<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>mental well being -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/tag/mental-well-being/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 08 Jan 2025 10:54:32 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>mental well being -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Jan 2025 10:54:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[brain rot]]></category>
		<category><![CDATA[brain rot remedial tips]]></category>
		<category><![CDATA[mental health]]></category>
		<category><![CDATA[mental well being]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8216</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিউপোর্ট ইনস্টিটিউটের মেন্টাল হেলথ এক্সপার্ট টিপস।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/">ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এতদিনে জানা গেছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ২০২৪ বছরে এই ব্রেন রট কে &#8216;ওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার &#8216; আখ্যা দিয়েছে।ব্রেন রট বলতে এমন একটা অবস্থা যা দীর্ঘক্ষণ ডিজিটাল আসক্তি ও নির্ভরতার কারণে&nbsp; মানুষের মানসিক এবং বৌদ্ধিক উৎকর্ষ নষ্ট করে বেশ বড় ক্ষতি করছে,এর নেশায় মানুষ তার স্বাভাবিক চিন্তা ভাবনা এবং দৈনন্দিন অনেক কাজ না করে রাতদিন ডিজিটাল নেশায় আক্রান্ত।</p>



<p>ব্রেন রট।যদিও এখনও একে চিকিৎসা শাস্ত্রে গভীর অসুখের কুখ্যাতি দেয়নি তা হলেও দীর্ঘসময় ধরে নানা রকম একঘেয়ে মোটা দাগের অর্থাৎ বিলো কোয়ালিটি ডিজিটাল কন্টেন্টে আসক্ত হওয়ার জন্য আমাদের অলক্ষ্যে অন্য অনেক বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে।সোশ্যাল মিডিয়া,স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম,রিলস,টিক টক ভিডিও ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রল&nbsp; করতে করতে আমরা নিজেদের অজান্তে এক ভয়ঙ্কর মহামারির দিকে দৌড়চ্ছি।</p>



<p><strong>ব্রেন</strong><strong> </strong><strong>রট</strong><strong> </strong><strong>আমাদের</strong><strong> </strong><strong>কি</strong><strong> </strong><strong>মারাত্মক</strong><strong> </strong><strong>ক্ষতি</strong><strong> </strong><strong>করে চলেছে</strong><strong> :</strong></p>



<p><strong>মানসিক</strong><strong> </strong><strong>জড়তা</strong><strong> </strong>:কোন কিছু গঠনমূলক,কাজের চিন্তাধারাকে দীর্ঘসময় কুয়াশাচ্ছন্ন করে রাখা।</p>



<p><strong>আলস্য</strong><strong>:</strong> এক ভাবে এক জায়গায় ফোনে নিমগ্ন,জগৎ সংসার ভুলে,শারীরিক ভাবে স্থবির।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>রিডিউসড</strong><strong> </strong><strong>অ্যাটেনশন</strong><strong> </strong><strong>স্প্যান</strong><strong>:</strong> কোন বিষয়ে দীর্ঘসময় মনোযোগের ব্যাঘাত।</p>



<p><strong>কাজ</strong><strong> </strong><strong>করতে</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong><strong>:</strong> যে কোন কাজ করতে গেলে তার পরিকল্পনা এবং সেই কাজ ঠিক ভাবে করার মানসিকতায় বাধা।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>সমস্যা</strong><strong> </strong><strong>সমাধানে</strong><strong> </strong><strong>বাধা</strong> : দীর্ঘসময় এই ব্রেন রটের কারণে ধৈর্য্যচ্যুতি যে কোন কাজে কোন সমস্যা এলে সেটার সমাধানে যে সময়,পরিশ্রম&nbsp; এবং বুদ্ধিপ্রয়োজন তাকে বাধা দেয় এই আসক্তির কুপ্রভাব।</p>



<p><strong>সিদ্ধান্তহীনতা</strong><strong>:</strong> এর জেরে অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।</p>



<p><strong>ভুলে</strong><strong> </strong><strong>যাওয়ার</strong><strong> </strong><strong>ব্যারাম</strong>:এর জন্য অনেক জরুরি কথা মনে পড়ছে না।</p>



<p><strong>স্মৃতিভ্রংশ</strong><strong> :</strong> পুরোনো কথা মনে পড়ছে না।</p>



<p><strong>মুড</strong><strong> </strong><strong>সুইং</strong><strong>:</strong> কথায় কথায় রেগে যাচ্ছেন অথবা বেশ আনন্দের সময়ে হঠাৎ অজানা আতঙ্কে শিউরে উঠছেন।&nbsp;</p>



<p><strong>১২টি</strong><strong> </strong><strong>উপায়ে</strong><strong> </strong><strong>ব্রেন</strong><strong> </strong><strong>রট</strong><strong> </strong><strong>সমস্যা</strong><strong> </strong><strong>সমাধান</strong><strong> :</strong></p>



<p><em>নিউপোর্ট ইনস্টিটিউটের মেন্টাল হেলথ Mental Health এক্সপার্ট অ্যাডভাইস</em></p>



<p><strong>১) সোশ্যাল মিডিয়া টাইম সেট </strong>:একদম কঠোরভাবে সারাদিনে কতক্ষণ কাজ ছাড়া স্ক্রিন টাইম সেটা  ঠিক করে নেওয়া।</p>



<p><strong>২)মননশীলতা :</strong> একটা সচেতন, সহনশীল মানসিকতা।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জীবনযুদ্ধ এবং বাড়ি ফিরে শান্ত,সচেতন মনোভাবের অভ্যাস।</p>



<p><strong>৩)প্রতিদিন এক্সারসাইজ:</strong> করতেই হবে।নিদেনপক্ষে ৩ কিলোমিটার হাঁটা আর ৩ লিটার জল খাওয়া।</p>



<p><strong>৪)বই পড়া</strong>: যদি এই অভ্যাস ছেড়ে দিয়ে থাকেন তাহলে আজ থেকে আবার শুরু করুন।</p>



<p><strong>৫)মাল্টিটাস্কিংয়ে লাগাম</strong> : হ্যাঁ।এটা এখনকার &#8216;মন্ত্র&#8217; হতে পারে কিন্তু নিয়মিত এই মাল্টিটাস্কিংয়ের চাপ কমাতে হবে।</p>



<p><strong>৬)ডিজিটাল ডিটক্স :</strong> দিনের কিছু সময়ে মোবাইল অথবা স্ক্রিন টাইম ছাড়া থাকা।ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষরা শুরু করে দিয়েছেন।</p>



<p><strong>৭)নতুন কিছুর অভ্যাস :</strong>যে বয়েসেই হোক নতুন কিছু অথবা ছোটবেলার ফেলে আসা খেলা ধুলো,গান বাজনা ,ছবি আঁকা আবার শুরু করা অথবা নতুন কিছু শখ যেমন ইন্ডোর প্ল্যান্টস।</p>



<p><strong>৮)আড্ডা :</strong> হোয়াটস্যাপ,ফেসবুক চ্যাট নয়,নিখাদ আড্ডা,আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মেলামেশা।</p>



<p><strong>৯)প্রকৃতির কাছে </strong>:সকালে হাঁটার সময় অথবা দিনের,সপ্তাহে যতটা সময় পাবেন প্রকৃতির কাছে,গাছ গাছালি,উন্মুক্ত আকাশের নিচে থাকা।</p>



<p><strong>১০)সৃষ্টিশীল থাকা:</strong>যে ভাবেই হোক,দিনের কিঁছু সময় লেখালেখি করুন না ,হোক না হাবিজাবি অথবা ফেলে আসা সাহিত্যচর্চা।</p>



<p><strong>১১) ঘুম :</strong>পরিমিত ঘুম আবশ্যিক।রোজ অন্তত ৭ ঘন্টা।</p>



<p><strong>১২) পরিমিত ডায়েট: </strong>শুধু স্বাস্থ্যসর্বস্ব নয় ,পরিমিত খাবার বা ব্যালেন্সড ডায়েট।                           </p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/">ব্রেন রট অসুখ এবং আরোগ্য</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/brain-rot-syndrome-and-remedial-expert-advice/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইনফ্লুয়েন্সার প্রভাবে নিজের সঠিক সিদ্ধান্তে আপস করছেন ?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/how-to-be-free-from-influencer-advice-and-cultivate-individual-opinion/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/how-to-be-free-from-influencer-advice-and-cultivate-individual-opinion/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Mar 2024 07:08:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Rochona]]></category>
		<category><![CDATA[addiction recovery]]></category>
		<category><![CDATA[mental health]]></category>
		<category><![CDATA[mental well being]]></category>
		<category><![CDATA[shopping addiction]]></category>
		<category><![CDATA[wellness]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7171</guid>

					<description><![CDATA[<p>লাইফস্টাইল এবং কাউন্সিলিং এক্সপার্ট সঙ্গীতা দাসগুপ্ত,পার্থ মিত্র,ডঃ রেখা রাঠির পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/how-to-be-free-from-influencer-advice-and-cultivate-individual-opinion/">ইনফ্লুয়েন্সার প্রভাবে নিজের সঠিক সিদ্ধান্তে আপস করছেন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আজকাল ডিজিটাল মাধ্যমের প্রাবল্যে ক্রেতাদের ওপর ইনফ্লুয়েন্সারদের গুরুত্ব অপরিসীম হয়ে উঠেছে যার ফলে নিত্যনতুন ট্রেন্ড এবং কেনাকাটার সময়ে এই ইনফ্লুয়েন্সারদের পরামর্শে আমরা সম্পূর্ণ প্রভাবিত হয়ে পড়ছি এবং পরে লক্ষ্য করে দেখা গেছে অন্ধ হয়ে পরামর্শ মানার কুফল।</p>



<p>ফ্যাশন ,রূপচর্চা,ট্রেন্ডি লাইফস্টাইল,ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসপত্র থেকে রেসিপি সর্বত্র&nbsp; এই সোশ্যাল মিডিয়ার তথাকথিত এক্সপার্টদের পরামর্শের প্রতি আমাদের আস্থা বেড়েই চলেছে। যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই ইনফ্লুয়েন্সারদের গুরুত্ব ,পরামর্শ জরুরি কিন্তু সেটা কখনোই নিজের অভিজ্ঞতা ,বিশ্বাস অর্জিত জ্ঞানকে গুরুত্বহীন করে নয়।ইনফ্লুয়েন্সার আর নিজের সঠিক সিদ্ধান্তের মেলবন্ধনের জন্য মনে রাখবেন :&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>১)_ঠিক</strong><strong> </strong><strong>বেঠিক</strong><strong> </strong><strong>ইনফ্লুয়েন্স</strong><strong> </strong><strong>চিনে</strong><strong> </strong><strong>নিন</strong><strong>:</strong> ইনফ্লুয়েন্সার উপদেশ অন্ধ ভাবে না মেনে প্রথমে জেনে নিতে হবে আপনার সিদ্ধান্তের জন্য এর পরিণতির কথা।মনে রাখবেন এই ইনফ্লুয়েন্সাররা অনেকেই কিন্তু কিছু বিশেষ ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি তাই সেই ব্র্যান্ড প্রমোট করার জন্য তাদের উৎসাহ থাকবেই কিন্তু সেই বিষয়ে আপনি&nbsp; সতর্ক ও সন্ধানী হলে ,যেমন সেই প্রোডাক্ট রিভিউ পড়লেন,পরিচিত যারা ব্যবহার করছেন তাদের কাছ থেকে জানলেন আর তার পর সিদ্ধান্ত নিলেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>২)নিজের</strong><strong> </strong><strong>অভিজ্ঞতা</strong><strong> </strong><strong>আর</strong><strong> </strong><strong>মূল্যবোধকে</strong><strong> </strong><strong>মর্যাদা</strong> : যে কোনো জিনিসের প্রতি প্রভাবিত হওয়ার আগে নিজস্ব মূল্যবোধ যাচাই করুন। জিনিসপত্র কেনার সিদ্ধান্তে কোন বিষয়টা আপনার নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিজেকে প্রশ্ন করুন।দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে পারা ? গুণমান ?সাশ্রয়ী ?ব্র্যান্ড ভ্যালু কোনটা আপনার কাছে জরুরি আর এই ইনফ্লুয়েন্সারদের পরামর্শ সেই বিষয়ে কি বলছে সেটা বোঝা।</p>



<p><strong>৩)</strong><strong> </strong><strong>রিসার্চ</strong><strong> </strong><strong>করুন</strong><strong> : </strong>শুধু অন্ধ ভাবে ইনফ্লুয়েন্সারকে বিশ্বাস করার আগে সেই বিষয়ে রিসার্চ করুন। এখন অনলাইনে প্রোডাক্ট রিভিউ ,কম্প্যারিজন ওয়েবসাইট আর কনজিউমার ফোরামের কল্যাণে আপনি সেই প্রোডাক্টের গুণমান,কর্মক্ষমতা,খ্যাতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল থাকতে পারেন।এক নয় নানা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে তবেই সিদ্ধান্ত নিন। &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>৪) নিজের</strong><strong> </strong><strong>সহজাত</strong><strong> </strong><strong>প্রবণতায়</strong><strong> </strong><strong>ভরসা</strong><strong> </strong><strong>রাখুন</strong> : যে কোনো পণ্য অথবা পরিষেবার মূল্যায়নে নিজের অভিজ্ঞতা আর বিশ্বাসের প্রতি ভরসা করুন।নিজের সহজাত অনুভূতির ওপর আস্থা রেখে আপনার প্রয়োজন আর পছন্দের ভিত্তিতে কেনাকাটা করুন,ভেবে দেখুন আপনার মন কি চাইছে আর সেই মতন সিদ্ধান্ত নিন। মনে রাখবেন আপনার মন তৈরি হয়েছে পূর্ব অভিজ্ঞতা আর উপলব্ধি থেকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>৫</strong><strong>) </strong><strong>সচেতন</strong><strong> </strong><strong>ব্যবহার</strong><strong> :</strong> ইনফ্লুয়েন্সারদের থেকে প্রভাবিত হয়ে কেনাকাটার আগে ভেবে দেখুন এটা এখন আপনার কতটা প্রয়োজন নাকি তাৎক্ষণিক লোভে পড়ে কিনে ফেলছেন / শুধু আবেগের এবং&nbsp; একটু ট্রেন্ডি বলেই কেনার আগে একটু ভেবে দেখুন এর দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি,উপকারিতা,আর্থিক বিষয় আর তারপর নিশ্চিত হয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নিন।</p>



<p><strong>৬)ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা :</strong> ব্র্যান্ড ভ্যালু বস্তুটি আকাশ থেকে পড়ে না।বহু বছরের সুনাম আর খ্যাতিতে তৈরি হয়।কেনাকাটার আগে এই বিষয়ে মনোযোগ দিন /আজকাল এমন অনেক ঘটনার কথা শোনা যায় যেখানে ব্র্যান্ড নামি হলেও অনামী বা ভুয়ো অনলাইন পোর্টাল থেকে অবিশ্বাস্য ডিসকাউন্টের ফাঁদে পড়ে কেনার পর গ্রাহক ঠকে গিয়েছেন।এছাড়াও যে ব্র্যান্ড বিশ্বস্ত,প্রামাণ্য সেই ব্র্যান্ডের জিনিসপত্র কেনা শ্রেয় কারণ দীর্ঘদিন ধরে এরা গ্রাহকদের বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে চলেছে।</p>



<p><strong>৭) বিভিন্ন মতামত শোনা :</strong> হুজুগে কিছু কেনাকাটা করার আগে সবার মতামত (অবশ্যই যারা বিষয় সম্পর্কে জানে) সেটা পক্ষে অথবা বিপক্ষের হলেও শুনে নিন।আপনি অবাক হতে পারেন জেনে যে যখন আপনি নিজে একদম নিশ্চিত সেখানে একটি বিপক্ষের হলেও মূল্যবান মতামত আপনার সিদ্ধান্ত বদল করে দিচ্ছে।এর মানে সবার কথা আর মতামত শুনে তবেই আপনি সব সিদ্ধান্ত নেবেন এমন নয় কিন্তু যাকে ইম্পালসিভ বায়িং বলে তার আগে সবার মতামত শুনে যাচাই করা।( তবে এক্ষেত্রে কিপটে স্বামী /স্ত্রী হলে অন্য কথা।)&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>৮</strong><strong>) </strong><strong>একটু</strong><strong> </strong><strong>নির্লিপ্ত</strong><strong>, </strong><strong>অনাসক্তির</strong><strong> </strong><strong>অভ্যাস</strong> : আপনি গত ৬ মাসের কেনাকাটায় নজর দিলে দেখবেন এর মধ্যে কিছু জিনিস হঠাৎ আবেগ বা হুজুগের মাথায় কিনে ফেলেছেন যেটা না কিনলেও হত।এর কারণ হয়তো সামাজিক চাপ,হয়তো সব বিষয়ে ট্রেন্ডি থাকার আকুল প্রবণতা।এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসলে এবং নিজস্বতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন।এখানে কিন্তু বৈরাগ্যের কথা বলা হচ্ছে না বরং সামাজিক বা অন্যের কথায়&nbsp; চাপ কাটানোর স্বাধীনতা আর স্বকীয়তার প্রতি জোর দিতে বলা হচ্ছে।</p>



<p>এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হচ্ছে যে এই প্রতিবেদন ইনফ্লুয়েন্সারদের বিপক্ষে নয় এবং আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় এদের সুচিন্তিত,পরীক্ষিত মতামতের গুরুত্ব অপরিসীম কিন্তু সেটা কখনই যেন &nbsp;আপনার নিজস্ব বিচারবুদ্ধি এবং প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করে নয়।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/how-to-be-free-from-influencer-advice-and-cultivate-individual-opinion/">ইনফ্লুয়েন্সার প্রভাবে নিজের সঠিক সিদ্ধান্তে আপস করছেন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/how-to-be-free-from-influencer-advice-and-cultivate-individual-opinion/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
