<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Uncategorized -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/category/uncategorized/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 13 Aug 2026 12:53:15 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>Uncategorized -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>পুজোর ফ্যাশন ট্রেন্ডস</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/festive-fashion-trends/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/festive-fashion-trends/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Aug 2026 12:53:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Ethnic]]></category>
		<category><![CDATA[Fashion]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=11074</guid>

					<description><![CDATA[<p>শারদোৎসব মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ আর নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের আনন্দ। তবে ২০২৬ সালের পুজোর</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/festive-fashion-trends/">পুজোর ফ্যাশন ট্রেন্ডস</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শারদোৎসব মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ আর নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের আনন্দ। তবে ২০২৬ সালের পুজোর ফ্যাশন ট্রেন্ড বলছে, শুধুমাত্র জমকালো পোশাক নয়, গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাচ্ছন্দ্য, ব্যক্তিত্ব এবং নিজের সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার ভাবনা। এই বছরের ফ্যাশন জগতে সবচেয়ে বড় ট্রেন্ড হল ‘ফিউশন’—অর্থাৎ ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকের সঙ্গে আধুনিক স্টাইলের মেলবন্ধন।</p>



<p>ফ্যাশন ডিজাইনার অনামিকা খান্না বহুদিন ধরেই ভারতীয় হস্তশিল্প ও ড্রেপিংকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করে আসছেন। তাঁর মতে, আজকের ভারতীয় নারীরা এমন পোশাক চান যা একদিকে যেমন শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখবে, অন্যদিকে হবে সহজ, স্টাইলিশ ও বহুমুখী।</p>



<p>১. প্রি-ড্রেপড শাড়ি: ব্যস্ত জীবনের স্টাইল স্টেটমেন্ট</p>



<p>এই বছরের অন্যতম জনপ্রিয় ট্রেন্ড হল প্রি-ড্রেপড বা রেডি-টু-ওয়্যার শাড়ি। আগে যেখানে শাড়ি পরতে অনেকটা সময় লাগত, এখন জিপার বা হুক লাগানো প্রি-স্টিচড শাড়ি কয়েক মিনিটেই পরে নেওয়া যায়। অষ্টমী বা নবমীর প্যান্ডেল হপিংয়ের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ পছন্দ।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>সলিড রঙের শাড়ির সঙ্গে স্টেটমেন্ট কানের দুল পরুন।</p>



<p>বেল্ট ব্যবহার করলে লুক আরও সমকালীন হবে।</p>



<p>হিলের বদলে কমফোর্টেবল ব্লক হিল বা জুতি বেছে নিন।</p>



<p>২. হ্যান্ডলুমের প্রত্যাবর্তন</p>



<p>ফ্যাশনের দুনিয়ায় আবারও জোরালোভাবে ফিরে এসেছে হ্যান্ডলুম। জামদানি, বালুচরি, ঢাকাই, টাঙ্গাইল, গরদ কিংবা মসলিন—সবকিছুর মধ্যেই এখন নতুন করে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এই পুজোয় বাংলার তাঁতের শাড়ি শুধুমাত্র ঐতিহ্যের প্রতীক নয়, বরং ফ্যাশন স্টেটমেন্টও।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>ভারী গয়নার বদলে অক্সিডাইজড সিলভার বা টেরাকোটা জুয়েলারি পরুন।</p>



<p>চুলে জুঁই বা রজনীগন্ধার মালা যোগ করলে মিলবে চিরন্তন বাঙালি লুক।</p>



<p>৩. জুয়েল টোনের জাদু</p>



<p>এমেরাল্ড সবুজ, নীলা নীল, ওয়াইন, রুবি লাল, ম্যাজেন্টা—এই সব সমৃদ্ধ রঙ এবার পুজোর বাজারে নজর কেড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে এই রঙগুলি অত্যন্ত আকর্ষণীয় দেখায়।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>গাঢ় রঙের শাড়ির সঙ্গে গোল্ড-টোন মেকআপ মানানসই।</p>



<p>একাধিক গয়না না পরে একটি স্টেটমেন্ট নেকপিসেই ভরসা রাখুন।</p>



<p>৪. প্যাস্টেল ও সফট গ্ল্যাম</p>



<p>যাঁরা উজ্জ্বল রঙের বদলে মৃদু সৌন্দর্য পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য প্যাস্টেল শেড এখনও সমান জনপ্রিয়। ডাস্টি পিঙ্ক, ল্যাভেন্ডার, মিন্ট গ্রিন, পাউডার ব্লু এবং আইভরি এই বছরের ফ্যাশন তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>ডিউই মেকআপ ও ন্যুড লিপস্টিক বেছে নিন।</p>



<p>মুক্তোর গয়না বা মিনিমাল ডায়মন্ড জুয়েলারি এই লুকের সঙ্গে দারুণ মানায়।</p>



<p>৫. মেটালিক অ্যাকসেন্ট: উৎসবের ঝলক</p>



<p>সোনালি, রুপালি বা অ্যান্টিক মেটালিক ডিটেলিং এখন শুধু বিয়ের পোশাকেই সীমাবদ্ধ নয়। কুর্তা, ব্লাউজ, জ্যাকেট এমনকি শাড়িতেও মেটালিক অ্যাকসেন্ট দেখা যাচ্ছে।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>যদি পোশাকে মেটালিক কাজ থাকে, তবে মেকআপ তুলনামূলকভাবে হালকা রাখুন।</p>



<p>মেটালিক ক্লাচ বা পটলি ব্যাগ লুককে সম্পূর্ণ করবে।</p>



<p>৬. ইন্দো-ওয়েস্টার্ন ফিউশন</p>



<p>ধুতি প্যান্টের সঙ্গে লং কুর্তা, ক্রপ টপের সঙ্গে শাড়ি, কেপ-স্টাইল ব্লাউজ কিংবা জ্যাকেট-শাড়ি—সবই এখন ট্রেন্ডে। তরুণীদের মধ্যে এই ফিউশন লুক বিশেষ জনপ্রিয়।</p>



<p>স্টাইল টিপস:</p>



<p>নবমীর আড্ডা বা রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য এই লুক আদর্শ।</p>



<p>স্নিকার্সের সঙ্গে ফিউশন পোশাক পরলে মিলবে আধুনিক ও আরামদায়ক স্টাইল।</p>



<p>বিশেষজ্ঞের পরামর্শ</p>



<p>কলকাতার ফ্যাশন স্টাইলিস্টদের মতে, “এই পুজোয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজের শরীরের গঠন, বয়স ও ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করা। ট্রেন্ড অনুসরণ করা ভালো, কিন্তু অন্ধভাবে নয়। যে পোশাকে আপনি আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন, সেটাই আপনার জন্য সেরা ফ্যাশন।”</p>



<p>শেষ কথা</p>



<p>ফ্যাশন কখনও শুধু পোশাক নয়, বরং নিজেকে প্রকাশ করার ভাষা। তাই এবারের পুজোয় ট্রেন্ডকে অনুসরণ করুন, কিন্তু নিজের স্বকীয়তাকে হারিয়ে নয়। ঐতিহ্যের রঙে আধুনিকতার ছোঁয়া মিশিয়ে তৈরি করুন আপনার নিজস্ব উৎসবের স্টাইল। কারণ সবচেয়ে সুন্দর পোশাক সেইটিই, যা পরলে আপনার মুখে ফুটে ওঠে আত্মবিশ্বাসের হাসি।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/festive-fashion-trends/">পুজোর ফ্যাশন ট্রেন্ডস</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/festive-fashion-trends/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৫টি উপায়ে ল্যামিনেটসের স্টাইল আর কার্যকারিতায় আপনার বাড়ি সাজান</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/5-ways-to-decorate-your-home-with-style-and-functionality-of-laminates/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/5-ways-to-decorate-your-home-with-style-and-functionality-of-laminates/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 12 May 2026 09:35:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Grihosojja]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[bedroom design]]></category>
		<category><![CDATA[cabinet design]]></category>
		<category><![CDATA[century laminates]]></category>
		<category><![CDATA[century ply]]></category>
		<category><![CDATA[interior design]]></category>
		<category><![CDATA[interior design application]]></category>
		<category><![CDATA[living room design]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=10665</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঘর সংস্কার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের কাজে ল্যামিনেটস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/5-ways-to-decorate-your-home-with-style-and-functionality-of-laminates/">৫টি উপায়ে ল্যামিনেটসের স্টাইল আর কার্যকারিতায় আপনার বাড়ি সাজান</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজের ঘরকে সুন্দর করে সাজিয়ে একটি নিখুঁত ও স্বপ্নের মতো বাসস্থানে পরিণত করতে কে না চায়? তবে সমাজের এক বিশাল অংশের পক্ষেই অন্দরসজ্জার&nbsp; আকাশচুম্বী খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। কিন্তু দামি ডিজাইনই একমাত্র সমাধান নয়। সাশ্রয়ী অথচ মার্জিত পণ্যের মাধ্যমে আপনি আপনার বাজেটেই ঘরকে করে তুলতে পারেন রাজকীয়।</p>



<p>স্থায়িত্ব, সহজ রক্ষণাবেক্ষণ, বহুমুখী ব্যবহার এবং চমৎকার রূপমাধুর্যের কারণে বর্তমানে ঘর সংস্কার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের কাজে ল্যামিনেটস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>



<p><strong>৫টি</strong><strong> </strong><strong>উপায়ে</strong><strong> </strong><strong>আপনার</strong><strong> </strong><strong>বাড়ি</strong><strong> </strong><strong>ল্যামিনেটস</strong><strong> </strong><strong>দিয়ে</strong><strong> </strong><strong>সাজিয়ে</strong><strong> </strong><strong>তুলুন</strong></p>



<p>ব্যয়বহুল ইন্টেরিয়র ডিজাইনের এক চমৎকার বিকল্প হলো ল্যামিনেটস।&nbsp; ডেকরেটিভ ল্যামিনেট আপনার বাজেটের মধ্যেই ঘরকে দেয় এক পরিশীলিত ও স্টাইলিশ লুক। এই ল্যামিনেট শিটগুলো বিভিন্ন প্যাটার্ন, রঙ এবং ডিজাইনে পাওয়া যায়, যা পুরো ঘরের সাজে অনন্য মাত্রা যোগ করতে পারে। আপনার সৃজনশীলতা আর বৈচিত্র্যময় ল্যামিনেট ডিজাইন ব্যবহার করে ঘরকে করে তুলুন স্বপ্নের মতো সুন্দর।আপনার ঘরকে আরও অভিজাত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ল্যামিনেট শিট ব্যবহারের পাঁচটি কার্যকরী টিপস :</p>



<p><strong>১) বেডরুমে</strong><strong> </strong><strong>যোগ</strong><strong> </strong><strong>করুন</strong><strong> </strong><strong>নিজস্বতার</strong><strong> </strong><strong>ছোঁয়া</strong><strong></strong></p>



<p>বেডরুম হলো আপনার ঘরের ভেতরের এমন একটি জায়গা, যা আরাম ও স্বস্তির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।তাই এই ঘরের প্রশান্তি ও আরামের মাত্রা বাড়াতে নিজস্ব রুচির ছোঁয়া থাকা প্রয়োজন। আর আপনার সৃজনশীলতার সাথে ডেকরেটিভ ল্যামিনেটস এই কাজটি করবে নিখুঁতভাবে। বেডরুমের জন্য হালকা বা স্নিগ্ধ রঙের&nbsp; ল্যামিনেট শিট বেছে নিন এবং খেয়াল রাখুন সেগুলো যেন আপনার ঘরের দেয়ালের রঙের সাথে মানানসই হয়। আপনি চাইলে হালকা রঙের ল্যামিনেট ব্যবহার করতে পারেন যা ঘরের প্রাকৃতিক আলো প্রতিফলিত করে ঘরকে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এটি আপনার ঘরে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করবে এবং আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটিয়ে ঘরকে দেবে এক অনন্য আভিজাত্য।</p>



<p><strong>২) লিভিং</strong><strong> </strong><strong>রুমে</strong><strong> </strong><strong>আনুন</strong><strong> </strong><strong>নান্দনিক</strong><strong> </strong><strong>আভিজাত্য</strong><strong></strong></p>



<p>একটি লিভিং রুম বা বসার ঘর পরিবারের প্রতিটি সদস্যের রুচি ও ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটায়। এই ঘরের সাজসজ্জাই বলে দেয় একটি পরিবারের অনন্য বৈশিষ্ট্যের কথা। বিভিন্ন রঙ, নকশা ও প্যাটার্নের ডেকরেটিভ ল্যামিনেটস ব্যবহার করে আপনার লিভিং রুমে নান্দনিকতা ফুটিয়ে তোলার অনেক উপায় রয়েছে। পুরোনো আসবাবপত্র বা ঘরের থামে ল্যামিনেট শিট ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই বসার ঘরে এক ভিন্নধর্মী ও অনন্য লুক নিয়ে আসতে পারেন। আবার ঘরকে ছিমছাম বা মিনিমালিস্ট দেখাতে হালকা রঙের ল্যামিনেট বেছে নিতে পারেন। এমনকি দেয়ালের গতানুগতিক রঙের বদলে ল্যামিনেট ব্যবহার করে আপনি আপনার ঘরকে দিতে পারেন এক রুচিশীল ও শৈল্পিক রূপ।</p>



<p><strong>৩) বইয়ের</strong><strong> </strong><strong>তাকে</strong><strong> </strong><strong>আনুন</strong><strong> </strong><strong>সৃজনশীলতার</strong><strong> </strong><strong>ছোঁয়া</strong><strong></strong></p>



<p>আপনার ঘরের একটি বইয়ের তাক আপনার পাঠ্যরুচি এবং সৃজনশীলতা,উভয়কেই ফুটিয়ে তোলে। বিভিন্ন শেডের ল্যামিনেট ব্যবহার করে আপনার বুকশেল্ফটিকে সাজালে তা এক স্নিগ্ধ ও অনন্য রূপ পাবে। তাকের ভেতরের অংশে ল্যামিনেট ব্যবহার করে আপনি একে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। তাই আপনার বুকশেল্ফের&nbsp; ব্যাকগ্রাউন্ড বা পটভূমি তৈরিতে &nbsp;রাস্টিক ল্যামিনেট কিংবা সলিড কালার ল্যামিনেট ব্যবহার করে একে অনন্য করে তুলুন। শুধু বুকশেল্ফই নয়, ঘরের প্রতিটি আসবাবপত্রে ল্যামিনেট ব্যবহার করে আপনি পুরো ঘরকে দিতে পারেন এক আভিজাত্যপূর্ণ ও আধুনিক ছোঁয়া।</p>



<p><strong>৪) অবশিষ্ট</strong><strong> </strong><strong>ল্যামিনেট</strong><strong> </strong><strong>দিয়ে</strong><strong> </strong><strong>দেখান</strong><strong> </strong><strong>আপনার</strong><strong> </strong><strong>মুন্সিয়ানা</strong><strong></strong></p>



<p>ঘর সংস্কারের পর অনেক সময় ল্যামিনেটের ছোট ছোট টুকরো বেঁচে যায়, যা সাধারণত কোনো কাজে লাগে না বলে আমরা মনে করি। কিন্তু এই ছাঁটাই করা অংশগুলো ফেলে না দিয়ে কেন নিজের সৃজনশীলতা দিয়ে সেগুলোকে নতুন রূপ দেবেন না? এই অবশিষ্ট টুকরোগুলো সংগ্রহ করুন এবং আপনার কল্পনাশক্তি কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু তৈরি করুন।আপনি চাইলে ইন্টারনেটের সাহায্য নিতে পারেন অথবা নিজের পছন্দমতো ফটো ফ্রেম, কোস্টার&nbsp; এবং আরও অনেক শৌখিন জিনিস তৈরি করে ঘর সাজাতে পারেন।</p>



<p><strong>৫) আপনার</strong><strong> </strong><strong>একঘেয়ে</strong><strong> </strong><strong>স্টোরেজ</strong><strong> </strong><strong>রুমকেও</strong><strong> </strong><strong>করে</strong><strong> </strong><strong>তুলুন</strong><strong> </strong><strong>দৃষ্টিনন্দন</strong><strong></strong></p>



<p>বাড়ির সবচেয়ে অবহেলিত জায়গাটি সম্ভবত হলো স্টোরেজ রুম। বাড়তি জিনিসপত্র আগলে রেখে এটি আপনার ঘরকে অগোছালো হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। তবে আপনি চাইলে আপনার সৃজনশীলতা আর ল্যামিনেট ব্যবহার করে এই ঘরটিকেও সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে পারেন। স্টোরেজ ক্যাবিনেট বা আলমারিতে এই ল্যামিনেট শিটগুলো ব্যবহার করে সেগুলোকে দিতে পারেন এক নতুন রূপ। এছাড়া কমপ্যাক্ট ল্যামিনেটস&nbsp; ব্যবহার করে আপনি প্রয়োজনীয় জিনিস রাখার হোল্ডার বা ছোট র&#x200d;্যাক তৈরি করে নিতে পারেন।</p>



<p><strong>এক</strong><strong> </strong><strong>নজরে</strong><strong></strong></p>



<p>আর দেরি না করে আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান এবং সেঞ্চুরি ল্যামিনেটসের সঙ্গে আপনার ঘরকে নতুন করে সাজিয়ে তুলুন। ঘর সাজানোর জন্য তাদের কাছে রয়েছে ল্যামিনেটের এক বিশাল সম্ভার। শুধু তাই নয়, এই ল্যামিনেটগুলোতে রয়েছে ভাইরোকিল প্রযুক্তি, যা আপনার ঘরের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে। সেঞ্চুরি ল্যামিনেটস এবং আপনার সৃজনশীলতা মিলে আপনার বাজেটেই ঘরকে দেবে এক আধুনিক ও স্টাইলিশ লুক। আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন সেঞ্চুরি প্লাইয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। <a href="https://www.centuryply.com/">https://www.centuryply.com/</a></p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/5-ways-to-decorate-your-home-with-style-and-functionality-of-laminates/">৫টি উপায়ে ল্যামিনেটসের স্টাইল আর কার্যকারিতায় আপনার বাড়ি সাজান</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/5-ways-to-decorate-your-home-with-style-and-functionality-of-laminates/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১০ টি আপাত অচেনা বেড়ানো</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/10-hitherto-uncommon-travel-spots-in-india/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/10-hitherto-uncommon-travel-spots-in-india/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 11:07:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Baire-Dure]]></category>
		<category><![CDATA[Deshe-Bideshe]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9649</guid>

					<description><![CDATA[<p>মেঘে মোড়া,গিরিখাত,নদী দ্বীপ, জলপ্রপাত,গুপ্ত কাশী,আশ্চর্য সিঁড়ির কুয়ো...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/10-hitherto-uncommon-travel-spots-in-india/">১০ টি আপাত অচেনা বেড়ানো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কোথায় বেড়াতে যাবো মনে করলেই চেনা পাহাড়,সমুদ্র,তাজমহল, জয়পুর,কেরালা কিংবা দার্জিলিং এই পরিচিত নামগুলোই প্রথম মনে আসে। কিন্তু এদেশের অজস্র অপরূপ কোণে এখনো বহু অজানা সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে, যা পর্যটকদের পদচারণার অপেক্ষায়। এই সে অর্থে অপ্রচলিত ভ্রমণস্থলগুলোয় রয়েছে প্রকৃতির নিভৃত সুধা, স্থানীয় সংস্কৃতির আসল রঙ, আর এক অন্যরকম অভিজ্ঞতার স্বাদ,যা প্রচলিত গন্তব্যগুলির বাইরে গিয়ে ভারতের প্রকৃত বৈচিত্র্যকে চিনিয়ে দেয়।</p>



<p>এমন ১০ টি অপূর্ব সুন্দর ট্যুরিস্ট স্পটের হদিশ রইল –</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="1024" height="602" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/zuluk-raw.png-rem-t.png-thr-1024x602.png" alt="" class="wp-image-9652" style="aspect-ratio:1.7009966777408638;width:542px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/zuluk-raw.png-rem-t.png-thr-1024x602.png 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/zuluk-raw.png-rem-t.png-thr-300x176.png 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/zuluk-raw.png-rem-t.png-thr-768x452.png 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/zuluk-raw.png-rem-t.png-thr.png 1080w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -আডোব স্টক</figcaption></figure>



<p><strong>১. জুলুক (সিকিম</strong>)</p>



<p>বিশেষত্ব: পুরনো সিল্ক রুটের কোলে অবস্থিত ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম জুলুক একসময় ছিল তিব্বত ও ভারতের বাণিজ্য পথের অংশ। আজ এটি মেঘে মোড়া, নিস্তব্ধ অথচ অপূর্ব সুন্দর এক গন্তব্য।</p>



<p>দর্শনীয় স্থান: থাম্বি ভিউ পয়েন্ট, নাথাং ভ্যালি, কুপুপ লেক।</p>



<p>যাতায়াত: গ্যাংটক থেকে প্রায় ৯০ কিমি, গাড়িতে প্রায় ৪ ঘণ্টা। পারমিট প্রয়োজন।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা: স্থানীয় হোমস্টে বা ছোট গেস্টহাউস। সাধারণ কিন্তু আতিথেয়তায় ভরা।</p>



<p>সেরা সময়: মার্চ–জুন ও সেপ্টেম্বর–নভেম্বর।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img decoding="async" width="1024" height="576" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Tosh-Feature.jpg-trave.jpg-thr-1024x576.jpg" alt="" class="wp-image-9656" style="aspect-ratio:1.7777777777777777;width:515px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Tosh-Feature.jpg-trave.jpg-thr-1024x576.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Tosh-Feature.jpg-trave.jpg-thr-300x169.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Tosh-Feature.jpg-trave.jpg-thr-768x432.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Tosh-Feature.jpg-trave.jpg-thr.jpg 1366w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- ট্র্যাভেল্যান্ডলিজারএশিয়া</figcaption></figure>



<p><strong>২. তোশ গ্রাম (হিমাচল প্রদেশ)</strong></p>



<p>বিশেষত্ব: পার্বতী ভ্যালির অন্তরালে অবস্থিত তোশ প্রকৃতির শান্ত কোলে। গিরিখাতের মাঝে ছোট কাঠের বাড়ি, স্বচ্ছ নদী আর পাইনবনের গন্ধে মন ভরে যায়।</p>



<p>দর্শনীয় স্থান: তোশ ঝরনা, কাসোল ও খীরগঙ্গা ট্রেকের প্রান্তে এই গ্রাম।</p>



<p>যাতায়াত: ভুনতার বিমানবন্দর থেকে কসোল হয়ে গাড়িতে পৌঁছানো যায়।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা: ক্যাফে, হোস্টেল, ও হোমস্টে, ব্যাকপ্যাকারদের জন্য আদর্শ।</p>



<p>সেরা সময়: এপ্রিল থেকে অক্টোবর।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img decoding="async" width="688" height="370" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Chopta.png" alt="" class="wp-image-9659" style="aspect-ratio:1.8594594594594596;width:535px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Chopta.png 688w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Chopta-300x161.png 300w" sizes="(max-width: 688px) 100vw, 688px" /></figure>



<p><strong>৩. চোপতা (উত্তরাখণ্ড)</strong></p>



<p>বিশেষত্ব: হিমালয়ের কোলে থাকা এই গ্রামটি “মিনি সুইজারল্যান্ড অফ ইন্ডিয়া” নামে পরিচিত হলেও এখনো পর্যটকদের কাছে তুলনামূলকভাবে অজানা।</p>



<p>দর্শনীয় স্থান: তুংনাথ মন্দির (বিশ্বের সর্বোচ্চ শিবমন্দির), চন্দ্রশিলা ট্রেক, কেদারনাথ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।</p>



<p>যাতায়াত: ঋষিকেশ বা হরিদ্বার থেকে গাড়িতে প্রায় ৮ ঘণ্টার পথ।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা: ক্যাম্প, টেন্ট, লজ। ট্রেকারদের জন্য আদর্শ।</p>



<p>সেরা সময়: এপ্রিল–জুন ও সেপ্টেম্বর-নভেম্বর।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1000" height="565" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Majuli-River-Island-Assam-Tourist-Spots-1000x565-1.jpg" alt="" class="wp-image-9662" style="aspect-ratio:1.7699115044247788;width:532px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Majuli-River-Island-Assam-Tourist-Spots-1000x565-1.jpg 1000w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Majuli-River-Island-Assam-Tourist-Spots-1000x565-1-300x170.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Majuli-River-Island-Assam-Tourist-Spots-1000x565-1-768x434.jpg 768w" sizes="(max-width: 1000px) 100vw, 1000px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- মেঘালয়াট্যুর ডট কম</figcaption></figure>



<p><strong>৪. মজুলি দ্বীপ (অসম)</strong></p>



<p>বিশেষত্ব: ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকে গঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নদী-দ্বীপ। এখানে আজও বেঁচে আছে বৈষ্ণব ধর্মীয় সংস্কৃতি, সত্রিয়া নৃত্য ও প্রাচীন কারুশিল্প।</p>



<p>দর্শনীয় স্থান: কামলাবাড় সত্র, গরমুর সত্র, মিসিং উপজাতির গ্রাম।</p>



<p>যাতায়াত: জোরহাট থেকে ফেরিতে পৌঁছানো যায়।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা: ইকো-রিসোর্ট ও হোমস্টে, নদীর ধারে মনোরম পরিবেশে।</p>



<p>সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="700" height="300" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/koraput-tour.jpg" alt="" class="wp-image-9668" style="aspect-ratio:2.3333333333333335;width:533px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/koraput-tour.jpg 700w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/koraput-tour-300x129.jpg 300w" sizes="(max-width: 700px) 100vw, 700px" /></figure>



<p><strong>৫. কোরাপুট</strong></p>



<p>বিশেষত্ব: ওড়িশার কোরাপুট জেলার অন্তরালে থাকা এই উপত্যকা পর্যটন মানচিত্রে এখনো প্রায় অজানা। ঘন বন, পাহাড়, জলপ্রপাত ও আদিবাসী সংস্কৃতিতে ভরপুর এই অঞ্চল প্রকৃতি ও নৃতত্ত্বপ্রেমীদের জন্য অমূল্য সম্পদ।</p>



<p>দর্শনীয় স্থান: দুধুমা ঝরনা, কোরাপুট জঙ্গল, স্থানীয় ট্রাইবাল হাট।</p>



<p>যাতায়াত: বিশাখাপট্টনম বা জগদলপুর থেকে রেল ও গাড়িতে পৌঁছানো যায়।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা: স্থানীয় সরকার পরিচালিত রেস্ট হাউস ও ট্রাইবাল হোমস্টে।</p>



<p>সেরা সময়: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="334" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/munsiyari-geography.jpg" alt="" class="wp-image-9671" style="aspect-ratio:1.4970059880239521;width:546px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/munsiyari-geography.jpg 500w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/munsiyari-geography-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure>



<p><strong>৬. মুন্সিয়ারি</strong></p>



<p>বিশেষত্ব: উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুনের পাহাড় গঞ্জ মুন্সিয়ারি অপূর্ব নৈসর্গিক পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ।নৈনিতাল থেকে ২৬০ কিমি দূরে।মুন্সিয়ারি আসার পথে দর্শণীয় রামগঙ্গা নদী।দেখুন কালামুনি পাস যার মাথায় কালামুনি আশ্রম যেখান থেকে পঞ্চচুল্লি হিমশৃঙ্গ পাহাড়ের গায়ে মুন্সিয়ারি গঞ্জের দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবেন।</p>



<p>দ্রষ্টব্য :ট্রাইবাল মিউজিয়াম,নন্দাদেবীর মন্দির</p>



<p>যাতায়াত : হাওড়া থেকে কাঠগোদাম ট্রেন।সেখান থেকে নৈনিতাল।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা : কুমায়ুন মন্ডল বিকাশ নিগম ট্যুরিস্ট লজ,বিজয় মাউন্ট ভিউ রিসর্ট,ওক হিল রিসর্ট।</p>



<p>সেরা সময়: মার্চ-জুন,সেপ্টেম্বর -নভেম্বর।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Landour-1024x768.jpg" alt="" class="wp-image-9673" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:516px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Landour-1024x768.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Landour-300x225.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Landour-768x576.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Landour.jpg 1369w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- ট্র্যাভেলশুবাম ডট কম</figcaption></figure>



<p><strong>৭) ল্যান্ডর</strong></p>



<p>বিশেষত্ব :মুসৌরির ঠিক পাশে নিঝুম নির্জন নিরালা পাহাড়ি জনপদ ল্যান্ডর।রাসকিন বন্ড এখানে থাকেন।মুসৌরি থেকে একবেলা ঘুরে না গিয়ে পাহাড়ি নৈঃশব্দ উপভোগ করতে ল্যান্ডর আপনার অসাধারণ ভালো লাগবেই।</p>



<p>দ্রষ্টব্য:কেলগস মেমোরিয়াল চার্চ,সিস্টার্স বাজার,ল্যান্ডর বেকহাউস,অনিল প্রকাশ স্টোরের হোমমেড&nbsp; জ্যাম,পিনাট বাটার,চিজ,এমিলিস,সেন্ট পল চার্চ।</p>



<p>যাতায়াত :দেরাদুন থেকে মুসৌরি হয়ে।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা : লা ভিলা বেথানি,রকেবি ম্যানর,জোস্টেল।</p>



<p>সেরা সময় :মার্চ- জুন,সেপ্টেম্বর -নভেম্বর।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="541" height="306" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/maheswar.png" alt="" class="wp-image-9676" style="aspect-ratio:1.7679738562091503;width:532px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/maheswar.png 541w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/maheswar-300x170.png 300w" sizes="(max-width: 541px) 100vw, 541px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি-এমপিটিডিসি</figcaption></figure>



<p><strong>৮) মহেশ্বর</strong></p>



<p>বিশেষত্ব :মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে ৯২ কিমি দূরে অতীতের মাহিষ্মতী এই মহেশ্বর।দুর্ভেদ্য দুর্গপ্রাসাদ,নানামহল,রানী অহল্যাবাঈয়ের সিংহাসন,শিবমন্দির,রঙিন নৌকায় বোটিং,রাজরাজেশ্বর মন্দির&nbsp;</p>



<p>দ্রষ্টব্য:আহিলেশ্বর মন্দির,অহল্যাবাই ঘাট,সহস্রধারা,কাশীবিশ্বনাথ মন্দির,কুইন্স ফোর্ট।</p>



<p>যাতায়াত :হাওড়া থেকে ট্রেনে ইন্দোর,সেখান থেকে সড়কপথে।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা : নর্মদা নদীর পাশে মধ্যপ্রদেশ ট্যুরিস্ট লজ ,কাঞ্চন রিক্রিয়েশন। সেরা সময় : অক্টবর&nbsp; থেকে মার্চ।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="751" height="463" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Moluti.png" alt="" class="wp-image-9680" style="aspect-ratio:1.6220302375809936;width:547px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Moluti.png 751w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/Moluti-300x185.png 300w" sizes="(max-width: 751px) 100vw, 751px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -হিন্দুটেম্পলইন্ডিয়া </figcaption></figure>



<p><strong>৯) মলুটি </strong></p>



<p>বিশেষত্ব :বাংলা ঝাড়খন্ড সীমানায় দুমকা জেলার গ্রাম মলুটি।এই গ্রামকে &#8216;গুপ্ত কাশী&#8217; বলা হয়।</p>



<p>দ্রষ্টব্য:অপূর্ব টেরাকোটা মন্দির।এখন ৭২টি মন্দির আছে।বিষ্ণুপুর শিল্পীদের তৈরি এই মন্দিরগুলোয় রামায়ণ মহাভারতের কাহিনী দেওয়াল জুড়ে।প্রাচীন মন্দিরের মধ্যে অন্যতম দেবী মৌলিক্ষা মন্দির।সাধক বামাখ্যাপা এই মন্দিরে বসে সাধনা করেছিলেন।</p>



<p>যাতায়াত :মলুটি রামপুরহাট থেকে ১৬কিমি।</p>



<p>থাকার ব্যবস্থা : রামপুরহাট হোটেল বীরভূম ইন্টারন্যাশনাল,ল্যারিকা হলিডে ইন।</p>



<p>সেরা সময় : অক্টবর &#8211; মার্চ।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="752" height="487" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/chand-baori.png" alt="" class="wp-image-9684" style="aspect-ratio:1.5441478439425051;width:531px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/chand-baori.png 752w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/11/chand-baori-300x194.png 300w" sizes="(max-width: 752px) 100vw, 752px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- ট্র্যাভেলিংক্যামেরা ডট কম<br><strong>১০) চাঁদ বাওড়ি </strong>   <br>বিশেষত্ব :নবম শতাব্দের এই আশ্চর্য কুয়োর নির্মাণ।এর প্রতি পরতে চাঁদের আলো নামে।রানীদের জন্য গ্রীষ্মকালে জলে ভোরে থাকতো আর বসন্তের বিকেলে এর সিঁড়ির ধাপগুলোতে বসত গল্পের আসর।কুয়োর সিঁড়িগুলো জ্যামিতিক আকারে তৈরি।ভারতের অন্যতম বিখ্যাত এই স্টেপওয়েল।হলিউডের ছবি &#8216;ডার্ক নাইট রাইজেস&#8217; ছবির শুটিং হয়েছে এখানে। পূর্ণিমা রাতের সৌন্দর্য অপূর্ব।<br>যাতায়াত : রাজস্থানের জয়পুর থেকে একটি নির্দিষ্ট স্থান অবধি গাড়ি আর সেখান থেকে হেঁটে।<br>থাকার ব্যবস্থা : বোনশ্রায়া সিসোর্ট সরিস্কা,সূর্য ভিলা অভিনেরি।<br>সেরা সময় : অক্টবর &#8211; মার্চ।<br> </figcaption></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/10-hitherto-uncommon-travel-spots-in-india/">১০ টি আপাত অচেনা বেড়ানো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/10-hitherto-uncommon-travel-spots-in-india/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শ্যাম সুন্দর জুয়েলার্সের পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়া অফার</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/shyam-sundar-co-jewellers-poyla-baishkah-akshay-tritiya-offer/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/shyam-sundar-co-jewellers-poyla-baishkah-akshay-tritiya-offer/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Apr 2025 07:06:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Fashion]]></category>
		<category><![CDATA[Goynagati]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[akshay tritiya jewellery offer]]></category>
		<category><![CDATA[Poyla Baishakh]]></category>
		<category><![CDATA[Shyam Sundar Co Jewellers]]></category>
		<category><![CDATA[shyam sundar jewellers]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8670</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রখ্যাত গয়না নির্মাতা শ্যামসুন্দর কোং জুয়েলার্স প্রতিবছরের মতন এবারেও নিবেদন করছেন নববর্ষের অফার। ১৫ এপ্রিল</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/shyam-sundar-co-jewellers-poyla-baishkah-akshay-tritiya-offer/">শ্যাম সুন্দর জুয়েলার্সের পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়া অফার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রখ্যাত গয়না নির্মাতা শ্যামসুন্দর কোং জুয়েলার্স প্রতিবছরের মতন এবারেও নিবেদন করছেন নববর্ষের অফার। ১৫ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সে উদযাপিত হচ্ছে শুভ পয়লা বৈশাখ ও শুভ অক্ষয় তৃতীয়া অফার।</p>



<p>পৌরাণিক মতে অক্ষয় তৃতীয়া দিনটিকে অত্যন্ত শুভ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে এই দিনটি পালিত হয়। শাস্ত্র মতে, অক্ষয় তৃতীয়া সুখ প্রদানকারী এবং পাপনাশকারী তিথি। এটি অফুরন্ত সুখ ও সমৃদ্ধির তৃতীয় দিন। মহাভারত অনুসারে, এই দিনে যখন পাণ্ডবরা বনবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীর হাতে অক্ষয় পাত্র তুলে দিয়েছিলেন। এই অক্ষয় পাত্র কখনও খালি হত না। তা সবসময়ই খাবারে পব়িপূর্ণ হয়ে যেত। কিংবদন্তি অনুসারে, এই দিনেই মুনি বেদব্যাস গণেশকে মহাভারত বলতে শুরু করেন আর সেই শুনে গণেশ মহাভারত মহাকাব্য লিখতে শুরু করেন। শোনা যায়, অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই রাজা ভগীরথের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে গঙ্গা মর্ত্যে নেমে এসেছিলেন। আবার এই দিনেই মা অন্নপূর্ণারও জন্ম হয়। এমনকী অক্ষয় তৃতীয়ায় কুবেরের লক্ষ্মীলাভ হওয়ায় এদিন বৈভব ও লক্ষ্মীর পুজো করা হয়। এই সবকিছুই খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। সেই অনুযায়ী এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। অক্ষয় তৃতীয়ায় দেবী লক্ষ্মীর পুজোরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই এই দিনে সোনা, রূপা বা কোনও মূল্যবান গয়না কেনাও শুভ বলেই ধরা হয়।</p>



<p>প্রতিবছরের মতো এবারও শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সে শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উদযাপন হচ্ছে। এই সময় সমস্ত গ্রাহকদের জন্য থাকছে বিশেষ অফার, সঙ্গে সোনা ও হিরের নতুনত্ব ও অভিনব সম্ভার থেকে নিজেদের পছন্দসই গয়না কিনে এই উৎসব উদযাপনের সুযোগ।</p>



<p>শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সে শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে যেসকল অফার রয়েছে:</p>



<p>প্রতি কেনাকেটার সঙ্গে নিশ্চিত উপহার</p>



<p>সোনার গয়নায় প্রতি গ্রামে ₹৪১০ ছাড়।</p>



<p>হিরের গয়নার মজুরিতে ১০০% ছাড়।</p>



<p>এছাড়া</p>



<p>মেগা ড্রতে ৩টি স্কুটি।</p>



<p>সব মিলিয়ে অক্ষয় তৃতীয়ায় গ্রাহকদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় উপহারের ডালি সাজিয়ে রাখছে শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স। এছাড়া সোনায় সোহাগা (সোনা ও হিরের গয়না কেনাকাটার জন্য স্পেশাল ডিসকাউন্ট স্কিম) ও পুরোনো সোনার গয়না দিয়ে নতুন গয়না কেনার সুযোগও থাকছে।</p>



<p>শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে, প্রেস প্রিভিউ-তে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী- ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জনপ্রিয় অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত ও সংস্থার ডিরেক্টর অর্পিতা এবং রূপক সাহা।</p>



<p>এই প্রতিষ্ঠানের অক্ষয় তৃতীয়া স্পেশাল সোনা ও হিরের গয়না&nbsp; আজ সবার সামনে তুলে ধরা হয়।</p>



<p>ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন ,”শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স সবসময় আমার নিজস্ব স্টোর । আমার এবং আমার মায়ের অধিকাংশ জুয়েলারি এখান থেকেই নেওয়া l আমার মায়ের ট্র্যাডিশনাল জুয়েলারি সাথে শক্তিরূপেনী কালেকশন খুব পছন্দ ছিলো, আর আমার সব সময়ের পছন্দের হলো শ্যাম সুন্দরের নিজের তৈরি এক্সক্লুসিভ আদি-কৃতি, বিষ্ণুপুর এবং সমুদ্র কালেকশন” ।</p>



<p>শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের সমস্ত গ্রাহক বন্ধুদের শুভ নববর্ষ ও অক্ষয় তৃতীয়ার অনেক শুভেচ্ছা জানান প্রখ্যাত অভিনেতা ইন্দ্রনীল, এবং সেই সঙ্গে এই উৎসবকে আরও উজ্জ্বল ও আনন্দময় করারও কামনা করেন ।</p>



<p>শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর রূপক সাহা বলেন-&nbsp; “প্রকৃতির অক্ষয় সম্পদে আমরা সবাই ধনী। অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্য দিনে সবাই মিলে চাইবো আমাদের প্রকৃতি সহ সব সম্পদ অক্ষয় থাকুক। তাহলেই আমাদের জীবনে সত্যিকারের সমৃদ্ধি ও শান্তি আসবে।”</p>



<p>&nbsp;&#8221;আমরা সবাই জানি, সোনা খুবই শুভ ধাতু । তাই এরকম শুভ দিনে সোনা কিনে তার উজ্জ্বল ছটা আমাদের জীবনে, পরিবারে পব়িপূর্ণ করতে সকলেই চাই। এতে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি আসে। এবছর অক্ষয় তৃতীয়ায় হিরে ও সোনার নতুন নতুন কালেকশনে আমাদের শোরুম ঝলঝল করছে। এছাড়া প্রতিবছরের মতো প্রচুর উপহার ও অফারও থাকছে।&#8217; -জানালেন শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর আরেক ডিরেক্টর অর্পিতা সাহা।</p>



<p>শুভ অক্ষয় তৃতীয়া অফারটি ১৫ এপ্রিল থেকে ৩ মে&nbsp; পর্যন্ত শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের কলকাতার (গড়িয়াহাট, বেহালা ও বারাসত) এবং ২২ এপ্রিল থেকে ৩ মে ত্রিপুরার (আগরতলা, ধর্মনগর ও উদয়পুর) সব কটি শোরুমেই চলবে। সব ধরনের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করা হবে। এছাড়া এই সময় সব শোরুমই পূর্ণ দিবস খোলা থাকবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/shyam-sundar-co-jewellers-poyla-baishkah-akshay-tritiya-offer/">শ্যাম সুন্দর জুয়েলার্সের পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়া অফার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/shyam-sundar-co-jewellers-poyla-baishkah-akshay-tritiya-offer/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Feb 2025 12:26:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8360</guid>

					<description><![CDATA[<p>সুমনা আদক পরম্পরা ঐতিহ্য মেনে&#160; বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছে আপামর বাঙালি। বাঙালির শিল্পকলা সৌন্দর্য ঘিরে রেখেছে</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/">কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সুমনা আদক</strong></p>



<p>পরম্পরা ঐতিহ্য মেনে&nbsp; বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছে আপামর বাঙালি। বাঙালির শিল্পকলা সৌন্দর্য ঘিরে রেখেছে নিজের পরিচিতিকে, স্বদেশের ছিটেফোঁটা রয়েছে পরদেশের কোনো এক আরবাড়ি সেন্টারে। যেখানে একছাদের নিচে একঝাঁক বাঙালির হাসি আনন্দ আড্ডার খুনসুটি চোখে না দেখলে কেউ বলতে পারবেন না এটাকে বিলেতের বাঙালিদের পুজো বলে। হ্যাঁ, লন্ডনের আরবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার কেমব্রিজ এর একেবারে মাঝবরাবরে অবস্থিত। খুদে থেকে বড়দের মিলন ক্ষেত্র এবারের সরস্বতী পুজোর মঞ্চ। চোখধাঁধানো শহরে সনাতনী রীতিতে পুজো-অর্চনা সাজানো- গোছানো ব্যাপার সত্যিই ভালোলাগারই কথা।পাশাপাশি আতিথেয়তার কোনো ত্রুটি ছিল না বিন্দুমাত্র।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="768" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-768x1024.jpg" alt="" class="wp-image-8362" style="aspect-ratio:0.75;width:486px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-768x1024.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-225x300.jpg 225w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-1152x1536.jpg 1152w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2-1024x1365.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraswati-2.jpg 1200w" sizes="(max-width: 768px) 100vw, 768px" /></figure>



<p>কেমব্রিজ শহরে ইন্ডিয়ান কমিউনিটি সেন্টারের এবছরের পুজো নাকি ২৪ বছরের সরস্বতী পুজোর ইতিহাস বয়ে বেড়ায়। সবথেকে ভালো লাগার মধ্যে ছিল মাতৃপ্রতিমার মায়াবী মেশানো রূপের আলিঙ্গন।মায়ের মূর্তির বর্ণনার মতোই সুন্দর ছিল ছোট পুজোর পরিকাঠামো, ব্রিটেনের ভিন্ন স্কুলে পড়াশোনা করা ক্ষুদেরা বাংলা বলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ বোধ করছিল আরো ভালো ছিল তাঁদের সঙ্গে&nbsp; তাদের অভিবাবকদের সহযোগিতা। বিলেতে ইংরেজি মিডিয়ামের পড়ার বইয়ের পাশে বাংলা ভাষার সংস্কৃতি কিন্তু হারিয়ে যায়নি। তাইতো এরা &#8220;কুমোর পাড়ার গরুর গাড়ি&#8221; কবিতা একেবারে গড়গড়িয়ে বলে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1024x768.jpg" alt="" class="wp-image-8364" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:484px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1024x768.jpg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-300x225.jpg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-768x576.jpg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3-1536x1152.jpg 1536w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/02/Cambridge-Saraaswati-3.jpg 1600w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p> আজকাল কলকাতার আনাচে কানাচে কান পাতলে সোশ্যাল এডুকেশনাল ট্রেন্ড এর ভিড়ের ঠেলায়,সহজপাঠ বর্ণপরিচয় হাতেখড়ি একেবারে ডুমুরের ফুল, দুঃখের বিষয় সাথে হতাশারও বটে। মাতৃভাষায় কথা বলা লজ্জার তো নয়ই বরং গর্বের। সুনিপুণভাবে এমন সুন্দর করে বিদেশীরাও সরস্বতী পুজোতে সামিল হল কেমব্রিজ কমিউনিটি তার বিরাট ছবিটা অনেক কিছু প্রমান করে দিলো। পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে প্রসাদ হাতে নিয়ে অনেকের সাথে গল্প, কেউ আবার কথার ফাঁকে সেই নিজের ছেলেবেলায় ফেলে আসা দিনের স্মৃতিচরণার সাথে&nbsp; পুরোনো স্কুলের গল্প থেকে ডানপিটেপনার রঙিন কাহিনীগুলো ঝরঝরে বর্ণনা করলো। খাওয়াদাওয়ার পর্বে ছিল পুরোপুরি ঘরোয়াবাপ্যার। ভোগের খিচুড়ি লাবড়া, পায়েস মিস্টি চাটনি, পাঁপড় রসগোল্লা সবইতো ছিল। ব্রিটিশ থেকে স্প্যানিশ ফরাসি সব মানুষের চোখেমুখের আনন্দ বুঝিয়েছে বাঙালির ভ্যালেন্টাইন্স সত্যিই স্পেশাল।কেমব্রিজ এর সরস্বতী মায়ের আরাধনা মিলিয়ে দিলো সুদূর বাংলার বাগদেবীর আরাধনাকে।</p>



<p>আজকাল যেখানে বাঙালিদের মধ্যে বাংলাভাষা চর্চা,বাংলা গল্প কবিতা পড়া দুর্ভাগ্যবশত কমে যাচ্ছে সেখানে সুদূর কেমব্রিজে সরস্বতীপুজো হচ্ছে আর সেখানে &#8216;কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ি&#8217; আবৃত্তি হচ্ছে এই বিষয়টি তৃপ্তিকর।&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/">কেমব্রিজের সরস্বতী পুজো</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/saraswati-puja-in-cambridge/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;ভাঙার গান&#8217;</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jan 2025 10:47:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Sanskriti Sambad]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Apu Dey]]></category>
		<category><![CDATA[Arka Deb]]></category>
		<category><![CDATA[Arko Mukherjee]]></category>
		<category><![CDATA[Bandhan Sengupta]]></category>
		<category><![CDATA[Bhangar Gan]]></category>
		<category><![CDATA[Blackletters Press]]></category>
		<category><![CDATA[Kazi Nazrul Islam]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8238</guid>

					<description><![CDATA[<p>নজরুলের 'ভাঙার গান' এর শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/">‘ভাঙার গান’</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শহরে অনুষ্ঠিত হলো নজরুলের &#8216;ভাঙার গান&#8217; কাব্যগ্রন্থের শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ। ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছিল এই কাব্যগ্রন্থ। সেই ঘটনার একশো বছর পর এ বছর ব্ল্যাকলেটার্স্ নতুন ভাবে প্রকাশ করলো &#8216;ভাঙার গান&#8217;। সেই উপলক্ষেই গত ১০ জানুয়ারি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকানন্দ হলে আয়োজিত হল এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের সূচনা হলো গায়ক অর্ক মুখার্জীর গান দিয়ে। &#8216;কালো মেয়ের পায়ের তলায়&#8217; &#8211; এর মত কালী সাধনার গান থেকে &#8216;বল ভাই মাভৈ মাভৈ&#8217; &#8211; এর মত গণ জাগর<a>ণে</a>র গান &#8211; দর্শক ফিরে দেখলো নজরুলের ব্যাপ্তি । তালে তালে গলা মেলালো &#8216;কারার ওই লৌহ কপাট&#8217; -এর সোচ্চার উচচারণে। এমনি এক মুহূর্তে বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন ব্ল্যাক লেটার্স্-এর কর্ণধার অর্ক দেব। সঙ্গে নজরুল বিশেষজ্ঞ <a>বাঁধন</a> সেনগুপ্ত, দে&#8217;জ এর অপু দে এবং সম্পাদক শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়। আনুষ্ঠানিক প্রকাশের পর বক্তব্য পেশ করেন বাঁধন সেনগুপ্ত। বললেন নজরুল বিষয়ক নানা অজানা কাহিনি।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="768" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-768x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-8240" style="aspect-ratio:0.75;width:484px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-768x1024.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-225x300.jpeg 225w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-1152x1536.jpeg 1152w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM-1024x1365.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/01/WhatsApp-Image-2025-01-14-at-4.34.52-PM.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 768px) 100vw, 768px" /></figure>



<p>অনুষ্ঠান এগিয়ে চললো পরবর্তী আলোচনায়। শুদ্ধব্রত দেব কথা বললেন প্রতিরোধ সাহিত্য নিয়ে। প্রতিবাদী সাহিত্য থেকে প্রতিরোধ সাহিত্যের ফারাক বা পার্থক্য হয়ে উঠলো আলোচনার কেন্দ্র। উঠে এল বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্রোণাচার্য ঘোষ তথা ভারাভারা রাও&#8217;র কথা। মাহমুদ দরবেশ এর কবিতার সূত্র ধরে উঠে এল প্যালেস্টাইন প্রসঙ্গ &#8211; প্রেক্ষিত অনুসারে কীভাবে প্রতিরোধের প্রতীক বদলে যায়। সেই সূত্রেই পরবর্তী বক্তা সুজাত ভদ্রের বক্তব্য। বিষয় &#8211; &#8216;ভারত থেকে প্যালেস্টাইন আজও বাজে ভাঙার গান&#8217;। বললেন রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে তাদের অক্লান্ত কর্মকান্ডের কথা‌। কীভাবে শাসক বদলালেও বদলায়নি রাজনৈতিক বন্দীদের ওপর অত্যাচারের কায়দা। কীভাবে সাতের দশক থেকে আজ পর্যন্ত আইন ব্যবস্থায় দখলদারি করে শাসক দল। উঠে এল উমর খালিদের কথা।‌ পরবর্তী বক্তা বনজোৎস্না লাহিড়ী বললেন ভাঙার গান গেয়ে চলার প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিকতার কথা। সেই নিয়েই অনুষ্ঠানের অন্তিম অংশে ছিল এক আলোচনা চক্র। বক্তা হিসেবে ছিলেন শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়, অর্ক দেব ও জয়রাজ ভট্টাচার্য। শিল্প চর্চায় &#8216;নর্মাটিভিটি&#8217; ভাঙা এবং সেই প্রসঙ্গে &#8216;ভাঙার গান&#8217;‌এর ভূমিকা &#8211; এই ছিল আলোচনার কেন্দ্র। বাংলা ভাষায় সংস্কৃতি চর্চায় &#8216;ভাঙার গান&#8217; এর পুনঃপ্রকাশ এক আলোড়ন সৃষ্টি করবে এবং উৎক্রমের পথ নিশ্চিত করবে এই আশা নিয়েই এই কাব্যগ্রন্থের শতবার্ষিকী সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানের সমাপণ ঘটে।</p>



<p>শুভায়ু চ্যাটার্জী -স্নাতকোত্তর ছাত্র, তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ,যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/">‘ভাঙার গান’</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/kazi-nazrul-isalm-bhangar-gaan-poetry-collection-centenary-edition-release/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এডিনবার্গে  ক্রিসমাস প্রস্তুতি</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/edinburg-christmas-festival-preparation/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/edinburg-christmas-festival-preparation/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Dec 2024 04:41:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Rochona]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Christmas Festival]]></category>
		<category><![CDATA[Edinburg Christmas]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8177</guid>

					<description><![CDATA[<p>এডিনবার্গের চারপাশের রঙটা রামধনুর মতন। রাস্তার দুপাশে ক্রিসমাসের মেলা...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/edinburg-christmas-festival-preparation/">এডিনবার্গে  ক্রিসমাস প্রস্তুতি</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সুমনা আদক</strong></p>



<p>এডিনবার্গ, স্কটল্যান্ডের রাজধানী, ইতিহাসে সমৃদ্ধ একটি শহর। এটি মধ্যযুগীয় স্থাপত্য, রেনেসাঁর প্রভাব এবং আধুনিক সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিশ্রণ। শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত এডিনবার্গ ক্যাসেল এবং রয়্যাল মাইল এর ঐতিহ্যের প্রতীক। ক্রিসমাসের সময় এডিনবার্গ এক আলোকময় রূপ ধারণ করে। শীতকালীন উৎসব, জার্মান স্টাইলের ক্রিসমাস মার্কেট, আইস স্কেটিং, এবং এডিনবার্গের উজ্জ্বল আলো শহরের আবহকে মোহময় করে তোলে। রাজপথে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নতুন বছরের জন্য প্রস্তুতি শহরকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এডিনবার্গের ক্রিসমাস উৎসব পরিবার ও বন্ধুদের একত্রিত হওয়ার এক বিশেষ উপলক্ষ।</p>



<p>&nbsp;এডিনবার্গের চারপাশের রঙটা রামধনুর মতন। রাস্তার দুপাশে ক্রিসমাসের মেলা। হাতে গোনা কয়দিন বাকি,কনকনে শীতের আবহে চারিদিকে শুধু &#8220;জিঙ্গেল বেলস জিঙ্গেল বেলস&#8221;।কেক চকলেট, পুডিং,পেস্ট্রিতে ভরপুর স্কটরা। ঢেউ খেলানো একসারীতে সাজানো বাড়িগুলো ক্রিসমাসের সময়&nbsp; প্রতিবছর বর্ণিল রঙের বিভায় সেজে ওঠে , খ্রীসমাস ট্রি বসেছে বসার ঘরে ঘরে ঘরে। ব্রিটেনের ক্রিসমাসের স্পেশালিটি এটাই। লেসারে Uk র ফ্ল্যাগ থেকে সান্তা হরিণ সবই ছুটে বেড়ায় বাড়ির এই দেওয়াল&nbsp; ওই দেওয়াল, কিংবা বাগানে, এমনকি রাস্তার দুধারে সারি দিয়ে সাজানো পাইনের ফাঁকে উঁকি মারে ক্রিস্টমাসের হরেকরকম সাজসজ্জা। এডিনবার্গ ক্রিস্টমাসের প্রি প্রিপারেশন বলতে এটাই।</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="1024" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-1024x1024.jpeg" alt="" class="wp-image-8183" style="aspect-ratio:1;width:531px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-1024x1024.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-300x300.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-150x150.jpeg 150w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-768x768.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24-50x50.jpeg 50w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/12/WhatsApp-Image-2024-12-20-at-09.08.24.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<p>বাঙালি দের কাছে কলকাতার পার্কস্ট্রিট থেকে হেদুয়া বড়দিন নিয়ে যেমন মাতামাতি আর নতুন বছরকে পাবার আনন্দ থাকে, ঠিক তেমনটাই চলে এখানে।&nbsp; এডিনবার্গের ব্যাস্ত শহরে উইক ডেজ কিংবা প্রত্যেক উইকেন্ড এ লোকজন শুধু ক্রিস্টমাসের কেনাকাটায় ব্যাস্ত, শহরের শপিং মল গুলোতে চলছে দেদার ডিসকাউন্ট আর ঠাসা ভিড় ঠিক আমাদের দেশের বিভিন্ন উৎসব কিংবা দিওয়ালির অফার যেমন চলে ঠিক তেমন।</p>



<p>স্কটল্যান্ডের সাজানো শহরে এডিনবার্গ ট্যুর ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে বিরাট একটা আকর্ষণীয় ব্যাপার। এখানে ওখানে ছড়িয়ে তার ইতিহাস। তার সাথে শুরু হয়েছে ক্রিস্টমাস ফেস্টিভ্যাল,পাথর আর সবুজ ঢাকা প্রিন্সসেস স্ট্রিট গার্ডেন যথারীতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও একাধিক দেশের হরেকরকম হাতে বানানো জিনিসের পসার বসেছে।&nbsp; আট থেকে আশি সকলেই সন্ধের পর চলে আসে এই প্রিন্সেস স্ট্রিট গার্ডেনে মেলা দেখতে। থাকা থেকে খাওয়া সব ব্যবস্থাই রয়েছে এখানে। ফেস্টিভ্যালের দেশ বিদেশের ভিন্ন স্বাদের খাবার গুলো সত্যিই লোভনীয় আর সুস্বাদু। শীতের রাতে একটুকরো মনোরঞ্জন আকর্ষনের আরেক জায়গা হলো এডিনবার্গ সুপার মার্কেট। এবছরও ২৬ শে ডিসেম্বর বক্সিং ডের জন্য তৈরি। এই বক্সিং ডে এখানে বিশেষ জনপ্রিয়।যাকে বলে সবথেকে সস্তার দিন। শপিং মলগুলোতে স্টক ক্লিয়ার কিংবা ব্র্যান্ডেড জিনিস সবেতেই ছাড় একেবারে জলের দামে চলে বেচাকেনা।কাজেই জিনিস পত্র কেনার জন্য লম্বা লাইন শুরু হয় সেই ভোর থেকে। দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল এই দেশে। এবছরও বড়দিনের কয়েকদিন আগে থেকে ছন্দে ফিরছে এডিনবার্গ। এমনিতেই এখন দিন খুব ছোটো সকালে সূর্যের মুখ দেখলে খামখেয়ালি আবহওয়ায় বেশ মজা লাগে।</p>



<p>আজকাল বড়দিনের উপহার হিসাবে প্রিন্সেস স্ট্রিটের দিকে পরিপাটি সাজানো গোছানো পাব রেস্টুরেন্ট গুলোর রঙিন পরিবেশ সত্যিই নজরকাড়া । স্কটিস উইস্কী প্যানকেক থেকে লন্ডনের চিকেন টিক্কার স্পেশাল স্টল আয়োজন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।দুস্থদের জন্য চলে খাবার বিতরণ। ব্রিটিশ সরকারি দপ্তরের তরফে কিছু এক্সজিবিশন থাকে প্রতিবছর। এবারেও তার ব্যাতিক্রম হবে না। এই সপ্তাহ থেকে ইউরোপের সবদেশই ব্যাস্ত ক্রিসমাসের এর লম্বা ছুটিতে।এডিনবার্গের প্রবাসী ভারতীয়রাও অধিকাংশ ছুটি কাটাতে চলে যায় নিজের দেশে কিংবা অন্য দেশে। এখনকার স্কুল গুলোর কথা বললে সব বন্ধ। তবে গোটা ইউরোপ ২৫ শে ডিসেম্বর কিন্তু ঘরবন্দি। সারাবছর কাজের ফাঁকে ঐ একটা দিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেলিব্রেশন চলে, বড়দিনের উৎসবের আড্ডা। এডিনবার্গ শহরের ছবিটার পরিবর্তন হয়নি এতটুকুই। ক্রিস্টমাসের আনন্দ পেতে বিদেশিরাও পাড়ি জমায় এই দেশটায়। ইতিহাসের পাতায় মোড়া দেশটার বর্ণনার শেষ নেই। অভিজাত্য গরিমায় ভরপুর থেকেও ক্রিসমাসের প্রারম্ভ এখানে বেশ জমজমাট।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/edinburg-christmas-festival-preparation/">এডিনবার্গে  ক্রিসমাস প্রস্তুতি</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/edinburg-christmas-festival-preparation/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২৫শে  ডানা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/25th-anniversary-programme-of-dana-psychology-centre/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/25th-anniversary-programme-of-dana-psychology-centre/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Dec 2024 08:08:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Kothay Ki]]></category>
		<category><![CDATA[Most Popular]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8120</guid>

					<description><![CDATA[<p>'ডানা'র রজত জয়ন্তী বর্ষে পদার্পন অনুষ্ঠান।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/25th-anniversary-programme-of-dana-psychology-centre/">২৫শে  ডানা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দীপঙ্কর দাশগুপ্ত</strong></p>



<p>মানুষ কোন বয়সে সবচেয়ে সুখী? আমেরিকার স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটি ৩ লাখ ৪০ হাজার নারী-পুরুষের মধ্যে এই প্রশ্ন নিয়ে সমীক্ষা চালিয়ে যে উত্তরটি পেয়েছিল তা হল, বছর কুড়ি বয়সে সুখ ও আনন্দের বহর সবচেয়ে বেশি। কারণ, দু চোখে তখন অজস্র স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্যের হাতছানি। অন্যদিকে ৩০-৫০ বছর বয়সের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সুখের মাত্রা কমে যায়। জীবিকার চাপ, সংসারের দায়দায়িত্ব সব কিছু নিয়ে তখন যথেষ্ট নাজেহাল অবস্থা। আশা এবং আশাভঙ্গের নৈরাশ্য। আবার ৮৫ বছরে পৌঁছে মানুষ ফিরে পায় সেই ফেলে আসা ২০ বছর বয়সের আনন্দ। তখন নতুন করে আর কোনও দায় দায়িত্ব নেই। শরীরটুকু ঠিক থাকলেই সর্বসুখ। মানুষের মনের কাছাকাছি থাকার প্রতিশ্রুতি নিয়ে গড়ে ওঠা পরামর্শদাতা সংস্থা &#8216;ডানা&#8217;র রজত জয়ন্তী বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় বিড়লা অ্যাকাডেমি সভাঘরে আয়োজিত হয়েছিল একটি আলোচনাচক্র &#8212; &#8216;বয়স বাড়লেই বুড়ো!&#8217; সেই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন সংস্থার সঙ্গে জড়িত বিশিষ্ট মনোবিদ এবং আকাশবাণী ও দূরদর্শনের প্রাক্তন পদস্থ আধিকারিক ডঃ অমিত চক্রবর্তী। তিনি বলছিলেন, ছোটবেলায় মানুষ বড় হতে চায়, কিন্তু একটা বয়সের পরে আর বুড়ো হতে চায় না। প্রকৃতির নিয়মে বয়স বাড়লেও, শরীর অশক্ত হলেও মনের বিকাশ কিন্তু আমৃত্যু রুদ্ধ হয় না। বরং বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের বিচার বুদ্ধি বাড়ে। মার্কিন মনোবিদ এরিক এরিকসনের গবেষণায় এটি প্রমাণিত। ৮৯ বছর বয়স্ক সমাজকর্মী রীনা গুহ বলেন, বয়স বড় কথা নয়, জীবনের যে কোনও লগ্নে একটা উদ্দেশ্য নিয়ে বেঁচে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। আকাশবাণীর প্রাক্তন আধিকারিক ও প্রাবন্ধিক কৃষ্ণ শর্বরী দাশগুপ্ত বলেন, বুড়িয়ে যাওয়া যে কোনও বয়সেই হতে পারে যখন নানা বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে যায়। বয়স্ক মানুষের ইচ্ছে বা শখ-সাধের প্রতি সমাজ সহানুভূতিশীল হলে মানুষ হয়তো বয়স হলেই বুড়ো হতে চাইবে না। বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও আকাশবাণীর প্রাক্তন আধিকারিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী বলেন, &#8216;আমাদের ছোটবেলায় কিন্তু চারপাশে এত বুড়ো দেখিনি।&#8217; হালকা চালেই তিনি বলছিলেন, &#8216;কলতলা যবে ওয়াশরুম হল, লুকিয়ে চুরিয়ে যে সিগারেট খাওয়া শুরু ডাক্তারের কথায় তা ছেড়ে দেওয়া কিংবা ওপর থেকে কী করছিস, নেমে আয় থেকে অনলাইনে আয় &#8212; এমন সব রূপান্তরের মাঝেই বুড়ো হলাম।&#8217; স্বপ্নময় বলছিলেন, এক সময় আকাশবাণীতে প্রবীণদের জন্যে অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল, &#8216;জীবন সন্ধ্যা&#8217;। তিনি এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার পর অনুষ্ঠানের নাম বদলে হয় &#8216;মাননীয়াসু&#8217;। সংস্থার অন্যতম সহযোগী ও বিশিষ্ট মনোচিকিৎসক ডাঃ গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে কোনও ক্ষেত্রে সৃজনশীল থাকতে পারার মধ্যেই জীবনের সার্থকতা। বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী রত্না মিত্রের সংক্ষিপ্ত কিন্তু মনোজ্ঞ সঞ্চালনা ছিল অনুষ্ঠানের বাড়তি আকর্ষণ।</p>



<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিল &#8216;বসুন্ধরা&#8217; প্রযোজিত পাঠ ও সংগীতানুষ্ঠান &#8216;দুঃসময়&#8217;। &#8216;ছবির ভাবনা&#8217; বিষয়ে বার্ষিক স্মারক ভাষণ দেন শিল্পী ও মনোচিকিৎসক ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য। রবিবার সন্ধ্যায় সমাপ্তি অনুষ্ঠানে রয়েছে বিতর্ক &#8211; &#8216;এখনকার ছেলেমেয়েরা নিজের কথাই বেশি ভাবে&#8217;, &#8216;ভালো আছি, থাকব&#8217; বিষয়ে বলবেন ডঃ অমিত চক্রবর্তী আর সবার শেষে রত্না মিত্র পরিচালিত ও পরিবেশিত কথা-কবিতা-গানের অনুষ্ঠান।</p>



<p>মার্ক অ্যাগ্রোনিন বছর ছয়েক আগে &#8216;দ্য এন্ড অব ওল্ড এজ&#8217; বই লিখে দুনিয়া জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। কারণ, বার্ধক্যের প্রচলিত সংজ্ঞা তিনি বদলে দিয়েছেন। প্রবীণত্ব বা বার্ধক্য যে প্রজ্ঞার জন্ম দেয় তার মাধ্যমে সমাজে অনেক গঠনমূলক কাজ করা যায়। সুতরাং বয়স্ক মানুষ পরিবারের কাছে বা সমাজের কাছে বোঝা না হয়ে বরং হয়ে উঠতে পারেন কার্যকরি সম্পদ। প্রয়োজন সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের। &#8216;ডানা&#8217; আয়োজিত শনিবার সন্ধ্যার আলোচনা বয়স্কদের বাড়তি না ভেবে একটু অন্য চোখে দেখতে সাহায্য করবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/25th-anniversary-programme-of-dana-psychology-centre/">২৫শে  ডানা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/25th-anniversary-programme-of-dana-psychology-centre/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হৃদি দর্পণে</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/durga-puja-darpan-tradition-article-by-nrisingha-prasad-bhaduri/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/durga-puja-darpan-tradition-article-by-nrisingha-prasad-bhaduri/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Sep 2024 04:35:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bongodarpan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Rochona]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7919</guid>

					<description><![CDATA[<p>দর্পণ রাখা হয় মাঙ্গলিক চিহ্ন হিসেবে।আমরা মৃন্ময় জাগতিক সত্তাকে চিন্ময়ী হয়ে উঠতে দেখি।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/durga-puja-darpan-tradition-article-by-nrisingha-prasad-bhaduri/">হৃদি দর্পণে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ী</strong></p>



<p>আমাদের জীবনে জাতকর্মের সংস্কারের মধ্যে অন্নপ্রাশন,উপনয়ন,বিবাহ সর্বত্রই তামা,পিতল, কাঁসার তৈরি একটা দর্পণ রাখা হয় মাঙ্গলিক চিহ্ন হিসেবে।এর সবচেয়ে বড় কারণ তো এটাই যে,স্থির জল ছাড়াও মানুষ যেদিন প্রথম তামার পাত ঘষে ঘষে চকচকে উপরিতলের ওপর নিজের স্থির প্রতিচ্ছবি দেখতে পেল,সেদিন থেকেই এই প্রথম আয়নাটা স্মরণে রেখে দিল মানুষ,মাঙ্গলিক হিসেবে এখনও তা অন্নপ্রাশন,বিবাহ কিংবা বহু উপাচারের পুজোয় বরণডালা বা কুলোর মধ্যে দর্পণের স্থান হয়ে গিয়েছে।</p>



<p>শুধু ভারতবর্ষের আস্তিক ধর্ম নয়,নাস্তিবাদী বৌদ্ধদের মধ্যেও অষ্টমঙ্গলের রূপ আছে এবং তার মধ্যে একটা কিন্তু দর্পণ।তিব্বতী বৌদ্ধরা বলেন -বুদ্ধ ছয় বছর ধরে কঠোর পরিশ্রমে তপস্যা করার পর তাঁর শরীর একেবারে শীর্ণ-শুস্ক হয়ে গিয়েছিল,এই অবস্থায় লেক্ষে নামের এক ব্রাহ্মণ রমণী তাকে দই খেতে দেন।সেই দই খাওয়ার পরেই তাঁর শীর্ণ দেহ মেদ -মাংসে ভরাট হয়ে ওঠে এবং তখন তাঁর শরীরের মধ্যে লুপ্তপ্রায় দেবচিহ্নগুলি ফুটে উঠতে থাকে।ঠিক এই সময় আকৃতি দেবী যিনি জীবের দেহ এবং আকার সৃষ্টি করেন ,সেই আকৃতি দেবী বুদ্ধের হাতে একখানি দর্পণ দেন তাঁর আপন প্রতিকৃতি দেখার জন্য।সেই থেকে দর্পণ বৌদ্ধদের কাছেও মাঙ্গলিক।</p>



<p><mark style="background-color:rgba(0, 0, 0, 0)" class="has-inline-color has-vivid-red-color">আরও পড়ুন:</mark></p>


<div class="rpwwt-widget"><ul class="blog_inner_pg"><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/unkown-history-and-anecdotes-of-bengali-durga-puja/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/09/Durga-Pujo-old-thr.jpg" />দুগ্গাপুজোর আশ্চর্য অজানা ইতিকথা</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Bongodarpan, Featurerd, Rochona</div></li><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/bengali-durga-puja-bhog-prasad-food-festival-traditions/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/09/Sekaler-Pujo-Khaoadaoa-DDG1.jpg" />পুজোবাড়ির খাওয়াদাওয়া</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Bongodarpan, Featurerd, Rochona</div></li></ul></div>



<p>আমরা দর্পণকে মাঙ্গলিক হিসেবে গ্রহণ করেছি বহুকাল।কুষাণ কিংবা শুঙ্গ যুগের শিল্পকৃতিতে আমরা দর্পণের খোঁজ পাচ্ছি,মেয়েরা সামনে আয়না ধরে আপন সৌন্দর্য পরীক্ষা করছে এই খবর আমাদের কাছে খুব বাস্তবোচিতভাবেই স্বাভাবিক।কিন্তু আয়নায় যে -রূপ ফুটে উঠেছে,তার দার্শনিক তাৎপর্য এমনই যে ,সেখানে আমরা মৃন্ময় জাগতিক সত্তাকে চিন্ময়ী হয়ে উঠতে দেখি।আমরা যখন দর্পণে নিজের মুখ দেখি,তখন সেই প্রতিবিম্বকেই আমরা &#8216;আমি&#8217; বলে ভাবি।সেই &#8216;আমি&#8217; দেখার পর বেশিরভাগ সময়েই &#8216;মাছের মধ্যে রুই /আর মানুষের মধ্যে মুই&#8217;গোছের দর্পণ- দর্প তৈরি হয় মনে;কখনও- বা যদি এমন হয় যে,নিজের স্বরূপকে নিজের মনে তেমন করে ধরছে না,তাহলে সেই প্রাতিভাসিক প্রতিবিম্ব থেকে শিক্ষা নিয়ে আজন্মলব্ধ মুখ- শরীরে যথাসম্ভব পরিবর্তন এনে নিজেকে যথেষ্ট পরিমাণ গ্রহণীয় করে তোলার চেষ্টা করি।স্বভাবিত এবং স্বচেষ্টায় পরিকল্পিত সেই পরিবর্তিত রূপ আয়নায় দেখে তখন হয়তো ভালোও লাগে।মনে হয় আসল আমি তাহলে এটাই।কিন্তু মনে মনে মানুষ জানে যে আয়নায় দেখা মুখ-চোখ শরীর আমি নই।&#8217;আমি&#8217;র প্রতিভাস।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>দর্পণে দেখা এই প্রাতিভাসিক সত্যটাকে আমরা যখন দার্শনিকতার মধ্যে প্রতিষ্ঠা করি,তখন কিন্তু এই জড় দর্পণ বস্তুটাকে এক সজীব রূপকের মতো দেখতে পাই।প্রথমেই তখন মনে হয়,দর্পণ নিজেই এক সজীব সত্তার অনুকার।দার্শনিক দৃষ্টিতে মানুষের চোখই কিন্তু আদিম দর্পণ যেখানে ছায়া পড়ে অনন্ত মানুষের,পরিবার -পরিজনের,বন্ধু-বান্ধবের,অন্যান্যের।আমার চোখে যখন অন্যজনকে দেখি,তখন সে কিন্তু আমার চক্ষু দর্পণে নিজেকে দেখছে এবং একইসঙ্গে তার চোখের আয়নায় কিন্তু আমি আমাকেও দেখছি।এই চক্ষু- দর্পণের মাধ্যমেই আমাদের পরস্পরের সম্পর্ক তৈরি হয় এবং সেই পরস্পরের চাক্ষুষ পরিচয়ের পর্যাবসান ঘটে চিত্ত &#8211; দর্পণের ছায়ায়।মহাকবিকে তখন লিখতে হয় &#8211;</p>



<p><em>আপনাকে</em><em> </em><em>এই</em><em> </em><em>জানা</em><em> </em><em>আমার</em><em> </em><em>ফুরোবে</em><em> </em><em>না</em><em></em></p>



<p><em>সেই</em><em> </em><em>জানারই</em><em> </em><em>সঙ্গে</em><em> </em><em>সঙ্গে</em><em> </em><em>তোমায়</em><em> </em><em>চেনা</em><em></em></p>



<p>দুর্গা পুজার দশমীতে যখন সেই আদিম জল -দর্পণে মহাদেবীর প্রতিমাচ্ছবি ভেসে ওঠে,পুরোহিত মন্ত্র পড়তে থাকেন -&#8216;গচ্ছ গচ্ছ পরং স্থানং স্বস্থানং পরমেশ্বরি&#8217;-পরম দেবী আমার!তুমি নিজের জায়গায় যাও এখন।বচ্ছর গেলে তুমি আবার এস এখানে আমার ঘরে -পুনরাগময় চ।এই যে দেবী নিজের জায়গায় যাবেন,সেই নিজের স্থানটুকু নির্দেশ করা হয় দর্পণে-যেখানে দেবীর মৃন্ময়ী সত্তা চিন্ময়ীতে মিলিয়ে যাবে।দর্পণ এখানে সূর্যমন্ডলের প্রতিরূপ।দর্পণের মন্ত্রের মধ্যেই তার এই সূর্যস্বরূপতা ফুটে ওঠে।ঋগ্বেদের ভাবনায় দর্পণ হল সেই পুরাতন আদিম জ্যোতিস্বরূপ যেখানে প্রতিটি দিনের কর্মাকর্ম যেন দেখতে পাওয়া যায়-যেন পশ্যন্তি বাসরম্।আর যজুর্বেদের মন্ত্রে দর্পণের মধ্যবর্তী সূর্য পৃথিবী ভ্রমণ করছেন।এই দর্পণে যখন দুর্গামূর্তির প্রতিভাস ভেসে ওঠে,তখনই বুঝতে পারি জ্যোতিঃস্বরূপিণী যে দুর্গামাকে আমরা এই চারদিন ধরে চক্ষু দর্পণে মৃন্ময়ী রূপে প্রতক্ষ্য করেছি,তিনি আবার চিত্তদর্পণে আশ্রয় নিলেন,তিনি মিলিয়ে গেলেন সূর্যমন্ডলের মধ্যে।এই সূর্যমন্ডল আসলে আমাদেরই হৃদি আকাশে অবস্থিত হৃদয় -দর্পণ।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/durga-puja-darpan-tradition-article-by-nrisingha-prasad-bhaduri/">হৃদি দর্পণে</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/durga-puja-darpan-tradition-article-by-nrisingha-prasad-bhaduri/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:31:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Prescription]]></category>
		<category><![CDATA[Susyastha]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[stress induced heart attack remedy]]></category>
		<category><![CDATA[stress relief]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7607</guid>

					<description><![CDATA[<p>অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট ,স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট কোচেদের পরামর্শ।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/">স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরা দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রেস,ডিপ্রেশন,দুশ্চিন্তা ,আকস্মিক দুঃসংবাদ হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ বলে আমাদের সচকিত করে আসছেন।বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, দুঃখ,হতাশা,দুশ্চিন্তা,মানসিক চাপ,বিষণ্ণতা থেকে যে কোনো সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।এই সব দুঃখ,আঘাত,হতাশা শরীরে কিছু হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়,বিশেষ করে অ্যাড্রিনালিন হরমোন ও কর্টিসল স্ট্রেস হরমোন দ্রুত রক্তে বেড়ে যায়,সঙ্গে বেড়ে যায় হার্টবিট আর প্রেশার।পেশিগুলো টানটান হয়।প্রতিরোধ করবে যে পেশিগুলো সেগুলো উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে।চারদিকের রক্ত মাংসপেশিতে চলে আসে এবং রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।ধমনীর দেওয়ালে চর্বি জমতে থাকে এতে রক্তচলাচল পথ শুরু হয়ে যায়,ধমনী শক্ত হয়ে &#8216;এথারোসক্লোরোসিস&#8217; হয়।দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ, বেদনা, স্ট্রেস,নেগেটিভ থিংকিং হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত চলাচল কমিয়ে প্রথমে অ্যানজাইনা ও পরে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এই কারণে শোক বিষণ্ণতা স্ট্রেস কী করে কমিয়ে হার্ট সুস্থ রাখতেই হবে তার মনোবিদ ও ডাক্তারি পরামর্শ:&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<ul>
<li>বছরে দু বার কমপ্লিট হেলথ চেক আপ করতে হবে।ব্লাড সুগার ফাস্টিং ১২০ এমজি আর পিপি ১৪০ এর কম রাখতে হবে।</li>
</ul>



<ul>
<li>নিয়মিত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করতেই হবে।হাঁটা,যোগ ব্যায়াম,ফ্রি হ্যান্ড।বিশেষত যাদের এক জায়গায় বসে কাজ করে যেতে হয় তাদের ১ /২ ঘন্টা পর উঠে হাঁটাহাঁটি করা,লিফ্ট ছাড়া অন্তত ২/৩ ফ্লোর&nbsp; সিঁড়ি ভেঙে ওঠা নামা করার অভ্যাস করতে হবে। যে কোনো শারীরিক কাজ স্ট্রেস রিলিভার এটা প্রমাণিত সত্য। &nbsp;&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>সঠিক ডায়েট খেতে হবে।নিয়মিত জাঙ্ক ফুড,অতিরিক্ত তেল মশলা,ফ্যাট,হাই ক্যালোরি খাবারে রাশ টানতে হবে।আজকের দিনে অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্ট্রেস এড়াতে ,মনকে ভালো রাখতে গিয়ে এই সব সুস্বাদু অথচ শরীরের পক্ষে খারাপ খাবারের প্রতি আসক্তি বেড়ে চলেছে।&#8217;এত মন খারাপ লাগছিলো যে মন ভালো করতে বিরিয়ানী আর চাঁপ খেয়ে নিলাম&#8217;,শোনা শোনা লাগছে কথাটা ? &nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>স্ট্রেস,হতাশা ,মন খারাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে সচেয়ে আগে কাউন্সিলিং এক্সপার্ট, থেরাপিস্টের কাছে যেতে হবে।রিসার্চে প্রমাণিত অধিকাংশ ক্ষেত্রে লোকে কি বলবে ,মনোবিদের কাছে যাওয়া মানে আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে,আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি এই সব ফালতু ভাবনা ছেড়ে সাইকোলোজিস্টের কাছে যেতে হবে।বহু ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে মানসিক অবসাদে গোড়ার দিকে চিকিৎসা হলে তা নিরাময় সহজে হয়।</li>
</ul>



<ul>
<li>ফোন আসক্তি এবং স্ক্রিন টাইম কমাতেই হবে।বিষণ্ণতার একটি বড় লক্ষণ একা থাকতে চাওয়া,বন্ধু বান্ধব,প্রিয়জনকে এড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে সময় কাটানো। পড়ছে। ইন্টারনেট অ্যাডিকশনে মস্তিষ্কের যে অংশে একজিকিউটিভ কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক,যাতে সক্রিয় চিন্তাভাবনা এবং যাকে ইংরেজিতে ‘গোল ডাইরেক্টেড বিহেভিয়ার’ বলা হয়&nbsp; তার কাজ কমিয়ে দেয় যা অত্যন্ত ভয়াবহ।এই গবেষকেরা আরো লক্ষ্য করেছেন যে এই অবস্থায় মস্তিকে একটা জটিল সক্রিয় নিষ্ক্রিয় অবস্থার সৃষ্টি করে যাকে পরিভাষায় ডিফল্ট নেটওয়ার্ক মোড আখ্যা দেওয়া হচ্ছে যেখানে মানুষের মন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা কাজে না জড়িয়ে মনকে অলস এবং উদ্দেশ্যহীন জড়তায় আচ্ছন্ন রাখতে।&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>মেডিটেশন। স্ট্রেস থেকে মুক্ত হতে ধ্যানের প্রয়োজনীয়তা অসীম,অব্যর্থ।দিনের যে কোনো সময় ,তবে সেটা দিন শুরু করার সময় হলে সবচেয়ে ভালো প্রথমে ৫মিনিট ও পরে ১০ থেকে ২০ মিনিট মেডিটেশন করুন।সবচেয়ে জরুরি এবং কঠিন ঐ সময় অন্য কিছু মনে না আনা।এটা একটা মনোসংযোগের অভ্যাস ,প্রথমে ১/২/৩ থেকে ৫ মিনিট, এভাবে ধীরে ধীরে বাড়াতে হয়।উওমেন&#8217;স মেডিটেশন নেটওয়ার্ক সাইটে ৮ রকমের পডকাস্ট আছে ,স্লিপ,হিলিং,ডেলি অ্যাফারমেশন,প্যানিক অ্যাটাক ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;</li>
</ul>



<ul>
<li>ডেলি রুটিন।লেট নাইট ফোন আসক্তি কাটাতে হবে।নির্দিষ্ট সময় অন্তত ৭/৮ ঘন্টা ঘুম জরুরি যা নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে আর ডিসিপ্লিনের মধ্যে থাকলে তার সুফল পাবেন এটা গ্যারান্টি দেওয়া যায়।</li>
</ul>



<p>তথ্যসূত্র :ডাঃ শুভ্র বন্দোপাধ্যায় (MBBS,MD,MRCP –UK,FRCP –Lond,FACC) )ডাঃ শঙ্খশুভ্র দাস (MBBS,DTCD,MD,MRCP ),ডাঃ পিসি মন্ডল (MBBS,MD,MRCP-UK,MRCP-Glasgow,FACC-US),স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট ফেলিপে মুনোজ।</p>



<p>*এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্যের জন্য যা কোনোভাবে ওষুধ আর চিকিৎসার বিকল্প নয়। অসুখ বা কোন উপসর্গ ,লক্ষণ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/">স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক রুখতে সাবধানতা</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/precautionary-steps-to-prevent-stress-induced-heart-attack/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
