<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Celebrities -</title>
	<atom:link href="https://sukanyadigital.com/category/celebrities/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Oct 2026 08:17:31 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.3.3</generator>

<image>
	<url>https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2020/07/cropped-sukanya-magazine-50x50.jpg</url>
	<title>Celebrities -</title>
	<link>https://sukanyadigital.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ছবি বিশ্বাস: বাংলা সিনেমার বিস্মৃত কিংবদন্তি</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 07:57:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali Cinema]]></category>
		<category><![CDATA[Chabi Biswas]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=11245</guid>

					<description><![CDATA[<p>অভিনয় দক্ষতায়, ব্যক্তিত্বে, চেহারায় ও বাচনভঙ্গিতে ছবি বিশ্বাসের জুড়ি আর নেই-সত্যজিৎ রায়</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/">ছবি বিশ্বাস: বাংলা সিনেমার বিস্মৃত কিংবদন্তি</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কমলেন্দু সরকার</strong></p>



<p>ছবিবাবুর মতো অভিনেতা না থাকলে &#8216;জলসাঘর&#8217;-এর মতো কাহিনির চিত্ররূপ দেওয়া সম্ভব হত কি না জানি না। বোধয় না। একদিকে বিশ্বম্ভর রায়ের দম্ভ ও বিমৃশ্যকারিতা, অন্যদিকে তার পুত্রবাৎসল্য ও সংগীতপ্রিয়তা এবং সবশেষে তার পতনের ট্র&#x200d;্যাজেডি&#8212; একাধারে সবগুলির অভিব্যক্তি একমাত্র তাঁর পক্ষেই সম্ভব ছিল&#8217;। সত্যজিৎ রায় লিখছেন তাঁর &#8216;ছবি বিশ্বাস&#8217; প্রবন্ধে।</p>



<p>&#8216;একথা সেকথা&#8217; প্রবন্ধে সত্যজিৎ রায় লিখছেন, &#8216;বিশ্বম্ভর রায়ের চরিত্রে ছবি বিশ্বাস ছাড়া আর কোনও অভিনেতার কথা কল্পনা করা সম্ভব ছিল না&#8217;।</p>



<p>তিরিশের দশকের এক বিকালে প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায়ও কি ভেবেছিলেন, তাঁর প্রযোজিত নতুন ছবি &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217;-এ বিশুর ভূমিকায় এই যুবকটিই সঠিক নির্বাচন। এই প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায় কে? এঁকে জানলে বোঝা যাবে ছবি বিশ্বাসকে কেন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বলেছিলেন। বিশ শতকের গোড়ায় তিনি চাকরি নেন ম্যাডনের অফিসে। চাকরিটা ছিল টাইপিস্টের। পরবর্তী সময়ে প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায় যোগ দেন ম্যাডানের চলচ্চিত্র ব্যবসায়। বছর কুড়ি তাঁর তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছিল বেশকিছু তথ্যচিত্র এবং নিউজ রিল অর্থাৎ সংবাদচিত্র। ম্যাডানের নির্বাক ছবি &#8216;কৃষ্ণকান্তের উইল&#8217; (১৯২৭) ছবিতে প্রিয়নাথকে প্রথম দেখা যায় পরিচালক হিসেবে। এরপর আগামী চারবছর, ১৯৩১ পর্যন্ত প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখা যায় ম্যাডানের ব্যানারে সাতটি নির্বাক এবং একটি সবাক ছবির পরিচালক। ১৯৩২-এ ম্যাডান ছেড়ে এলেন ইস্ট ইন্ডিয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিজ-এ। এদের ব্যানারে&nbsp; পরিচালনা করলেন &#8216;যমুনা পুলিনে&#8217; (১৯৩৩)। এরপর শুরু নতুন অধ্যায় প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনে। নিজেই তৈরি করলেন প্রযোজনা সংস্থা &#8216;কালী ফিল্মস&#8217;,&nbsp; যদিও পূর্ব নাম ভিন্ন ছিল।</p>



<p>প্রিয়নাথের &#8216;কালি ফিল্মস&#8217;-এর ব্যানারে তৈরি হবে নিরুপমা দেবীর তৎকালীন জনপ্রিয় উপন্যাস নিয়ে  &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217;। পরিচালক তিনকড়ি চক্রবর্তী। প্রযোজক প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায় একদিন বিকেলে বসে আছেন কর্নওয়ালিস স্ট্রিটের ক্রাউন প্রেক্ষাগৃহের বুকিং কাউন্টারে। হঠাৎ তাঁর নজরে এলো অত্যন্ত সুপুরুষ চে্‌হারার বছর তিরিশ-বত্রিশের এক যুবক হেঁটে যাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে। যুবকের রাজকীয় চেহারা দেখে তাঁকে ডাকেন। যুবকটি কাছে এলে তিনি প্রস্তাব দেন সিনেমা করার। যুবকটির অবস্থা মেঘ না চাইতেই জল। ভিতরের উচ্ছ্বাস মুখে প্রকাশ করলেন না। যুবকটি জানালেন, &#8216;রাজি।&#8217; ছবি বিশ্বাস তখন নাটকে নাম করেছেন।</p>


<a class="wp-block-read-more" href="https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/" target="_self">আরও পড়ুন<span class="screen-reader-text">: ছবি বিশ্বাস: বাংলা সিনেমার বিস্মৃত কিংবদন্তি</span></a>

<div class="rpwwt-widget"><ul class="blog_inner_pg"><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/jader-fera-hoyni-kothao-sayantan-thakur/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/sayantan-thakur.jpg" />যাদের ফেরা হয়নি কোথাও</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Bongodarpan, Featurerd, Galpo</div></li><li class="prescription"><a href="https://sukanyadigital.com/kazi-najrul-islam-karagare-ekti-bachor/"><img width="50" height="50" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/binod.jpg" />কারাগারে একটি বছর</span></a><div class="rpwwt-post-categories">In Bongodarpan, Featurerd, Rochona</div></li></ul></div>



<p>প্রিয়নাথ গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালক তিনকড়ি চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলে নিলেন। ছবি বিশ্বাস কথামতো কালী ফিল্মসের স্টুডিয়োতে চলে গেলেন একদিন। বর্তমানের টেকনিশিয়ানই ছিল কালী ফিল্মসের স্টুডিয়ো। সিনেমা জগতে ছবি বিশ্বাসের প্রথম ছবি এই &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217; (১৯৩৬)। এরপর প্রতি বছরই তিন-চারটি ছবি করতে লাগলেন ছবি বিশ্বাস।</p>



<p>দু&#8217;চারটি প্রথাগত কথা বলে নেওয়া ভাল। তাঁর নাম ছিল শচীন্দ্রনাথ বিশ্বাস। দেখতে সুন্দর হওয়ার কারণে মা কাত্যায়নী বিশ্বাস ডাকতেন ছবি। মায়ের নামেই পরবর্তীকালে ছবি নামেই পরিচিত হলেন সিনেমা এবং মঞ্চে। অল্প বয়সে মাতৃহারা হলে পিতা ভূপতিনাথ বিশ্বাসের সঙ্গে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পিতার ছিল পাটের ব্যবসা। সেই ব্যবসাও দেখতে বাঙালি কিংবদন্তি অভিনেতা ছবি বিশ্বাসকে। যাঁর অন্তরে অভিনয় তিনি কি করে ব্যবসা সামলাবেন! তার ওপর পাটের ব্যবসা। সবকিছু ছেড়েছুড়ে মন দিলেন অভিনয়ে। যেটি তাঁর প্রথম পছন্দের।</p>



<p>ছবি বিশ্বাসের অভিনয়-স্পৃ্‌হা আসে তাঁর বৃহৎ পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে। বাড়ির সদস্য ভাই-বোন&nbsp; সংখ্যায় বেশি থাকার জন্য নিত্য লেগে থাকত নানাবিধ অনুষ্ঠান। কলেজজীবন থেকেই ছবি বিশ্বাসের অভিনয়ের শুরু। একসময় তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটের। এখানে আসতেন তৎকালীন বিখ্যাত গুণীজনেরা। সংস্পর্শে আসেন শিশির ভাদুড়ির। যেহেতু শিশির ভাদুড়ির ছোটভাই হৃষীকেশ ভাদুড়ি ছিলেন বিদ্যাসাগর কলেজে ছবি বিশ্বাসের সহপাঠী তাই তিনি তাঁকে বড়দা বলেই ডাকতেন।</p>



<p>যাইহোক, ছবি বিশ্বাস একসময় যোগ দিলেন অপরেশ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;আর্ট থিয়েটার&#8217;-এ। একাধিক যাত্রাদল থেকে অভিনয়ের জন্য ডাক আসতে লাগে। এইসময় তিনি অভিনয়কে পেশা করতে চাননি। তাই তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় এক বিমা কোম্পানিতে। পরে বিমা কোম্পানি ছেড়ে আসেন &#8216;বেঙ্গল টেলিফোন কোম্পানি&#8217;-তে। কিছুদিন পর থেকে ছবি বিশ্বাসের মন বসে না সেখানে। চাকরি নয়, ব্যবসা করবেন ঠিক করলেন। পারিবারিক ব্যবসা পাটেই মন দিলেন। কিছুদিন পর পাটের ব্যবসা লাটে ওঠে।</p>



<p>বাল্যকালে সঙ্গীতশিল্পী উস্তাদ জমিরুদ্দিন খাঁ-এর কাছে ধ্রুপদীগানের চর্চা করেছিলেন। ছোট জাগুলিয়ায় যেখানে তাঁদের বাড়ি ছিল সেখানে মঞ্চ বেঁধে করছিলেন &#8216;বিল্বমঙ্গল&#8217; নাটকে চিন্তামণির পার্ট।</p>



<p>মদন মিত্র লেনের দীনবন্ধু মিত্রের বৈঠকখানার ঘরে ছিল &#8216;বারবেলা&#8217; বৈঠক ক্লাব। এখানে হত শখের নাটক, শখের অভিনয়। এখানেই ছিল ছবি বিশ্বাসের অভিনয়জীবনের হাতেখড়ি। তবে, বলাই মত্রের ক্লাবে করেন নাটক &#8216;ভীষ্ম&#8217;। একসময় জড়িয়ে পড়লেন কাঁকুড়গাছি নাট্যসমাজ এবং সিকদার বাগান বান্ধব সমাজের সঙ্গে। বান্ধব সমাজ তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে &#8216;নদীয়া বিনোদ&#8217; মঞ্চস্থ করবে। &#8216;নদীয়া বিনোদ&#8217;-এ নিমাইকে খুঁজে বার করেছিলেন ললিত বসু যিনি পরিচিত ছিলেন বাঁকাবাবু নামে। ১৯৩৩, ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছিলেন এক তরুণ অভিনেতা ছবি বিশ্বাস। নিমাইয়ের ভূমিকায় তাঁকে দেখে আবালবৃদ্ধবনিতা মুগ্ধ হয়েছিলেন। ১৯৩৩, ২৬ ফেব্রুয়ারি কাঁকুড়গাছি যোগোদ্যান রামকৃষ্ণ আশ্রমে ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেব-এর মূর্তির সামনে অভিনীত হয়েছিল &#8216;নদীয়া বিনোদ&#8217;। এখানেই শেষ নয়, এই নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে ধারাবাহিকভাবে চলে। ১৯৩৬, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউটে শততম রজনী হয় &#8216;নদীয়া বিনোদ&#8217;-এর। যতদূর জানা যায়, ১৭৫-টি রজনী অভিনীত হয়েছিল নাটকটির।</p>



<p>১৯৩৮-এ নাট্যনিকেতন মঞ্চে &#8216;সমাজ&#8217; নাটক দিয়ে পেশাদারি ছবি বিশ্বাসের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপরই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ আসে, যে-কথা পূর্বেই বলা আছে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="404" height="307" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/Chobi-biswas-1-kamalendu.png" alt="" class="wp-image-11248" style="aspect-ratio:1.3159609120521172;width:442px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/Chobi-biswas-1-kamalendu.png 404w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/Chobi-biswas-1-kamalendu-300x228.png 300w" sizes="(max-width: 404px) 100vw, 404px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- &#8216; পথে হল দেরি&#8217; </figcaption></figure>



<p>অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের ওপর অপরিসীম শ্রদ্ধা ছিল পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের, স্টুডিয়োপাড়ায় পরিচিত ছিলেন ঢুলুদা নামে। তিনি মনে করতেন, সিনেমার অভিনয় এবং নাটকের অভিনয়, এই দুইয়ের মধ্যে যে ফারাক সেটা ছবি বিশ্বাসই দেখিয়ে গেছেন। খুব মজার মানুষ ছিলেন ছবি বিশ্বাস। তখন এম পি-র &#8216;পথে হল দেরি&#8217;র শুটিং চলছিল। তা একদিন প্রচুর দেরি করে এলেন ছবি বিশ্বাস। বললাম, এত দেরি হল ছবিদা? উত্তর যেন তাঁর ঠোঁটে লেগেই ছিল। বললেন, &#8220;তোদের ছবির নামই তো &#8216;পথে হল দেরি&#8217;। তা দেরি হবে না!&#8221; আসল কারণটা পরে জানা গেছিল, ছবি বিশ্বাস চলে গেছিলেন আড়িয়াদহে ইস্টার্ন টকিজে। ছবি বিশ্বাস সে-কথা স্বীকার করে বলেছিলেন, &#8220;আরে ওরা তো আমাকে দিয়ে দুটো ছবির শুটিং করিয়েও নিল। ব্যাপারটা হয়েছিল আমি ডায়রিটা নিতে ভুলে গিয়ে যত বিপত্তি। যাক, অত ভাবিস না। আমি তোদের কাজ তুলে দিয়ে যাব।&#8221; উনি কথা রেখেছিলেন।</p>



<p>১৯৩৬, ছবি বিশ্বাসের প্রথম ছবি &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217;-এ সময় একটু ফিরতে হবে। এই বছরেই মুক্তি পেয়েছিল নৃপতি চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম ছবি &#8216;দ্বীপান্তর&#8217;। &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217; করার পর সুপুরুষ সুদর্শন ছবি বিশ্বাস স্টুডিয়োপাড়ায় হইচই ফেলেছিলেন তেমনটা ঘটেনি। কাজের আশায় ঘোরাঘুরি করেন এই স্টুডিয়ো, ওই স্টুডিয়ো। তারই মাঝে শুনলেন কে একজন অভিনেতা নৃপতি চট্টোপাধ্যায় তাঁর নামে বদনাম করে বেড়াচ্ছেন চারদিকে! একদিন পাকড়াও করলেন নৃপতিকে। ছবি বিশ্বাস বল্রন, &#8220;শুনুন মশাই, আপনি নাকি আমার নামে বদনাম করে বেড়াচ্ছেন?&#8221; নৃপতি চট্টোপাধ্যায়ও তো কম যান না। গম্ভীর হয়ে বলেন, &#8220;বদনাম করার কাজ করেছেন, তাই করেছি।&#8221; ছবি বিশ্বাস তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন কারণটা। নৃপতি চট্টোপাধ্যায় বললেন, &#8220;আগামী কাল স্টুডিয়োতে আসুন বলব।&#8221;</p>



<p>পরদিন ছবি বিশ্বাস যেতে নৃপতি মেক-আপ রুমের দরজা বন্ধ করে বোঝাতে লাগলেন তাঁর অভিনয়ের ভুলভ্রান্তি, খামতি ইত্যাদি। সবকিছু হাঁটা থেকে শুরু তাকানো, সংলাপ কীভাবে বলতে হবে, সংলাপের মাঝে পজ নেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। নৃপতি চট্টোপাধ্যায়কে &#8216;প্রভু&#8217; বলে সম্বোধন করতে শুরু করেন সেই মুহূর্ত থেকে। দুজনের মধ্যে ভালবাসা, বন্ধুত্ব ছিল অটুট আমৃত্যু। মঞ্চে নাটকের বাইরে বহু মজার ঘটনাও ঘটেছিল।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img decoding="async" width="751" height="395" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-nripati.png" alt="" class="wp-image-11252" style="aspect-ratio:1.90126582278481;width:536px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-nripati.png 751w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-nripati-300x158.png 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-nripati-720x380.png 720w" sizes="(max-width: 751px) 100vw, 751px" /></figure>



<p>সম্ভবত সেটি ছিল কম্বিনেশন নাইট। তৎকালে কোনও উৎসবে বা বিশেষদিনে কম্বিনেশন নাইট হত। নাটকে দৃশ্যটি ছিল কম্বল গায়ে মঞ্চের একপাশে শুয়ে থাকবেন ছবি বিশ্বাস আর নৃপতি চট্টোপাধ্যায় এসে কম্বলটা খুলবেন। সেদিন কলকাতা শহরে প্রচণ্ড গরম। নাটক করার নৃপতি দশটা টাকা চেয়েছিলেন ছবি বিশ্বাসের কাছে। উনি মাঝেমধ্যেই টাকা চাইতেন। তা ছবি বিশ্বাস দেননি নৃপতিকে। উনিও বললেন, টাকা দিবি না তো, মজা টের পাওয়াব। নাটক শুরু হয়েছে কম্বলে মোড়া ছবি</p>



<p>বিশ্বাসের কাছাকাছি ঘুরছেন আর বলছেম, কি রে দশ টাকা দিবি কিনা বল। ছবি বিশ্বাস কম্বলের মধ্যে থেকে বলছেন, না দেবো না। নৃপতি মঞ্চে ঘোরাঘুরি করছেন আর ছবি বিশ্বাসের কাছে গিয়ে বলছেন, কি রে দিবি? ঘামে গরমে নাজেহাল ছবি বিশ্বাস আর পারলেন না। নৃপতির কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। বললেন, দেব দশ টাকা। আগে কম্বলটা খোল। সারা প্রেক্ষাগৃহে হাসির তুফান। মিনিট পাঁচ পর আবার নাটক শুরু হয়।</p>



<p>আরও অনেক ঘটনা আছে। আর একটি মজার ঘটনা বলি, সেকালে নাটকের মেক-আপ রুম ছিল খুব মজার জায়গা। আড্ডা হত, হাসি হই-হল্লাও হত। বিশেষ করে নৃপতি আর ছবি বিশ্বাস একই নাটকে অংশ নিলে মেক-আপ রুমে উঠত হাসির ফোয়ারা। একবার কোন&nbsp; এক নাটকে নৃপতিকে লক্ষ্য করে ছবি বিশ্বাস বলেন, তোর আবার অত মেক-আপের কী আছে! দর্শক তো নাটকে ছবি বিশ্বাসকে দেখতে আসে।</p>



<p>নৃপতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, তোকে দেখিয়ে দেব নাটকে কোনও চরিত্রই ছোট নয়। সমান গুরুত্বপূর্ণ। ওই&nbsp; নাটকে ছবি বিশ্বাস অভিনয় করছিলেন এক অভাবগ্রস্ত সৎ মানুষের। যিনি পাওনাদারের জন্য লুকিয়ে লুকিয়ে বেড়ান। আর পাওনাদারটির ভূমিকায় ছিলেন নৃপতি চট্টোপাধ্যায়। নৃপতিকে দেখে ছবি বিশ্বাস লুকিয়ে পড়েন। পাওনাদার নৃপতি তাঁর স্বভাবসুলভ ঢঙে ছবি বিশ্বাসকে ইতিউতি খুঁজতে শুরু করেন কুলুঙ্গিতে, কখনও বিছানার নীচে কখনও গোটানো মাদুর খুলে, এমনকী জুতোর মধ্যেও! নৃপতি চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় দেখে সারা হল হাসিতে ফেটে পড়ে! দৃশ্যটির সময়সীমা ছিল মিনিট কয়েক নৃপতি চট্টোপাধ্যায়ের কাণ্ডকারখানায় গিয়ে দাঁড়ায় মিনিট পনেরো-কুড়ি। পরিচালক পর্দাও ফেলতে পারছেন না,&nbsp;&nbsp; দর্শক উপভোগ করছেন। প্রেক্ষাগৃহে হাসির তুফান! ছবি বিশ্বাস মঞ্চের সামনে এসে দাঁড়ালে তাঁর প্রতি সমবেদনা জানাবে কি, হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছেন! পরিচালক পরের শো বাতিল করে টিকিটের দাম ফেরত দেন। সেদিন নৃপতি চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হার মেনে ছবি বিশ্বাস স্বীকার করেছিলেন, নাটকে&nbsp; কোনও চরিত্রই ছোট নয়, সকল চরিত্রেরই আছে সমগুরুত্ব।</p>



<p>শিশির ভাদুড়ি-অহীন্দ্র চৌধুরী পর বাংলা নাট্যমঞ্চে শুরু হয় ছবি বিশ্বাস যুগ। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুই পুরুষ’, মনোজ বসুর কাহিনি নিয়ে ‘ডাকবাংলো’, দেবনারায়ণ গুপ্ত-র ‘শ্রেয়সী’, ‘ঝিন্দের বন্দী’, কত ঐতিহাসিক নাটক! পূর্বেই বলেছি, শিশির ভাদুড়ির ভাই ছিলেন ছবি বিশ্বাসের সহপাঠী, তাই শিশিরবাবুকে ‘বড়দা’ বলতেন। সেইজন্য তিনি কাছ থেকে শিশির ভাদুড়িকে দেখেছেন, অভিনয় দেখেছেন, শিখেছেন, তার পর বদলাচ্ছেন তাঁর&nbsp; অভিনয়। ছবি বিশ্বাসের অভিনয়ের মধ্যে ছিল চরিত্রের আভিজাত্য, দাপট, কারুণ্য, ভাঙচুর। ছিল না ম্যানারিজম। ফিল্ম-কেরিয়ারের তুঙ্গ পর্যায়ে ন’বছর বাদ পড়েছিল মঞ্চাভিনয়, তবে সুযোগসুবিধা মতো মঞ্চে উপস্থিত থেকেছেন। শিশির ভাদুড়ির আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকাকালীন সময়ে বিনা অর্থে নাটক করেছেন। শরীর ঠিক না-থাকার কারণে ডাক্তারের অনুমতি মেলেনি। যেদিন অনুমতি পেয়েছেন সেদিনই স্টার থিয়েটারে যোগ দিয়েছিলেন। বুকিং অফিস খুলতেই বিশাল লাইন। মুহূর্তে সব টিকিট শেষ। প্রতিটি শো ছিল হাউসফুল। সেইসময় একটি কথা খুব চালু ছিল, বক্স-অফিস টানতেন নায়ক-নায়িকা আর ছবি বিশ্বাস।</p>



<p>তিরিশের দশকের মধ্যভাগ থেকে পঞ্চাশের দশকের শুরু, নিয়মিত অভিনয় করেছিলেন পেশাদারি মঞ্চে। তাঁর অভিনয়ের দাপটে মঞ্চের প্রধান শিল্পীরাও ম্লান হয়ে যেতেন কখনওসখনও। এমনটা ঘটত সিনেমাতেও। বাংলা সিনেমা ছবি বিশ্বাসকে এনে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তার ভিতর ছিল, তপন সিংহের &#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217; (১৯৫৭), এই ছবির জন্য তিনি যোগ দিয়েছিলেন বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে। সত্যজিৎ রায়ের &#8216;জলসাঘর&#8217; (১৯৫৮), &#8216;,দেবী&#8217; (১৯৬০), &#8216;কাঞ্চনজঙ্ঘা&#8217; (১৯৬২) ইত্যাদি সিনেমা তাঁকে দেশেবিদেশে এনে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, পরিচিতি ইত্যাদি ইত্যাদি।</p>



<p>পঞ্চাশের প্রায় শুরু থেকেই বাংলা সিনেমায় ছবি বিশ্বাসের কাজ বাড়ল। ফল, তাঁকে পাওয়া গেল কম। ১৯৩৬-এ প্রথম ছবি &#8216;অন্নপূর্ণার মন্দির&#8217; থেকে তিরিশের কয়েকটি বছর সঙ্গে চল্লিশের দশকে তিনি মোট ৬০টি ছবি করেছেন। সেখানে শুধুমাত্র পঞ্চাশের দশকে ছবি করলেন ১৪৭টি। গড়ে বছরে প্রায় ১৫টি ছবি। শুধু তাই নয়। এই দশকেই ছবি বিশ্বাস পেয়েছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তপন সিংহের &#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217; (১৯৫৭), সত্যজিৎ রায়ের &#8216;পরশ পাথর&#8217; (১৯৫৮) এবং &#8216;জলসাঘর&#8217; (১৯৫৮) করেছেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img decoding="async" width="618" height="404" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/kabuliwala-chabi.png" alt="" class="wp-image-11255" style="aspect-ratio:1.5297029702970297;width:457px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/kabuliwala-chabi.png 618w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/kabuliwala-chabi-300x196.png 300w" sizes="(max-width: 618px) 100vw, 618px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি &#8211; &#8216; কাবুলিওয়ালা&#8217;</figcaption></figure>



<p>&#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217; প্রভূত জনপ্রিয়তা এনে দেয় ছবি বিশ্বাসকে। তবে উত্তম-সুচিত্রার &#8216;সবার উপরে&#8217;র&nbsp; (১৯৫৫) একটি সংলাপ বাঙালির মুখে মুখে ফিরেছিল, &#8216;খালাস, খালাস আমি চাই না।&#8230; ফিরিয়ে দাও আমার বারোটা বছর।&#8217; ছবি বিশ্বাসের অভিনয়ের মধ্যে যে মেলোড্রামা ছিল তা পছন্দ করেছিলেন দর্শকেরা। এছাড়াও ছবি বিশ্বাস অভিনীত চরিত্রটি দর্শক-মনে আবেগ-সহানুভূতির সঞ্চার করতে পারে&nbsp; তাঁর অভিনয়-গুণে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="611" height="369" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-jalsaghar.png" alt="" class="wp-image-11258" style="aspect-ratio:1.6558265582655827;width:462px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-jalsaghar.png 611w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-jalsaghar-300x181.png 300w" sizes="(max-width: 611px) 100vw, 611px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি- &#8216;জলসাঘর&#8217; </figcaption></figure>



<p>ছবি বিশ্বাস যখন সত্যজিৎ রায়ের &#8216;পরশ পাথর&#8217; করছেন তখন তাঁর ১৭৩টি ছবি হয়ে গেছে আর &#8216;জলসাঘর&#8217; করছেন ১৮৩টি ছবি। সেইসময় তিনি বাংলা সিনেমার অপরিহার্য অভিনেতা। ছবি বিশ্বাসের যে আভিজাত্যময় চেহারা তার সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছিলেন বিশ্ববরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়। &#8216;জলসাঘর&#8217;-এর অসাধারণ একটি মুহূর্ত&#8212;&#8216;পারেনি, পারেনি, সুদখোরের ব্যাটা বামন হয়ে পাহাড়ের চুড়ো ভাঙতে গেছিল, পারেনি&#8217;&#8212; ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বিশ্বম্ভর রায়ের তাচ্ছিল্যপূর্ণ সংলাপ বলার যে ভঙ্গিমা ছবি বিশ্বাস ছাড়া আর কে পারতেন! জমিদারি শেষ তবুও তাঁর অহংকার বিন্দুমাত্র কমেনি। ঐতিহ্যের সঙ্গে&nbsp; আধুনিকতার দ্বন্দ্ব। অসাধারণ এই দৃশ্যটি যেভাবে পরিস্ফুটিত করেছেন ছবি বিশ্বাস তা বাংলা সিনেমা তো বটেই ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অমূল্য সম্পদ! এ-কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।</p>



<p>এবার &#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217;র প্রসঙ্গে বলি। পরিচালক তপন সিংহ যখন ছবি বিশ্বাসকে &#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217;র কথা বলেন তখন তিনি পরিচালককে কি বলেছিলেন। দেখে নেওয়া যাক। &#8216;কাবলেদের সম্বন্ধে আমাকে একজন অথরিটি ভেবে নিতে পার।&#8217; বললেন ছবি বিশ্বাস, &#8216;ওদের সঙ্গে অনেক মেলামেশা করেছি।&#8217; সাগ্রহে বললাম, &#8216;তাহলে তো ওদের পুশতু ভাষাও একটু আধটু নিশ্চয়ই জানেন। কারণ কিছু সংলাপ পুশতুতে দিতে চাইছি কিনা।&#8217; এবার একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, &#8216;সংলাপে আবার শুধু শুধু পুশতু মুশতু আনতে গেলে কেন? বুঝবে কে? বললাম, &#8216;না বুঝলেও চলবে, এতে অভিনয়ের একটা ডাইমেনশন আনতে পারে&#8212; আনবেই যে এ কথা বলছি না।&#8217; একটু ভেবে বললেন, তা ঠিক, একটা কাবলেকে ধরে শিখে নিলেই চলবে। বাদবাকিটা আমার ওপর ছেড়ে দাও&#8212; কেমন পোশাকপরিচ্ছদ, মেক-আপ, চলা বলা&#8212; অনেকদিন পর একটা রোল পেয়েছি এক হাত লড়তে চাইছি।&#8217; (চলচ্চিত্র আজীবন, বায়োস্কোপের বাঁকে বাঁকে, তপন সিংহ)।</p>



<p>পুরনো দিনের মাঝেমধ্যেই শুনতাম&nbsp; তপন সিংহের কাছে। একদিন তিনি &#8216;কাবুলিওয়ালা&#8217;র শুটিংয়ের ঘটনা বলছিলেন, &#8220;সেট ফেলা হয়েছিল স্টুডিওতেই। সেটটা ছিল মেটিয়াবুরুজ অঞ্চলের একটি মুসলমান হোটেলের। শুটিং শুরু হবে। লাইট সাউন্ড ক্যামেরা সব রেডি। এবার সেটে ঢুকবেন কাবুলিওয়ালা বেশি ছবি বিশ্বাস। মনে হল ঠিক দেখছি তো! কাবুলিওয়ালা কোথায়! ছবি বিশ্বাসের মেক-আপ দেখে মনে হয়েছিল ইনি বোধহয় কোনও মুঘল সম্রাট। গরিব কাবুলিওয়ালাকে খুঁজেই পাওয়া গেল না। অসিত চৌধুরী তো মেক-আপ দেখে রেগেমেগে বেরিয়ে গেলেন। তারপর আলোচনা করে আমরা দু&#8217;জনেই ব্যাপারটা বলি ছবি বিশ্বাসকে। প্রথম দিকে গাঁইগুঁই করলেও পরে নিমরাজি ছবি বিশ্বাসকে গরিব কাবুলিওয়ালার মেক-আপ দেওয়া হয়। এছাড়াও আরও অনেক ঘটনা আছে।&#8221; সেদিন আর কথা হয়নি তপন সিংহের সঙ্গে। অভিনেতা ছবি বিশ্বাস সম্পর্কে ছিল তাঁর প্রগাঢ় শ্রদ্ধা।</p>



<p>ঋত্বিক ঘটকের সঙ্গে আবার অন্যরকম ঘটনা ঘটেছিল শুটিংয়ে। এটি শোনা অভিনেত্রী গীতা দের কাছে, &#8220;ঋত্বিকদা তখন শংকরের &#8216;কত অজানারে&#8217; নিয়ে সিনেমা করছেন। একদিন শুটিং চলছে। হঠাৎ ক্যামেরা থেকে চোখ সরিয়ে ঋত্বিকদা বললেন, &#8216;ছবিদা কিচ্ছু হচ্ছে না।&#8217; আমরা তো ভয়ে সব কাঁটা। এই বুঝি তীব্র হুংকার শোনা যাবে ছবিদার। আজকের শুটিংয়ের ইতি ঘটবে! একেবারে চুপচাপ সবাই। হঠাৎ ছবি বিশ্বাসের গলা, &#8216;তাহলে দেখিয়ে দিন, কেমন করে করতে হবে।&#8217; তারপর ঋত্বিকদা অভিনয় করে দেখালেন। সেটে উপস্থিত সকলেই অবাক! অপূর্ব তাঁর অভিনয়! ছবি বিশ্বাস চুপচাপ ঋত্বিকদার দেখানো অভিনয়টি করলেন। সেদিন বুঝেছিলাম, ঋত্বিক ঘটক কত বড় অভিনেতা ছিলেন!&#8221;</p>



<p>ছবি বিশ্বাস অভিনয়ের একটি নতুন ধারা তৈরি করেছিলেন। থিয়েটার এবং সিনেমার মিশ্রণে অদ্ভুত একটা ধারা এনেছিলেন। দু&#8217;একটা ক্ষেত্র ব্যতীত তাঁর অভিনয়ে থিয়েটারের কোনও ছাপই থাকত না। বিশেষ করে তাঁর কথা বলার ঢং ছিল একেবারে নিজস্ব। তার উদাহরণ হিসেবে উত্তমকুমারের একটি লেখার উল্লেখ করা যেতে পারে। উত্তমকুমার তাঁর &#8216;অভিনয়ের কথা&#8217;য় লিখছেন, &#8216;আমি যখন &#8216;নায়ক&#8217; করতে যাই তখন সত্যজিৎবাবু বলেছিলেন&#8212; ওহে উত্তমকুমার? আমি বললাম, হ্যাঁ, বলুন স্যার। &#8212; না প্রথম সিনটা একটু ছবিবিক ঢঙে অভিনয় করতে হবে।ছবিবিক ঢঙে আমি কি অভিনয় করব? ছবিদা ছবিদার মতো অভিনয় করতেন, আমি আমার মতো করব।না, ওই যে টাইম অ্যান্ড পজ-এর ব্যাপারটা আছে না, ওইটে করতে হবে&#8217;। উত্তমকুমার নিজে মনে করতেন, &#8216;একটু স্টাইলাইজড অভিনয় করতে গেলেই ছবি বিশ্বাস&#8230;। &#8216;স্ত্রী&#8217; ছবিতে উত্তমকুমারের অভিনয়ের প্রশংসা করতে উনি বলেছিলেন, &#8220;আমি আর অভিনয় করলাম কোথায়! সারাক্ষণই তো ছবি বিশ্বাসকে অনুসরণ করে গেলাম।&#8221;</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="306" height="232" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-kanchenjungha.png" alt="" class="wp-image-11262" style="aspect-ratio:1.3189655172413792;width:466px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-kanchenjungha.png 306w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/10/chabi-kanchenjungha-300x227.png 300w" sizes="(max-width: 306px) 100vw, 306px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি &#8211; &#8216; কাঞ্চনজঙ্ঘা &#8216;</figcaption></figure>



<p>ছবি বিশ্বাস ছিলেন বাংলা সিনেমার এক কিংবদন্তি অভিনেতা। তাঁকে নিয়ে লেখা খুব অনায়াসসাধ্য নয়। তপন সিংহ বলেছিলেন, &#8220;গ্রেট অ্যাক্টর।&#8221; সত্যজিৎ রায়&nbsp; তাঁর &#8216;ছবি বিশ্বাস&#8217; প্রবন্ধে লিখছেন, &#8216;ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল আমার সাড়ে তিনবার। &#8216;সাড়ে&#8217; এই কারণে যে, &#8216;পরশ পাথর&#8217; ছবিটিতে তিনি অবতীর্ণ হয়েছিলেন একটি মাত্র দৃশ্যে এবং তাও &#8216;অতিথি অভিনেতা&#8217; হিসেবে&#8212; বেনামে এবং বিনা পারিশ্রমিকে। বাকি তিনখানা ছবি হল, &#8216;জলসাঘর&#8217;, &#8216;দেবী&#8217; ও &#8216;কাঞ্চনজঙ্ঘা&#8217;। তাঁর উপযুক্ত আরও অনেক চরিত্র, অনেক কাহিনি আমার পরিকল্পনায় ছিল। তাঁকে কেন্দ্র করে একটি কমেডি ছবির মোটামুটি কাঠামোও আমার তৈরি ছিল। এসবই তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে আমার মন থেকে মুছে ফেলে দিতে হয়েছে। হয়তো এসব কাহিনি, এসব চরিত্র আর কোনওদিনই চলচ্চিত্রে রূপ পাবে না; কারণ অভিনয় দক্ষতায়, ব্যক্তিত্বে, চেহারায় ও বাচনভঙ্গিতে ছবি বিশ্বাসের জুড়ি আর নেই, এবং অচিরে আবির্ভূত হবার সম্ভাবনাও নেই&#8217;। (প্রবন্ধ সংগ্রহ, সত্যজিৎ রায়, আনন্দ)।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/">ছবি বিশ্বাস: বাংলা সিনেমার বিস্মৃত কিংবদন্তি</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/chabi-biswas-bengali-cinema-legend/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শরৎচন্দ্রে উত্তমকুমার</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/saratchadra-and-uttamkumar/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/saratchadra-and-uttamkumar/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 11:44:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=11102</guid>

					<description><![CDATA[<p>শরৎসাহিত্যে নিয়ে বাংলা সিনেমার চরিত্রগুলোতে উত্তমকুমার এক অনন্য অভিনেতা।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saratchadra-and-uttamkumar/">শরৎচন্দ্রে উত্তমকুমার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কমলেন্দু সরকার</strong></p>



<p>বাঙালির সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর ১৫০ এবং বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তমকুমারের ১০০। শরৎসাহিত্যে নিয়ে বাংলা সিনেমার চরিত্রগুলোতে উত্তমকুমার এক অনন্য অভিনেতা। আমরা অর্থাৎ দর্শককুল দেখে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টি&nbsp; পুরুষচরিত্রগুলিতে উত্তমকুমারের নির্বাচন একেবারেই ঠিক। মনে হয়, লেখক যেন উত্তমকুমারের জন্যই তাঁর কাহিনির পুরুষ চরিত্রগুলো সৃষ্টি করেছিলেন। অবশ্যই উত্তমকুমার শরৎসাহিত্যের যেসব কাহিনি নিয়ে ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন।</p>



<p>আমরা দেখি, উত্তমকুমার কখনও জমিদার পরিবারের শিক্ষিত, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন যুবক; কখনও ভবঘুরে, জীবনদ্রষ্টা শ্রীকান্ত; কখনও দ্বিধাগ্রস্ত অথচ নীতিনিষ্ঠ মহিম; আবার কখনও একেবারে মাটির কাছাকাছি থাকা এক মানুষ&#8212; শরৎচন্দ্রের পুরুষ চরিত্রগুলির মধ্যে দিয়ে প্রকাশিত উত্তমকুমারের অভিনয়ের নানান। সঙ্গে সঙ্গে বলতেই হয়, শরৎসাহিত্য তখনও বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ভাণ্ডার, এখনও তাই। নির্বাক থেকে সবাক, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে লেখকের গল্প-উপন্যাস নিয়ে অসংখ্য ছবি হয়েছে। কোনও কোনও কাহিনি একাধিকবার পর্দায় ফিরে এসেছে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে &#8216;দেবদাস&#8217; হল তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। &#8216;দেবদাস&#8217; নিয়ে একাধিক ভারতীয় ভাষায় সিনেমা হয়েছে। অথচ &#8216;দেবদাস&#8217; নিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিজের মনেই আশঙ্কা ছিল, এ লেখা নেবে না পাঠক! ১৬ বছর দেরাজ-বন্দি হয়েছিল &#8216;দেবদাস&#8217;। একদিন দেরাজ খুলে ধুলোমাখা পাণ্ডুলিপিটি ঝেড়েঝুড়ে প্রকাশকের হাতে তুলে দিয়েছিলেন লেখক! বই হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই পাঠক সমাদৃত হয়। জানা যায়,&nbsp; উপন্যাসটি ১৯০১ সালে রচিত হলেও দীর্ঘ ১৬ বছর পর ১৯১৭ সালের ৩০ জুন এটি প্রথম বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।</p>



<p>১৯১৭-র ঠিক ১১ বছর পর ১৯২৮ সালে প্রথম চলচ্চিত্রায়িত হয়েছিল। করেছিলেন পরিচালক-অভিনেতা নরেশচন্দ্র মিত্র। ক্যামেরা করেছিলেন নীতিন বসু। কিন্তু দুঃখের বিষয় নির্বাক যুগের &#8216;দেবদাস&#8217;-এর কোনও কিছুই আজ অমিল। তবে তৎকালীন সংবাদপত্রে প্রভূত প্রশংসা আদায় করেছিল পরিচালক নরেশচন্দ্র মিত্র পরিচালিত-অভিনীত &#8216;দেবদাস&#8217;। ঠিক এর ১৮ বছর পর ১৯৩৫-এ আবার বাংলা সিনেমায় দেখা গেল &#8216;দেবদাস&#8217;। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসের কিংবদন্তি প্রযোজক &#8216;নিউ থিয়েটার্স-এর ব্যানারে তৈরি হয়েছিল &#8216;দেবদাস&#8217;। সিনেমা তখন টকি অর্থাৎ সবাক। পরিচালক এবং দেবদাস ছিলেন প্রমথেশ বড়ুয়া। ছিলেন যমুনা বড়ুয়া, চন্দ্রাবতী দেবী, অন্ধ গায়ক কৃষ্ণচন্দ্র দে, অমর মল্লিক, পাহাড়ি সান্যাল প্রমুখ। হিন্দি &#8216;দেবদাস&#8217; হয়েছিল নিউ থিয়েটার্স-এর ব্যানারে পরের বছরই ১৯৩৬-এ। তবে এবার প্রমথেশ বড়ুয়া নন, দেবদাস ছিলেন কুন্দনলাল সায়গল।</p>



<p>এর ৪৩ বছর পর ১৯৭৯-তে উত্তমকুমারকে দেখি &#8216;দেবদাস&#8217;-এ। না, উনি দেবদাস চরিত্রে নন, করেছিলেন চুনিলাল। দেবদাস ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন সুপ্রিয়া,&nbsp; সুমিত্রা। পরিচালক দিলীপ রায়।</p>



<p>পরের বছরই অর্থাৎ ১৯৮০-তে পরিচালক দিলীপ রায় শরৎকাহিনি &#8216;দর্পচূর্ণ&#8217; নিয়ে ছবি করেছিলেন। এই ছবিতেও দেখা গিয়েছিল অভিনেতা হিসেবে উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। উত্তমকুমার ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র নরেন-এর ভূমিকায় অভিনয় করেন। তাঁর অভিনয় সমালোচক এবং দর্শকধন্য হয়েছিল।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="480" height="291" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/bordidi-sarat.png" alt="" class="wp-image-11110" style="aspect-ratio:1.6494845360824741;width:451px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/bordidi-sarat.png 480w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/bordidi-sarat-300x182.png 300w" sizes="(max-width: 480px) 100vw, 480px" /></figure>



<p>শরৎ-কাহিনি নিয়ে উত্তমকুমার অভিনীত প্রথম ছবি ছিল &#8216;বড়দিদি&#8217;। সেইসময় উত্তমকুমার অভিনয় করছেন সন্ধ্যারানির বিপরীতে। যত সহজে বলা যায়, তত সহজ কিন্তু ছিল না ব্যাপারটা। তার কারণ, ইতিমধ্যেই উত্তমকুমার ৪৮টি ছবির নায়ক হয়ে গেছেন। উত্তম-সুচিত্রা জুটি দর্শকের নয়নের মণি। উত্তম-সুচিত্রা জুটির ১৪টি ছবি হয়ে গেছে। দু&#8217;একটি ছাড়া প্রতিটি হিট। আর উত্তমকুমার মানেই বক্স-অফিস সাফল্য। সেইসময় উত্তমকুমার নন-রোম্যান্টিক চরিত্র করতে রাজি হলেন পরিচালক অজয় কর-এর কথায়। ছবির বক্স-অফিস সাফল্য তেমন ছিল না। কিন্তু তাঁর লুক এবং অভিনয় প্রভূত প্রশংসিত হয়। ষাটের দশকে প্রায় গোড়াতেই &#8216;বড়দিদি&#8217; কাহিনিটি নিয়ে দক্ষিণে হয়েছিল &#8216;বাতাসারি&#8217;। উত্তমকুমার অভিনীত সুরেন চরিত্রটি করেছিলেন তৎকালীন জনপ্রিয় অভিনেতা নাগেশ্বর রাও। শোনা যায়, তিনি কলকাতা থেকে &#8216;বড়দিদি&#8217;র প্রিন্ট নিয়ে গিয়ে দেখেন। এবং মুগ্ধ হয়েছিলেন উত্তমকুমারের অভিনয়ে।</p>



<p>১৯৫৭-এর গোড়াতেই অর্থাৎ ২৩ জানুয়ারি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি পরিচালক অজয় করের &#8216;বড়দিদি&#8217; বক্স-অফিস সাফল্য না-পেলেও, ব্লকবাস্টার হিট প্রায় বছরের শেষে মুক্তিপ্রাপ্ত (১৫ নভেম্বর, ১৯৫৭) ছবি পরিচালক কার্তিক চট্টোপাধ্যায়ের &#8216;চন্দ্রনাথ&#8217;। সেইসময় রোম্যান্টিক জুটি বলতেই ছিল উত্তম-সুচিত্রা। কিন্তু &#8216;চন্দ্রনাথ&#8217; মোটেও সেই অর্থে প্রেমের ছবি ছিল না। পূর্বেই বলেছ, অদ্ভুতভাবে ছবিটি ব্যাপক বক্স-অফিস&nbsp; আনুকূল্য লাভ করে দর্শকের।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="272" height="179" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/chandranath-sarat.png" alt="" class="wp-image-11112" style="aspect-ratio:1.5195530726256983;width:240px;height:auto"/></figure>



<p>তবে কথা অন্য জায়গায়। সেইসময় &#8216;মেট্রো&#8217; সিনেমা মানেই ছিল বিদেশি ছবি। সেই মেট্রো সিনেমায় &#8216;চন্দ্রনাথ&#8217; রিলিজ করে। এবং আশাতীত সাফল্য পায় ছবি। শোনা যায়, মেট্রো কর্তৃপক্ষ মাত্র দু&#8217;সপ্তাহের জন্য &#8216;চন্দ্রনাথ&#8217; রিলিজ করিয়েছিলেন প্রেক্ষাগৃহে। দর্শকের সাড়ায় &#8216;চন্দ্রনাথ&#8217; নাকি রজতজয়ন্তী সপ্তাহ পালন করেছিল মেট্রো প্রেক্ষাগৃহে! টিকিট ঘরের লাইন নাকি পৌঁছে যেত &#8216;এলিট&#8217; সিনেমা হল-এ !</p>



<p>&#8216;রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত&#8217; ছবিতে উত্তমকুমার ছিলেন শ্রীকান্ত। বাংলা সিনেমার নির্বাক যুগে প্রথম শ্রীকান্ত-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতা কান্তিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সবাক যুগের প্রথম শ্রীকান্ত উত্তমকুমার। শ্রীকান্ত ছিল লেখকের দ্বিতীয় সত্তা ।শ্রীকান্ত ছিল ভবঘুরে যুবক। ১৯৫৮-এর &#8216;রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত&#8217; সম্ভবত শরৎচন্দ্র-উত্তমকুমার সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।কারণ এখানে উত্তমকুমারকে নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘নায়ক’ ইমেজের বাইরে গিয়ে অভিনয় করতে হয় এমন একটি চরিত্রে, যার সবচেয়ে বড় পরিচয়- সে বাঁধনহীন।</p>



<p>শ্রীকান্ত কোনও প্রচলিত নায়ক নয়। সে পর্যবেক্ষক। সে পথিক। সে মানুষের জীবনের ভিতর দিয়ে হাঁটে, দেখে, অনুভব করে, কিন্তু সবসময় নিজেকে সেই জীবনের কেন্দ্রে স্থাপন করে না।</p>



<p>শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত তাই বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য পুরুষ চরিত্র। আর উত্তমকুমারের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল-তিনি শ্রীকান্তকে ‘হিরো’ বানাননি।</p>



<p>কানন দেবীর প্রযোজনায় হরিদাস ভট্টাচার্যের পরিচালনায় &#8216;রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত&#8217; মুক্তি পায় ১৯৫৮ সালে। সুচিত্রা সেন অভিনয় করেন রাজলক্ষ্মীর ভূমিকায় এবং উত্তমকুমার শ্রীকান্ত।</p>



<p>এই ছবিতে উত্তমকুমার তাঁর অভিনয়ে শরীরী ভাষা এবং সংলাপ উচ্চারণে বদল আনেন। তাঁর মধ্যে পাওয়া যায় রোম্যান্টিক নায়কের পরিবর্তে এক ধরনের পথিকের উদাসীনতা। এবং এটাই ছিল উত্তমকুমারের কাছে শরৎচন্দ্রকে পর্দায় ধরার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।</p>



<p>&#8216;রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত মিনার, বিজলী ও ছবিঘরে মুক্তি&nbsp; পায় ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮। শোনা যায়, ছবিটি দীর্ঘদিন হাউসফুল দিয়েছে বক্স-অফিসে। এবং টানা বেশ কয়েক সপ্তাহ প্রেক্ষাগৃহে দাপটের সঙ্গে চলে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="472" height="243" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/rajlakshmi-o-srikanta-1.png" alt="" class="wp-image-11116" style="aspect-ratio:1.9423868312757202;width:370px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/rajlakshmi-o-srikanta-1.png 472w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/rajlakshmi-o-srikanta-1-300x154.png 300w" sizes="(max-width: 472px) 100vw, 472px" /></figure>



<p>এরপর ন&#8217;বছর পর ১৯৬৭-তে শরৎ-কাহিনি নিয়ে উত্তমকুমারের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছিল &#8216;গৃহদাহ&#8217;। উত্তম-সুচিত্রা-সাবিত্রী ছিলেন। ছিলেন প্রদীপকুমারও। এ-প্রসঙ্গে একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করতেই হয়। সেখানে প্রকাশিত হয় মানুষ উত্তমকুমারের মহত্ত্ব। ১৯৪৮-৪৯-এর কোনও একটা সময়। উত্তমকুমার তাঁর অভিনয়জীবনের দ্বিতীয় ছবি, নায়ক হিসেবে প্রথম ছবি। বিপরীতে নায়িকা ছবি রায়। উত্তমকুমার শুনলেন, পাশের ফ্লোরেই শুটিং করছেন। প্রদীপকুমার&nbsp; তখন নামী নায়ক। নাটক করার সুবাদে প্রদীপকুমারকে চিনতেন। তিনি পরিচিত ছিলেন শীতলদা নামে। ছবি রায়কে বলে উত্তমকুমার পাশের ফ্লোরে দেখা করতে গেলেন প্রদীপকুমারের সঙ্গে। উত্তমকুমার বললেন, &#8220;শীতলদা কেমন আছেন?&#8221; প্রদীপকুমার ভ্রু কুঁচকে বললেন, &#8220;তোমাকে ঠিক চিনতে পারলাম না!&#8221; লজ্জিত উত্তমকুমার চলে এলেন। এসে ঘটনাটি বললেন, ছবি রায়কে। ছবি রায় সান্ত্বনা দিয়ে, &#8220;ওসবে কিছু মনে করতে নেই। মানুষ বড় হয়ে গেলে ওরকম হয়ে যায়।&#8221; সেদিন ছবি রায়ের কথায় উত্তমকুমার সব ভুলে গিয়েছিলেন, কিছুই মনে রাখেননি। নইলে ১৮ বছর পর তাঁর প্রযোজিত ছবি &#8216;গৃহদাহ&#8217; ছবিতে প্রদীপকুমারকে অভিনয়ের জন্য নেন!</p>



<p>&#8216;গৃহদাহ&#8217; ছিল উত্তমকুমারের কাছে সবচেয়ে কঠিন শরৎ-কাহিনি। যদি উত্তমকুমারের শরৎ-কাহিনি নিয়ে অভিনয়ের মধ্যে একটি ছবি বেছে নিতে হয়, তাহলে বলা যেতে পারে, &#8216;গৃহদাহ&#8217; সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছবি। ১৯৬৭ সালে সুবোধ মিত্র পরিচালিত এই ছবিতে উত্তমকুমার মহিম, সুচিত্রা সেন অচলা এবং প্রদীপকুমার সুরেশ-এর চরিত্রে অভিনয় করেন। &#8216;গৃহদাহ&#8217; মুক্তি পেয়েছিল ৫ মে ১৯৬৭। বক্স-অফিস সাফল্য ছিল প্রভূত। সম্ভবত টানা ১৩ সপ্তাহ চলেছিল রূপবাণী, অরুণা, ভারতী প্রেক্ষাগৃহে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="273" height="420" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/grihadaha-sarat-1.png" alt="" class="wp-image-11121" style="aspect-ratio:0.65;width:382px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/grihadaha-sarat-1.png 273w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2026/09/grihadaha-sarat-1-195x300.png 195w" sizes="(max-width: 273px) 100vw, 273px" /></figure>



<p>সমালোচক এবং দর্শকদের মতে উত্তমকুমারের অভিনয়জীবনে সেরা অভিনয়ের একটি &#8216;গৃহদাহ&#8217;-এর মহিম।</p>



<p>১১ বছর পর উত্তমকুমার ফিরে এলেন শ্রীকান্ত চরিত্রে। পরিচালক হরিসাধন দাশগুপ্তের ছবি &#8216;কমললতা&#8217;য়।</p>



<p>কমললতা: আবার শ্রীকান্তর ভূমিকায় এলেন উত্তমকুমার। সময়টা ষাটের দশকের শেষ এবং সত্তরের শুরুর সন্ধিক্ষণে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের &#8216;শ্রীকান্ত&#8217; উপন্যাসের তৃতীয়-চতুর্থ খণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই চিত্রনাট্য লিখেছিলেন পরিচালক হরিসাধন দাশগুপ্ত। সুচিত্রা সেন কমললতা আর উত্তমকুমার শ্রীকান্ত।</p>



<p>রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত-এর শ্রীকান্ত আর কমললতা-র শ্রীকান্তের মধ্যে সময়ের ব্যবধান আছে, কিন্তু অভিনেতার কাছে চ্যালেঞ্জটা একই থেকে যায়।কীভাবে একজন ভবঘুরে মানুষের ভিতরে থাকা আবেগ, স্মৃতি, আকর্ষণ এবং বিচ্ছিন্নতাকে অভিনয়ে ধরা যায়। এখানেই উত্তমকুমারের অভিনয়-ক্ষমতা। বোঝা যায়, কেন তিনি উত্তমকুমার!</p>



<p>তিনি চরিত্রকে নিজের মতো করে নেননি; বরং অভিনয়ধারা চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলেছিলেন।</p>



<p>শরৎ-কাহিনির চরিত্রদের মধ্যে ভালবাসা আছে, কখনও কখনও দেখা যায় তাদের সাহসের অভাব আছে। আত্মমর্যাদা আছে, কিন্তু অহংও আছে। নৈতিকতা আছে, কিন্তু দ্বিধাও আছে। তারা সমাজের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়, আবার সমাজের নিয়মের কাছেও পরাজিত হয়।এই অসম্পূর্ণ মানুষগুলিই শরৎচন্দ্রের শক্তি। আর উত্তমকুমারের অভিনয় ক্ষমতা হল অসম্পূর্ণ মানুষকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। তাঁর হাসি যেমন দর্শককে মুগ্ধ করত, তেমনই তাঁর নীরবতাও চরিত্রের ভিতরের কথা বলে দিতে পারত। তাই শরৎ-কাহিনি অবলম্বনে চরিত্রগুলিতে&nbsp; উত্তমকুমারকে দেখলে অদ্ভুত লাগে তিনি মহানায়ক বা স্টার অভিনেতা হয়েও কখনও চরিত্রগুলিকে নিজের ভাবমূর্তির মধ্যে জাহির করেননি। বরং চরিত্রের ভিতরে ঢুকে নিজের তারকাখ্যাতিকে আড়াল করেছেন।</p>



<p>নিউ থিয়েটার্স-এর &#8216;দেবদাস&#8217; দেখে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরিচালক-অভিনেতা প্রমথেশ বড়ুয়াকে&nbsp; বলেছিলেন, &#8220;আপনার জন্যই যেন &#8216;দেবদাস&#8217; চরিত্রটির সৃষ্টি। উত্তমকুমার অভিনীত শরৎ-কাহিনি নিয়ে ছবিগুলো দেখলে লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কি বলতেন, তা সহজেই অনুমেয়। উত্তমকুমার অভিনীত প্রতিটি&nbsp; শরৎ-কাহিনি নিয়ে ছবিগুলো দেখলে মনে হয়, বইয়ের পৃষ্ঠা থেকে উঠে এসেছে চরিত্রগুলো! লেখক বেঁচে থাকলে হয়তো উত্তমকুমারকেও একই কথা বলতেন, আপনার জন্যই চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়েছিল।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/saratchadra-and-uttamkumar/">শরৎচন্দ্রে উত্তমকুমার</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/saratchadra-and-uttamkumar/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বলিউডে দিওয়ালি ব্যাশ</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/bollywood-diwali-bash/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/bollywood-diwali-bash/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 17 Oct 2025 08:33:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Celeb Fashion]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9572</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঝলমলে জমকালো তারাদের মেলা।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/bollywood-diwali-bash/">বলিউডে দিওয়ালি ব্যাশ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঝলমলে আলো, গ্ল্যামারের ঝলক আর তারকাখচিত রাত,এভাবেই প্রতি বছর দীপাবলির উৎসবে মেতে ওঠে বলিউড। আলোকসজ্জা, ঐতিহ্য আর আধুনিকতার রঙে রঙিন হয় সেলিব্রেটিদের বাড়ি। এবারও সেই উৎসবের ঝলক ধরা পড়েছে আমাদের বিশেষ বলিউড দীপাবলি ব্যাশ ছবির ফ্রেমে।দুটি দিওয়ালি পার্টিতে ,রমেশ তৌরানি এবং মনীশ মালহোত্রার বাড়ির জমাটি দিওয়ালি পার্টির কিছু ঝলক-</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="590" height="602" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/nita-ambani-rekha.png" alt="" class="wp-image-9573" style="aspect-ratio:0.9800664451827242;width:516px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/nita-ambani-rekha.png 590w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/nita-ambani-rekha-294x300.png 294w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/nita-ambani-rekha-50x50.png 50w" sizes="(max-width: 590px) 100vw, 590px" /></figure>



<p>নীতা আম্বানি,চিরকালীন রেখা ও মনীশ মালহোত্রা</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="562" height="550" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/king-khan.png" alt="" class="wp-image-9576" style="aspect-ratio:1.0218181818181817;width:523px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/king-khan.png 562w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/king-khan-300x294.png 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/king-khan-50x50.png 50w" sizes="(max-width: 562px) 100vw, 562px" /></figure>



<p>কিং খান</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="646" height="583" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/suhana-gauri-sym_cleanup.png" alt="" class="wp-image-9579" style="aspect-ratio:1.1080617495711835;width:516px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/suhana-gauri-sym_cleanup.png 646w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/suhana-gauri-sym_cleanup-300x271.png 300w" sizes="(max-width: 646px) 100vw, 646px" /></figure>



<p>সুহানা আর গৌরী খান</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="752" height="649" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/kajol-nyasa-cl.png" alt="" class="wp-image-9582" style="aspect-ratio:1.1587057010785824;width:526px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/kajol-nyasa-cl.png 752w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/kajol-nyasa-cl-300x259.png 300w" sizes="(max-width: 752px) 100vw, 752px" /></figure>



<p>কাজল আর ন্যাসা দেবগন</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="430" height="511" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/madhuri-cl.png" alt="" class="wp-image-9585" style="aspect-ratio:0.8414872798434442;width:526px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/madhuri-cl.png 430w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/madhuri-cl-252x300.png 252w" sizes="(max-width: 430px) 100vw, 430px" /></figure>



<p>সেই ভুবনভোলানো হাসির মাধুরী মাধুর্য</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="752" height="569" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/salman-katrina.png" alt="" class="wp-image-9587" style="aspect-ratio:1.3216168717047452;width:530px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/salman-katrina.png 752w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/salman-katrina-300x227.png 300w" sizes="(max-width: 752px) 100vw, 752px" /></figure>



<p>রমেশ তৌরানি দিওয়ালি পার্টিতে সলমান আর ক্যাটরিনা</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="752" height="395" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/zaheer-sonakshi-vijay-tamanna-ramesh.png" alt="" class="wp-image-9590" style="aspect-ratio:1.9037974683544303;width:538px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/zaheer-sonakshi-vijay-tamanna-ramesh.png 752w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/10/zaheer-sonakshi-vijay-tamanna-ramesh-300x158.png 300w" sizes="(max-width: 752px) 100vw, 752px" /></figure>



<p>জাহির-সোনাক্ষী,বিজয়- তামান্না,শিল্পা -রাজ</p>



<p>ছবি- মনীশ মালহোত্রা ইন্সটা,রমেশ তৌরানি ইন্সটা, এএনআই ,বলিউড বাবল।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/bollywood-diwali-bash/">বলিউডে দিওয়ালি ব্যাশ</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/bollywood-diwali-bash/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 11:45:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[anuparna roy]]></category>
		<category><![CDATA[songs of forgotten trees]]></category>
		<category><![CDATA[venice film festival]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9339</guid>

					<description><![CDATA[<p>পূর্ব পুরুলিয়ার&#160; কুলটির সবুজ গ্রামসীমা থেকে উঠে এসে আজ অনুপর্ণা রায় বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে ইতিহাস</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/">অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পূর্ব পুরুলিয়ার&nbsp; কুলটির সবুজ গ্রামসীমা থেকে উঠে এসে আজ অনুপর্ণা রায় বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে ইতিহাস তৈরি করেছেন। তাঁর প্রথম ছবি সংস অফ ফরগটেন ট্রিস&nbsp; Songs of Forgotten Trees-এর জন্য ২০২৫ সালের ৮২তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজোন্টি বিভাগে সেরা পরিচালক পুরস্কার জয় করে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন , প্রথম ভারতীয় পরিচালক হিসেবে।</p>



<p>এই সাফল্য নজিরবিহীন ,অসামান্য এবং অভুতপূর্ব কারণ  সংস অফ ফরগটেন ট্রিস ঐ বিভাগে একমাত্র ভারতীয় ছবি।এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হচ্ছে বর্তমান বাংলা মেনস্ট্রিম ছবির কথা যেখানে এই ধরণের ছবি করার জন্য উৎসাহ দেওয়া তো অনেকদূর কাল থেকে এখন অবধি অনুপর্ণার এই দুর্দান্ত দিগ্বিজয়ী সাফল্যের কথা বলতে তথাকথিত মেনস্ট্রিম মিডিয়ার অতলান্তিক নৈঃশব্দ।কিন্তু ভরসার কথা এখন সমাজমাধ্যম আছে।ফেসবুকে দুটি লেখার অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে ,একটি নির্দেশক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরীর অন্যটি সাংবাদিক প্রতীকের।</p>



<p>ইন্দ্রনীল লিখেছেন &#8211; অনুপর্ণা রায়ের ছবি &#8216;Songs of the Forgotten Trees&#8217;&nbsp; ভেনিসের &#8216; অরিজন্তি&#8217; ( Horizons) বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার পেয়েছে। শুনেছি তিনি পুরুলিয়ার মেয়ে এবং তার খুবই কম বয়স। ভেনিসের Orizzonti, কান এর Un Certain Regard আর বার্লিনের Encounters বিভাগের সমতুল্য। এগুলি মেইন কম্পিটিশন এর পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।</p>



<p>এটি নিঃসন্দেহে গত পঁচিশ-তিরিশ বছরে&nbsp; একজন বাঙালি পরিচালকের পাওয়া সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এবং ছবির খবর, আই রিপিট, খবর হিসেবে সবচেয়ে বড়।</p>



<p>ছবি নিয়ে আমার কিছু বলার অধিকার নেই, কারণ ছবি আমি দেখিনি এবং  এটাও সত্য যে পুরস্কার আর উৎকর্ষ সব সময় সমার্থক নাও হতে পারে।কিন্তু বাংলা বিনোদন সংবাদ, যারা নায়কের পায়ের ফুসকুড়ি ও বিগত প্রেম নিয়ে ভাইরাল নিউজ করার জন্য হা পিত্যেশ করে বসে থাকে তাঁদের গত রাত থেকে এই প্রায়  চিৎকৃত নৈঃশব্দ আমাদের পরিষ্কার দেখিয়ে দেয় আমরা  কারা।  আর বাঙালি  সংস্কৃতমনা গর্বিত ভদ্রলোক, যারা অনির্বাণের একটি আধা গান নিয়ে  প্রবন্ধের পর প্রবন্ধ রচনা করতে পারে তারাও বা কোন দিকে ধাবমান  আর তাদের কুয়োর আকাশটুকু কত বড় তারও একটা পরিষ্কার  মাপ পাওয়া যায়।ফলে কেউ যখন আমাদের দিকে বেঙ্গল ফাইলস ছুড়ে দেয়, , ওটা গু বলে বেশি রাগারাগি না করাই ভালো। আমরা জাতি হিসেবে ওটার জন্যই হাঁ করে বসে আছি।&#8221;</p>



<p>প্রতীক লিখেছেন – ‘অনুপর্ণা রায় বাংলা মাধ্যমের ছাত্রী কিনা জানি না, তবে পরিষ্কার শুনলাম, আমরা যারা বাংলা মাধ্যমের ক্যাবলা, তাদের মত করেই &#8220;অ্যাওয়ার্ড&#8221; বললেন। নাতিদীর্ঘ বক্তৃতার সবটাই অ্যাকসেন্ট-সচেতন বাঙালিকে লজ্জিত করবে। কলকাতার কনভেন্ট এবং পাড়ায় পাড়ায় গজিয়ে ওঠা ইংলিশ মিডিয়ামের সায়েব, মেমরা আড়ালে আবডালে &#8220;সো এম্ব্যার&#x200d;্যাসিং&#8221; বলছেন হয়ত। কিন্তু ব্যাপার হল, তাতে ঘন্টা এসে যায়। গত ৪০-৪৫ বছর ধরে বাঙালি একটা জিনিস নিয়ে তর্ক করে গেল &#8212; বাংলা মিডিয়াম ভাল, না ইংলিশ মিডিয়াম ভাল। কোনো বাপ-মাকে বোঝানো যায় না (আমাদের সময়ে তাও যেত, এখন একেবারেই যায় না), যে মিডিয়ামেই পড়াও, পড়ার বিষয়গুলো ভাল করে না শিখলে হবে লবডঙ্কা।</p>



<p>হচ্ছেও তাই। অ্যাকসেন্টের ধার না ধেরে একটা পুরুলিয়ার মেয়ে অত বড় মঞ্চে পুরস্কার পাওয়ার মত ছবি বানিয়ে ফেলল। ওদিকে কলকাতার যেসব নির্দেশক দাড়ি চুলকে একটা বাক্যে দশটার মধ্যে আটটা ইংরিজি শব্দ বলেন আর সিনেমায় আর্বানা, সাউথ সিটির পরিবার দেখান তাঁরা ধারে কাছে পৌঁছতে পারছেন না। যদি দর্শক টানার মত ছবি বানাতে পারতেন তাহলে অবশ্য এসব কথা বলতাম না। তরুণ মজুমদারও সারাজীবনে ভেনিস, কান, মাথা কোথাও গিয়ে উঠতে পারেননি। তাতে তিনি ছোট হয়ে যান না। কিন্তু এই যারা দরকচা মারা, তাদের যে আমরা দরকচা মারা বলে চিনতে পারছি না- এটা আমাদের শিল্প উপভোগ করতে পারার দৈন্য প্রকাশ করে।‘</p>



<figure class="wp-block-image size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="538" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-1024x538.jpeg" alt="" class="wp-image-9347" style="aspect-ratio:1.903345724907063;width:513px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-1024x538.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-300x158.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834-768x403.jpeg 768w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2025/09/208969-chtnziwklg-1755977834.jpeg 1200w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /><figcaption class="wp-element-caption">ছবি -সংস অফ ফরগটেন ট্রি ছবির দৃশ্য।স্ক্রোল</figcaption></figure>



<p>ছবিটি দুটি মুম্বইয়ের অভিবাসী নারীর (নাজ শাইখ ও সুমি বাঘেল অভিনীত) জীবন ও সম্পর্কের নীরব আবেগ ও যুদ্ধকে সামনে নিয়ে আসে; শহুরে জীবনে টিকে থাকার সংগ্রাম আর বন্ধুত্বের নরম আবরণে আবৃত।</p>



<p>পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠানে ফরাসি পরিচালক জুলিয়া ডুকুর্নাও পুরস্কার তুলে দেন; অনুপর্ণা বাঙালি লাল পাড় সাদা শাড়িতে অভিষিক্ত হয়ে জানান, এই মুহূর্তটাই যেন “অবিশ্বাস্য’’। তিনি তাঁর টিম, অভিনেত্রী, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রটিকে সমর্থন করা সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন বিশেষ করে অনুরাগ কাশ্যপকে।অনুপর্ণা রায় নিজেদের গ্রামের অনুষঙ্গ ও মুম্বইয়ের বাস্তব জীবনের গল্পকে মোহনীয়ভাবে চিত্রায়ন করে; দুটি মহিলার জীবনকে ঘিরে আবর্তিত গল্পের আবেগ, সহমর্মিতা ও চতুরতার রেখাকে পটভূমি করে তুলে ধরেছেন।</p>



<p>পারিবারিক প্রতিক্রিয়াও মর্মস্পর্শী। কুলটির মধ্যবিত্ত পরিবার, বাবা ব্রহ্মানন্দ ও মা মণীষা রায় ভেবেছিলেন চলচ্চিত্র তাঁর জন্য অস্থির ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারে, এবং বিয়ে-পরিচয় নিয়েও চিন্তিত ছিলেন। তবে এখন প্রতিটি উদ্বেগ আনন্দে মিশে গেছে: গ্রামের বাসিন্দারা, পরিবারের মানুষ সবাই তাঁর সাফল্য উদযাপন করতে ব্যাকুল।</p>



<p>এই জয় শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়,বাংলা ও ভারতীয় নারী নির্মাতাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা যাত্রা। অনুপর্ণা বলেন, “এই ফিল্মটি প্রত্যেক মহিলাকে উৎসর্গ, যাকে বরাবর চুপ করানো, অদৃশ্য করা বা হাল্কা করে দেখা হয়েছে। মুম্বাইয়ের পথে এই জয় যেন পৃথিবীর প্রতিটি গল্পকে বলার শক্তি জোগায়”</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/">অনুপর্ণা রায়: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গৌরব অর্জনে নতুন দিগন্ত</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/anuparna-roy-wins-best-director-award-in-venice-film-festival-for-her-film-songs-of-forgotten-trees/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাইয়ারা ঝড়</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 13:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[ahaan pandey]]></category>
		<category><![CDATA[anit padda]]></category>
		<category><![CDATA[mohit suri]]></category>
		<category><![CDATA[saiyaara film]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9186</guid>

					<description><![CDATA[<p>শুধুই কাঁচা আবেগ,দুর্দান্ত সংগীত,দারুণ নতুন জুটি না আরও কিছু?</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">সাইয়ারা ঝড়</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এখন সাইয়ারা ঝড়ে সমগ্র ভারত কম্পমান।মোহিত সুরির নতুন জুটি অহন পান্ডে আর আনিত পড্ডার জাঁকালো আবেগের প্রেমকাহিনিতে প্রেক্ষাগৃহে নতুন হিস্টিরিয়ার ইন্সটা আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কে রিলস যেখানে দেখা যাচ্ছে&nbsp; ইয়াং জেন&nbsp; হলে পাগলপ্রায় হয়ে আকুল&nbsp; কাঁদছে ,খালি গায়ে গড়াগড়ি করছে এমন উন্মাদনা।৩৭ কোটি টাকার বাজেটের সাইয়ারা এখন অবধি ৪৮৫ কোটি (গ্রস) টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে।</p>



<p>এখনকার পিতৃতান্ত্রিক সমাজে প্রবল পৌরুষ,ভয়ঙ্কর উদ্ধত,রাগি,ক্যাসানোভা, নায়ক  চরিত্র অ্যানিমাল ছবির পর থেকে আজকের জেন এক্সের কাছে কেন এতো সাংঘাতিক জনপ্রিয় এবং এই প্রবণতার পারিবারিক সমাজজীবনে কী প্রভাব এবং সেটা কতটা ভালো এই বিষয় সমাজ বিজ্ঞানী,মনোবিদদের আগ্রহ ও চর্চার কারণ হতে পারে এবং হচ্ছেও।</p>



<p>আমরা গল্পে দেখি রাগী, অন্তর্মুখী কিন্তু প্রতিভাবান উঠতি সঙ্গীতশিল্পী,মারকুটে ,গ্যাং লিডার  ঋষ কাপুর (আহান পান্ডে) তার জীবনে আশ্রয় খুঁজে পায় এক সহজ-সরল, স্থির প্রকৃতির গীতিকার বাণী বাত্রার (অনীৎ পড্ডা ) মধ্যে। হৃদয়ভঙ্গের পরে বাণী আবারও নিজের কথার জাদু খুঁজে পায় ঋষের ভালোবাসায়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে এক উষ্ণ, আবেগঘন সম্পর্ক, আর ঋষের তারকা হয়ে ওঠার উত্থানও যেন এক স্বপ্নের মতো। কিন্তু সেই স্বপ্নপথে আসে এক মর্মান্তিক বাঁক, যা তাদের প্রেম এবং মানসিক দৃঢ়তাকে কড়া পরীক্ষা দেয়। এই চলচ্চিত্র দেখায় কীভাবে তাঁরা সেই কঠিন অধ্যায়কে মোকাবিলা করে।রোমান্স, কাঁচা আবেগ, মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আর হৃদয়স্পর্শী সুর এই সবকিছুই যেন মোহিত  সুরির (Mohit Suri) ছবির স্বাক্ষর, এবং সাইয়ারা তাতে পুরোপুরি খাঁটি। চিত্রনাট্যকার সংকল্প সদানাহ ছবির শুরুতেই আবেগের সুর বেঁধে দেন বিয়ের দিনে ছেড়ে যায় বাণীকে তার হবু বর। ছয় মাস পর, ভাঙা মন নিয়েই সে কাজ শুরু করে সাংবাদিকতা ইন্টার্নশিপে। সেই সময়েই প্রবেশ ঘটে ঋষ কাপুরের,একটি  রগচটা ,উগ্রস্বভাব, তীব্র আবেগপ্রবণ তরুণ সঙ্গীতশিল্পী, যার একটাই স্বপ্ন,বিশ্বজয়।</p>



<p>বাণী ও ঋষ,দুজনেই নিজেদের ব্যক্তিগত যন্ত্রণায় জর্জরিত, কিন্তু একে অপরের মধ্যে খুঁজে পায় নিরাময়। ছবির প্রথমার্ধে যে রোমান্স ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, সেটাই পরবর্তীতে গভীর প্রেমের দিকে নিয়ে যায়। তবে, ছবির মূল ট্র্যাজেডি অংশটি ,অ্যালজাইমার রোগ,তাড়াহুড়ো করে দেখানো হয়েছে, যার ফলে কাহিনি কিছুটা দুর্বল লাগে।এই রকম রোমান্টিক-সঙ্গীতধর্মী কাহিনি অতীতে দেখা গেছে ঠিকই, কিন্তু সাইয়ারার বিশেষত্ব হল এটি বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া, রিলস আর মিউজিক কোলাবের যুগে নতুন প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করে।মোহিত সুরি আবেগের মূল কেন্দ্রে ঠিক হাত রেখেছেন। কিন্তু সম্পূর্ণ চিত্রনাট্যের গতি কখনও ধীর, কখনও তাড়াহুড়ো,যার ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য খুব তাড়াতাড়ি পেরিয়ে যায়। তবু কিছু মুহূর্তে কাঁচা, বাস্তব আবেগ ঠিকমতো পৌঁছে যায় দর্শকের মনে।</p>



<p>চলচ্চিত্রটির আবেগপ্রবণ কোরকে পরিপূর্ণতা দেয় এর সঙ্গীত,ফাহিম আবদুল্লাহ, তনিশ্ক বাগচী, ঋষভ কান্ত, বিষাল মিশ্র, আরসালান নিজামী, মিথুন ও সচেত-পরম্পরা—এদের সুরে তৈরি গানগুলো একের পর এক শ্রুতিমধুর ও হৃদয়গ্রাহী। জন স্টুয়ার্ট এডুরির আবহসঙ্গীত পুরো অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। বিকাশ শিবরামনের সিনেমাটোগ্রাফি রঙিন, প্রাণবন্ত, এবং মঞ্চ পারফর্মেন্স বা আবেগঘন দৃশ্যগুলো অসাধারণভাবে ক্যামেরাবন্দি করেছে।অভিনয়ে আহান পান্ডের আত্মপ্রকাশ চমকপ্রদ। একদিকে তারকার মতো আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে সম্পর্কের যন্ত্রণায় বিধ্বস্ত এক তরুণ,দুটো দিকই দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ফিনালে দৃশ্যে এক পুরোনো মুহূর্তে ফিরে গিয়ে তার ‘র অস্বস্তিকর আত্মবিশ্বাসকে রূপান্তর করেন নিখাদ আবেগে,কিছুটা&nbsp; বিরাটকোহলির ‘কিং’ মোডে। অনীত পড্ডাও&nbsp; প্রেম ও আবেগের দৃশ্যে দারুণ। তাঁর উপস্থিতি কোমল, কিন্তু দৃঢ়। বিশেষ করে একটি রেকর্ডিং স্টুডিওর দৃশ্যে, যেখানে তিনি আবেগের স্থায়ীত্ব বনাম ট্রেন্ডের ক্ষণস্থায়ীতা নিয়ে কথা বলেন, সেখানে তাঁর সংলাপ ও অভিব্যক্তি দর্শককে ছুঁয়ে যায়।</p>



<p>সাইয়ারা একটি ভিজ্যুয়ালি আকর্ষণীয়, আবেগঘন, ও সুরভরা রোমান্টিক মিউজিক্যাল যা নতুন কিছু না হলেও, আবেগ ও সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য একটি একবার দেখার মতো অভিজ্ঞতা। আহান-অনীতের অনবদ্য অভিনয়, প্রাণবন্ত সংগীত, এবং মোহিত সুরির আবেগ-নির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি এই চলচ্চিত্রকে মনে রাখার মতো করে তোলে।</p>



<p>এই ছবির মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা।যশ রাজ্ ফিল্মস অত্যন্ত সুনিপুণ ভাবে প্রথাগত প্রচার কৌশল এড়িয়ে ,হলে ইয়াং জেনের বাঁধভাঙা চরম আবেগের রিলস সমাজমাধ্যমে মার্কেটিং আরও অন্যান্য নানাভাবে যেমন গান ভাইরাল হওয়া এই সব মার্কেটিং প্রমোশনাল&nbsp; স্ট্র্যাটেজি দুর্দান্ত ফলপ্রসূ হয়েছে যা ছবির&nbsp; মেগাহিট হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">সাইয়ারা ঝড়</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সত্যজিতের চোখে উত্তম</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Jul 2025 05:19:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Satyajit Ray]]></category>
		<category><![CDATA[Uttam Kumar]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=9082</guid>

					<description><![CDATA[<p>“উত্তম একজন বর্ন অ্যাকটর। আমি একে বলি 'পুরো শিল্পী'।”</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/">সত্যজিতের চোখে উত্তম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>উত্তমকুমারকে নিয়ে যতই লেখা হোক না কেন, যেন কিছুই যথেষ্ট নয়। রূপালি পর্দার রোমান্সের সম্রাট, বাংলা সিনেমার মহানায়ক, একজন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য,উত্তমকুমার একাধারে অনুভব, এক বিস্ময়, এক অমরতা। তবে উত্তমকুমারকে যিনি সম্পূর্ণভাবে একজন অভিনেতা হিসেবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, তিনি হলেন চলচ্চিত্রের জাদুকর সত্যজিৎ রায়। একজন কিংবদন্তির চোখে আরেক কিংবদন্তির যে মূল্যায়ন, তা আজও সিনেমা-ইতিহাসের একটি বিশাল অধ্যায় হয়ে আছে।<br>১৯৪৮ সালে ‘দৃষ্টিদান’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রজগতে পা রাখলেও উত্তমকুমারকে দর্শক মনে রেখেছে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’,&#8217;সবার উপরে&#8217;,‘হারানো সুর’,‘সপ্তপদী’,&#8217;চৌরঙ্গী&#8217;,&#8217;বাঘবন্দী&#8217;,&#8217;যদুবংশ&#8217;,&#8217;সন্ন্যাসী রাজা&#8217;,&#8217;<br>‘নায়ক’এর মতো অগণিত ছবির জন্য। ষাট ও সত্তরের দশকে উত্তম-সুচিত্রার যুগলবন্দি বাংলা সিনেমার এক অনন্য স্বর্ণযুগ গড়ে তোলে। কিন্তু শুধুই রোমান্টিক নায়ক বললে উত্তমকুমারের প্রতি অবিচার করা হবে।<br>সত্যজিৎ রায় উত্তমকে প্রথম আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা রূপে প্রতিষ্ঠা করেন ‘নায়ক’ (১৯৬৬) ছবির মাধ্যমে। সেখানে একজন সফল, কিন্তু অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত সিনেমা তারকার মনের দ্বন্দ্বকে উত্তম যেভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা বিশ্ব-সিনেমার ইতিহাসেও বিরল।<br>সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন:“নায়ক চিত্রনাট্যটা লেখার সময় আমার মনে ছিল শুধু একজন-উত্তম। আমি জানতাম, এই চরিত্রে ও ছাড়া কেউ পারবে না।”<br>‘নায়ক’-এ উত্তমকুমার অভিনয় করেন অভিজিৎ রায়ের চরিত্রে—এক সুপারস্টার, যার বাইরের গ্ল্যামারের আড়ালে লুকিয়ে আছে চাপা অপরাধবোধ, অনুতাপ, অহংকার ও অতৃপ্তি। ট্রেনে এক সাংবাদিক তরুণীর সঙ্গে আলাপ এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসে অভিজিতের ভেতরের মানুষটা।<br>সত্যজিৎ রায়ের ভাষায়-“আমি উত্তমকে দেখেছি চরিত্রের গভীরে ঢুকে পড়তে। আমার চিত্রনাট্য পড়ে ও রিহার্সাল ছাড়াই অনেক দৃশ্য একবারেই নিখুঁত করে তুলেছে।”<br>উত্তমকুমারের শরীরী ভাষা, সংলাপের ওঠাপড়া, চোখের ভাষা—এইসব মিলিয়ে এক অভিনয়ের স্টাইল তৈরি করেছিলেন তিনি।বিখ্যাত অভিনেতা ও শিক্ষক সন্তোষ সিংহের কাছে থেকে ৫৬ রকম মুখের এক্সপ্রেশন শিখেছিলেন। সত্যজিৎ রায় বলতেন,“উত্তমের সবচেয়ে বড় গুণ, ও কখনও অতিরিক্ত করে না। ওর মধ্যে একটা ভারসাম্য আছে, যেটা একমাত্র প্রকৃত শিল্পীর মধ্যেই থাকে।”<br>‘নায়ক’-এর একটি দৃশ্য—যেখানে উত্তম বিছানায় শুয়ে ছেলেবেলার অপমানের কথা মনে করছে, মুখে কোনো সংলাপ নেই, কেবল চোখে অভিব্যক্তি,সেই দৃশ্য আজও বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একটি পাঠ্যদৃষ্টান্ত।<br>সত্যজিৎ কখনোই বাণিজ্যিক অভিনেতাদের অভিনয়গুণ নিয়ে সরল প্রশংসা করতেন না। কিন্তু উত্তমের বেলায় তাঁর অবস্থান ছিল আলাদা।“উত্তমের মধ্যে একটা স্নিগ্ধতা আছে, একটা আত্মবিশ্বাস আছে, আবার একটা ভাঙাচোরা মানুষও আছে। এই বৈপরীত্যটাই অভিনয়ে তাকে অনন্য করে তোলে।”<br>তিনি বারবার বলেছেন, উত্তম শুধু নায়ক ছিলেন না,তিনি ছিলেন একজন &#8216;থিঙ্কিং অ্যাক্টর&#8217; ‘thinking , মানে যার অভিনয়ের পেছনে ছিল উপলব্ধি, বিশ্লেষণ এবং চরিত্রমনের ভেতরে ঢোকার ক্ষমতা।<br>সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ মুক্তি পায় বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। সেখানে বিদেশি সমালোচকরাও উত্তমের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন। ইউরোপিয়ান পত্রপত্রিকায় লেখা হয়, &#8220;অ্যান অ্যাকটর অফ সুপ্রিম স্যাটেলিটি অ্যান্ড গ্রেস।&#8221;<br>সত্যজিৎ বলেছিলেন,“ওই ছবিতে উত্তম যেভাবে অন্তর্মুখী যন্ত্রণাকে ফুটিয়ে তুলেছে, তা যে কোনও আন্তর্জাতিক স্তরের অভিনেতার সঙ্গেই তুলনীয়।”<br>যদিও উত্তমকুমার অনেক আগেই সুপারস্টার হয়ে উঠেছিলেন, সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরেই তিনি হয়ে ওঠেন “মহানায়ক”,শুধু বাংলার নয়, গোটা ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অন্যতম উচ্চতা।<br>সত্যজিৎ বলেছিলেন, “উত্তমকে নিয়ে আমি আরও ছবি করতে চেয়েছিলাম। ওর মধ্যে বিশাল সম্ভাবনা ছিল। আফসোস, সময় পেলাম না।”<br>উত্তমকুমার ছিলেন স্টারডমের প্রতীক। কিন্তু সত্যজিৎ রায়ের দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন এক নিখুঁত অভিনেতা একজন “পুরো মানুষ”। তাঁদের একসঙ্গে কাজ শুধু সিনেমাকে নয়, দর্শকদের মনকেও সমৃদ্ধ করেছে।আজ উত্তম নেই, সত্যজিৎও চলে গেছেন। কিন্তু &#8216;নায়ক&#8217; ছবির সেই ট্রেনের কামরায় অভিজিৎ রায়ের মুখোমুখি সত্য উন্মোচনের মুহূর্ত আজও আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায়।<br>কারণ উত্তম শুধু অভিনয় করতেন না, তিনি বেঁচে থাকতেন তার চরিত্রের মধ্যে। আর সত্যজিৎ রায় সেই সত্যিকারের উত্তমকুমারকেই আমাদের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছিলেন।</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/">সত্যজিতের চোখে উত্তম</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/satyajit-rays-evaluation-of-uttam-kumar/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলা সিনেমার সুদিন ?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 12:19:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Amar Boss]]></category>
		<category><![CDATA[Benarase Bibhisikha]]></category>
		<category><![CDATA[Ekenbabu]]></category>
		<category><![CDATA[Kill Bill Society]]></category>
		<category><![CDATA[Parambrata Chattopadhyay]]></category>
		<category><![CDATA[Puraton]]></category>
		<category><![CDATA[Rakhee Gulzar]]></category>
		<category><![CDATA[Rituparna Sengupta]]></category>
		<category><![CDATA[Sharmila Tagore]]></category>
		<category><![CDATA[Srijit Mukherjee]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=8864</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাম্প্রতিক মুক্তি পাওয়া বাংলা ছবির রিপোর্ট কার্ড।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/">বাংলা সিনেমার সুদিন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কমলেন্দু</strong><strong> </strong><strong>সরকার</strong><strong></strong></p>



<p>হেডিংয়ে জিজ্ঞাসার চিহ্ন কেন! এ আপনাদের জিজ্ঞাস্যও হতে পারে কিংবা বিস্ময়। তাই এই চিহ্নটিই অনেক বুঝেসুঝে রাখলাম। আসলে আমার এক একদা সিনেমাপ্রেমী বন্ধু সেদিন সান্ধ্যবাসরে তার অভিজ্ঞতা ভাগ না করলে জিজ্ঞাসার চিহ্নটি রাখতাম কিনা ভেবে দেখতাম। যাক ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে লাভ কী! বন্ধুটি সেদিন একটি বাংলা ছবি দেখতে যায়, গিয়ে দেখে চলতি শোয়ের টিকিট নেই। পরের শোটিরও গুটিকয়েক টিকিট পড়ে আছে। সে তড়িঘড়ি করে একটি টিকিট কাটে।</p>



<p>ছবির নাম কি? জানতে চাইছেন? থাক, ছবির নাম নাইবা বললাম। ইদানীং বেশ কয়েকটি বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। প্রায় প্রতিটি ছবিই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে। বছর পঁচিশ আগে একটি বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছিল। এককোটি টাকার কম খরচে ছবি শেষ করলেও প্রায় আড়াই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করে। ছবিটি পঁচিশ বছর পর আবার পুনর্মুক্তি পেল ক&#8217;দিন আগে। এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন কোন ছবির কথা বলছি। হ্যাঁ, পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর &#8216;শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ&#8217;।</p>



<p>২০২৫-এর প্রথম মাস পাঁচেকের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছবি কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এ বছরের সবচেয়ে বড় খবর টলিউডের তিন নায়িকা বলিউডে গিয়ে প্রথম সারির নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন। &#8216;পেয়েছিলেন&#8217; শব্দটি প্রয়োগের কারণ হল তাঁরা এখন আর নায়িকা নন। যাইহোক, জনপ্রিয় এই তিন বাঙালি নায়িকা আবার টালিগঞ্জে এসে ছবি করলেন। এই তিন নায়িকা হলেন&#8212; শর্মিলা ঠাকুর, রাখি গুলজার এবং মৌসুমি মুখোপাধ্যায়।</p>



<p>শর্মিলা অভিনীত &#8216;পুরাতন, রাখি অভিনীত &#8216;আমার বস&#8217; দুটি ছবিই কোটি টাকার ওপর ব্যবসা দিয়েছে তবে&nbsp; মৌসুমির &#8216;আড়ি&#8217; আড়ালেই রয়ে গেল তেমন সাফল্য এল না বক্স-অফিসে।</p>



<p>সুমন ঘোষের &#8216;পুরাতন&#8217;, নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;আমার বস&#8217;, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের &#8216;সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই&#8217; এবং &#8216;কিলবিল সোসাইটি&#8217;র বক্স-অফিস সাফল্য এসেছে। পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের &#8216;এই রাত তোমার আমার&#8217;ও বক্স-অফিস খারাপ ছিল না, ভালই ব্যবসা করেছে। এই ছবিতে অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিলেন অপর্ণা সেন।</p>



<p>তবে সবাইকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে, এগিয়ে চলেছে পরিচালক জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের &#8216;দি একেন বেনারসে বিভীষিকা&#8217;। তবে &#8216;একেন&#8217;-এর বর্তমানে Brand value তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, ছবিটি নাকি ছ&#8217;কোটি টাকার ওপর ব্যবসা করেছে। তবে সবাইকে অবাক করেছে পরিচালক সৌরভ পালোধীর &#8216;অঙ্ক কি কঠিন&#8217;। ছবিটি নাকি চলছে ভালই।</p>



<p>আবার &#8216;বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান&#8217; শুরুটা ভাল করলেও পরের দিকে নাকি পিছিয়ে পড়েছে। অনেকেই বলছেন &#8216;সোনার কেল্লায় যখের ধন&#8217;-এর অবস্থা একইরকম। ওই এগোনো-পিছনোর খেলা চলছে!</p>



<p>একটা সময় ছিল প্রযোজক পরিবেশকেরা তাকিয়ে থাকতেন গরমের ছুটি, পুজো, বড়দিনের ছুটি ইত্যাদির দিকে। এখন কলকাতায় ভীষণ গরম পড়ছে। হাতের কাছে সিনেমাহল নেই। অর্থাৎ সিঙ্গল স্ক্রিন নেই। যেতে হবে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে। পকেট ফাঁকা করা টিকিটের দাম। তবুও সিনেমাপ্রেমী দর্শকেরা যাচ্ছেন। যতগুলো ছবি মুক্তি পাচ্ছে তার মধ্যে অনেকগুলো ছবিই ব্যবসা ভাল করছে, বক্স-অফিস সফল হচ্ছে মন্দ কী! তবে অনেকেরই মত (যাঁরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক), এই বক্স-অফিস সাফল্যের মধ্যে অনেকটাই নাকি জল আছে। তা থাকুক, সেসব তো আর সর্বক্ষেত্রে নয়। বাংলা ছবির সুদিন ফিরছে এ কম কথা নাকি!</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/">বাংলা সিনেমার সুদিন ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/box-office-revival-of-latest-bengali-movies/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রণবীর কেমন বাবা ?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:30:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[neetu kapoor]]></category>
		<category><![CDATA[ranbir kapoor]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7584</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুখের ভাব নিরাসক্ত ,নির্লিপ্ত থাকে কিন্তু একবার ঘরে রাহা এলেই...</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/">রণবীর কেমন বাবা ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রণবীর আলিয়া তাদের আদরের&nbsp; রাহাকে কে সুখে শান্তিতে আছে এ খবর অজানা নয় কিন্তু বাবা হিসেবে রণবীর কেমন ,কতটা দায়িত্ববান এ খবর এতদিন অজানা ছিল।সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে &#8216;গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো&#8217; প্রোগ্রামে এসে নিতু কাপুর জানালেন যে বাবা হিসেবে রণবীর খুব যত্নশীল এবং রাহাকে চোখে হারায় যা রণবীরের বাবা প্রয়াত ঋষি কাপুরের ব্যক্তিত্বের সম্পূর্ণ বিপরীত।</p>



<p>উনি এও জানিয়েছেন বাবা হওয়ার পর রণবীর সম্পূর্ণ বদলে গেছে ।এতটাই যত্নশীল যে রাহার &#8216; বার্প স্পেশালিস্ট &#8216; অর্থাৎ মেয়েকে খাওয়ানোর পর তার ঢেঁকুর তোলানোর স্পেশালিস্ট হয়ে গেছেন রণবীর।কপিল শর্মার প্রশ্নের উত্তরে রণবীর বলেছেন, &#8216;এখন আমার শুটিংয়ে যেতে,বেরোতে কিচ্ছু করতে ইচ্ছে করেনা,শুধু বসে ওর দিকে চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।জীবনে এমন অনুভূতি কখনো হয়নি।এখন আমি বুঝতে পারি মার আমার আর ঋধিমাকে দেখে এমনই মনে হতো।&#8217;</p>



<p>রণবীরের বোন ঋধিমা বলেছেন &#8216;রাহা রণবীরকে পুরো বদলে দিয়েছে।&#8217; নিতু আর একটি গোপন কথা জানিয়েছেন,উনি বলেছেন ,&#8217;রণবীরের যাবতীয় মুখের এক্সপ্রেশন সিনেমায় অভিনয় করার জন্য ব্যবহার করে,নিজ জীবনে ওর মুখের ভাব নিরাসক্ত ,নির্লিপ্ত থাকে কিন্তু একবার ঘরে রাহা এলেই ওর মুখের এক্সপ্রেশন পুরো বদলে যায় ,খুব উত্তেজিত হয়ে যায়।আলিয়া খুবই ভালো মা কিন্তু রণবীর একদম মেয়ের জন্য&nbsp; সদা তৎপর বাবা এবং ওর বাবা ঋষি কাপুরের সম্পূর্ণ বিপরীত কারণ ঋষি বাচ্চাদের বিষয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতোনা এবং সে অর্থে আদর্শ বাবাও ছিল না।&#8217;</p>



<p>করণ জোহর প্রযোজিত ভাসান বালা নির্দেশিত আগামী ছবি &#8216;জিগরা&#8217; তে আলিয়াকে দেখে যাবে আর রণবীরের পরের ম্যাগনাম অপাস ছবি নীতিশ তিওয়ারির রামায়ণ যেখানে রামের চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/">রণবীর কেমন বাবা ?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/ranbir-kapoor-parenting-secret-by-neetu-kapur/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 11:28:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[Featurerd]]></category>
		<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[Uttam Kumar]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7627</guid>

					<description><![CDATA[<p>আগামী ২৪ শে জুলাই থেকে ৭ই অগাস্ট।</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/">উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাঙালি জনমানসে উত্তমকুমারের অমোঘ আকর্ষণ&nbsp; এমনি যে চলে যাওয়ার ৪৫ বছর পরেও তাঁকে নিয়ে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল হয়।শিল্পী সংসদ আয়োজিত উত্তম কুমার চলচ্চিত্র উৎসব হতে চলেছে নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ওনার প্রয়াণ দিবস আগামী ২৪ শে জুলাই থেকে ৭ই অগাস্ট।</p>



<p>দুপুর ৩টে ও ৬টায় নন্দন ১,২ ও ৩ প্রেক্ষাগৃহে যে চিরকালীন সুপারহিট ছবি গুলি দেখানো হবে :</p>



<p>সাড়ে ৭৪,সবার উপরে,মৌচাক ,মন নিয়ে, অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি,সদানন্দের মেলা,রাই কমল,সাথীহারা,চৌরঙ্গী,সূর্যতোরণ,উত্তরায়ণ,অন্ধ অতীত,জীবন তৃষ্ণা,পৃথিবী আমারে চায়,রাজকুমারী,কখনো মেঘ,অবাক পৃথিবী,শুন বরনারী,প্রিয় বান্ধবী,পুত্রবধূ,রাজকন্যা,যদি জানতেম,অভয়ের বিয়ে,শেষ অঙ্ক,শ্যামলী,উপহার,জীবন মৃত্যু, একটি রাত, সেই চোখ,থানা থেকে আসছি ।</p>



<p>উত্তম কুমারের এই ছবিগুলো বহুবার ছোট পর্দায়,ইউ টিউব আর ওটিটিতে দেখা যাওয়ার সুযোগ হলেও বড় পর্দায় নিরিবিচ্ছিন্ন ছবি দেখার আনন্দ আর আমেজের তৃপ্তির তুলনীয় অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না।আর একটি বিষয় হল এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে নিয়ে উত্তমকুমারের ছবি বড় পর্দায় দেখার,নিজেদের নস্টালজিয়া,এই ছবিগুলি হলে দেখার সুখস্মৃতি সর্বোপরি ১৬দিন ধরে নন্দনে উত্তম কুমারের চিরকালীন মহিমা প্রত্যক্ষ করার এই সুযোগ ছাড়া উচিত হবে না।</p>



<p>কবে কখন কোন ছবি তার তালিকা রইল :         </p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="768" src="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1.jpeg" alt="" class="wp-image-7628" style="aspect-ratio:1.3333333333333333;width:521px;height:auto" srcset="https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1.jpeg 1024w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1-300x225.jpeg 300w, https://sukanyadigital.com/wp-content/uploads/2024/07/WhatsApp-Image-2024-07-01-at-12.02.15-PM-1-768x576.jpeg 768w" sizes="(max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/">উত্তম কুমার ফিল্ম ফেষ্টিভ্যাল</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/uttam-kumar-film-festival/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</title>
		<link>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/</link>
					<comments>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sukanya Admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 Mar 2024 03:39:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Binodan]]></category>
		<category><![CDATA[Celebrities]]></category>
		<category><![CDATA[bogolamama jug jug jio]]></category>
		<category><![CDATA[hoi choi tv]]></category>
		<category><![CDATA[Lapata Ladies]]></category>
		<category><![CDATA[Oti Uttam]]></category>
		<category><![CDATA[sunflower season 2]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sukanyadigital.com/?p=7178</guid>

					<description><![CDATA[<p>কিছু এসে গেছে ,কিছু আসছে ....</p>
<p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/">এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এই মার্চ মাসে আমাদের পছন্দের কিছু দুর্দান্ত&nbsp; ছবি আর ওয়েব সিরিজের হদিশ রইল-</p>



<p>ছবি</p>



<p><strong>১</strong><strong>) </strong><strong>লাপতা</strong><strong> </strong><strong>লেডিস</strong>&#8211; নির্দেশক- কিরণ রাও অভিনয় &#8211; স্নেহা দেশাই,বিপ্লব গোস্বামী,দিব্যানিধি শর্মা,রবি কিষাণ।&nbsp;</p>



<p>আমির খান প্রযোজিত এই ছবির ট্রেলার ইতিমধ্যেই বাম্পার সুপারহিট।দুই নববধূর ট্রেনে অদল&nbsp; বদল হয়ে যাওয়ার দুর্দান্ত ঝঞ্ঝাট,ঝামেলার হাসির ছবি যার পরতে পরতে নারীবাদ,নস্টালজিয়া নিয়ে একটি ছোট শহরের অসামান্য গল্প।।</p>



<p>ছবির ট্রেলার –</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Laapataa Ladies(Official Trailer) Aamir Khan Productions Kindling Pictures Jio Studios |1st Mar 2024" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/tF1JN2pT_sM?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>২</strong><strong>) </strong><strong>অতি</strong><strong> </strong><strong>উত্তম</strong> পরিচালক -সৃজিত মুখার্জি অভিনয় &#8211; অনিন্দ্য সেনগুপ্ত,লাবনী সরকার,শুভাশিস মুখোপাধ্যায়,রোশনি ভট্টাচার্য্য,গৌরব চ্যাটার্জি এবং স্বয়ং উত্তমকুমার।</p>



<p>ক্যামেলিয়া প্রোডাকশন প্রযোজিত সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত আশ্চর্য ভাবনায় তৈরি এই আপাত হাসির প্রেমের ছবির গল্প একজন পিএইচডি গবেষক যার গবেষণার বিষয় মহানায়ক উত্তমকুমার বার বার তার প্রেমিকাকে প্রেম নিবিদন করতে গিয়ে বিফল হয়ে প্ল্যানচেটের সাহায্যে স্বয়ং উত্তমকুমারের স্মরণাপন্ন হয়।এই আশ্চর্য ছবিতে উত্তমকুমারের ৫৬টি ছবির দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার-&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Oti Uttam I Official Trailer I Uttam Kumar I Srijit I Gourab I Roshni I Anindya I Camellia" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/0MbaIgGti_8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>৩</strong><strong>) </strong><strong>শয়তান</strong> &#8211; নির্দেশক বিকাশ বেহল অভিনয় &#8211; অজয় দেবগন,মাধবন,জ্যোতিকা,জানকী বোদিওয়ালা</p>



<p>অজয় দেবগন এবং জিও স্টুডিওস&nbsp; প্রযোজিত এই ভয়ঙ্কর সুপারন্যাচারাল থ্রিলারের গল্প একটি সুখী পরিবারে আসা এক অনাহুত অতিথিকে নিয়ে যার উদ্দেশ্য ভয়ানক এবং তার পর শুরু হয় হাড় হিম হয়ে যাওয়া ঘটনার ঘনঘটা।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার &#8211;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Shaitaan Trailer | Ajay Devgn, R Madhavan, Jyotika | Jio Studios, Devgn Films, Panorama Studios" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/Yxe-mIVIwM4?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>বগলামামা</strong><strong> </strong><strong>যুগ</strong><strong> </strong><strong>যুগ</strong><strong> </strong><strong>জিও</strong> ওয়েব রিলিজ</p>



<p>নির্দেশনা -ধ্রুব ব্যানার্জি অভিনয়- খরাজ মুখোপাধ্যায়,ঋদ্ধি সেন,দিতিপ্রিয়া রায়,কৌশিক সেন,রজতাভ দত্ত,অপরাজিতা আঢ্য।</p>



<p>রাজকুমার মৈত্রের কালজয়ী বগলামামা ইতিমধ্যেই সুপারহিট।১৯৮০ সালের পটভূমিকায় কোলিয়ারি অঞ্চলের দুর্দান্ত বগলামামা আর তার কিশোর সাঙ্গ পাঙ্গদের হৈ হৈ হাসি আর মজার কান্ডকারখানা।হৈ চৈ তে আগামী ৮ই মার্চ থেকে দেখা যাবে।</p>



<p>ছবির ট্রেলার &#8211;</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Bogla Mama Jug Jug Jio (বগলা মামা যুগ যুগ জিও) Official Trailer| Kharaj | Dhrubo | Jio Studios | SVF" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/ZRJl8afPGIM?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>



<p><strong>সানফ্লাওয়ার</strong><strong> </strong><strong>সিজন</strong><strong> </strong><strong>২</strong> জি ফাইভ</p>



<p>নির্দেশক -নবীন গুজরাল&nbsp; অভিনয় -সুনীল গ্রোভার ,অদাহ শর্মা,রণবীর শোরে,আশিস বিদ্যার্থী</p>



<p>মিস্টার কাপুরের খুনের কিনারা করতে গিয়ে সানফ্লাওয়ার কমপ্লেক্স যেখানে খুন হয়ে যাওয়া মিস্টার কাপুরের&nbsp; বন্ধু বান্ধব,ওখানকার আবাসিক আর নিয়মিত আসা যাওয়া অনেকের ওপরেই সন্দেহের জাল বুনে কাহিনী এগিয়ে চলে,আর জেরায় সবাই মিথ্যে বলায় এক পুলিশ অফিসার বলে ওঠেন &#8216;ইয়ে সানফ্লাওয়ার নহি সব লায়ার কমপ্লেক্স হন চাহিয়ে।&#8217;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ছবির ট্রেলার –</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="Sunflower S2 | Official Trailer | Sunil Grover | Adah Sharma | A ZEE5 Original | Watch Now on ZEE5" width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/kLYZQr8nWa8?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>
</div></figure><p>The post <a href="https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/">এখন কোন সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ দেখবেন?</a> first appeared on <a href="https://sukanyadigital.com"></a>.</p>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sukanyadigital.com/upcoming-movies-and-web-series/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
