata film festival]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9645</guid>

					<description><![CDATA[<p>“সিনেমা বিয়ন্ড বর্ডারস "</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/31st-kiff-film-festival/">৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, এটি সময়ের প্রতিফলন—মানবজীবনের রঙ, সমাজের স্পন্দন ও ভাবনার বিস্তার। সেই ভাবনাকেই প্রতিবার নতুনভাবে মঞ্চ দেয় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব বা KIFF (Kolkata International Film Festival)। এ বছর উৎসবের ৩১তম বর্ষপূর্তি, আয়োজন ৬ থেকে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত, গোটা শহরজুড়ে এক সপ্তাহের সিনেমার উৎসব।</p>



<p>এই উৎসবের আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর।</p>



<p>এবারের থিম দেশ পোল্যান্ড। ইউরোপীয় সিনেমার এই পর্বে থাকছে পোল্যান্ডের সমকালীন ও ক্লাসিক চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী। পাশাপাশি থাকছে কিংবদন্তি পরিচালক আন্দ্রেজ ওয়াজদা ও ক্রিস্টোফ কিশলোভস্কির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। ইউরোপীয় গল্পের পাশাপাশি ভারত-পোল্যান্ড সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি ছোট প্রদর্শনীও থাকবে। এই সংযোগ একদিকে যেমন সংস্কৃতির সেতুবন্ধন তৈরি করছে, অন্যদিকে নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেত্রীদের কাজকেও আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরছে।</p>



<p>এবারের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে উল্লেখযোগ্য অন্তর্ভুক্তি প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য্যের&#8217;নধরের ভেলা&#8217;।</p>



<p>বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে চালু হয়েছে নতুন প্রতিযোগিতামূলক বিভাগ “বেঙ্গলি প্যানোরামা ”যেখানে দেখানো হবে চন্দ্রাশিস রায়ের পরিচালনায় ,&#8217;পড়শী&#8217;,রাজা ও দেবজিৎ চন্দের পরিচালনায় &#8216;হালুম&#8217;,রুদ্রজিৎ রায়ের পরিচালনায় &#8216;পিঞ্জর&#8217;,রেশমি মিত্রর পরিচালনায় &#8216;বড়োবাবু&#8217;,নন্দন ঘোষের পরিচালনায় &#8216;গেট আপ কিংশুক ,অমিতাভ চ্যাটার্জির পরিচালনায় ,&#8217;৪&#8217; এবং সুমন মৈত্রর পরিচালনায় ,&#8217;অ ২ &#8216;।</p>



<p>&nbsp;চলচ্চিত্রে নারী দৃষ্টিভঙ্গি, সমাজে তার অবস্থান ও স্বাধীন সত্তার লড়াই,এই বিষয়গুলোই এ বছর আলোচনার কেন্দ্রে। উৎসবের সত্যজিৎ রায় স্মারক বক্তৃতা দেবেন পরিচালক রমেশ সিপ্পি।</p>



<p>ডকুমেন্টারি, শর্ট ফিল্ম, শিশু চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে পুনর্নির্মিত ক্লাসিক,সব মিলিয়ে এই বছর ২,০০০–এরও বেশি প্রদর্শনী আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২১৫টি ছবি নির্বাচিত হয়েছে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভাগে। প্রদর্শনী হবে নন্দন,রবীন্দ্র সদন,মেনকা,রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন,গ্লোব এন্ড মেট্রো এমন ২০টি প্রেক্ষাগৃহে।দেখানো হবে &#8216;সপ্তপদী&#8217;,ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ওনার প্রায় সব ছবি দেখানো হবে।এছাড়া শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হবে রিচার্ড বার্টন,সলিল চৌধুরী,রবার্ট রেডফোর্ড,শ্যাম বেনেগালকে।প্রয়াত পরিচালক রাজা মিত্রর ৩৫ মিমি ছবি &#8216;নয়নতারা&#8217; দেখানো হবে শিশির মঞ্চে।</p>



<p>উৎসবের মূল বক্তব্য, “সিনেমা বিয়ন্ড বর্ডারস &#8221; সীমানা ছাড়িয়ে এক মানবিক ভাষার সেতুবন্ধন। নারী, সমাজ, রাজনীতি, প্রেম ও প্রতিবাদের বহুরূপী গল্প এবারও ফুটে উঠবে রূপোলি পর্দায়।</p>



<p>এবারের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অন্যতম আকর্ষণ গানে গানে সীনে আড্ডা।যেখানে সিনেমার কালজয়ী গান বিভিন্ন দিনে পরিবেশন করবেন নামী শিল্পীরা।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/31st-kiff-film-festival/">৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/31st-kiff-film-festival/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সত্যজিৎ জন্মবার্ষিকী,ভূতো এবং BIS</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/satyajit-ray-birth-anniversary-bhuto-drama-with-bis/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/satyajit-ray-birth-anniversary-bhuto-drama-with-bis/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 May 2025 13:18:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8833</guid>

					<description><![CDATA[<p>গত ২রা মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকীর দিনে ওনার রচিত ভূতো নাটক মঞ্চস্থ হল গিরিশ মঞ্চে</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-ray-birth-anniversary-bhuto-drama-with-bis/">সত্যজিৎ জন্মবার্ষিকী,ভূতো এবং BIS</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত ২রা মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকীর দিনে ওনার রচিত ভূতো নাটক মঞ্চস্থ হল গিরিশ মঞ্চে যার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় বরেণ্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস যা পূর্বতন  ISI নামে প্রসিদ্ধ।সত্যজিত রচিত বিখ্যাত ছোট গল্প ভূতো অবলম্বনে দেবান্তরা আর্টস এবং কাব্যকলা মননের এই  নাটক ইতিমধ্যেই সমাদৃত হলেও ঐদিনের বিশেষ গুরুত্ব ছিল আরও অন্য বৈশিষ্ট্যতায়।প্রথমত এদিনের অনুষ্ঠানের নিবেদন মান্য ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের যাঁরা নিজ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধেয় প্রতিষ্ঠান।আজকের পৃথিবীতে যেখানে প্রতিপদে গুণমানের সঙ্গে আপস,নকল জিনিসে বাজার ছেয়ে যাচ্ছে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বহু ক্ষেত্রে আসলের থেকে নকল আলাদা করা দুরূহ হয়ে বহুক্ষেত্রে গ্রাহক ও ক্রেতাদের ঠকতে হচ্ছে সেখানে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা অনস্বীকার্য।এনাদের সত্যজিৎ জন্মবার্ষিকী স্মরণ অনুষ্ঠানে ভূতো নাটকের সহযোগিতা প্রশংসনীয়।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="461" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-1024x461.jpg" alt="" class="wp-image-8836" style="aspect-ratio:2.2212581344902387;width:481px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-1024x461.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-300x135.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-768x346.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-1536x691.jpg 1536w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-1-2048x922.jpg 2048w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>সত্যজিত রায়ের বিখ্যাত গল্প, যা নিয়ে স্বয়ং পুত্র সন্দীপ রায়ের টেলেফিল্ম হয়েছে তাকে আবার মঞ্চস্থ করার প্রয়াসে যে চ্যালেঞ্জ ছিল তা এতগুলি দুর্দান্ত সফল অভিনয়ের পর সার্থক।এছাড়া এই নাটকে সত্যজিতের অন্য একটি গল্পের আশ্চর্য অনুপ্রবেশ এখানে বিস্ময়কর এবং মানানসই তা নাটক দেখলে উপলব্ধি করতে হবে।প্রথমে টাইটেল কার্ডের প্রয়োগ,স্টেজ সেটিংয়ের আশ্চর্য চমৎকার প্রয়োগ,দুই প্রধান অভিনেতার উত্থান পতনের রোমাঞ্চ, মানানসই আবহসংগীত এই নাটকের সম্পদ যা ইতিমধ্যেই এদিনের মতন অনেক হাউস ফুল শোর কারণ।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="599" height="597" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-3.jpg" alt="" class="wp-image-8838" style="aspect-ratio:1.003350083752094;width:495px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-3.jpg 599w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-3-300x300.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-3-150x150.jpg 150w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/05/BIS-Bhuto-3-50x50.jpg 50w" sizes="(max-width: 599px) 100vw, 599px" /></figure>



<p>এই অনুষ্ঠান স্মরণীয় হয়ে উঠেছিল ঐদিন প্রেক্ষাগৃহে সত্যজিতের প্রিয় চরিত্রদের আদলে সাজানো অভিনেতাদের চলাফেরায় ,আপনার পাশ দিয়ে প্রফেসর শংকু,হীরক রাজা ঘুরে বেড়াচ্ছে এই অনুভব অসাধারণ, সঙ্গে গুপী বাঘার সাজে,বাঘার ঢাক সহযোগে দারুণ সঙ্গীত পরিবেশন।এছাড়া দুই পর্বে কুইজ যা সত্যজিৎ রায়ের গল্প সংক্রান্ত এবং বিআইএসের নিরলস কাজকর্ম যা তাদের শীর্ষ আধিকারিকরা আমাদের জানিয়ে সমৃদ্ধ করলেন,আসল নকল চেনার নতুন অ্যাপ BIS Care&nbsp; লঞ্চ দারুণ জমে উঠেছিল।</p>



<p>সেইদিনের নাটকে মুহুর্মুহু করতালি ,নাটকের মঞ্চসজ্জা,দুর্দান্ত অভিনয় ,বেশ কিছু স্তব্ধভাস,রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তে হল ফেটে পড়ার আবেগ আর অনুভূতি,BIS এর সহায়তা ঐদিনের ঐতিহ্য তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছিল একথা অনস্বীকার্য।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-ray-birth-anniversary-bhuto-drama-with-bis/">সত্যজিৎ জন্মবার্ষিকী,ভূতো এবং BIS</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/satyajit-ray-birth-anniversary-bhuto-drama-with-bis/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Feb 2025 12:26:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8360</guid>

					<description><![CDATA[<p>সুমনা আদক পরম্পরা ঐতিহ্য মেনে&#160; বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছে আপামর বাঙালি। বাঙালির শিল্পকলা সৌন্দর্য ঘিরে রেখেছে</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/">কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সুমনা আদক</strong></p>



<p>পরম্পরা ঐতিহ্য মেনে&nbsp; বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছে আপামর বাঙালি। বাঙালির শিল্পকলা সৌন্দর্য ঘিরে রেখেছে নিজের পরিচিতিকে, স্বদেশের ছিটেফোঁটা রয়েছে পরদেশের কোনো এক আরবাড়ি সেন্টারে। যেখানে একছাদের নিচে একঝাঁক বাঙালির হাসি আনন্দ আড্ডার খুনসুটি চোখে না দেখলে কেউ বলতে পারবেন না এটাকে বিলেতের বাঙালিদের পুজো বলে। হ্যাঁ, লন্ডনের আরবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার কেমব্রিজ এর একেবারে মাঝবরাবরে অবস্থিত। খুদে থেকে বড়দের মিলন ক্ষেত্র এবারের সরস্বতী পুজোর মঞ্চ। চোখধাঁধানো শহরে সনাতনী রীতিতে পুজো-অর্চনা সাজানো- গোছানো ব্যাপার সত্যিই ভালোলাগারই কথা।পাশাপাশি আতিথেয়তার কোনো ত্রুটি ছিল না বিন্দুমাত্র।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="768" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-768x1024.jpg" alt="" class="wp-image-8362" style="aspect-ratio:0.75;width:486px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-768x1024.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-225x300.jpg 225w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-1152x1536.jpg 1152w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-1024x1365.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2.jpg 1200w" sizes="(max-width: 768px) 100vw, 768px" /></figure>



<p>কেমব্রিজ শহরে ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারের এবছরের পুজো নাকি ২৪ বছরের সরস্বতী পুজোর ইতিহাস বয়ে বেড়ায়। সবথেকে ভালো লাগার মধ্যে ছিল মাতৃপ্রতিমার মায়াবী মেশানো রূপের আলিঙ্গন।মায়ের মূর্তির বর্ণনার মতোই সুন্দর ছিল ছোট পুজোর পরিকাঠামো, ব্রিটেনের ভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করা ক্ষুদেরা বাংলা বলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ বোধ করছিল আরো ভালো ছিল তাঁদের সঙ্গে&nbsp; তাদের অভিবাবকদের সহযোগিতা। বিলেতে ইংরেজি মিডিয়ামের পড়ার বইয়ের পাশে বাংলা ভাষার সংস্কৃতি কিন্তু হারিয়ে যায়নি। তাইতো এরা &#8220;কুমোর পাড়ার গরুর গাড়ি&#8221; কবিতা একেবারে গড়গড়িয়ে বলে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1024x768.jpg" alt="" class="wp-image-8364" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:484px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1024x768.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-300x225.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-768x576.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1536x1152.jpg 1536w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3.jpg 1600w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p> আজকাল কলকাতার আনাচে কানাচে কান পাতলে সোশ্যাল এডুকেশনাল ট্রেন্ড এর ভিড়ের ঠেলায়,সহজপাঠ বর্ণপরিচয় হাতেখড়ি একেবারে ডুমুরের ফুল, দুঃখের বিষয় সাথে হতাশারও বটে। মাতৃভাষায় কথা বলা লজ্জার তো নয়ই বরং গর্বের। সুনিপুণভাবে এমন সুন্দর করে বিদেশীরাও সরস্বতী পুজোতে সামিল হল কেমব্রিজ কমিউনিটি তার বিরাট ছবিটা অনেক কিছু প্রমান করে দিলো। পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে প্রসাদ হাতে নিয়ে অনেকের সাথে গল্প, কেউ আবার কথার ফাঁকে সেই নিজের ছেলেবেলায় ফেলে আসা দিনের স্মৃতিচরণার সাথে&nbsp; পুরোনো স্কুলের গল্প থেকে ডানপিটেপনার রঙিন কাহিনীগুলো ঝরঝরে বর্ণনা করলো। খাওয়াদাওয়ার পর্বে ছিল পুরোপুরি ঘরোয়াবাপ্যার। ভোগের খিচুড়ি লাবড়া, পায়েস মিস্টি চাটনি, পাঁপড় রসগোল্লা সবইতো ছিল। ব্রিটিশ থেকে স্প্যানিশ ফরাসি সব মানুষের চোখেমুখের আনন্দ বুঝিয়েছে বাঙালির ভ্যালেন্টাইন্স সত্যিই স্পেশাল।কেমব্রিজ এর সরস্বতী মায়ের আরাধনা মিলিয়ে দিলো সুদূর বাংলার বাগদেবীর আরাধনাকে।</p>



<p>আজকাল যেখানে বাঙালিদের মধ্যে বাংলাভাষা চর্চা,বাংলা গল্প কবিতা পড়া দুর্ভাগ্যবশত কমে যাচ্ছে সেখানে সুদূর কেমব্রিজে সরস্বতীপুজো হচ্ছে আর সেখানে &#8216;কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ি&#8217; আবৃত্তি হচ্ছে এই বিষয়টি তৃপ্তিকর।&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/">কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্রোহ,প্রেম ও আন্তিগোনে</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/antigone-bengali-drama-review/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/antigone-bengali-drama-review/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Feb 2025 06:22:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8294</guid>

					<description><![CDATA[<p>সংসৃতি’ প্রযোজনা,নির্দেশক দেবেশ চট্টোপাধ্যায়।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/antigone-bengali-drama-review/">দ্রোহ,প্রেম ও আন্তিগোনে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সুদেব সিংহ</p>



<p>সোফোক্লেসের ‘আন্তিগোনে’ নাটক শুরু হয় থিবস্‌-এ, রাজা অয়দিপাউসের প্রাসাদের সামনে অবস্থিত উন্মুক্ত এক স্থানে। প্রাসাদের সামনে প্রধান প্রবেশ-দ্বার। অয়দিপাউসের দুই পুত্র এতোয়ক্লেস ও পলুনেইকেস দুজনেরই পতন ঘটেছে। দুই ভাই তীব্র লড়াইয়ের পর, একই সঙ্গে পরস্পরের বুকে অস্ত্র বিধিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। পলুনেইকেস আর্গোস থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে আক্রমণ করেছিল থিবস্‌ নগরী। এর পর শুরু হয় যুদ্ধ, যার শেষে দুই ভাইয়ের মৃত্যু।</p>



<p>অয়দিপাউসের দুই পুত্র এতোয়ক্লেস এবং পলুনেইকেস। দুই কন্যা আন্তিগোনে ও ইসেমেনে। দুই পুত্র সাবালক হওয়া পর্যন্ত তাদের মামা ক্রেয়ন রাজ্য শাসন করতেন। তৎকালীন বিধান অনুসারে নর হত্যাকারী যে-পাত্রে খায় সে-পাত্র অপবিত্র হয় এবং তা ফেলে দিতে হয়। যেহেতু অয়দিপাউস পিতৃ-হত্যাকারী, তাকে খাবার দেওয়া হত লোহার পাত্রে। একদিন অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় ক্রুদ্ধ অয়দিপাউস দুই পুত্রকে অভিশাপ দিলেন। একদিন তাদের লোহা দিয়ে রাজ্য ভাগ করতে হবে। এই লোহায় লোহায় বাঁধবে ভীষণ লড়াই। এইভাবে পেলোপাসের অভিশাপ তৃতীয় প্রজন্মেও সঞ্চারিত হল।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="552" height="368" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM.jpeg" alt="" class="wp-image-8296" style="aspect-ratio:1.5;width:490px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM.jpeg 552w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM-300x200.jpeg 300w" sizes="(max-width: 552px) 100vw, 552px" /></figure>



<p>লাইয়ুস অল্প বয়সে পিতার মৃত্যুর পর আশ্রয় নেন আর্গোসে। তাঁকে আশ্রয় দেন পেলোপাস। জিউস-পুত্র ধনুর্ধারী দেবতা আপোল্লো সাবধান করেন লাইয়ুসকে। লাইয়ুস এবং ইয়োকাস্তের বিবাহ হয়। ইয়োকাস্তে ক্রেয়নের বোন। লাইয়ুস এবং ইয়োকাস্তের ছেলের নাম অয়দিপাউস। অয়দিপাউসের হাতেই ঘোর দৈব দুর্বিপাকে নিহত হন তাঁর পিতা রাজা লাইয়ুস। অয়দিপাউস তাঁর পিতৃপরিচয় জানতেন না। তিনি বিবাহ করলেন ইয়োকাস্তেকে, অর্থাৎ নিজের মাকে। মাতৃশয্যা কলুষিত করলেন অজান্তেই। এভাবেই সঞ্চারিত হয়েছে অভিশাপের ধারা।</p>



<p>‘আন্তিগোনে’ নাটকে প্রবেশ করতে গেলে সোফোক্লেস-এর ‘রাজা অয়দিপাউস’ নাটকটির বৃত্তান্ত উল্লেখ জরুরি। ‘আন্তিগোনে’ নাটকের মূল ঘূর্ণাবর্তটি পলুনেইকেসকে সমাধিস্থ করা নিয়ে। এতোয়ক্লেসকে বীরের মর্যাদায় সমাধিস্থ করা হয়েছে। পলুনেইকেস-এর দেহ ফেলে রাখা হয়েছে উন্মুক্ত স্থানে, শৃগাল-শকুনের জন্যে। ‘আন্তিগোনে’ বলে, তার দুই ভাইয়ের একজন পাবে মৃতের প্রাপ্য সমাদর, অন্যজন সেই সম্মানের অযোগ্য। মহান ক্রেয়ন পরোয়ানা জারি করেছেন, পলুনেইকেস-এর সদগতি করতে গেলে তা বিবেচিত হবে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে। পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হবে সেই বিরুদ্ধাচারীকে। ক্রেয়নের বক্তব্য, রাষ্ট্র আমাদের যথার্থ আশ্রয়, নিরাপত্তা, কল্যাণ-বিধানে সক্ষম। রাষ্ট্র আমাদের বন্ধু। একমাত্র নির্ভরস্থল। রাষ্ট্র-হিতই মানব-হিত। পলুনেইকেস পিতৃপুরুষের পবিত্র নগরীর মর্যাদা লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রদ্রোহে যোগদানকারী।</p>



<p>&nbsp;‘সংসৃতি’ প্রযোজনা ‘আন্তিগোনে’ কেবলমাত্র সোফোক্লেসকে অনুসরণ করে নয়। নির্দেশক দেবেশ চট্টোপাধ্যায় অনুসরণ করেছেন জঁ আন্যুইকেও। গ্রিক পুরাণ উজ্জীবিত হয়েছে বারবার। নবতর ভাষ্যের আকার পেয়েছে জঁ আন্যুই, জঁ-পল সার্ত্র, আলবেয়ার কাম্যু প্রমুখের হাতে। সিনেমার ক্ষেত্রেও পিয়ের পাওলো পাসোলিনি, মিক্লোস ইয়ানচো, মাইকেল ক্যাকোইয়ানিস প্রমুখ রচনা করেছেন তাঁদের সেল্যুলয়ড-ভাষ্য। গ্রিক পুরাণ এবং গ্রিক নাটক এমনই এক চলমান প্রক্রিয়া। বুদ্ধদেব বসুও রূপ দিয়েছিলেন কলকাতার ‘ইলেকট্রা’-কে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="552" height="368" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-8297" style="aspect-ratio:1.5;width:485px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-1.jpeg 552w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-1-300x200.jpeg 300w" sizes="(max-width: 552px) 100vw, 552px" /></figure>



<p>&nbsp;&nbsp; একসময় অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনা ও অভিনয়ে মঞ্চস্থ হয়েছে ‘আন্তিগোনে’। সেখানে কেয়া চক্রবর্তী ছিলেন আন্তিগোনের চরিত্রে। পরবর্তীকালে রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত অভিনয় করেছেন ক্রেয়নের ভূমিকায়। তাঁর প্রযোজনায় আন্তিগোনে হয়ছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। ফলে দেবেশ চট্টোপাধ্যায় যখন পুনরায় মঞ্চে ফিরিয়ে আনেন সেই বিদ্রোহিণীকে, তখন আমাদের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পায় খুব সঙ্গত কারণে। জঁ আন্যুইয়ের ‘আন্তিগোনে’ মঞ্চস্থ হয়েছিল ১৯৪৪ সালে, নাৎজি অবরোধের প্রেক্ষাপটে। মুসোলিনি, হিটলারের যুদ্ধজিগীরের মধ্যেই রূপ পেয়েছিল আন্যুইয়ের নবতর রচনা। দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের মঞ্চায়ন বেশ শক্তিশালী। তিনি চিত্তরঞ্জন ঘোষের রচনাকে অনুসরণ করেছেন। মনস্বী চিত্তরঞ্জন ঘোষ, জঁ আন্যুই এবং সোফোক্লেস-এর পৃথক দুটি নাটক অনুসরণ করে নতুন নাট্যরূপটি প্রস্তুত করেন।</p>



<p>&nbsp;&nbsp; ক্রেয়ন এবং আন্তিগোনেকে গড়া হয়েছে পরস্পরের বিরোধী করে। ক্রেয়ন শাসক। রাষ্ট্রযন্ত্র তাঁর অবলম্বন। রাষ্ট্রীয় শক্তি, সেনা, অস্ত্রশস্ত্র, মন্ত্রী-পারিষদ সব নিয়ে একটা গোটা ব্যবস্থার প্রতিনিধি ক্রেয়ন। তিনি রাষ্ট্রনায়ক। রাষ্ট্রপ্রধান। আজকে যে-অর্থে ‘nation state’ আমরা বলি, ঠিক সে-অর্থে না হলেও, রাষ্ট্র যে ক্ষমতার প্রধান কেন্দ্র তা স্পষ্ট ছিল সোফোক্লেস-এর সময়ে, স্পষ্টতর হয়েছে জঁ আন্যুইয়ের রচনায়। এক অর্থে নারীর অবস্থান সমাজে প্রান্তিক। নারী যেন পুরুষের সাপেক্ষে গড়ে তোলা দ্বিতীয় সামাজিক সত্তা। পৌরুষের সঙ্গে রাষ্ট্র-শাসনের অঙ্গাঙ্গী যোগ।</p>



<p>&nbsp;&nbsp; ক্রেয়নের আনুগত্য রাষ্ট্রের প্রতি, বা নিজেই তিনি রাষ্ট্রশক্তির প্রতিভূ। অন্যদিকে আন্তিগোনে নারী, তাঁর ভাবনা পরিবার, রক্তবন্ধন নিয়ে। এক ভাইয়ের শেষকৃত্য হবে, আরেক ভাইয়ের হবে না, এই ভাবনায় তিনি আন্দোলিত। মৃত্যুর পরে আর কি কোনও দোষ-গুণ বিচার করা যায়— এই প্রশ্নটিও উত্তেজিত করে তাঁকে। আন্তিগোনের বোন ইসেমেনে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন— ক্রেয়ন একজন পুরুষ, আমরা নারী। নারী-পুরুষে যুদ্ধ হয় না। পুরুষের সঙ্গে যুদ্ধ আমাদের কাজ নয়। ক্রেয়ন পুরুষের শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে সচেতন এবং নারীর কর্মক্ষেত্রের সঙ্কীর্ণতা বিষয়ে ততটাই কৃতনিশ্চয়। এই দ্বন্দ্বের আখ্যান আন্তিগোনে। আবার, সেই আন্তিগোনেই বিদ্রোহিণী। প্রথাগত মূল্যবোধ অনুসরণ করেই তিনি বিদ্রোহ করছেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। সামাজিক প্রথা, মর্যাদা, ঐতিহ্য প্রভৃতির মধ্যেই আন্তিগোনে খুঁজে নিয়েছেন নিজস্ব যুক্তি।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="683" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-683x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-8299" style="aspect-ratio:0.6669921875;width:493px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-683x1024.jpeg 683w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-200x300.jpeg 200w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-768x1152.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM-1024x1536.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.31-AM.jpeg 1080w" sizes="(max-width: 683px) 100vw, 683px" /></figure>



<p>হেগেল বলেছিলেন, ক্রেয়ন ও আন্তিগোনে নিজ নিজ যুক্তিগত অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। অবশ্য কোনো একটি চরিত্রকে সোজাসুজি সমর্থন করার প্রবণতা সোফোক্লেস-এর ছিল কি না, এটা ঠিক বলা যাবে না। জঁ আন্যুইও ‘আন্তিগোনে’ রচনার ঠিক দশ বছর পর লিখবেন ‘লালুয়েৎ’ বা ‘The Fire Bird’. সেখানেও ধর্মীয় মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা সহায় হবে রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনায়। ধর্মীয় অস্ত্র প্রয়োগ করা হবে সাধারণ মানুষকে বশ্যতা স্বীকার করাতে। মৌলবাদের সূক্ষ্ম নিপুণ কাঠামোর মধ্যেই মাথা তুলেছিল জ্যন দ্য আর্ক।</p>



<p>&nbsp;&nbsp; ‘আন্তিগোনে’ নাটকটির নতুন প্রযোজনাকে কেন্দ্র করে পুনরায় অনেকগুলি প্রশ্ন পুনর্বিবেচিত হওয়ার সুযোগ উপস্থিত হল। রাষ্ট্রের কেন্দ্র-প্রবণ ঝোঁক বা একাধিপত্যবাদ জনকল্যাণকে সুনিশ্চিত করতে পারে কি? না কি, রাষ্ট্রের অবদমনকামীতা যাবতীয় বিরুদ্ধ স্বরকে এক ছাঁচে ঢেলে দিতে চায়? বিরুদ্ধ স্বরগুলি দমিত করা গেলে বা নিশ্চিহ্ন করতে পারলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকারীরাও নিশ্চিন্ত হতে পারেন। আন্তিগোনে, সে সোফোক্লেস-এর সময়ে হোক বা জঁ আন্যুইয়ের, সেও প্রশ্নে প্রশ্নে বিদ্ধ করে রাষ্ট্রকে। &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>&nbsp;&nbsp; আমাদের মনে পড়বে, ১৮৫৮ সালে বেলগাছিয়া নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হয়েছিল মাইকেল মধুসূদনের ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক। এর পর ১৮৭৩ সালে, বেঙ্গল থিয়েটার পুনরায় ‘শর্মিষ্ঠা’ মঞ্চায়নের সময়ে স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রীরা। এই ঘটনাও ছিল তৎকালীন প্রথার বিরুদ্ধে এক কবির বিদ্রোহ। বেলগাছিয়া নাট্যশালায় যা সম্ভব হয়নি, সেবিষয়টি মাথায় রেখে এই দাবি তুলেছিলেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর রচয়িতা। বিদ্রোহী ইন্দ্রজিৎ-এর সন্ধান মিলবে আরও পরে, ১৮৬১ সালে। এই বিদ্রোহেরই নতুন রূপ আরব সাগর তীরে সৃষ্টি করবেন এব্রাহিম আলকাজি, জঁ আন্যুইয়ের ‘আন্তিগোনে’ মঞ্চায়নের মধ্যে দিয়ে। মহাভারত-কাহিনির চরিত্র যযাতিকে কেন্দ্র করে শর্মিষ্ঠা ও দেবযানী – এই দ্বন্দ্বসমাস ফিরে আসবে গিরিশ কারনাডের হাত ধরে, ১৯৬০ সালে। অর্থাৎ ‘শর্মিষ্ঠা’ রচনার ১০২ বছর পরে। সেখানেও বৈধ প্রেম, অবৈধ প্রেম— এই বিষয়ে মুখোমুখি সংঘাত।</p>



<p>&nbsp;&nbsp;‘আন্তিগোনে’ নাটকেও রাষ্ট্র-অনুমোদিত প্রেমের ভাষ্যকে হেলায় উড়িয়ে বিদ্রোহিণী আন্তিগোনেকে আলিঙ্গন করেন তাঁর প্রেমিক হাইমন। এই হাইমন আবার ক্রেয়নেরই পুত্র। ক্রেয়ন যাঁকে ঘিরে রাষ্ট্রশক্তির উত্তরাধিকারের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা চুরমার হয়ে যায় হাইমনের বিদ্রোহে। হাইমনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয় আরেকটি প্রশ্নপট। ক্রেয়ন আন্তিগোনেকে মান্যতা দিয়েছিলেন তাঁর ভাবী পুত্রবধূ হিসেবে। এই প্রেম-প্রণয়ই সৃষ্টি করল অন্তর্ঘাত। আন্তিগোনের মৃত্যু আদতে হাইমনেরও মৃত্যুসংবাদ। প্রেম-প্রণয় যখনই রাষ্ট্রীয় অনুমোদনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, তখনই রাষ্ট্র তাকে বহিষ্কার করে। সেইজন্য হাইমন পিতার বিরুদ্ধে গিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন। কিন্তু, এই অন্তর্ঘাত বা subversion সম্প্রসারিত হয় ক্রেয়নের রাজপ্রাসাদের অভ্যন্তরেও। রানি ইউরিডিসে পুত্রের মৃত্যু-যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হন। জঁ আন্যুই কিংবা সোফোক্লেস, উভয়ই এই অন্তর্ঘাতকে অবিকৃত রেখেছেন নিজের নিজের সময়ে। প্রাচীন গ্রিক নাটকের সময়েও প্রেমের শক্তি বিদ্রোহকে প্রাবল্য দেয়, আবার জঁ আন্যুইও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রেমকে অন্যতম অস্ত্র বিবেচনা করেন। গিরিশ কারনাডের ‘যযাতি’-র ক্ষেত্রেও পুরুষের সঙ্গে মিলিত হওয়ার অধিকার নিয়ে দুই নারীর সংগ্রাম।</p>



<p>&nbsp; গ্রিক ট্র্যাজেডি ও নাটক বিষয়ের প্রখ্যাত অধ্যাপক, চিন্তক এইচ.ডি.এফ. কিটো সোফোক্লেস-এর ‘অ্যাজ্যাক্স’ ও ‘আন্তিগোনে’ নাটক দুটিকে পাশাপাশি রেখে বলেছেন, উভয় নাটকের ক্ষেত্রেই একই সমালোচনা বারবার শোনা গেছে। দুটি নাটকেরই নায়ক/নায়িকা এক অর্থে প্রায় একই অপরাধের শরিক— দুজনেই মৃত্যুবরণ করেন এবং নাটক থেকে ছিটকে যান প্রায় মাঝপথে। ‘অ্যাজ্যাক্স’-কে খানিকটা গৌণ সাব্যস্ত করতে গিয়ে যদিও সমালোচকরা ‘আন্তিগোনে’ নাটকের ত্রুটি-নির্ধারণ বিষয়ে তুলনায় কম সোচ্চার। এলিজাবেথীয় নাটকে যে মৃত্যুর ভয়াবহতা দেখা গেছে, সোফোক্লেস সেসবকে এড়িয়েই চলতেন। কিন্তু ‘আন্তিগোনে’-তে, ক্রেয়ন-পত্নী ইউরিডিসের মৃত্যু ঘটে যায় হাইমনের মৃত্যুর ঠিক পরেই, প্রায় নিঃশব্দে। কেবল সংবাদ জানতে পারেন ক্রেয়ন। হাইমনের মৃতদেহ ফিরে এলেও, আন্তিগোনের মৃতদেহের উপস্থিতি সোফোক্লেস-এর নাট্যনির্মাণে নেই। অথচ নাটকের নাম ‘আন্তিগোনে’। আন্তিগোনে এবং তাঁর বিদ্রোহই যদি এই নাটকের মূল উপজীব্য হত, সেক্ষেত্রে সমালোচকদের একাংশের ‘ill-balanced play’ অভিযোগ যথার্থ হত। বরং সোফোক্লেস এক ভারসাম্যে বিন্যস্ত করেছেন এই নাটকে। আন্তিগোনের বক্তব্য স্পষ্ট এবং সুদূরপ্রসারী, অপরদিকে সোফোক্লেস-এর প্রধান চরিত্র ক্রেয়নকে তাঁর রাষ্ট্র-হিতের সপক্ষে গৃহীত তাবৎ সিদ্ধান্তের ভার বহন করতে হয় নাটকের শেষ পর্যন্ত। তাইরেসিয়াস-এর অভিসম্পাত-সমান বাক্যাবলি, কোরাসের হাহাকার, সবই বর্ষিত হয় নিঃস্ব ক্রেয়নকে লক্ষ্য করে। আন্তিগোনে যেখানে ছন্দময় বাক্যে তাঁর অভিপ্রায় স্পষ্ট ব্যাক্ত করেন, ক্রেয়নকে প্রতি ক্ষেত্রে শব্দচয়ন কিংবা যুক্তি-বিন্যাসে নিজের সঙ্গেই তীব্র সংগ্রামে রত হতে হয়।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="552" height="828" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-8300" style="aspect-ratio:0.6666666666666666;width:454px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM-1.jpeg 552w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/WhatsApp-Image-2025-01-27-at-4.48.32-AM-1-200x300.jpeg 200w" sizes="(max-width: 552px) 100vw, 552px" /></figure>



<p>দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনার সর্বাধিক সাফল্য এখানেই যে, তিনি এই জটিল বিন্যাসের তন্তুজালকে নাট্যসৃজনে এবং আখ্যান-বর্ণনে সুচিন্তিতভাবে প্রয়োগ করতে পেরেছেন। বিষয়টা সহজ নয়। এই premise-এর ওপর রচিত নাট্যকৃতির যে মর্যাদা তিনি রক্ষা করেছেন, তা নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্তমূলক। দেবেশ নিজে নাট্য-চিন্তক, গ্রন্থ লেখক। গ্রিসে গিয়ে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। এসব সত্ত্বেও কেউ ব্যর্থ হতেই পারেন। দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের মেধা-মনন ‘আন্তিগোনে’ নাটকের যে উত্থান-পতন এবং এইচ.ডি.এফ. কিটো কথিত যে ‘double foundation’, তাকে সফলভাবে এই বাংলা প্রযোজনায় নিয়ে এসেছে। দেবেশ যেন সেই প্রাচীনদের মতো করেই বুঝতে চেয়েছেন এবং ঐতিহ্যের বিস্তারে অগ্রসর হয়েছেন। সোফোক্লেস এবং আন্যুইয়ের মনোরথের ঠিকানা তাঁর করায়ত্ত। দর্শক প্রায় প্রথম দৃশ্য থেকেই বুঝতে পারছেন আন্তিগোনের ললাটলিখন— এটা সোফোক্লেস এবং আন্যুই, উভয়েরই অভিপ্রায়। এই চিন্তাবীজের চমৎকার উপস্থাপনও করেছেন দেবেশ চট্টোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে শাসক ক্রেয়নের একের পর এক ভাগ্য-বিপর্যয়ের নাটকীয়তা ক্ষুণ্ণ হয়নি তাঁর অতি দক্ষ পরিচালনায়। তাইরেসিয়াস এবং কোরাসের ভূমিকা নিয়ে পরিচালককে দু-একটি কথা জিজ্ঞাসার ইচ্ছা রইল।</p>



<p>এই প্রযোজনায় মঞ্চসজ্জা বা গ্রিক সৈন্যদের পোশাক বহু-দেখা, কিছুটা সাধারণীকৃত ছবির মতো দেখায়। কলকাতার মঞ্চে এখন রেওয়াজই হয়ে গিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেবশঙ্কর হালদারের অবতরণ। ক্রেয়ন, বিবেকানন্দ, শ্রী অরবিন্দ, ‘চার অধ্যায়’-র অতীন, ‘মাধবী’ নাটকে গালব, সর্বত্রই তিনি। সোফোক্লেস, জঁ আন্যুই, রবীন্দ্রনাথ হয়ে ব্রাত্য বসু— সকলেরই তিনি একনায়ক। তুর্ণা দাশ অভিনয় সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। তবে পরিচালক দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রত্যাশা বিস্তর বলেই এই সামান্য কথাগুলির উল্লেখ। &nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/antigone-bengali-drama-review/">দ্রোহ,প্রেম ও আন্তিগোনে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/antigone-bengali-drama-review/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;ভাঙার গান&#8217;</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jan 2025 10:47:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Apu Dey]]></category>
		<category><![CDATA[Arka Deb]]></category>
		<category><![CDATA[Arko Mukherjee]]></category>
		<category><![CDATA[Bandhan Sengupta]]></category>
		<category><![CDATA[Bhangar Gan]]></category>
		<category><![CDATA[Blackletters Press]]></category>
		<category><![CDATA[Kazi Nazrul Islam]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8238</guid>

					<description><![CDATA[<p>নজরুলের 'ভাঙার গান' এর শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/">‘ভাঙার গান’</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শহরে অনুষ্ঠিত হলো নজরুলের &#8216;ভাঙার গান&#8217; কাব্যগ্রন্থের শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ। ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল এই কাব্যগ্রন্থ। সেই ঘটনার একশো বছর পর এ বছর ব্ল্যাকলেটার্স্ নতুন ভাবে প্রকাশ করলো &#8216;ভাঙার গান&#8217;। সেই উপলক্ষেই গত ১০ জানুয়ারি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকানন্দ হলে আয়োজিত হল এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের সূচনা হলো গায়ক অর্ক মুখার্জীর গান দিয়ে। &#8216;কালো মেয়ের পায়ের তলায়&#8217; &#8211; এর মত কালী সাধনার গান থেকে &#8216;বল ভাই মাভৈ মাভৈ&#8217; &#8211; এর মত গণ জাগর<a>ণে</a>র গান &#8211; দর্শক ফিরে দেখলো নজরুলের ব্যাপ্তি । তালে তালে গলা মেলালো &#8216;কারার ওই লৌহ কপাট&#8217; -এর সোচ্চার উচচারণে। এমনি এক মুহূর্তে বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন ব্ল্যাক লেটার্স্-এর কর্ণধার অর্ক দেব। সঙ্গে নজরুল বিশেষজ্ঞ <a>বাঁধন</a> সেনগুপ্ত, দে&#8217;জ এর অপু দে এবং সম্পাদক শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়। আনুষ্ঠানিক প্রকাশের পর বক্তব্য পেশ করেন বাঁধন সেনগুপ্ত। বললেন নজরুল বিষয়ক নানা অজানা কাহিনি।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="768" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-768x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-8240" style="aspect-ratio:0.75;width:484px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-768x1024.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-225x300.jpeg 225w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-1152x1536.jpeg 1152w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-1024x1365.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 768px) 100vw, 768px" /></figure>



<p>অনুষ্ঠান এগিয়ে চললো পরবর্তী আলোচনায়। শুদ্ধব্রত দেব কথা বললেন প্রতিরোধ সাহিত্য নিয়ে। প্রতিবাদী সাহিত্য থেকে প্রতিরোধ সাহিত্যের ফারাক বা পার্থক্য হয়ে উঠলো আলোচনার কেন্দ্র। উঠে এল বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্রোণাচার্য ঘোষ তথা ভারাভারা রাও&#8217;র কথা। মাহমুদ দরবেশ এর কবিতার সূত্র ধরে উঠে এল প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গ &#8211; প্রেক্ষিত অনুসারে কীভাবে প্রতিরোধের প্রতীক বদলে যায়। সেই সূত্রেই পরবর্তী বক্তা সুজাত ভদ্রের বক্তব্য। বিষয় &#8211; &#8216;ভারত থেকে প্যালেস্টাইন আজও বাজে ভাঙার গান&#8217;। বললেন রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে তাদের অক্লান্ত কর্মকান্ডের কথা‌। কীভাবে শাসক বদলালেও বদলায়নি রাজনৈতিক বন্দীদের ওপর অত্যাচারের কায়দা। কীভাবে সাতের দশক থেকে আজ পর্যন্ত আইন ব্যবস্থায় দখলদারি করে শাসক দল। উঠে এল উমর খালিদের কথা।‌ পরবর্তী বক্তা বনজোৎস্না লাহিড়ী বললেন ভাঙার গান গেয়ে চলার প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিকতার কথা। সেই নিয়েই অনুষ্ঠানের অন্তিম অংশে ছিল এক আলোচনা চক্র। বক্তা হিসেবে ছিলেন শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়, অর্ক দেব ও জয়রাজ ভট্টাচার্য। শিল্প চর্চায় &#8216;নর্মাটিভিটি&#8217; ভাঙা এবং সেই প্রসঙ্গে &#8216;ভাঙার গান&#8217;‌এর ভূমিকা &#8211; এই ছিল আলোচনার কেন্দ্র। বাংলা ভাষায় সংস্কৃতি চর্চায় &#8216;ভাঙার গান&#8217; এর পুনঃপ্রকাশ এক আলোড়ন সৃষ্টি করবে এবং উৎক্রমের পথ নিশ্চিত করবে এই আশা নিয়েই এই কাব্যগ্রন্থের শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানের সমাপণ ঘটে।</p>



<p>শুভায়ু চ্যাটার্জী -স্নাতকোত্তর ছাত্র, তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ,যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/">‘ভাঙার গান’</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পৌষ সংক্রান্তি  কথা </title>
		<link>https://sukanyadigital.com/history-of-poush-sankranti-and-poush-mela-festival/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/history-of-poush-sankranti-and-poush-mela-festival/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Jan 2025 06:11:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali culture]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali festival]]></category>
		<category><![CDATA[Poush Mela]]></category>
		<category><![CDATA[Poush Sankranti]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8207</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলার সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/history-of-poush-sankranti-and-poush-mela-festival/">পৌষ সংক্রান্তি  কথা </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পৌষ সংক্রান্তি বাঙালির জীবনে এক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ উৎসব। এই দিনটি সূর্যের মকর রাশিতে প্রবেশের মাধ্যমে শীত ঋতুর শেষে বসন্তের আগমনের সূচনা করে। পৌষ সংক্রান্তি বাংলার কৃষিজীবী সমাজে মূলত ফসল তোলার আনন্দে উদযাপিত একটি উৎসব। প্রাচীন কাল থেকে এটি বাংলার সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>



<p><strong>পৌষ</strong><strong> </strong><strong>সংক্রান্তির</strong><strong> </strong><strong>ঐতিহাসিক</strong><strong> </strong><strong>প্রেক্ষাপট</strong><strong></strong></p>



<p>পৌষ সংক্রান্তির উৎপত্তি মূলত প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে। সূর্য যখন মকর রাশিতে প্রবেশ করে, তখন এটি খারিফ ফসল কাটার ঋতুর সমাপ্তি এবং রবি ফসল বপনের সূচনা নির্দেশ করে। কৃষি-নির্ভর বাংলার মানুষের কাছে এটি নতুন বছর শুরুর মতো। ভৌগোলিকভাবে, এই সময়ে দিন বড় হতে শুরু করে এবং প্রকৃতিতে আলোর আধিক্য বাড়ে।</p>



<p>প্রাচীন আর্য যুগে সূর্য পূজার মাধ্যমে এই উৎসব উদযাপিত হতো। হিন্দু ধর্মে সূর্যের গুরুত্ব স্বীকৃত, এবং পৌষ সংক্রান্তি এই ঐতিহ্যেরই একটি অংশ। মধ্যযুগে বাংলার গ্রামীণ জনপদে নবান্ন উৎসব এবং পৌষ সংক্রান্তি একত্রে পালিত হত।</p>



<p><strong>আচার</strong><strong>&#8211;</strong><strong>অনুষ্ঠান</strong><strong> </strong><strong>ও</strong><strong> </strong><strong>বৈচিত্র্য</strong><strong></strong></p>



<p>পৌষ সংক্রান্তি বাংলার গ্রামীণ জীবনে বিশেষ আনন্দময়। উৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পিঠে-পুলির অনুষ্ঠান। নতুন চাল, নারকেল এবং খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের পিঠে, যেমন পাটিসাপটা, দুধপুলি, স্নানপুলি।</p>



<p>ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে, এই দিন গঙ্গাস্নান এবং পুণ্যলাভের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবের ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেখা যায়, যেমন উত্তর ভারতে এটি মাঘী, দক্ষিণে পঙ্গাল এবং মহারাষ্ট্রে তিলগুড় উৎসব নামে পরিচিত।</p>



<p><strong>পৌষ</strong><strong> </strong><strong>মেলা</strong></p>



<p>মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৮ সালের ৮ই মার্চ (১২৯৪ বঙ্গাব্দের ২৬ ফাল্গুন)শান্তিনিকেতন আশ্রমের জন্য প্রণীত করা &#8216;ট্রাস্ট ডিড&#8217; বা অছিপত্রে শান্তিনিকেতনে একটি মেলা বসাবার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।তাতে লেখা হয় :</p>



<p>&#8216;নিরাকার এক ব্রহ্মের উপাসনা ব্যতিত কোন সম্প্রদায় বিশেষের অভীষ্ট দেবতা বা পশু,পক্ষী ,মনুষ্যের বা মূর্তির বা চিত্রের বা কোন চিহ্নের পূজা বা হোম যজ্ঞাদি ঐ শান্তিনিকেতনে হইবে না।&#8212;ধর্মভাব উদ্দীপনের জন্য ট্রাস্টিগণ বর্ষে বর্ষে একটি মেলা বসিবার চেষ্টা ও উদ্যোগ করিবেন।এই মেলাতে সকল ধর্ম &#8211; বিচার ও ধর্মালাপ করিতে পারিবেন।&#8230;.&#8217;</p>



<p>এই ডিড অনুসারে এবং মহর্ষির ইচ্ছার প্রতি সন্মান জ্ঞাপন করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্টি ১৮৯৪ সাল থেকে এই মেলা করে আসছে।একদম শুরুর দিকে তখনকার আদিবাসী সাঁওতালরা কতৃপক্ষকে অনুরোধ করে এই মেলা প্রাঙ্গনে তাদের হস্তশিল্প বিক্রি করতে দেওয়ার,তখন থেকে পৌষ মেলায় স্থানীয় শিল্প সামগ্রী কেনা বেচার শুরু।১৮৯৪ সাল থেকে এই মেলার শুরু ,যা ১৯৪৩ সালে মন্বন্তর এবং ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক হানাহানির কারণে আর এই হাল আমলে ২০১৯ থেকে মেলা বন্ধ থাকার পর এই বছর থেকে আবার সাড়ম্বরে পৌষ মেলা শুরু হয়েছে যা অত্যন্ত আনন্দের।কিন্তু ২০১৮ র হিসেবে অনুযায়ী ১৪০০ স্টল বসেছিল যার অধিকাংশই ভোগ্যপণ্যের আর আমোদ প্রমোদের যার ফলে পৌষ মেলার সাবেকি ঐতিহ্য ও চরিত্র বহুলাংশে ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে আশ্রমিকদের অভিযোগ,মেলার মূল চরিত্র ছাতিমতলায় ৭ই পৌষের উপাসনা,পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মৃতিবাসর,পাঠভবন শিক্ষাসত্রের সমাবর্তন, ঐতিহ্যশালী বাউলের আখড়া,&nbsp; এবং মেলায় গ্রামীণ হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের দুস্থ শিল্পীদের বিক্রিবাট্টার সুযোগ এই বিষয়গুলি যেন আমোদ প্রমোদের আড়ালে গৌণ না হয় সেটি নিশ্চিত করা উচিত।তবে এ বছর থেকে যে আবার পূর্ণ কলেবরে পোষ মেলা সুসম্পন্ন হল এটি খুব স্বস্তির।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>পরিশেষে</strong><strong></strong></p>



<p>পৌষ সংক্রান্তি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়; এটি বাংলার সংস্কৃতি, কৃষিজীবী মানুষের আত্মপরিচয় এবং ঐতিহ্যের প্রতীক। এটি নতুন ফসলের আনন্দে মানুষের মেলবন্ধন ঘটায়। হাজার বছরের ঐতিহ্যের এই উৎসব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঙালির সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে এবং ভবিষ্যতেও এর প্রাসঙ্গিকতা অমলিন থাকবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/history-of-poush-sankranti-and-poush-mela-festival/">পৌষ সংক্রান্তি  কথা </a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/history-of-poush-sankranti-and-poush-mela-festival/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রবি ঠাকুরের ঠাকুমা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/jora-sanko-drama-by-natyashala-review/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/jora-sanko-drama-by-natyashala-review/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Nov 2024 08:22:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8089</guid>

					<description><![CDATA[<p>নাট্যশালা নাট্যগোষ্ঠীর  নতুন সাড়া জাগানো নাটক 'জোড়া -সাঁকো।'</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/jora-sanko-drama-by-natyashala-review/">রবি ঠাকুরের ঠাকুমা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গত ২৪শে নভেম্বর  গিরিশ মঞ্চে <strong>নাট্যশালা</strong> <strong>নাট্যগোষ্ঠীর  নতুন সাড়া জাগানো নাটক &#8216;জোড়া -সাঁকো &#8216;</strong> মঞ্চস্থ হলো রানা বসুর নির্দেশনায় এই নাটক ইতিহাসের পাতা থেকে এক নারীর দৃপ্ত সুদৃঢ় অবস্থানের কথা বলে।বাংলাদেশের ইতিহাসে উপেক্ষিতা অন্যতম দীপ্তিময়ী নারী দ্বারকানাথ ঠাকুরের স্ত্রী দিগম্বরী।  </p>



<p>যে সময় নারীকে মনুবাদের মতে শূদ্র বা পুরুষের মালিকানাধীন ভাবা হত, স্বামীর কোনও আদেশ অমান্য করা তো দূরের কথা, মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার অধিকারও ছিলনা, সেই সময় এক নারী তার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী, অর্থবান স্বামীর মুখে মুখে বিতর্ক শুধু নয়, সরাসরি বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারে এ যেন কল্পজগতের কথা। কিন্তু বাস্তবিক সত্যি ঘটনা। দিগম্বরী। রবি ঠাকুরের ঠাকুমা।</p>



<p>জোড়া-সাঁকো নাটকের অন্যতম মুন্সিয়ানা বাঙালি মনীষীদের ব্যাক্তিপুজো নয় বরং রক্ত মাংসের  মানুষ হিসেবে ইতিহাসের প্রেক্ষিতে তাঁদের দোষ গুণ নির্মোহ দৃষ্টিতে উপস্থাপনা করা যার প্রধান কেন্দ্রে এক অন্তপুরবাসিনী নারী। অরূপশঙ্কর মৈত্রের নাট্যরূপ ,সংলাপ , গৌতম ঘোষের সঙ্গীত, মঞ্চ, প্রক্ষেপণ এই নাটককে সমৃদ্ধ করেছে।এমন বেশ কিছু মুহূর্ত আছে যেখানে সেই সময়ের নিরিখে দাঁড়িয়ে (যদিও এই নাটক বর্তমানের কথা ভেবে প্রয়োজনে ইতিহাসের স্থান কাল সময়ের কিছুটা বিনির্মাণ করেছেন ) যখন ইংরেজদের সঙ্গে ব্যবসা,সতীদাহ,নীলচাষ, এমনকি দাস প্রথা নিয়ে সংলাপে দুপক্ষের শানিত যুক্তিজালে   (দ্বারকানাথের সঙ্গে দিগম্বরী,আত্মীয় সভায় রাজা রামমোহন ) দর্শকদের মন ভরে যায়।</p>



<p>দিগম্বরীর বিরোধিতার মূল প্রেরণা ছিল তার স্বাধীনতাবোধ। দ্বারকানাথ একদিকে দিগম্বরী অন্যদিকে আধুনিক ভাবনার নয়া রূপকার রামমোহনের মধ্যে দ্বিধাবিভক্ত ছিলেন। এরমধ্যে বিদেশী সাহেব অ্যাডাম, মেম লেডি বেন্টিংক আছেন। দিগম্বরীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন দ্বারকানাথের মা বিধবা অলকানন্দা। এছাড়াও দ্বারকানাথের এক পাগলি নেড়া পিসি যিনি অনেক আগেই মারা গেছেন তিনি মাঝে মাঝে কল্পনায় মঞ্চে চলে আসে।</p>



<p>ঠাকুরবাড়িতে নানা কাজের লোক, নায়েব গোমস্তা, পিসি মাসি আছে। রামমোহনের মজলিসে আডাম, লেডি ছাড়াও আরো সাহেব, মেম, বাবু আছে। আছে নিকি বাঈজী। আছে সেই সময়ের বিখ্যাত অভিনেত্রী জুলিয়েট। আছে ফ্রান্সের সাংবাদিক সোফিয়া।</p>



<p>শেষে যখন দিগম্বরী জেনে ফেলে যে দ্বারকানাথ এক বিদেশিনীর সঙ্গে প্রেমে উন্মত্ত, তখন তিনি বিবাহবিচ্ছেদের দাবি করেন। যেহেতু সেই যুগে বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থা ছিল না, তাই শাশুড়ি অলকার সমর্থনে দ্বারকানাথকে গৃহত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="770" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/11/WhatsApp-Image-2024-11-25-at-1.52.20-PM-770x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-8092" style="aspect-ratio:0.751953125;width:484px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/11/WhatsApp-Image-2024-11-25-at-1.52.20-PM-770x1024.jpeg 770w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/11/WhatsApp-Image-2024-11-25-at-1.52.20-PM-226x300.jpeg 226w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/11/WhatsApp-Image-2024-11-25-at-1.52.20-PM-768x1021.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/11/WhatsApp-Image-2024-11-25-at-1.52.20-PM.jpeg 963w" sizes="(max-width: 770px) 100vw, 770px" /></figure>



<p>দ্বারকানাথের স্ত্রী দিগম্বরীর চরিত্রে দেবযানী সিনহা অসামান্য অভিনয় করেছেন।কঠোরভাবে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ,ইংরেজ শাসনের পাশ্চাত্য আধুনিক ভাবনা,দ্বারকানাথ রামমোহন এবং প্রথমদিকে নিজের দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাশুড়ির বিরুদ্ধে তার সপ্রতিভ,সতেজতা নাটককে ঋদ্ধ করেছে।</p>



<p>দ্বারকানাথের চরিত্রে তথাগত চৌধুরী,রামমোহনের চরিত্রে শুভ গুপ্তভায়ার শক্তিশালী অভিনয় ভালো লেগেছে,বিশেষত রাজা&nbsp; রামমোহনকে ছবি থেকে উঠে আসা জ্যান্ত মনে হওয়ায় চমকে যেতে হয়।</p>



<p>একটি নাটকের সার্থকতা শুধু কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনেতা অভিনেত্রীই নন ,পার্শ্ব চরিত্রদের সুনিপুণ সঙ্গত নাটককে সমৃদ্ধ করেছে।এক্ষেত্রে অলোকা- অনুসূয়া দে,জুলিয়েট -ঈপ্সিতা কুন্ডু, দয়া -সোহিনী সাঁতরা,মায়া- সম্পিয়া কর,অতীতদিনের &nbsp;মৃত&nbsp; ন্যাড়াপিসি নয়না,উইলিয়াম অ্যাডাম ডঃ শুভাশিস গাঙ্গুলি,বাবু&nbsp; বিভাস ব্যানার্জি,হেনরি পৌলম ব্যানার্জি,জন -শুভরাজ মল্লিক,হাবিব-অমর্ত্য চক্রবর্তী,লেডি দেবলীনা সিংহ,নিকি এবং আজিমার ভূমিকায় শ্রেয়সী রায়,সোফিয়া শ্রেয়া বিশ্বাস,মাধব-তরুণ চক্রবর্তী,পন্ডিত অনিন্দ্য ভট্টাচার্য্য,গঙ্গা দেবাঞ্জলি হালদার&nbsp; সবাই নিজ চরিত্রে সাবলীল, স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় করেছেন।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>জোড়া সাঁকো নাটক আলো ফেলেছে যে বিষয়ে তা হল নবজাগরণ বা উন্নয়নের মুখ্য মুখ ছিলেন রামমোহন। আর এই নতুন ভাবনার ঠিক বিপরীত অবস্থান ছিল দিগম্বরীর। দিগম্বরীর বিরোধিতার মূল প্রেরণা ছিল তার স্বাধীনতাবোধ। দ্বারকানাথ একদিকে দিগম্বরী অন্যদিকে আধুনিক ভাবনার নয়া রূপকার রামমোহনের মধ্যে দ্বিধাবিভক্ত ছিলেন।</p>



<p>নাট্যপ্রেমী সবাই নাট্যশালার এই&nbsp; &#8216;জোড়া সাঁকো&#8217; নাটকের পরবর্তী অভিনয়ের জন্য উন্মুখ হয়ে&nbsp; আঠেরো শতকের এক অন্তপুরবাসিনীর সেই সময়ের শত বাধা বিপত্তির সঙ্গে যুদ্ধ করার এই দৃপ্ত উন্মেষের সাক্ষী থাকতে পারেন।&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/jora-sanko-drama-by-natyashala-review/">রবি ঠাকুরের ঠাকুমা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/jora-sanko-drama-by-natyashala-review/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
